সর্বশেষ খবর

   সিলেটে মিডল্যান্ড ব্যাংক    রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের প্রতিশ্রুতি ধোঁকাবাজি: আরসা    মাংস এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত পানীয় ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়    ইনস্টাগ্রামের নয়া ফিচার, দেখেছেন কি?    প্রকাশ্যে চুমু, ‘দেশি গার্ল’-এর বিদেশি রোম্যান্স    নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাতে অস্বীকৃতি তিন খানের    ১০৫ রানেই শেষ পাকিস্তানের ইনিংস!    আইপিএলে এলিট তালিকায় সাকিব    নেতাকর্মীদের জেলে রেখে নির্বাচন হবে না: ফখরুল    সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ভিত্তিতেই গ্রেফতার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী    রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন হচ্ছে না কাল    সিলেটের দক্ষিন সুরমায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৪    সোবহানীঘাটে আবাসিক হোটেল থেকে প্রেমিক-প্রেমিকার লাশ উদ্ধার    মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তাসহ নিখোঁজ তিনজন গ্রেফতার    যুবলীগের বিভাগীয় প্রতিনিধি সমাবেশে অর্থমন্ত্রীকে নিমন্ত্রণ    গোয়াইনঘাট থানার আসামী উপশহরে গ্রেফতার    হবিগঞ্জে জমির আইল কাটা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০    সিলেট জেলা বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত    কোম্পানীগঞ্জে পরীক্ষার্থীকে নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন॥    দক্ষিণ সুরমায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার


খবর - স্বাস্থ্য

মাংস এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত পানীয় ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়

আমাদের খাদ্যাভ্যাসের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে অসুস্থতার কারণগুলি। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় এমন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, অতিরিক্ত মাংস, মিহি শস্যদানা এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত পানীয় নারী এবং পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই ক্যানসারের কারণ হতে পারে। সমীক্ষায় বলা হচ্ছে, উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত পানীয় এবং অতিরিক্ত মাংস প্রতিদিনের ডায়েটে থাকলে কলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

জামা অঙ্কোলজি জার্নালে প্রকাশিত সমীক্ষা অনুযায়ী জানা গিয়েছে, গবেষকরা টানা ২৬ বছর ১ লক্ষ ২১ হাজার ৫০ জন নারী এবং পুরুষের মধ্যে একটি সমীক্ষা করেন। তাদের খাদ্যাভ্যাস জেনে গবেষকদের মত, যে সমস্ত নারী-পুরুষ তাঁদের প্রত্যেকদিনেক ডায়েটে মাংস এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত পানীয় রেখেছিলেন, তাঁদের বিস্তারিত

রান্নায় নারিকেল তেল ব্যবহারে উপকার কী

নারিকেল তেল সাধারণত কেশ পরিচর্চায় ব্যবহার করি আমরা।

ভারতের বেশ কিছু অংশে নারকেল তেলে রান্না করলেও এ ক্ষেত্রে ব্যবহার খুবই কম বললেই বলা যায়। সে কারণেই রান্নায় এই তেলের গুণাগুণ সম্পর্কে আমরা খুবিই কম জানি। গবেষকরা বলছেন অন্যান্য তেলের থেকে নারকেল তেল খেলে হার্ট ভাল থাকে। কীভাবে?
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক কে-টি খয়ো এবং অধ্যাপক নীতা ফরৌহি একটি সমীক্ষা করেন। যেখানে ৫০ থেকে ৭৫ বছর বয়সী ৯৪ জন মানুষকে নিয়ে ওই সমীক্ষা করা হয়। হৃদরোগ কিংবা ডায়াবিটিস হয়নি এমন ব্যক্তিদের নিয়ে গবেষণায় তাঁদের বলা হয় প্রত্যেকদিন ৫০ গ্রাম কিংবা ৩ চামচ নারকেল তেল, নাহলে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল কিংবা আনসল্টেড বাটার টানা ৪ সপ্তাহ ধরে খান। গবেষকরা এই সমীক্ষার মাধ্যমে দেখতে চেয়েছিলেন, এই ধরনের ফ্যাট প্রত্যেকদিন শরীরে গেলে তাঁদের কোলেস্টেরলের মাত্রায় কী তফাত্ দেখা দেয়।
৪ সপ্তাহ পর দেখা যায়, যারা বাটার খেয়েছিলেন তাদের মধ্যে LDL কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা ১০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। যাঁরা অলিভ অয়েল খেয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে LDL কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে গিয়ে HDL বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা ৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। সব থেকে চমকদার বিষয়, যাঁরা ৪ সপ্তাহ ধরে রান্নায় নারকেল তেল খেয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে HDL বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা ১৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে।

তাই সমীক্ষা শেষে গবেষকদের মন্তব্য, হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নারকেল তেল খাওয়া খুবই জরুরি।

বিস্তারিত

দই-ভাতের স্বাস্থ্য উপকারিতা

যখন কেউ পেটের সমস্যায় ভোগেন তখন তাকে এক বাটি দই খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এসিডিটির সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে দই খান। জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন? তাহলেও পেট ভরে দই খেতে বলা হয়।

এসিডিটি, ডায়রিয়া বা জ্বরের জন্যই শুধু ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে কাজ করে দই-ভাত। শুধু তাই নয়, আরো অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতাও আছে এর।
তাহলে জেনে নিন দই-ভাতের স্বাস্থ্য উপকারিতা-
১। ওজন কমায়হ্যাঁ দই-ভাত ওজন কমতেও সাহায্য করে। ওজন কমানোর জন্য তিন বেলাই দই-ভাত খেতে হবে এমন নয়। তবে আপনার ডায়েট প্ল্যানে দই-ভাত অন্তর্ভুক্ত করুন। ভেজিটেবল ফ্রায়েড রাইসের তুলনায় দই-ভাতের ক্যালরি কম থাকে। একবাটি দই-ভাত খেলে পেট ভরে যায় এবং ক্ষুধা কম লাগে।
২। কোষ্ঠকাঠিন্যদই ভালো ব্যাকটেরিয়ায় পরিপূর্ণ। অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে দই। এতে প্রচুর পানি থাকে বলে মল নরম করার মাধ্যমে মল বাহির হয়ে যেতে সাহায্য করে। এছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্যের ফলে পেটে যে ব্যথা হয় তা কমতে সাহায্য করে দই-ভাত।
৩। জ্বরেজ্বরের ফলে কিছু খেতে ইচ্ছে করছেনা আপনার? তাহলে সামান্য দই-ভাত খেয়ে নিন। এতে আপনার পেট ভরার অনুভূতি পাবেন এবং ইনফেকশনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার এনার্জিও পাবেন। দইয়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে উদ্দীপিত করার উপাদান থাকে বলে জ্বরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও জ্বরের জন্য যে ঔষধ ও এন্টিবায়োটিক সেবন করা হয় তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে দই-ভাত।
৪। পেটের সমস্যায়পেটের সমস্যা যেমন- এসিডিটি বা বদহজম হলে নিয়মিত খাবারের বদলে একবাটি দই-ভাত খাওয়াই সবচেয়ে ভালো প্রতিকার। এছাড়াও এটি পুষ্টি উপাদান শোষণে এবং পরিপাকে সাহায্য করে।
৫। স্ট্রেস কমায়নিয়মিত দই-ভাত খেলে শুধু পাকস্থলীর স্বাস্থ্যের উন্নতিই ঘটায় না বরং স্ট্রেস কমতেও সাহায্য করে। দইয়ে প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভালো ফ্যাট থাকে। ব্যথা ও আবেগ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মেজাজের উন্নতি ঘটায় দই-ভাত।দই দাঁত ও হাড়ের জন্য ও ভালো। ভাতে প্রচুর শর্করা থাকে বলে এনার্জি পেতে সাহায্য করে। এছাড়াও ভাত গ্লুটেন মুক্ত এবং এতে খারাপ কোলেস্টেরল থাকেনা।
দই-ভাতের রেসিপি :এক বাটি ভাতের সাথে আধাকাপ দই মিশান। যদি দই খুব ঘন মনে হয় তাহলে এর সাথে সামান্য পানি মেশান। একটি পাত্রে ১ চামচ তেল, ১ চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ পরিমাণ জিরা, ১ চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ পরিমাণ মুগডাল, ৪-৫ টি কারি পাতা, কিছু ধনিয়া পাতা এবং এক চিমটি লবণ নিয়ে মিশ্রিত করুন। এই মসলার মিশ্রণ দই-ভাতের মধ্যে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল দই-ভাত।যাদের ঠান্ডা-কাশি হওয়ার প্রবণতা বেশি তাদের রাতের বেলায় দই না খাওয়া ভালো। বিস্তারিত

ওসমানী মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. এম এ রকিব আর নেই

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ এর সাবেক অধ্যক্ষ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের সভাপতি, সিলেটের সর্বজন শ্রদ্ধেয় চিকিৎসক প্রফেসর ডা. এম এ রকিব আর নেই।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২.৫৫ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন এ বরেণ্য চিকিৎসক (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তিনি স্ত্রী,এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের পাবলিসিটি সেক্রেটারি সাংবাদিক আবু তালেব মুরাদ মুত্যুর  বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুকালে তার ছেলে তানভীর তার সাথে ছিলেন। খবর পেয়ে তার স্ত্রী ঢাকায় গেছেন।
ডা. এম এ রকিব ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের সভাপতি  এবং সিলেট ডায়াবেটিস হাসপাতালের সভাপতি ছিলেন। বিস্তারিত

প্রকাশ্যে পুরুষদের জন্য এল জন্মনিরোধক ট্যাবলেট

লন্ডন: এতদিন মহিলাদের গর্ভনিরোধক পিলের কথা শুনেছেন এবার তৈরি হয়েছে পুরুষের জন্যেই জন্মনিরোধক ট্যাবলেট৷ সম্প্রতি গবেষকেরা পুরুষদের জন্য একটি নয়া ভেষজ জন্মনিরোধক ট্যাবলেট আবিষ্কার করেছেন৷

গবেষকদের দাবি এই ট্যাবলেট বাস্তবে প্রায় ৯৯ শতাংশ কার্যকরী৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের স্পার্মের মধ্যে এনজাইম রয়েছে তা এই ট্যাবলেটের সংস্পর্শে এসে দুর্বল হয়ে যাবে৷ এরফলে মহিলারাও গর্ভবতী হবেন না৷

ইন্দোনেশিয়ার এক বিশেষ উদ্ভিদ জেন্ডারুস গাছের রস দিয়ে তৈরি এই ভেষজ ট্যাবলেট৷ গবেষকরা জানিয়েছেন, ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়া দ্বীপের আদিবাসী পুরুষরা তাদের স্ত্রীদের গর্ভধারণ রুখতে এই গাছের রস দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করছেন৷
১৯৮৫ সালে এয়ারলাঙ্গা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ব্যাংব্যাঙ্গ প্রাজোগো এই গাছটি প্রথম তার গবেষণাগারে গবেষণার জন্য এনেছিলেন৷ তারপর থেকেই এই ট্যাবলেট তৈরির কাজ শুরু হয়৷ তবে এই পিল খেলে যে পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা একেবারেই শেষ হয়ে যাবে তা একেবারেই নয়৷
একমাসের মধ্যেই পুরুষের শুক্রাণু আবার কার্যকরী ভূমিকায় চলে আসবে৷ এই ওষুধের সুফলের পাশাপাশি একটি কুফলও চিহ্নিত করেছেন গবেষকরা৷ তারা জানিয়েছেন এই ওষুধ সেবনে পুরুষের ওজন একধাপে অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে৷ তাই এক্ষেত্রে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা একান্ত জরুরী৷ বিস্তারিত

কানের লতিতে ১মিনিট লাগিয়ে রাখুন কাপড় মেলার ক্লিপ!

আপনি কি প্রচণ্ড মানসিক চাপে ভুগছেন? তার জেরে মাথায় অসহ্য যন্ত্রণা?  কোনও কাজেই কি ঠিকমতো মন দিতে পারছেন না? আপনার যৌন জীবনও কি ব্রিবত? তাহলে নতুন বছরের শুরুতেই আপনি এই চেষ্টা করে দেখতেই পারেন! যার কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

দিনে অন্তত এক মিনিট নিজের কানের লতি চেপে ধরুন। শুধু মানসিক স্ট্রেসই নয়, শরীরের যে কোনও অংশের ব্যাথা সারাতে কানের লতির বিভিন্ন জায়গায় বুড়ো আঙুল ও তর্জনির সাহায্যে চাপ ফলদায়ী হয়ে উঠবে।

কীভাবে তা সম্ভব?
বিশেষজ্ঞ রিচার্ড র্যানডিগের মতে, কানের লতিতে রয়েছে একাধিক সূক্ষ্ম প্রেসার পয়েন্ট। মস্তিষ্কের কাছাকাছি অবস্থানের কারণেই কানের লতিতে অসংখ্য স্নায়ু রয়েছে, যা দেহের নানা অংশের সংবেদনের সঙ্গে যুক্ত।
কীভাবে ম্যাসাজ করতে হবে?
আরও পড়ুন: টাকাপয়সা নিয়ে গন্ডগোল, ঝাঁপ বন্ধ হচ্ছে একের পর এক ম্যাকডোনাল্ড রেস্তরাঁর
এর জন্য পার্লারে যাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। বাড়িতে বসেই করা যাবে কানের ম্যাসাজ। প্রথমে আরামদায়ক চেয়ারে বসতে হবে। মাথার চুল টেনে পিছন দিকে নিয়ে যেতে হবে, যাতে কান দুটি চুলে ঢাকা না পড়ে। এরপর জামা কাপড়ের ক্লিপ কানের লতিতে কিছুক্ষণ চেপে ধরুন। লক্ষ্য রাখুন, কীভাবে কানের লতির এক একটি অংশ চেপে ধরলে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাথা বা স্ট্রেস কমতে শুরু করে। মাঝে মধ্যে কানের লতি ৫ সেকেন্ড হাত দিয়ে টেনে ধরে রাখতে হবে। তবে অবশ্যই তা আস্তে। ৩-৪ বার ধীরে ধীরে এই ম্যাসাজ করলে আপনি নিজেই অনুভব করতে পারবেন যে আপনার শরীরের ব্যাথা কমছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোমর, কাঁধ, সাইনাসজনিত ব্যাথা উপশমে অব্যর্থ দাওয়াই। এছাড়াও স্ট্রেস কমে যাবে অনেকটাই। স্ট্রেস ফ্রি থাকবেন আপনি। আর এটাই হবে আপনার যৌনজীবনের দীর্ঘায়ুর রহস্য। বিস্তারিত

শীতের আপনাকে কীভাবে চাঙ্গা রাখবে গাজর?

শীতের মরশুম মানেই সবজির রমরমা। হরেক সবজির মধ্যেই লুকিয়ে নানা রোগ প্রতিরোধের সমাধান। এদের মধ্যে অন্যতম গাজর। বিটাক্যারোটিন, ফাইবার, ভিটামিন কে, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। শরীরের যাবতীয় শক্তির উৎস। ওজন কমাতে এর জুড়ি মেলা ভার। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন রোগ থেকে শরীরকে রক্ষা করে গাজর।

কর্কটের যমক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ সবজি ডায়াটে বেশি মাত্রায় থাকলে প্রস্টেট ক্যানসারের রিস্ক কমানো সম্ভব। গাজরে উপস্থিত বিটা ক্যারোটিন ফুসফুস ক্যানসার প্রতিরোধ করে। ধূমপায়ীরা বেশি গাজর খেয়ে ফুসফুস, কোলন ক্যানসার এড়ান। গাজরের রস লিউকোমিয়া সেল নষ্ট করতেও সাহায্য করে।
healthy-carrot-fries-11
দৃষ্টিশক্তিন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের তথ্য বলছে, শিশুর দৃষ্টিশক্তি কমার পিছনে দায়ী ভিটামিন এ-র অভাব। এই ভিটামিনের অভাবে রাতে দেখতে না পাওয়ার সমস্যাও হয়। গাজর ভিটামিন এ-এর সবচেয়ে ভাল উৎস।
ডায়াবিটিসগাজরে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও সাইটোকেমিক্যাল, যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। গাজর খেতে মিষ্টি হলেও এতে সুগারের মাত্রা খুবই কম। তাই ডায়াবেটিস থাকলে নিশ্চিন্তে খান গাজর।
ইমিউনিটিশীতকালে ঠান্ডা লাগার সমস্যা, সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পেতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো উচিত। গাজরের ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়াও গাজরে থাকে লাইকোপেন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
20151023-sous-vide-carrots-kenji-1500x1125
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কুচি কুচি করে কাটা হাফকাপ গাজরে থাকে ১.৮ গ্রাম ফাইবার ও ২০৫ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম। রক্তচাপ কমাতে ও হার্ট ভাল রাখতে সোডিয়াম কম কিন্তু পটাশিয়াম ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খেতে হবে। এই নিউট্রেন্টের ব্যালান্স সোর্স হল গাজর।
ওজন কমায়গাজর খেলে তৃপ্ত হয় মন। যা বেশি খাবার খাওয়ার ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরে ক্যালোরি কম মাত্রায় দ্রবীভূত হয়। ওজন কমানোর ডায়াটে তাই গাজর মাস্ট।

বিস্তারিত

হাওর অঞ্চলে ৩৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, হাওর অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আরও ৩৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ভারত সরকারের অর্থসহায়তায় কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ার আলী ও পার্টনার ইন ডেভেলপমেন্ট বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এতে স্বাক্ষর করেন। এই ৩৬ টি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণের জন্য ভারত সরকার মোট ৯ কোটি টাকা অনুদান দিবে। ইতোমধ্য সাড়ে ৪ কোটি টাকা পিপিডির নিকট প্রদান করেছে। ক্লিনিক গুলোরে নির্মাণ কাজ আগামী বছর জুন মাসের মধ্য সম্পন্ন হবে।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের প্রতিটি মানুষের স্বাস্থ্য উন্নয়নে ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রত্যেকটি সেবা জনগণের দোরগড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে কমিউনিটি ক্লিনিককে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য কাঠামোতে অন্তভুক্ত করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মান করা হয়েছে। ২০১৮ সালের মধ্যে আরো ৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মান করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক প্রধানমন্ত্রীর ব্রেন চাইল্ড। তার ভারত সফরের সময় সে দেশের সরকারের সঙ্গে এই ৩৬টি ক্লিনিক নির্মাণের চুক্তি হয়েছিলো। ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু রাষ্ট্র। ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতের যে লক্ষ্য, তা পূরণে এ উদ্যোগ সফল হবে। এতে অন্য বন্ধু রাষ্ট্রগুলোও উৎসাহিত হবে।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সাইক্লোন সেন্টারের আদলে হাওর এলাকায় ৫২০ বর্গমিটার আয়তনের ক্লিনিকগুলো তৈরি হবে। এতে পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা দু’টি বিশ্রামাগার, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র থাকবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ৫ টি জেলায় ৩৬ টি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মানের জন্য এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। জামালপুর, শেরপুর, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া এই ৫ টি জেলায় এই ক্লিনিক নির্মাণ করা হবে।
এ সময়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব ফয়েজ আহম্মেদ, অতিরিক্ত সচিব কাজী মহিউল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বিস্তারিত

কানে প্রায়ই ব্যথা!

কানে ব্যথা হলে অনেকেই এড়িয়ে যান। ভাবেন ঠান্ডা লেগেছে অথবা ছোটখাটো সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই চিকিৎসকেরর কাছেও আর যাওয়াও হয় না। কিন্তু নিয়মিত এরকম হতে থাকলে সাবধান হোন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, কানে এক ধরনের বিরল ক্যানসার হওয়ার উপসর্গ হল কানে ব্যথা হওয়া।

প্রতিবেদনটি থেকে জানা গিয়েছে, কানের যে কোনও তিনটে অংশে ব্যথা হতে পারে— কানের একদম ভিতরে, মাঝামাঝি অংশে বা একেবারে কানের বাইরে অংশে।
ইংল্যান্ডে ১০ লক্ষের মধ্যে অন্তত এক জন কানের মাধখানে ব্যথা হয়ে কানের ক্যানসারে আক্রান্ত হন। যাঁদের বিগত ১০ বছরের মধ্যে কানে ইনফেকশন হয়েছে, তাঁদের এই বিরল ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এঁদের বিশেষত কানের মাঝখানে ক্যানসার হয়।
কানের বাইরে, মাঝখানে এবং ভিতরে ক্যানসারের ভিন্ন রকমের উপসর্গ থাকে। এমনই জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের ক্যানসার রিসার্চের এক গবেষক।
কানের বাইরের অংশের ক্যানসার— এক ধরনের গোলাপি রংয়ের পিণ্ড তৈরি হয়।
কানের মাঝখানের অংশে ক্যানসার— কানে অসম্ভব যন্ত্রণা, বধির হয়ে যাওয়া। এ ছাড়াও কানের ভিতর থেকে এক ধরনের পদার্থ বেরোয় যার মধ্যে রক্তও থাকতে পারে।
কানের ভিতরের অংশে ক্যানসার— কানের ভিতরে ব্যথা, মাথার যন্ত্রণা, কানে কম শোনা, সারাদিন দুর্বল লাগা, অথবা কানের মধ্যে সব সময়ে এক ধরনের অদ্ভুত আওয়াজ হওয়া।

বিস্তারিত

কীভাবে মুক্তি পেতে পারেন সোরিয়াসিস থেকে?

ছাল ওঠা, শুষ্ক, খসখসে। কাছের মানুষও সরে যায় দূরে। সোরিয়াসিসের আতঙ্কে লুকিয়ে থাকবেন না। লক্ষণ চিনে সঠিক চিকিৎসা করলে কষ্টমুক্তি সম্ভব। ভরসা দিচ্ছেন বিশিষ্ট ডার্মাটোলজিস্ট ডা. রথীন্দ্রনাথ দত্ত। লিখছেন জিনিয়া সরকার

ত্বকের বিভিন্ন স্থানে সাদা আঁশের মতো খসখসে শুকনো অংশ। এক ঝলক দেখলে গা শিরশির করে ওঠে। দূরে সরে যায় কাছের মানুষ। এই ধরনের ত্বকের সমস্যা আসলে সোরিয়াসিসের লক্ষণ। এতে ত্বক লালচে হয়ে ফুলে ওঠে। তার উপর থেকে আঁশের মতো (মাইকেশিয়ে স্কেলস) ছাল উঠতে থাকে। যা একটু ফুলে ফুলে থাকে। এমন লক্ষণ দেখলে অবহেলা করবেন না।

কেন হয় এই রোগ?এটি জেনেটিক্স ডিজঅর্ডার। পরিবারে কারও সোরিয়াসিস থাকলে সেই পরিবারের অন্যদেরও যে কোনও বয়সে এই সমস্যা হবে। অটো ইমিউন ডিজঅর্ডার থেকেও এই ধরনের ত্বকের সমস্যা হয়। তবে যাঁদের এই সমস্যা হবে তাঁদের ত্বকের সেই স্থানটি খুব শুষ্ক হয়ে যায়।
সোরিয়াসিস চিনুন: এমন লক্ষণ দেখলে অসপিটজ (Auspit’s) সাইন টেস্ট করে চিকিৎসকরা দেখেন যে এটি সোরিয়াসিস কি না। এই টেস্ট করতে চিকিৎসকরা চ্যাপ্টা কিছু বা পয়সা নিয়ে এই ফোলা অংশের ছাল ওঠাতে থাকেন, সোরিয়াসিস হলে এই ছাল উঠে আসবে এবং একটা পাতলা লেয়ার দেখা যাবে। ওই লেয়ার তুললে ত্বকে লাল লাল ছোট ছোট ব্লিডিং স্পট দেখা যায়। তবে নিজে নিজে এই টেস্ট করা কখনওই উচিত নয়।
শুরুতেই নিয়ন্ত্রণ সম্ভব?ত্বকের এই সমস্যায় যত দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা যাবে তত সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে। দেরি করে চিকিৎসা শুরু করলে সমস্যা কমতে সময় লাগে। তবে ওষুধ খেয়ে রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলেও পুরোপুরি নির্মূল হয় না। পুনরায় ফিরে আসতে পারে। তাই কমে গেলেও ওষুধ খেতে হয়।
কেমন হবে ত্বকের পরিচর্যা: সোরিয়াসিসের সমস্যা থাকলে ত্বক প্রায়ই খুব শুষ্ক হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে ত্বককে সবসময় আর্দ্র রাখতে হবে।চিকিৎসকের পরামর্শমতো কেরাটোলাইসিস জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। তাহলে ত্বকের চামড়া ওঠা আঁশের মতো অংশ মোলায়েম থাকবে।ত্বকের প্রদাহ কমাতে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ লাগাতে হতে পারে। সঙ্গে ওষুধ খেতেও হবে। তবে অবশ্যই ভাল ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শমতো ওষুধ ব্যবহার করুন। অনেক ক্ষেত্রেই খুব বেশি মাত্রায় স্টেরয়েড ব্যবহার করলে দ্রুত সমস্যা কমে গেলেও ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি থাকে। শীতকালে সোরিয়াসিসের সমস্যা বৃদ্ধি পায়। বাজারচলতি ময়েশ্চারাইজার ক্রিম লাগালেও উপকার পাওয়া যায়। স্নানের সময় তেল লাগাতে পারেন, তবে সাবানের ক্ষেত্রে সিনডেট বেসড সাবান ব্যবহার করলে ত্বকের জন্য ভাল। কেনার সময় এই ধরনের সাবান কিনুন।
কাদের বেশি হয়?এই ধরনের ত্বকের সমস্যা মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের দ্বিগুণ সম্ভাবনা থাকে। ৩০-৪০ বছর বয়সিদের খুব বেশি হয়। তবে বাচ্চাদেরও এই সমস্যা হতে পারে। মধ্য বয়সিদের এই সমস্যার সম্ভাবনাও বেশি।
লক্ষণ: পা ফাটার সমস্যা বাড়ে, ত্বকের ছাল উঠতে থাকে, চুলকানি, ত্বক লাল হয়ে যেতে পারে, ত্বক শক্ত হতে থাকে, রক্ত বের হতে পারে, জ্বালা করতে থাকে, শরীরে খুব ক্লান্তিভাব আসতে পারে। তবে এই সমস্যা কখনওই ছোঁয়াচে নয়।
কমাতে ফোটোথেরাপি: এই সমস্যায় গায়ে রোদ লাগান। এক্ষেত্রে সূর্যের আলো খুবই উপকারী। সূর্যের আলোর অতিবেগুনি রশ্মি সোরিয়াসিস কমাতে সাহায্য করে। চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওষুধ লাগিয়ে তারপর ত্বকে রোদ লাগালে আরও বেশি উপকার হয়।
চিকিৎসা না করলে: ঠিকমতো চিকিৎসা না করলে হতে পারে সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস। জয়েন্টে ব্যথা, হাত-পায়ের গাঁট বেঁকে যেতে পারে। মাথায় খুসকির মাত্রা খুব বেড়ে যায়, পা ফাটে। খুসকি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোলটার বেসড শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে মেডিকেটেড
খাদ্যাভাস: এই ধরনের ত্বকের সমস্যা যাঁদের থাকবে তাঁদের খাওয়ার ব্যপারে কোনও বারণ থাকে না। কিন্তু নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস জরুরি। প্রোটিন জাতীয় খাবার খেলে এই ধরনের ত্বকের সমস্যা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সমস্ত রকম মিনারেলের চাহিদা পূরণ করতে হবে। তাই প্রচুর পরিমাণে ফল, শাক সবজি খেতে হবে।

বিস্তারিত

দেশে প্রথমবারের মতো ডায়বেটিস রোগীদের ডিজিটাল নিবন্ধন শুরু

দেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় পর্যায়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ডায়াবেটিস রোগীর নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে ডায়াবেটিস রোগীদের গুণগত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।  পাশাপাশি ডায়াবেটিস রোগ সম্পর্কে মানুষের সচেতনতাও বাড়বে।  বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি নভো নরডিস্কের সহযোগিতায় রোগীদের ডিজিটাল নিবন্ধনের কাজটি সম্পন্ন করবে ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

এই প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে রোববার ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক একে আজাদ খান ও নভো নরডিস্কে’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফ্রেডরিক কিয়ার এক চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। ঢাকা ক্লাবে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অধ্যাপক আজাদ খান বলেন, ‘বাংলাদেশে ডায়াবেটিস রোগীর সঠিক কোনো সংখ্যা বা এ সংক্রান্ত জরিপের উদ্যোগ এখন পর্যন্ত নেয়া হয়নি। দেশজুড়ে এই নিবন্ধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রোগীর সংখ্যাই শুধু নয়, একটা সঠিক চিত্র পাওয়া যাবে। ডিজিটাল নিবন্ধনের ফলে দেশে বসবাসকারী রোগীদের রক্তে গ্লু-কোজের মাত্রা, তিন মাসের গ্লু-কোজের গড় হিসাব (এইচবিএওয়ানসি) জানা যাবে। একইসঙ্গে রোগ সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যার সহজে সমাধান করা সম্ভব হবে।
এ সময় বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালনকারী প্রতিষ্ঠান নভো নরডিস্কের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফ্রেডরিক কিয়ার বলেন, ‘ডায়াবেটিস প্রতিরোধের জন্য এর গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা থাকা খুব জরুরি। পুরো পৃথিবীতে এই রোগ যাতে মহামারী আকার ধারণ করতে না পারে তার পেছনে ৯০ বছরের ও বেশি সময় ধরে কাজ করছে নভো নরডিস্ক।’
প্রসঙ্গত, এরই মধ্যে এসডিজি অর্জনের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে জাতিসংঘ অন্যান্য অসংক্রামক রোগের মধ্যে ডায়াবেটিসকে স্বীকৃতি দিয়েছে। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের তথ্যমতে, বাংলাদেশে এখন প্রায় ৬ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডায়াবেটিস রোগীর বসবাস। ২০৪৫ সাল নাগাদ এ সংখ্যা ১৩ দশমিক ৭ মিলিয়ন হবে। বাংলাদেশে শুধুমাত্র ২০১৭ সালেই ৯৭ হাজার ৬৪১ জনের মৃত্যুর কারণ ডায়াবেটিস। যদিও ২০৩০ সালের মধ্যে অসংক্রামক রোগের কারণে অকাল মৃত্যুর হার এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যও নির্ধারিত হয়েছে।

বিস্তারিত

হাতের ব্যথায় ভুগছেন? বাড়িতে বসেই রেহাই মিলবে

হাতের ব্যথায় ভুগছেন? আঙুল নাড়াতে গেলে লাগছে? ‘স্টিফনেস’ অনুভব করছেন? ডান হোক বা বাম, স্বাভাবিকভাবে হাতটাকে ‘বেন্ড’ করতে না পারলে বা হাতের আঙুলগুলোকে প্রসারিত করতে গিয়ে অপারগ হলে বুঝবেন, সাহায্য প্রয়োজন। প্রয়োজন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ। সেই পরামর্শই আপনাদের জন্য লিখলেন কোয়েল মুখোপাধ্যায়।

হাতে কারণে-অকারণে ব্যথা। দৈনন্দিন জীবনে এ এক অতি সাধারণ জিনিস। তাই গুরুত্ব না দিয়ে অনেকেই হাতের ব্যথায় কষ্ট পান। যেমন ধরুন কোনও কাচের বোয়ামের ঢাকনা খুলতে হবে। কিন্তু হাতে যথাসম্ভব বল প্রয়োগ করেও দেখছেন, কিছুতেই ঢাকনাটা খুলতে পারছেন না। এই ধরনের সমস্যায় জর্জরিত যাঁরা, তাঁদের জন্য সুখবর। এর সুরাহা সম্ভব। না, কোনও ট্যাবলেট-সিরাপ নয়। হাতের ব্যথা নিরাময় এবং হাতকে সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে নির্দিষ্ট কিছু এক্সারসাইজ। সহজ এই সব ব্যায়াম আপনি করতে পারেন বাড়িতে বসেই। অনায়াসে।
 
রিস্ট এক্সটেনশন অ্যান্ড ফ্লেক্সন- প্রথমে টেবিলের কিনারায় একটি তোয়ালে ‘ফোল্ড’ করে রাখুন। তার উপর হাত উপুড় করে রাখুন, এমনভাবে যাতে হাতের তালু থেকে আঙুল-সহ বাকি অংশ বাইরে ঝুলতে থাকে। আর তালুর নিচ থেকে হাতের বাকি অংশ থাকে তোয়ালের উপর। এবার আঙুল-সহ তালুটি আস্তে আস্তে উপরের দিকে তুলুন। ফের আগের পজিশনে ফিরে আসুন। ‘রিপিট’ করুন এই ব্যায়ামটি। সব শেষে একই ব্যায়াম করুন কিন্তু বিপরীত দিকে। অর্থাৎ এবার হাত উপুড় করে নয়, বরং তালুটি থাকবে উপরের দিকে।
unnamed-(4)
রিস্ট সাপিনেশন/প্রোনেশন- উঠে দাঁড়িয়ে বা বসে এই ব্যায়ামটি করতে পারেন। এক্ষেত্রে দুই হাত থাকবে দেহের দুই পাশে। কনুই ভাঁজ করুন। ৯০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেল বরাবর রাখুন। হাতের তালু থাকবে নিচের দিকে। বাকি হাত স্থির রেখে শুধুমাত্র আঙুলগুলোকে ঘোরানোর চেষ্টা করুন। যতটা সম্ভব।
unnamed-(3)
রিস্ট আলনার/ রেডিয়াল ডেভিয়েশন- প্রথম ব্যায়াম অর্থাৎ রিস্ট এক্সটেনশন অ্যান্ড ফ্লেক্সনের কায়দায় হাত রাখুন। ফারাক শুধু একটা, যে এবার হাত উপুড় করে নয়। হাতের সাইডটিকে রাখুন ‘ফোল্ড’ করা তোয়ালের উপর। ‘সাপোর্ট’ পেতে। বুড়ো আঙুলটি থাকবে উপরের দিকে। এবার কবজির উপর বল প্রয়োগ করে তাকে উপরে তুলুন এবং নিচে নামান। ধীরে ধীরে গতি বাড়ান।
unnamed-(2)
[যৌনতায় মেতে ওঠার আগে এই কাজগুলি করেন কি?]
থাম্ব ফ্লেক্সন/এক্সটেনশন- হাতের আঙুলগুলোকে মেলে ধরুন। প্রতিটি আঙুল যেন পরস্পরের থেকে আলাদা থাকে। বুড়ো আঙুলটি বাইরের দিকে রাখুন। এবার ওই বুড়ো আঙুলটিকেই একবার হাতের উপর নিয়ে আসুন। আর একবার বাইরের দিকে অর্থাৎ আগের পজিশনে নিয়ে যান।
unnamed-(1)
হ্যান্ড/ ফিঙ্গার টেন্ডন গ্লাইড- দু’টি হাতের আঙুলগুলি মেলে ধরুন। বুড়ো আঙুলটি থাকবে আপনার মুখের দিকে। সব আঙুল অল্প গুটিয়ে তালুতে রাখুন। হাত মুঠো করুন। সব আঙুল যেন তালুর ভিতরে ঢুকে যায়। হাত সোজা করুন। প্রথম পজিশনে ফিরে যান।
unnamed
তবে হ্যাঁ, ব্যথায় কাতর যাঁরা, তাঁদের এই সব ব্যায়াম করতে হবে যথেষ্টই ধীরে ধীরে। যাতে আঘাত না লেগে যায়। যদি এগুলি করতে গিয়ে অস্বস্তি অনুভব করেন, ব্যথা পান, তাহলে অতি অবশ্যই বন্ধ করে দিতে হবে। এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। আরও একটা কথা। হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী হাতের যে যে ব্যায়ামগুলি এখানে জানানো হল, সেগুলি করার সময় প্রত্যেকটি পজিশনেই অন্তত পাঁচ থেকে দশ সেকেন্ড ধরে রাখতে হবে। এক-এক বারে এক-একটি ব্যায়াম ‘রিপিট’ করবেন দশ বার করে। আর দিনে তিন বার ব্যায়ামগুলি করতে হবে।

বিস্তারিত

শীতকালে শুষ্ক-নিষ্প্রাণ ত্বক মুক্তি পেতে খান এই খাবারগুলি

শীতকালে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। কারণ, শীতকালের শুষ্ক আবহাওয়া ত্বকের আর্দ্রতা টেনে নেয়। ত্বককে করে তোলে নিষ্প্রাণ। শুষ্কতার সঙ্গী হয় কোঁচকানোভাব আর লালচে ত্বক। ময়েশ্চারাইজ়িং ক্রিম বা বডি লোশন ব্যবহারের পরও সবসময় এই শুষ্কভাব পুরোপুরি দূর হয় না। আসলে, এজন্য প্রয়োজন আভ্যন্তরিন পুষ্টি। আপনার খাদ্যতালিকার উপরও অনেকাংশে নির্ভর করে ত্বকের ধরন। জেনে নিন, শীতকালে কী কী খেলে আপনার ত্বক হবে প্রাণবন্ত-

কমলালেবুশীতকালের মরসুমি ফল কমলালেবু। বছরের যেকোনও সময়ই মরসুমি ফল খেলে ত্বক সুস্থ থাকে। কমলালেবুতে থাকে ভিটামিন-C। এই ভিটামিন ত্বকের কোঁচকানোভাব আসতে দেয় না সহজে। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন-C-যুক্ত খাবার বেশি থাকে, তাদের ত্বকে কোঁচকানোভাব অনেক কম দেখা যায়।

আমন্ডআমন্ড ত্বকের জন্য খুব উপকারি। এতে ভিটামিন-E থাকে। যা ত্বকের কোশগুলিকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়। সেইসঙ্গে আমন্ডে থাকে ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড। এই ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বককে ভিতর থেকে পুষ্টি ও আর্দ্রতা জোগায়। প্রতিদিন সকালে একমুঠো আমন্ড খেলে ত্বক থাকবে সুস্থ।
রসুনরসুনের অনেক গুন। কখনও ব্যবহার হয় রান্নায়, তো কখনও রোগ সারাতে কাজে লাগে। ত্বকের জন্য উপকারি রসুন। প্রতিদিন রসুন খেলে ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত কোশগুলি আগের অবস্থায় ফিরে আসে। তাছাড়া, রসুনে থাকা সালফার ত্বককে ভিতর থেকে পুষ্টি জুগিয়ে করে তোলে প্রাণবন্ত।
টোম্যাটোসূর্যরশ্মি ত্বকের জন্য খুব ক্ষতিকারক। টোম্যাটো এই ক্ষতির হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করে। টোম্যাটোয় থাকা একরকম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ত্বকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির কারণে ক্ষতির সম্ভাবনা অনেক কমায়।
পালং শাকশীতকালে অনেকেরই ত্বক শুকিয়ে চামড়া উঠতে শুরু করে। এর কারণ ভিটামিন-A-এর অভাব। পালংয়ের মতো সবুজ শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-A থাকে। যা ত্বকের শুষ্কভাব দূর করে ত্বককে করে তোলে কোমল।  
কলাকলা শরীরের জন্য খুব উপকারি। ত্বকের যত্নেও এই ফল কাজ দেয়। কলা খেলে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পায়। কলায় থাকে ভিটামিন-B-6 ও ভিটামিন-C। যা ত্বককে ভিতর থেকে আর্দ্রতা জুগিয়ে কোমল ও মসৃণ হয়ে উঠতে সাহায্য করে।
বিস্তারিত

মাছি কতধরনের রোগ জীবাণু বহন করে

বিজ্ঞানীরা বলছেন মাছি আমরা যা জানি তার থেকেও অনেক বেশি রোগজীবাণু বহন করে।

মাছির ডিএনএ বিশ্লেষণ করে আমেরিকান গবেষকরা বলছেন ঘরের মাছি আর নীল মাছি মিলে ৬০০য়ের বেশি বিভিন্নধরনের রোগজীবাণু বহন করে।

এর মধ্যে অনেক জীবাণু মানুষের শরীরে সংক্রমণের জন্য দায়ী, যার মধ্যে রয়েছে পেটের অসুখের জন্য দায়ী জীবাণু, রক্তে বিষক্রিয়া ঘটায় এমন জীবাণু এবং নিউমোনিয়ার জীবাণু।
পরীক্ষায় দেখা গেছে মাছি এসব জীবাণু এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছড়ায় তাদের পা আর ডানার মাধ্যমে। গবেষকরা বলছেন মাছি তার প্রত্যেকটি পদচারণায় লাইভ জীবাণু ছড়াতে সক্ষম।
"লোকের এমন একটা ধারণা সবসময়ই ছিল যে মাছি রোগজীবাণু ছড়ায়। কিন্তু এই ধারণার বাস্তব ভিত্তি কতটা এবং আসলেই মাছি কতটা ব্যাপকভাবে রোগজীবাণু বহন করে এবং তা ছড়ায় সেটা জানা ছিল না,'' বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন পেন স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষক অধ্যাপক ডোনাল্ড ব্রায়ান্ট যিনি এই গবেষণার সঙ্গে কাজ করছেন।
মহামারী ও মাছিএই গবেষণায় ডিএনএ বিন্যাস পদ্ধতি ব্যবহার করে ঘরের মাছি ও নীল মাছির শরীর থেকে সংগ্রহ করা আণুবীক্ষণিক জীবাণু পরীক্ষা করে দেখা হয়।
দেখা যায় ঘরের মাছি যা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই রয়েছে তা ৩৫১ ধরনের রোগজীবাণু বহন করে।
আর নীল মাছি যা দেখা যায় মূলত গরম দেশে, তা ৩১৬ ধরনের রোগজীবাণু বহন করে। এর মধ্যে বেশিরভাগ জীবাণুই দুই ধরনের মাছি বহন করে।
সায়েন্টিফিক রিপোর্ট নামে একটি সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হচ্ছে রোগজীবাণু ছড়ানোর জন্য মাছি কতটা দায়ী সে বিষয়ে জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা যথেষ্ট ওয়াকিবহাল নন।
"আমাদের ধারণা, জীবাণু সংক্রমণে মাছির ভূমিকা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দিয়ে কখনও দেখেননি এবং কোন রোগব্যাধি মহামারী আকার ধারণ করার ক্ষেত্রে মাছির ভূমিকা অর্থাৎ মাছি কত দ্রুত রোগজীবাণু ছড়াতে সক্ষম তা নিয়ে যথাযথ গবেষণাও হয়নি," বলেন প্রফেসর ব্রায়ান্ট।
তিনি বলেন, ''খোলা জায়গায় অনেকক্ষণ পড়ে থাকা খাবারটা আপনি খাবেন কীনা, এটা কিন্তু গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে।''
ঘরের মাছি অস্বাস্থ্যকর একথা নতুন নয়। তারা আবর্জনাস্তুপে উড়ে বেড়ায়। পচা খাবার, মরা জীবজন্তুর দেহ এবং বর্জ্য পদার্থই তাদের চারণভূমি। মানুষের শরীরে নানাধরনের রোগব্যাধি এমনকী জীবজন্তু ও গাছের মধ্যেও নানা রোগ ছড়ানোর কারণ মাছি।
মরা পশুপাখির শরীরের কাছে বেশি নীল মাছি উড়তে দেখা যায়। শহর এলাকায় নীল মাছি চোখে পড়ে বেশি। মাংসের দোকান, পশু জবাইয়ের জায়গা এবং আবর্জনাস্তুপের কাছে নীল মাছির উপদ্রব বেশি।

বিস্তারিত

শীতে সর্দি-জ্বর সারাতে আদা-রসুন স্যুপ

শীত প়ড়তেই হাজির জ্বর, গলা ব্যথা, অ্যাস্থমা, সর্দি, ইনফেকশন। যে কোনও মরসুমে সুস্থ থাকতে ভারতীয়রা বারবারই ভরসা রেখেছেন আয়ুর্বেদিক মশলাপাতির উপর। আর সেই তালিকায় উপরের দিকেই রয়েছে আদা, রসুন। এই সময় সর্দি, জ্বর দূরে রাখতে আদা, রসুনের উপর চিরকালই ভরসা রেখে এসেছেন মা, দিদিমারা। পুরনো সেই আদা, রসুন স্যুপের উপর ভরসা রাখতে পারেন আপনিও। শুধু জ্বর হলেই নয়, সারা শীতকালই খাওয়া যেতে পারে এই স্যুপ।
 রসুনের গুণরসুনের মধ্যে থাকা অ্যালিসিনের অ্যান্টিফাংগাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে। যে কারণে রসুন যে কোনও অ্যালার্জি, গলা ব্যথা, ফুসফুসের ইনফেকশনের মতো সমস্যা নিমেষে সারিয়ে তোলে।আদার গুণ বহু যুগ ধরেই সর্দি, জ্বর, পেটের সমস্যা সারাতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে আদা। প্রদাহ কমিয়ে আর্টারি সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে আদা। জ্বরের সময় বমি ভাব কাটাতেও আদা অব্যর্থ। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিফাংগাল গুণ ইনফেকশন দূর করে। কী কী লাগবেপেঁয়াজ: ৪টে (ছোট)আদার মূল: ৫০ গ্রাম (কোরানো)রসুন: ২ কোয়াচিকেন স্টক: ৭ কাপঝাল চিলি পেপার: ১টা (মিহি কুচনো) কী ভাবে বানাবেনএকটা ব়ড় বাটিতে পেঁয়াজ, রসুন, আদা সব কিছু নিয়ে ২ মিনিট হালকা আঁচে নেড়ে নিন। এর মধ্যে স্টক বা ব্রোথ দিয়ে আঁচ কম রেখেই ফোটাতে থাকুন যতক্ষণ না আদা, রসুন, পেঁয়াজ নরম হয়ে আসছে। উপরে চিলি পেপার কুচি ছড়িয়ে মিনিট পাঁচেক ঢিমে আঁচে রেখে নামিয়ে নিন। অন্য ভাবেযদি বেশি মশলা পছন্দ না হয় তা হলে লঙ্কা গুঁড়োর বদলে ছড়িয়ে নিতে পারেন দারচিনি গুঁড়ো।আরও বেশি স্বাস্থ্যকর করে তুলতে মেশাতে পারেন গাজর, বিট। যদি এই স্যুপই মিল হিসেবে খেতে চান তা হলে ব্রকোলি, বিনস, মাশরুম বা চিকেন মিশিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন বিশেষ ফ্লু মিল।  বিস্তারিত

শীতকালে বাচ্চাকে কলা খাওয়ানো উচিত ?

সন্তানকে কী খাওয়াবেন তা নিয়ে রীতিমতো চিন্তায় পড়ে যান অভিভাবকরা। বাচ্চার শরীরের পক্ষে কোন খাবার ভালো আর তাদের মুখে কোনটা রুচবে তা নিয়ে সব সময়তেই চিন্তায় থাকেন তাঁরা। তাছাড়া যে কোনও ঋতু পরিবর্তনের সময় বাচ্চাকে কী খাওয়ানো হবে তা নিয়েও সমস্যায় পড়েন। কারণ কোন খাবার সে সময় বাচ্চার শরীরের জন্য ভালো তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। তেমনভাবেই শীতকালে অনেক ঠান্ডা লেগে যাওয়ার ভয় থেকে বাচ্চাকে কলা দেওয়া হয় না।

তবে চিকিৎসকরা বলছেন যে কোনও কালেই বাচ্চাকে কলা দেওয়া যায়। কলা খেলে বাচ্চার কোনও শরীর খারাপ হয় না। এমনকী, ঠান্ডাও লাগে না।

প্রবল ঠান্ডাতেও বাচ্চাকে কোনও দিধা ছাড়াই কলা দিতে পারেন। এতে কোনও সমস্যাই হবে না। বাচ্চার যদি ঠান্ডা লেগেও থাকে তাহলেও তাকে কলা খাওয়াতে পারেন। কলায় যদি কোনও অ্যালার্জি না থাকে তাহলে নির্দিধায় তা দিন।
কলা দেশের প্রায় সব জায়গাতেই পাওয়া যায়। এছাড়া কলার অনেক গুনও আছে। বাচ্চারা খুব বেশি দৌড়া দৌড়ি করে। ফলে খুব তাড়াতাড়ি তাদের এনার্জি শেষ হয়ে যায়। তাই সে সময় সন্তানকে কলা খাওয়ান। এতে কার্বোহাইড্রেট ও শর্করার পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। যা তাদের এনার্জি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
তাছাড়া কলায় ফাইবারের পরিমাণও অনেক বেশি থাকে। যা বাচ্চার হজমশক্তি বাড়ায়। বাচ্চার যদি কোনও পেটের সমস্যা হয় তাহলে তাও নিরাময় হয়ে যায়। কোষ্ঠ কাঠিন্যের মত সমস্যাও দূর করে কলা।
তবে শুধু পেটের সমস্যাই নয়। ইউরিনের সমস্যাও দূর করে কলা। এছাড়া এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি৬ থাকে। যা বাচ্চার হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে। বাচ্চার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে।   বিস্তারিত

বাচ্চার শরীরের কোথাও ব্যথা হলে এগুলি কখনওই করবেন না

পড়া তৈরি হয়নি বলে পড়তে যেতে চায় না। আর সেগুলিকে আটকাতে একমাত্র ব্যথাকেই তারা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। তবে ব্যথাটা বেশিরভাগ সময় পেটেই হয়ে থাকে। কিন্তু, বাচ্চা ব্যথার ভান করছে নাকি তার ব্যথা সত্যিই করছে সেটা অবশ্য অভিভাবকদেরই বুঝতে হয়। কারণ অভিভাবকরা অনেক সময় বাচ্চার ভান ভেবে বিষয়টিকে তেমন একটা গুরুত্ব দেন না। আর তার জন্যই সঠিক সময় চিকিৎসা করানো সম্ভব হয় না। তাই বাচ্চা যদি কোনও অংশে ব্যথা করছে এই কথা বলে তাহলে আগে সেই বিষয় গুরুত্ব দিন। আর এই কাজগুলি একেবারেই করবেন না....

নিজের মতে বাচ্চাকে ওষুধ খাওয়ানো

বাচ্চার পেটে যদি ব্যথা হয় তাহলে নিজের ইচ্ছে মতো ওষুধ খাওয়াবেন না তাকে। এতে কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই বাচ্চার কোথায় ব্যথা হচ্ছে সেটা আগে দেখুন। বাচ্চার থেকে ঠিকভাবে শুনুন। তারপর চিকিৎসকের কাছে যান। কেন না কোন ওষুধে কী সাইঢ এফেক্ট থাকে সেটা তো বলা যায় না। তাই সবার আগে এটাই করা দরকার।
পেনকিলার খাওয়ানো
ব্যথা হওয়া মানেই পেনকিলার খাইয়ে দেওয়া নয়। আর বাচ্চাকে পেনকিলার যতটা পারবেন কম খাওয়াবেন। পেনকিলার বাচ্চার শরীরে অন্য এফেক্ট করতে পারে। আর কোন পেনকিলার কোন ব্যথার জন্য সেটাও সব সময় আমাদের পক্ষে জানা সম্ভব হয় না। তাই পিনকিলার খাওয়ালেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তবেই খাওয়ান।
আগের প্রেসক্রিপশন দেখে ওষুধ আনা
আগে ঠিক এইরকম ব্যথাই হয়েছিল। এবারের ব্যথার সঙ্গে তার অনেক মিল রয়েছে। তাই এবারও আগের প্রেসক্রিপশন দেখে ওষুধ আনার কোনও মানেই হয় না। কারণ আগের ব্যথার সঙ্গে মিল থাকলেও এবারের ব্যথার কারণ অন্য হতে পারে। তাই কোনও রিসক নেবেন না। ব্যথার বাড়ার জন্য অপেক্ষা না করে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ব্যথার জায়গাতে মালিশ করা
ব্যথার জায়গাতে মালিশ করতে যাবেন না। এতে আরাম হলেও ভুলেও মালিশ করবেন না। তাতে কিন্তু, ফল অন্য হতে পারে। কারণ আমরা সবাই সঠিক প্রেসার পয়েন্ট জানি না। আর তাই কোন পয়েন্ট চাপ দিয়ে মালিশ করা দরকার তাও আমাদের জানা নেই। ফলে যদি অন্য কোনও জায়গাতে প্রেসার বেশি পড়ে যায় তাহলে হিতে বিপরীত হতে পারে। ব্যথার কমার জায়গাতে আরও বেড়ে যেতে পারে।
গরম বা ঠান্ডা কোনও কিছু দেওয়া  
ব্যথার জায়গাতে গরম বা ঠান্ডা সেঁক দেবেন না। কারণ কোন ব্যথার জন্য কোনটা প্রয়োজন সেটা আমরা জানি না। তাই সেঁক দেওয়ারও কোনও মানে হয় না। অনেক সময় ব্যথার মধ্যে গরম সেঁক দেওয়ার ফলে ব্যথা বেড়ে যেতে পারে। অধিকাংশ চিকিৎসক এখন ব্যথার জায়গাতে ঠান্ডা সেঁক দিতে বলেন। এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াটা খুব প্রয়োজন।
বিস্তারিত

যেভাবে শুরু হল হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন

৫০ বছর আগে - ১৯৬৭ সালের ৩রা ডিসেম্বর - সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান ২৬ বছর বয়সী তরুণী ডেনিস ডারভাল। কিন্তু তার হৃৎপিণ্ড কাজ করা শুরু করে ৫৪ বছর বয়সী মুদি দোকানদার লুইস ওয়াশকান্সকির বুকে ।

দক্ষিণ আফ্রিকার সার্জন ক্রিশ্চিয়ান বার্নার্ডের নেতৃত্বে মানবদেহে প্রথমবারের মত হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন হওয়ার খবর বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
কেপ টাউনের গ্রুট শুর হাসপাতালে জড়ো হয় সাংবাদিকরা। খুব দ্রুত পরিচিতি পান বার্নার্ড আর ওয়াশকান্সকি।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে এই অস্ত্রোপচারকে "ঐতিহাসিক" আর "সফল" বলা হয়। যদিও ওয়াশকান্সকি অস্ত্রোপচারের পর ১৮ দিন বেঁচে ছিলেন।
প্রথম হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন গণমাধ্যমের নজর কেড়েছিল দারুণভাবে। চিকিৎসা সেবায় নতুন প্রতিশ্রুতি, অস্ত্রোপচার পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন আর প্রচারণার মাধ্যমে চিকিৎসক ও রোগী চলে আসেন আলোচনায়।
চন্দ্র অভিযানের মতই বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান ঘটনা হিসেবে দেখা হয়ে থাকে এটিকে।
ডা. বার্নার্ড, অস্ত্রপচার, হৃৎপিন্ড প্রতিস্থাপন
সেসময়কার একজন সাংবাদিকের ভাষায়, "একজন সংবাদকর্মীর যা যা চাওয়া থাকতে পারে তার সবই ছিল এখানে"।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে এটি ছিল একটি অসামান্য অর্জন। আর একজনের মৃত্যু ও তার হৃৎপিণ্ডে আরেকজনের নতুন জীবন পাওয়ার অনন্য গল্প, ভিন্ন মাত্রা দেয় এই ঘটনাকে।
আলোচনার কেন্দ্রেহাসপাতালের ওয়ার্ড থেকে ওয়াশকান্সকি'র প্রতি মিনিটের কাজকর্মের বিবরণের রিপোর্ট হয়। তার উঠে বসা, কথা বলা, হাসি, এমনকি নাস্তার সময় ডিমসেদ্ধ খাওয়ার ঘটনাও কাগজের প্রধান খবর হিসেবে জায়গা করে নেয়।
তার স্ত্রী আর দাতার বাবাও গণমাধ্যমে আলোচনায় আসেন। স্বামীকে "জীবন উপহার" দেয়ায়, মি. ডারভালের সাথে কৃতজ্ঞ মিসেস ওয়াশকান্সকি'র ক্রন্দনরত ছবি প্রকাশিত হয়।
নিউমোনিয়ায় মি. ওয়াশকান্সকি মারা যাওয়ার পর শোকের ছায়া লাগে মানুষের মধ্যেও। মি. ডারভাল দ্বিতীয়বার অনুভব করেন মেয়ে হারানোর শোক। তার কন্যার কোনো অংশই আর "জীবিত" ছিল না।
তবে এই পুরো সময়ই বার্নার্ড ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রে।
যেখানেই তিনি গিয়েছেন, তার পেছনে ছুটেছে হাজারো মানুষ আর ফটোগ্রাফাররা। দেখা করেছেন সমাজের বিশিষ্টজন আর চিত্রতারকাদের সাথে। এসেছেন ম্যাগাজিনের কাভারে।
তবে এরই মধ্যে হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছিল। চিকিৎসাবিদদের মতেও বিভক্তি তৈরি হয়েছিল। প্রযুক্তিগত দিক থেকে বেশ কয়েকজন সার্জন হার্ট ট্রান্সপ্লান্টের জন্য তৈরি ছিলেন। বার্নার্ডের অস্ত্রোপচারের ফলে আন্তর্জাতিকভাবে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
১৯৬৮ তে বিশ্বজুড়ে ১০০'র বেশী হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট সম্পন্ন করে চিকিৎসকদের ৪৭ টি দল। প্রতিটি অস্ত্রোপচার ব্যাপক প্রচার পায়।
তবে প্রথমদিকের অধিকাংশ রোগী খুব অল্পসময় বেঁচে ছিলেন, যাদের কয়েকজন বেঁচে ছিলেন মাত্র ঘন্টাখানেক। যার ফলে সাধারণ মানুষ বিষয়টি নিয়ে অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতে শুরু করে। মৃত্যুহার বেশী হওয়ায় সমালোচনা করেন চিকিৎসকরাও।
প্রশ্ন ওঠে, মানবদেহের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার সাথে অস্ত্রোপচারের ক্ষমতা তাল মেলাতে পারছে কিনা। এরকম 'হাই-টেক' পদ্ধতির পেছনে খরচ করার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
কর্মক্ষম হৃৎপিণ্ড শরীর থেকে বের করে নিয়ে দাতাকে হত্যা করা হচ্ছে কিনা, এ বিষয়ে জটিল আইনি ও নৈতিক বিতর্ক শুরু হয়।
ক্রিশ্চিয়ান বার্নার্ড ১৯৬৮ সালে বিবিসি'র টুমরো ওয়ার্ল্ড অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ পর্বে অংশগ্রহণ করেন
নৈতিকতার প্রশ্ন
১৯৬৮'তে বার্নার্ডের দ্বিতীয় হার্ট ট্রান্সপ্লান্টে একজন সাদা চামড়ার রোগীর দেহে "অন্য বর্ণের" ব্যক্তির হৃৎপিণ্ড লাগানো হলে বর্ণবিদ্বেষী দক্ষিণ আফ্রিকায় বিতর্ক শুরু হয়। প্রশ্ন ওঠে চিকিৎসকের মূল্যবোধ নিয়ে।"স্পেয়ার-পার্ট সার্জারি" কারো জন্য আশা, আবার কারো জন্য ভয় বয়ে নিয়ে এসেছিল।
১৯৬৮'র ফেব্রুয়ারিতে বিবিসি'র টুমরো ওয়ার্ল্ড অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ পর্বে বার্নার্ড তার সমালোচনার জবাব দেন, যেখানে সামাজিক ও নৈতিক বিষয়গুলোর দিকে আলোকপাত করেন তিনি।
টিভি ক্যামেরার সামনে বেশ কয়েকজন খ্যাতনামা চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করেন বার্নার্ড। চিকিৎসক ও রোগীর পরিচয়ের গোপনীয়তা রক্ষা বিষয়ক পেশাগত আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হয় এই অনুষ্ঠানে।
ওদিকে ১৯৬৮'র মে মাসে গণমাধ্যমের নজরদারি ও সমালোচনার মধ্য দিয়ে ব্রিটেনের প্রথম হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট সম্পন্ন হয়। বিতর্কিত এই অস্ত্রোপচার শেষ পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ১৯৭০ এ।
রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় উন্নতির সাথে সাথে আবারো শুরু হয় হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন।
বর্তমানে হৃৎপিণ্ডের রূপান্তর বা জীবন বাঁচিয়ে রাখার মত মধ্যবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হয়। তবে বার্নার্ডের প্রবর্তিত পদ্ধতি থেকে বর্তমানের সহজ হার্ট সার্জারির পথে যাত্রাটা একেবারেই মসৃণ ছিল না। বিস্তারিত

মৌলভীবাজারে প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়ের

মৌলভীবাজার নুরজাহান প্রাইভেট হাসপাতালে প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের পরিচালক, এক ডাক্তারসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত প্রসূতির দেবর মিন্টু পাল বাদী হয়ে বুধবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামীরা হলেন- মৌলভীবাজার ২৫০ শষ্যা বিশিষ্ট হাসপালের চিকিৎসক ডা. ফারজানা হক পর্ণা ও নুরজাহান প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোয়াহিদ আহমদ। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়- পপি রাণী পাল সন্তান সম্ভাব্য হওয়ায় গত ২৪ নভেম্বর রাত ৮টায় নূরজাহান প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হন। নিহত পপি রাণীর পরিবার সার্জারী করার জন্য ডা. সুধাকর কৈরীকে চাইলে হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন ডা. ফারজানা হক পর্ণা ভাল ডাক্তার, মহিলাদের জন্য মহিলা চিকিৎসক ভাল হবে। পপি রাণী পালকে রাত্র ৯টায় ওটিতে নেয়া হয়। রাত সাড়ে ৯টায় সার্জারীর মাধ্যমে এক পুত্র সন্তান জন্য নেয়। রাত সাড়ে ১০টার সময় পপি রাণী পাল এর রক্তক্ষরণ বন্ধ হচ্ছে না। ডা. ফারজানা হক পর্ণা ও তার সহযোগীরা ৩বার অপারেশন করেন এবং হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ পেটের ভিতর বেলুন ডুকিয়ে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা করেন। বেলুনে প্রচুর রক্ত জমা ছিল। এই ভাবে ডা. ফারজানা হক পর্ণা এবং তাহাদের সহযোগীরা বার বার চেষ্টা করিয়া রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে না পেরে ভোর ৬টার দিকে মূমূর্ষ অবস্থায় চিকিৎসা উন্নত করার জন্য সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এম.এ জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়ার পর পপি রাণী পালের অবস্থা আরো আশংকাজনক হয়। তাকে ঢাকা পিজি হাসপাতালে প্রেরণ জন্য বলেন ওসমানী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রোগীর শারিরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি দেখে ঢাকায় না গিয়ে সিলেটের স্থানীয় পার্ক ভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কৃত্তিম বেলুন পদ্ধতি অপরিবর্তিত রেখে ৮ ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়। তবুও কোন উন্নতি হয়নি এবং রাত ৪টায় পার্ক ভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পপি রাণী পাল মারা যান।
মামলায় আরো বলা হয়, মামলার ১ম আসামী ডা. ফারজানা হক পর্ণা নিহত পপি রাণী পালকে ভুল ভাবে অস্ত্রোপচার করে পেটের ভিতরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রতঙ্গ কেটে তাড়াহুড়া করে ডেলিভারি সম্পন্ন করেন এবং ২য় আসামী তোয়াহিদ আহমদসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনের সহযোগীতায় ২৪ নভেম্বর রাত ৯টা থেকে পরদিন ভোর ৬টা পর্যন্ত তাদের অধীনে রেখে মৃত্যু নিশ্চিতের পথে মুমূর্ষ অবস্থায় সিলেট এম.এ জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালের রেফার্ড করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেন। বিস্তারিত

সাবধান! বাচ্চাদের শূন্যে ছুড়ে আদর করবেন না

বাচ্চাকে শূন্যে ছুড়ে আদর করেন? শিশুকে শূন্যে তুলে ঝাঁকান? খুব সাবধান! মারাত্মক বিপদ ঘটে যেতে পারে। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে কোমায় চলে যেতে পারে শিশু। এমনকী তার মৃত্যুও পর্যন্ত হতে পারে।

খোকাকে ঘুম পাড়ানো হোক বা আদর। কান্না থামানো হোক বা দুষ্টুমি বাগে আনা। দুরন্ত বাচ্চাকে সামলানোটাই চ্যালেঞ্জ। মায়ের কোলে দুরন্ত শিশু শান্ত হয় ঠিকই। কিন্তু অন্য সময়? আনন্দে-আহ্লাদে আটখানা হয়ে অনেকেই আদরের আতিশয্যে বাচ্চাকে শূন্যে ছুড়ে আদর করেন। বা কান্না থামাতে শিশুকে শূন্যে তুলে ঝাঁকান।

আদর করুন। অনেক ভালবাসুন। যত্নে ভরিয়ে রাখুন শিশুকে। কিন্তু শূন্যে তুলে ঝাঁকানো বন্ধ করুন। এখনই। সম্প্রতি এক মার্কিন গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ৮০ শতাংশ চিকিত্সকের দাবি, ৩ বছরের ছোট শিশুকে ঝাঁকানো হলে শিশুর মস্তিষ্ক থেকে রক্ত বেরোতে পারে। একে সাবডুরাল হেমাটোমা বলে। ৯০ শতাংশ চিকিত্সকের মত, শিশুর মারাত্মক রেটিনাল রক্তক্ষরণও হতে পারে। ৭৮ শতাংশ চিকিত্সকের দাবি, এর ফলে শিশুটি কোমায় চলে যেতে পারে। এমনকী মৃত্যুও হতে পারে।
শিশুকে ঝাঁকানো হলে বারবার মস্তিষ্ক খুলির গায়ে ধাক্কা খায়। মস্তিষ্ক ও খুলির মাঝে ছোট ছোট রক্তনালি ছিঁড়ে যেতে পারে। ফলে, রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে যেতে পারে। রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। ওই অংশ ফুলে যেতে পারে। যেহেতু শিশুর ঘাড় সংবেদনশীল হয়, ঝাঁকানোর ফলে পেশি ছিঁড়ে যেতে পারে। মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে স্পাইনাল কর্ড। ব্রেনে মারাত্মক ইনজুরি হলে শিশু পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে। অন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমনকী বোবা-কালা হয়ে যেতে পারে শিশু।

বিস্তারিত

ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের গোপন রহস্য!

ইতিহাস অনুযায়ী পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা ছিলেন ক্লিওপেট্রা৷ সমস্ত পুরুষরাই নাকি তাকে নিজের রানি বানানোর স্বপ্ন দেখতেন৷ কিন্তু, ক্লিওপেট্রা কীভাবে নিজের পরিচর্চা করতেন, সেটা জানেন না অনেকেই৷ বর্তমানে সকল নারীই তার মতোই সুন্দরী হয়ে উঠতে চান৷ তাই আপনাদের জন্য ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের কিছু গোপন রহস্য তুলে ধরা হল৷ এগুলি ব্যবহার করলে আপনিও হয়ে উঠবেন আপনার মনের মানুষের ‘ক্লিওপেট্রা’৷
 ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের প্রধান চাবিকাঠি ছিল তার ‘ফেমাস মিল্ক বাথ’৷ এই মিল্ক বাথ তৈরি করতে এক লিটার দুধে ছোট এক কাপ মধু মিশিয়ে নিন৷ খেয়াল রাখবেন যাতে দুধ খুব বেশি গরম না হয়৷ ফোটানো দুধ একেবারেই ব্যবহার করবেন না৷ কারণ এতে দুধের মেডিসিনাল উপাদান নষ্ট হয়ে যায়৷ দুধ গরম হলে মুধর গুণও নষ্ট হতে পারে৷ এবার হালকা গরম জলে দুধের মিশ্রণ মিশিয়ে নিন৷ ২০ মিনিট এই জলে শরীর ভিজিয়ে রাখুন৷ মিল্ক বাথের পর স্ক্রাবিং অবশ্যই প্রয়োজন৷ ৩০০ গ্রাম সি-সল্টের সঙ্গে আধকাপ ক্রিম মিশিয়ে সারা শরীরে লাগিয়ে স্ক্রাবিং করে নিন৷ এতে ত্বক অনেক বেশি মসৃণ হবে ও সানবার্নের প্রভাবও কমবে৷ মুখের ত্বকে সতেজ রাখতে ফেস মাস্ক অবশ্যই জরুরী৷ মধু ও দুধের তৈরি মাস্ক মুখে ব্যবহার করুন৷ মধু ও দুধ সমান পরিমাণে মিশিয়ে সারা মুখে মাখিয়ে রাখুন৷ আধঘণ্টা পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ এর পর প্রয়োজন ক্লে মাস্ক৷ মুলতানি মাটি, মধু, টক দই ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন৷ এরপর প্রথমে গরম জল ও পরে ঠান্ডা ডল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন৷ এছাড়াও প্রতিদিন দু’বার করে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার নিয়ে মুখ ধুয়ে নিন৷ মাথার চুল ভাল রাখতে মাথায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন৷ এছাড়াও নিয়মিত হেনা চুলের জন্য উপযোগী৷ কাজের চাপে অনেকের পক্ষেই হয়তো প্রতিদিন এটি ব্যবহার করা সম্ভব নয়৷ তাও সপ্তাহে অন্তত তিনদিন চুলে হেনা ব্যবহার করুন৷ 
বিস্তারিত

ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের গোপন রহস্য!

ইতিহাস অনুযায়ী পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা ছিলেন ক্লিওপেট্রা৷ সমস্ত পুরুষরাই নাকি তাকে নিজের রানি বানানোর স্বপ্ন দেখতেন৷ কিন্তু, ক্লিওপেট্রা কীভাবে নিজের পরিচর্চা করতেন, সেটা জানেন না অনেকেই৷ বর্তমানে সকল নারীই তার মতোই সুন্দরী হয়ে উঠতে চান৷ তাই আপনাদের জন্য ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের কিছু গোপন রহস্য তুলে ধরা হল৷ এগুলি ব্যবহার করলে আপনিও হয়ে উঠবেন আপনার মনের মানুষের ‘ক্লিওপেট্রা’৷
 ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের প্রধান চাবিকাঠি ছিল তার ‘ফেমাস মিল্ক বাথ’৷ এই মিল্ক বাথ তৈরি করতে এক লিটার দুধে ছোট এক কাপ মধু মিশিয়ে নিন৷ খেয়াল রাখবেন যাতে দুধ খুব বেশি গরম না হয়৷ ফোটানো দুধ একেবারেই ব্যবহার করবেন না৷ কারণ এতে দুধের মেডিসিনাল উপাদান নষ্ট হয়ে যায়৷ দুধ গরম হলে মুধর গুণও নষ্ট হতে পারে৷ এবার হালকা গরম জলে দুধের মিশ্রণ মিশিয়ে নিন৷ ২০ মিনিট এই জলে শরীর ভিজিয়ে রাখুন৷ মিল্ক বাথের পর স্ক্রাবিং অবশ্যই প্রয়োজন৷ ৩০০ গ্রাম সি-সল্টের সঙ্গে আধকাপ ক্রিম মিশিয়ে সারা শরীরে লাগিয়ে স্ক্রাবিং করে নিন৷ এতে ত্বক অনেক বেশি মসৃণ হবে ও সানবার্নের প্রভাবও কমবে৷ মুখের ত্বকে সতেজ রাখতে ফেস মাস্ক অবশ্যই জরুরী৷ মধু ও দুধের তৈরি মাস্ক মুখে ব্যবহার করুন৷ মধু ও দুধ সমান পরিমাণে মিশিয়ে সারা মুখে মাখিয়ে রাখুন৷ আধঘণ্টা পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ এর পর প্রয়োজন ক্লে মাস্ক৷ মুলতানি মাটি, মধু, টক দই ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন৷ এরপর প্রথমে গরম জল ও পরে ঠান্ডা ডল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন৷ এছাড়াও প্রতিদিন দু’বার করে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার নিয়ে মুখ ধুয়ে নিন৷ মাথার চুল ভাল রাখতে মাথায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন৷ এছাড়াও নিয়মিত হেনা চুলের জন্য উপযোগী৷ কাজের চাপে অনেকের পক্ষেই হয়তো প্রতিদিন এটি ব্যবহার করা সম্ভব নয়৷ তাও সপ্তাহে অন্তত তিনদিন চুলে হেনা ব্যবহার করুন৷ 
বিস্তারিত

ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের গোপন রহস্য!

ইতিহাস অনুযায়ী পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা ছিলেন ক্লিওপেট্রা৷ সমস্ত পুরুষরাই নাকি তাকে নিজের রানি বানানোর স্বপ্ন দেখতেন৷ কিন্তু, ক্লিওপেট্রা কীভাবে নিজের পরিচর্চা করতেন, সেটা জানেন না অনেকেই৷ বর্তমানে সকল নারীই তার মতোই সুন্দরী হয়ে উঠতে চান৷ তাই আপনাদের জন্য ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের কিছু গোপন রহস্য তুলে ধরা হল৷ এগুলি ব্যবহার করলে আপনিও হয়ে উঠবেন আপনার মনের মানুষের ‘ক্লিওপেট্রা’৷
 ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের প্রধান চাবিকাঠি ছিল তার ‘ফেমাস মিল্ক বাথ’৷ এই মিল্ক বাথ তৈরি করতে এক লিটার দুধে ছোট এক কাপ মধু মিশিয়ে নিন৷ খেয়াল রাখবেন যাতে দুধ খুব বেশি গরম না হয়৷ ফোটানো দুধ একেবারেই ব্যবহার করবেন না৷ কারণ এতে দুধের মেডিসিনাল উপাদান নষ্ট হয়ে যায়৷ দুধ গরম হলে মুধর গুণও নষ্ট হতে পারে৷ এবার হালকা গরম জলে দুধের মিশ্রণ মিশিয়ে নিন৷ ২০ মিনিট এই জলে শরীর ভিজিয়ে রাখুন৷ মিল্ক বাথের পর স্ক্রাবিং অবশ্যই প্রয়োজন৷ ৩০০ গ্রাম সি-সল্টের সঙ্গে আধকাপ ক্রিম মিশিয়ে সারা শরীরে লাগিয়ে স্ক্রাবিং করে নিন৷ এতে ত্বক অনেক বেশি মসৃণ হবে ও সানবার্নের প্রভাবও কমবে৷ মুখের ত্বকে সতেজ রাখতে ফেস মাস্ক অবশ্যই জরুরী৷ মধু ও দুধের তৈরি মাস্ক মুখে ব্যবহার করুন৷ মধু ও দুধ সমান পরিমাণে মিশিয়ে সারা মুখে মাখিয়ে রাখুন৷ আধঘণ্টা পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ এর পর প্রয়োজন ক্লে মাস্ক৷ মুলতানি মাটি, মধু, টক দই ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন৷ এরপর প্রথমে গরম জল ও পরে ঠান্ডা ডল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন৷ এছাড়াও প্রতিদিন দু’বার করে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার নিয়ে মুখ ধুয়ে নিন৷ মাথার চুল ভাল রাখতে মাথায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন৷ এছাড়াও নিয়মিত হেনা চুলের জন্য উপযোগী৷ কাজের চাপে অনেকের পক্ষেই হয়তো প্রতিদিন এটি ব্যবহার করা সম্ভব নয়৷ তাও সপ্তাহে অন্তত তিনদিন চুলে হেনা ব্যবহার করুন৷ 
বিস্তারিত

ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের গোপন রহস্য!

ইতিহাস অনুযায়ী পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা ছিলেন ক্লিওপেট্রা৷ সমস্ত পুরুষরাই নাকি তাকে নিজের রানি বানানোর স্বপ্ন দেখতেন৷ কিন্তু, ক্লিওপেট্রা কীভাবে নিজের পরিচর্চা করতেন, সেটা জানেন না অনেকেই৷ বর্তমানে সকল নারীই তার মতোই সুন্দরী হয়ে উঠতে চান৷ তাই আপনাদের জন্য ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের কিছু গোপন রহস্য তুলে ধরা হল৷ এগুলি ব্যবহার করলে আপনিও হয়ে উঠবেন আপনার মনের মানুষের ‘ক্লিওপেট্রা’৷
 ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের প্রধান চাবিকাঠি ছিল তার ‘ফেমাস মিল্ক বাথ’৷ এই মিল্ক বাথ তৈরি করতে এক লিটার দুধে ছোট এক কাপ মধু মিশিয়ে নিন৷ খেয়াল রাখবেন যাতে দুধ খুব বেশি গরম না হয়৷ ফোটানো দুধ একেবারেই ব্যবহার করবেন না৷ কারণ এতে দুধের মেডিসিনাল উপাদান নষ্ট হয়ে যায়৷ দুধ গরম হলে মুধর গুণও নষ্ট হতে পারে৷ এবার হালকা গরম জলে দুধের মিশ্রণ মিশিয়ে নিন৷ ২০ মিনিট এই জলে শরীর ভিজিয়ে রাখুন৷ মিল্ক বাথের পর স্ক্রাবিং অবশ্যই প্রয়োজন৷ ৩০০ গ্রাম সি-সল্টের সঙ্গে আধকাপ ক্রিম মিশিয়ে সারা শরীরে লাগিয়ে স্ক্রাবিং করে নিন৷ এতে ত্বক অনেক বেশি মসৃণ হবে ও সানবার্নের প্রভাবও কমবে৷ মুখের ত্বকে সতেজ রাখতে ফেস মাস্ক অবশ্যই জরুরী৷ মধু ও দুধের তৈরি মাস্ক মুখে ব্যবহার করুন৷ মধু ও দুধ সমান পরিমাণে মিশিয়ে সারা মুখে মাখিয়ে রাখুন৷ আধঘণ্টা পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ এর পর প্রয়োজন ক্লে মাস্ক৷ মুলতানি মাটি, মধু, টক দই ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন৷ এরপর প্রথমে গরম জল ও পরে ঠান্ডা ডল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন৷ এছাড়াও প্রতিদিন দু’বার করে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার নিয়ে মুখ ধুয়ে নিন৷ মাথার চুল ভাল রাখতে মাথায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন৷ এছাড়াও নিয়মিত হেনা চুলের জন্য উপযোগী৷ কাজের চাপে অনেকের পক্ষেই হয়তো প্রতিদিন এটি ব্যবহার করা সম্ভব নয়৷ তাও সপ্তাহে অন্তত তিনদিন চুলে হেনা ব্যবহার করুন৷ 
বিস্তারিত

লিভার সাফ রাখে কিশমিশের জল

লিভারে গন্ডগোল? ব্লাড প্রেসার? পেটের সমস্যা? ওষুধে তেমন কাজ হচ্ছে না? নিয়মিত কিশমিশ খান। রক্তাল্পতায় কিশমিশ যে উপকারী, তা অনেকেই জানেন। কারণ কিশমিশ শরীরে নতুন রক্ত তৈরি করে। সেইসঙ্গে রোজ কিশমিশের জল খেলে একদম সাফ থাকবে লিভারও।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কিশমিশের জল খেলে লিভারে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। শরীরে রক্ত দ্রুত পরিশোধন হতে থাকে। টানা ৪ দিন কিশমিশের জল খেলে পেট একদম পরিষ্কার হয়ে যায়। পেটের গণ্ডগোল উধাও হয়ে যায়। সঙ্গে পাওয়া যায় ভরপুর এনার্জি। সেইসঙ্গে কিশমিশে রয়েছে নানা রকম ভিটামিন ও মিনারেল। কিশমিশ না খেয়ে কিশমিশের জল খেলেও সেই ভিটামিন ও মিনারেল শরীরে ঢোকে। জলে ভেজানোর বাড়তি উপকারিতা হল শর্করার মাত্রা কমে।

কীভাবে তৈরি করবেন কিশমিশের জল?২ কাপ জলে ৪০০ গ্রাম কিশমিশ রাতভর ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কিশমিশ ছেঁকে নিয়ে জল হালকা গরম করে খান। জল পানের পর আধঘণ্টা অন্য কিছু খাবেন না। তবে একটা কথা মাথায় রাখা দরকার। ডায়াবেটিস রোগীদের কিন্তু কিশমিশ খাওয়ার আগে ডাক্তারদের পরামর্শ নিতে হবে।
বিস্তারিত

  • সিলেটে মিডল্যান্ড ব্যাংক
  • রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের প্রতিশ্রুতি ধোঁকাবাজি: আরসা
  • মাংস এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত পানীয় ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়
  • ইনস্টাগ্রামের নয়া ফিচার, দেখেছেন কি?
  • প্রকাশ্যে চুমু, ‘দেশি গার্ল’-এর বিদেশি রোম্যান্স
  • নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাতে অস্বীকৃতি তিন খানের
  • ১০৫ রানেই শেষ পাকিস্তানের ইনিংস!
  • আইপিএলে এলিট তালিকায় সাকিব
  • নেতাকর্মীদের জেলে রেখে নির্বাচন হবে না: ফখরুল
  • সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ভিত্তিতেই গ্রেফতার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন হচ্ছে না কাল
  • সিলেটের দক্ষিন সুরমায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৪
  • সোবহানীঘাটে আবাসিক হোটেল থেকে প্রেমিক-প্রেমিকার লাশ উদ্ধার
  • মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তাসহ নিখোঁজ তিনজন গ্রেফতার
  • যুবলীগের বিভাগীয় প্রতিনিধি সমাবেশে অর্থমন্ত্রীকে নিমন্ত্রণ
  • গোয়াইনঘাট থানার আসামী উপশহরে গ্রেফতার
  • হবিগঞ্জে জমির আইল কাটা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
  • সিলেট জেলা বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  • কোম্পানীগঞ্জে পরীক্ষার্থীকে নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন॥
  • দক্ষিণ সুরমায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার
  • মুসলমানরাই সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসের শিকার: বান কি মুন   ৫০৬২৬
  • মেয়র কালামের পায়ের নিচে ওসি আতাউর শার্ট খুলে লিনডাউন,তারপর জুতো পেটার প্রস্তাব   ১৪৬৯৫
  • ছলনাময়ী নারীদের চেনার উপায়   ১৩৭২০
  • জুমার নামাজ ছুটে গেলে কী করবেন?   ১১৬৩৭
  • ​চিনা কোম্পানিকে কাজ দিতে প্রতিমন্ত্রী তারানার স্বাক্ষর জাল   ৯৩৪৪
  • ঋণখেলাপি নই-হুন্ডি ব্যবসায়িও নই,সম্পত্তি নিলামের খবর অপপ্রচার-নাসির   ৮৩৩৭
  • জেনে নিন ছুলি দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায়   ৮৩০৭
  • ডিমের পর স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে সোনালি মুরগি   ৮২৩৮
  • মুসাফির কাকে বলে? মুসাফিরের রোযা ভঙ্গ করলে   ৮২৩০
  • গরুর দুধের অসাধারণ কয়েকটি গুণ   ৮০৩৩
  • খতমে ইউনুস নামে সামাজে চলে আসা জালিয়াতী   ৭১২৭
  • মুঘল সম্রাটদের দিনযাপন   ৬৬০৮
  • চিত্রনায়িকা সাহারার সেক্স ভিডিও ফাঁস!   ৬০০৯
  • হযরত শাহ্‌ জালাল ইয়েমেনী (রাঃ)-এঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী   ৫৯১২
  • শিশুর কানে আজান দেবে কে?   ৫৫৪২
  • চিকিৎসায় দ্রুত সরকারি সহযোগিতা চান খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া   ৫৩৩৯
  • কামরূপ-কামাখ্যা : নারী শাসিত যাদুর ভূ-খন্ড   ৫৩০১
  • ফুলবাড়ির বশর চেীধুরী আজ ইন্তেকাল করেছেন   ৫২৫৭
  • প্রশ্নব্যাংকে প্রশ্ন, স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাছাই হয়ে পরীক্ষা   ৫২৫৬
  • ম,আ,মুক্তাদিরের ছেলে রাহাত লন্ডনে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে   ৫০৭৬
  • সাম্প্রতিক আরো খবর

  • মাংস এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত পানীয় ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়
  • রান্নায় নারিকেল তেল ব্যবহারে উপকার কী
  • দই-ভাতের স্বাস্থ্য উপকারিতা
  • ওসমানী মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. এম এ রকিব আর নেই
  • প্রকাশ্যে পুরুষদের জন্য এল জন্মনিরোধক ট্যাবলেট
  • কানের লতিতে ১মিনিট লাগিয়ে রাখুন কাপড় মেলার ক্লিপ!
  • শীতের আপনাকে কীভাবে চাঙ্গা রাখবে গাজর?
  • হাওর অঞ্চলে ৩৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • কানে প্রায়ই ব্যথা!
  • কীভাবে মুক্তি পেতে পারেন সোরিয়াসিস থেকে?
  • দেশে প্রথমবারের মতো ডায়বেটিস রোগীদের ডিজিটাল নিবন্ধন শুরু
  • হাতের ব্যথায় ভুগছেন? বাড়িতে বসেই রেহাই মিলবে
  • শীতকালে শুষ্ক-নিষ্প্রাণ ত্বক মুক্তি পেতে খান এই খাবারগুলি
  • মাছি কতধরনের রোগ জীবাণু বহন করে
  • শীতে সর্দি-জ্বর সারাতে আদা-রসুন স্যুপ
  • শীতকালে বাচ্চাকে কলা খাওয়ানো উচিত ?
  • বাচ্চার শরীরের কোথাও ব্যথা হলে এগুলি কখনওই করবেন না
  • যেভাবে শুরু হল হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন
  • মৌলভীবাজারে প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়ের
  • সাবধান! বাচ্চাদের শূন্যে ছুড়ে আদর করবেন না
  • ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের গোপন রহস্য!
  • ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের গোপন রহস্য!
  • ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের গোপন রহস্য!
  • ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের গোপন রহস্য!
  • লিভার সাফ রাখে কিশমিশের জল