সর্বশেষ খবর

   ‘মৃত শিশুর মাতৃত্ব নিয়ে সন্দেহ’ তদন্ত কমিটি গঠন    শুটিং না করেও টিজারে মুনমুন, পরিচালক বলছেন ভিন্ন কথা    বিশ্ব একাদশের হয়ে খেলবেন সাকিব-তামিম    বিয়ানীবাজারে জেনোসিডিল সহ যুবক আটক    বজ্রপাতের সময়ে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়    এবার গোপালগঞ্জে বাসচাপায় এক নারী নিহত    সিকৃবিতে ‘সেলফ এসেসমেন্ট’ কমিটির কর্মশালা অনুষ্ঠিত    প্রভাষক জুয়েল হত্যার প্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন    সিলেটে মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি    রাজনগরে গৃহবধূ খুন    বাংলাদেশ লোকসংস্কৃতি ফোরাম এর সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি অসিত বরণ    ধোপাদিঘীর ‘ক্ষতি নয়,সৌন্দর্যবর্ধন করছে’ সিসিক    সিলেট চেম্বারে এসএমই উদ্যোক্তাদের ব্যবসা বিকাশে ই-কমার্স শীর্ষক সেমিনার    সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক    শাবিতে আসছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান    কাবুলে জঙ্গি হামলা, নিহত বেড়ে ৬৩    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে তারেকের লিগ্যাল নোটিশ    বিএনপির মিছিলে পুলিশি বাধা    জাতীয় পার্টিতে বিএনপির অনেক নেতাই যোগ দেবে: এরশাদ    সংবাদ সম্মেলনে রিজভী তারেক রহমান পাসপোর্ট জমা দিলে সবাইকে দেখান


খবর - স্বাস্থ্য

বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন ‘মিনারেল ওয়াটার’

পানির তৃষ্ণা র তো আর সময়-অসময় নেই! কিন্তু, বাড়ির বাইরে পানি খেতে গেলে সাবধানতা বজায় রাখতেই হয়। তাই বাধ্য হয়ে ‘মিনারেল ওয়াটার’ কিনে তৃষ্ণা  মেটাতে হয়।

এই মিনারেল ওয়াটার বাড়িতেও তৈরি করা যায় বেশ সহজেই। ‘লাইফেলথ.কম’ নামে এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে সেই পদ্ধতি—

১। কী কী লাগবে— ১ লিটার জল, এক চিমটে বেকিং সোডা, এক চিমটে ইপসম সল্ট, এক চিমটে পটাশিয়াম বাইকার্বোনেট।

২। সাধারণ ‘ওয়াটার পিউরিফায়ার’ থেকে এক লিটার জল নিন। একটি পরিষ্কার পাত্রে রাখুন।

৩। পাত্রের পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। হজম, গলা-বুক জ্বালা থেকে রেহাই দেয়।

৪। এবার ইপসম সল্ট মিশিয়ে নিন। এই মিনারেল শরীরে ব্যাক্টেরিয়া রুখতে সাহায্য করে।

৫। এবার পালা পটাশিয়াম বাইকার্বোনেটের। এই বিস্তারিত

বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন ‘মিনারেল ওয়াটার’

পানির তৃষ্ণা র তো আর সময়-অসময় নেই! কিন্তু, বাড়ির বাইরে পানি খেতে গেলে সাবধানতা বজায় রাখতেই হয়। তাই বাধ্য হয়ে ‘মিনারেল ওয়াটার’ কিনে তৃষ্ণা  মেটাতে হয়।

এই মিনারেল ওয়াটার বাড়িতেও তৈরি করা যায় বেশ সহজেই। ‘লাইফেলথ.কম’ নামে এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে সেই পদ্ধতি—

১। কী কী লাগবে— ১ লিটার জল, এক চিমটে বেকিং সোডা, এক চিমটে ইপসম সল্ট, এক চিমটে পটাশিয়াম বাইকার্বোনেট।

২। সাধারণ ‘ওয়াটার পিউরিফায়ার’ থেকে এক লিটার জল নিন। একটি পরিষ্কার পাত্রে রাখুন।

৩। পাত্রের পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। হজম, গলা-বুক জ্বালা থেকে রেহাই দেয়।

৪। এবার ইপসম সল্ট মিশিয়ে নিন। এই মিনারেল শরীরে ব্যাক্টেরিয়া রুখতে সাহায্য করে।

৫। এবার পালা পটাশিয়াম বাইকার্বোনেটের। এই বস্তু, ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

৬। পানির সঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে নিন এই তিন মিনারেল। তৈরি ‘মিনারেল ওয়াটার’।

প্রসঙ্গত, মিনারেল ওয়াটার প্রস্তুত করার জন্য, সব উপকরণ ভাল করে মেশাতে ‘সোডা সাইফন’ ব্যবহার করতে পারেন।
বিস্তারিত

মাইগ্রেন চিকিৎসায় যুগান্তকারী ওষুধ আবিষ্কার!

গত কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম মাইগ্রেনের নতুন কার্যকরী ওষুধ আবিষ্কারের কথা জানিয়েছেন গবেষকরা। তারা বলেন, চিকিৎসাজগতে এটি নতুনমাত্রা যোগ করবে।

গবেষকদের মতে, মাইগ্রেন বা দীর্ঘসময়ের মাথাব্যথা সারাতে অন্য সব ওষুধ বা চিকিৎসা যখন ব্যর্থ হবে, তখন এই নতুন ওষুধ কাজ করবে।

নতুন এ ওষুধটি হচ্ছে- ইনজেকশন। মাসে একবার এই ইনজেকশন নেয়া যাবে। এর নাম দেয়া হয়েছে এরেনুম্যাব।

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস অল্প সময়ের মধ্যে মাইগ্রেন রোগীদের কাছে এই ওষুধ নিয়ে যাবে। যদি এর দাম সামর্থ্যের মধ্যে বা একটা যৌক্তিক পর্যায়ে থাকে।

নতুন এ ওষুধের বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে এক চিকিৎসাবিষয়ক সম্মেলনে।

গবেষকরা বলেছেন, এই ওষুধ গুরুতর মাইগ্রেন আক্রান্ত এক-তৃতীয়াংশ মানুষকে সাহায্য করবে।

    নতুন এই ওষুধ কীভাবে কাজ করবে?

        একজন মাইগ্রেন রোগী মাসে যতবার এই রোগে আক্রান্ত হন, নতুন ওষুধ ব্যবহারে আক্রান্তের সেই হার অর্ধেকে নেমে আসবে। এরেনুম্যাব নামে এ ইনজেকশন মাইগ্রেনের অন্যান্য ওষুধ থেকে ভিন্নভাবে কাজ করবে।
        এটি উচ্চ রক্তচাপের মতো রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রেও মাইগ্রেনের জন্য ব্যবহার করা যাবে। এটি মাইগ্রেন প্রতিরোধক হিসেবেও কাজ করবে।

    মাইগ্রেন সমস্যা মানুষকে কীভাবে ভোগায়?

        মাইগ্রেন বা দীর্ঘসময় ধরে অস্বস্তিকর মাথাব্যথায় ভুগছেন, এমন মানুষ আমাদের চারপাশেই রয়েছে।
        ব্রিটেনে সাতজনের একজন ভুগছেন এই মাইগ্রেন সমস্যায়।
        প্রচণ্ড মাথাব্যথা যখন ঘণ্টার ঘণ্টা বা দিন পেরিয়েও শেষ হয় না, তখন তার জন্য কাজ করা, বিশ্রাম নেয়া বা ঘুমানো- কোনোটাই সম্ভব হয় না।


ওয়েস্ট মিডল্যান্ডের ৩৭ বছরের র‌্যাচেল ওয়ালস ১৭ বছর বয়সে মাইগ্রেনে আক্রান্ত হন।

দুই দশকে তিনি অনেক ওষুধ খেয়েছেন এবং বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা নিয়েছেন। কিন্তু কোনো ফল পাননি।

তিনি বলছিলেন, ব্যথা যখন ওঠে, তখন একেবারে সহ্য করা যায় না। অনেক ওষুধ খেয়েছি। পেইন কিলার আমার আরও ক্ষতি করছে। আমার চোখও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, এখন নতুন ওষুধ একটা বড় পরিবর্তন আনবে। মানুষকে স্বস্তি দেবে।
বিস্তারিত

সেফওয়ে হাসপাতালে দুই প্রসূতির মৃত্যু: তথ্য সংগ্রহে সিভিল সার্জন অফিস

সিলেট নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে একই দিনে দুই প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করেছে সিভিল সার্জন অফিস। সংগৃহীত তথ্য প্রেরণ করা হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে। সেখান থেকে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

গত শুক্রবার সকালে ৩০ মিনিটের ব্যবধানে সিলেট নগরীর সেফওয়ে হাসপাতালে সিলেটের শাহপরাণ থানাধীন কল্লগ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী আসমা বেগম (২৩) এবং জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের চুনাহাটি গ্রামের ব্যবসায়ী রুবেল হোসেনের স্ত্রী ফয়জুন নাহার চৈতি (২১) মারা যান। চিকিৎসায় অবহেলায় তাদের মৃত্যু হয় বলে তাদের স্বজনরা অভিযোগ করেন।

একই দিনে দু’প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনা খতিয়ে দেখতে ওই দিনই কাজ শুরু করে সিভিল সার্জন কার্যালয়। ডেপুটি সিভিল সার্জন আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে শুক্রবার বিষয়টির প্রাথমিক তদন্ত সম্পন্ন হয়।

সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন আবুল কালাম আজাদ জানান, দুই প্রসূতির মৃত্যুর পর সিভিল সার্জন অফিসের চার সদস্যের একটি টিম সরেজমিনে ওই হাসপাতালে যায়। তারা এ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে প্রেরণ করেছেন। এ বিষয়ে চিকিৎসা কিংবা চিকিৎসকের অবহেলা ছিল কিনা বিষয়টি অধিকতর তদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।

ডিএমটি হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট আবুল কাশেম জানিয়েছেন, এ ঘটনায় হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের অবহেলার বিষয়টি প্রমাণিত হলে তারা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেবেন।

বিস্তারিত

‘জীবন দিয়ে হলেও তোমায় সুরক্ষিত রাখব’

মুম্বাই: কাঠুয়া এবং উন্নাও ধর্ষণ কাণ্ডে উত্তাল গোটা দেশ। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের মতামত জানিয়েছেন বহু সেলেব। এ বার সেই তালিকায় এলেন সানি লিওন।
 
সম্প্রতি মেয়ের সঙ্গে নিজের একটি ছবি ওয়েব দুনিয়ায় পোস্ট করেন সানি। তিনি লেখেন, ‘আমি আমার সবটুকু দিয়ে প্রতিজ্ঞা করছি তোমাকে সব খারাপ থেকে রক্ষা করব। এর জন্য আমায় যদি প্রাণ দিতে হয় তাতেও আমি প্রস্তুত। শিশুরা যেন সব খারাপ থেকে নিজেদের সুরক্ষিত মনে করতে পারে সেটা আমাদেরই দেখতে হবে। আসুন আমরা শিশুদের আরও আঁকড়ে ধরি। সব কিছু দিয়ে ওদের রক্ষা করি।’
 
২০১৭-এর জুলাইয়ে শিশুকন্যা নিশাকে দত্তক নেন সানি এবং ড্যানিয়েল। চলতি বছরে দুই শিশুপুত্রকে দত্তক নিয়েছেন এই দম্পতি। সানি এর আগেও প্রকাশ্যে শেয়ার করেছিলেন, মেয়ে হিসেবে যে আঘাত তিনি সমাজের কাছ থেকে পেয়েছেন তা যেন কোনও ভাবেই তার সন্তানদের স্পর্শ করতে না পারে তার খেয়াল রাখবেন তিনি।
বিস্তারিত

গর্ভনিরোধক এই পিলের কোনও সাইড এফেক্ট আছে?

কনট্রিসেপটিভ পিলের কি কোনও সাইড এফেক্ট আছে? অনেক মহিলারই এটি অবশ্যাম্ভবী প্রশ্ন৷ অনেকে এনিয়ে চিকিৎসকদের জিজ্ঞাসা করেন৷ কেউ আবার জিজ্ঞাসা করতে ইতস্তত করেন৷ গর্ভধারণ আটকাতে এই পিল ব্যবহার করা হয়৷ সাধারণত সুস্থ শরীরকে ব্যস্ত করতে চায় না কেউই৷ তাই সেক্স করার আগে কন্ডোম ব্যবহার করা প্রয়োজন৷ কিন্তু অনেকসময় হঠাৎই অনেক কিছু হয়ে যায়৷ এমার্জেন্সি অনেকেরই হয়৷ তার জন্য নিতে হয় কনট্রিসেপটিভ পিল৷

নিয়মিত কখনই কনট্রিসেপটিভ পিল ব্যবহার করা উচিত নয়৷ কিন্তু মাঝেমধ্যে এটি ব্যবহার করা যেতেই পারে৷ কিন্তু যেহেতু এটি হরমোনের উপর কাজ করে তাই শরীরে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে৷ এক কথায় বলতে গেলে এর কিছু সাইড এফেক্ট রয়েছে৷ তবে তা সাময়িক৷

১) মাথাব্যথা
অনেক সময় এই পিল খেলে মাথাব্যথা হতে পারে৷ এছাড়া প্রথম একদিন বা দুদিন বমি হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে৷ কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ড্রাগ শরীর থেকে বেরিয়ে যায় ও শরীর ফের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে৷
 
২) অবসাদ
কয়েকদিনের জন্য অবসাদে ভুগতে পারেন আপনি৷ রোজকার কাজে মন নাও বসতে পারে৷ তবে এটিও কয়েকদিনের মধ্যেই কেটে যায়৷ যদি এর পরেও সমস্যা হয় তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে৷

৩) পিরিয়ড
এই পিল খেলে অনিয়মিত হতে পারে পিরিয়ড৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে মেনস্ট্রুয়েশনের সময় বেশি রক্তপাত হতে পারে৷ এক সপ্তাহ এগিয়ে বা পিছিয়ে যেতে পারে পিরিয়ড৷ তবে যদি এক সপ্তাহের বেশি দেরি হয়, তবে প্রেগন্যান্সি টেস্ট করিয়ে নেওয়া উচিত৷

৫) ভ্যাজাইনাল ব্লিডিং
অনেক ক্ষেত্রে পিরিয়ডের সময় ভ্যাজাইনাল ব্লিডিং হতে পারে৷ সাধারণত এটি খুব বেশি মাত্রায় হয় না ও ৩ দিনের বেশি স্থায়ী থাকে না৷ তবে যদি এর স্থায়িত্ব ৩ দিনের বেশি হয়, তবে অবশ্যই গাইনেকোলজিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করা দরকার৷

তবে কনট্রিসেপটিভ পিলের দীর্ঘমেয়াদি কোনও প্রতিক্রিয়া নেই৷ এই পিলগুলি সাধারত নিরাপদ৷ পরে গর্ভধারণের সময় এটি কোনও প্রভাব ফেলে না৷
বিস্তারিত

ভয় থেকে হতে পারে অ্যালঝাইমার

অ্যালঝাইমারের প্রাক লক্ষণ হতে পারে ভয়৷ সম্প্রতি একটি আমেরিকান জার্নালে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে৷ এই রোগটি সম্পূর্ণ স্নায়বিক৷ ভয়ও স্নায়ুঘটিত অনুভূতি৷ দুটোর মধ্যে যথেষ্ট সম্পর্ক রয়েছে বলে ওই জার্নালে দাবি করা হয়েছে৷

এই নিয়ে গবেষকরা একটি সমীক্ষা চালায়৷ ৬২ থেকে ৯০ বছর বয়স্ক সম্পূর্ণ সুস্থ পুরুষ ও মহিলাদের নিয়ে হয় সমীক্ষাটি৷ ২৭০টি আলাদা আলাদা জায়গা থেকে তাদের নির্বাচন করা হয়৷ গবেষণায় দেখা যায় ভয় ডিপ্রেশনের একটি অঙ্গ৷ এর ফলে রোজকার জীবন প্রভাবিত হয়৷ খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন আসে৷ তাই ভয় যদি কারোর সমস্যা হয়, তাহলে নিয়মিত একটি ডায়েটের মধ্যে থাকা উচিত৷ এর জন্য কিছু খাবারের কথাও বাতলে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷

১) ব্লুবেরি
এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে৷ এর ফলে স্নায়ু ভালো থাকে৷ দেহে ভিটামিন সি-এর সরবরাহ ভালো হয়৷ ফলে ভয় ও স্ট্রেস দূর হয়৷
 
২) ডার্ক চকোলেট
এটিও অ্যান্টি অক্সিডেন্টের ভান্ডার৷ এখানে ফেনপথেলন ও ফ্লেভানয়েডসের মতো উপাদান থাকে৷ এগুলি রক্তচাপ কম রাখতে সাহায্য করে৷ ফলে ভয়ের মতো অনুভূতি ততটা সুবিধা করে উঠতে পারে না৷

৩) কাজু
দেহে জিঙ্ক বা দস্তা কম থাকলে ভয় অনুভূত হয়৷ কাজুতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে৷ তাই কাজুর প্রভাবে ভয় দূরে থাকে৷

৪) গ্রিন টি
এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যামিনো অ্যাসিড পাওয়া যায়৷ ব্রেন বুস্টার হিসেবে এটি কাজ করে৷ দিনে ২ থেকে ৩ কাপ গ্রিন টি মানসিক চাপ কমায়৷ ভয়ও দূরে রাখতে সাহায্য করে৷
বিস্তারিত

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস শনিবার

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ৭ এপ্রিল শনিবার। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য বিষয়ে কাজ করে এমন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাসমূহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত প্রতিপাদ্যের আলোকে বাংলাদেশও এবছর দিবসটি উদযাপন করছে। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা : সবার জন্য, সর্বত্র’।
এ বছর দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে জাতীয় পর্যায়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, সেমিনার আয়োজন, স্যুভেনির প্রকাশ, স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদর্শনী, জাতীয় পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ, সড়কদ্বীপ সজ্জিতকরণ, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, জারীগান, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে বিষণœতাজনিত স্বাস্থ্য সমস্যার ওপর আলোচনা অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য কার্যক্রম।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত এ অনুষ্ঠান আগামীকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। দেশের সব জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তত্বাবধানে স্থানীয় পর্যায়েও বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।
১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘ অর্থনীতি ও সমাজ পরিষদ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সম্মেলন ডাকার সিদ্ধান্ত নেয়। একই বছরের জুন ও জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাংগঠনিক আইন গৃহীত হয়, ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল এই সংগঠন আইন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। এইদিন বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস বলে নির্ধারিত হয়। প্রতিবছর সংস্থাটি এমন একটি স্বাস্থ্য ইস্যু বেছে নেয়, যা বিশেষ করে সারা পৃথিবীর জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। সেদিন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয় এ দিবসটি।

বিস্তারিত

শরীরচর্চা করার আগে কী খাবেন কী খাবেন না?

শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমুক আর নাই জমুক, এখন প্রত্যেকেই নিজের শরীরের দিকে নজর দেওয়ার জন্য রোজ শরীরচর্চা করেই থাকেন। আর শরীরকে সুস্থ রাখতে শরীরচর্চা করা খুবই জরুরি। কিন্তু অনেকেই সঠিক নিয়ম কানুন না জেনেই শরীরচর্চা করে থাকেন। আর এর ফলে ভুগতে হয় নানারকম অসুখে। আপনি হয়তো মনে করছেন, শরীরচর্চা করার পরও কীভাবে শরীর খারাপ হতে পারে? তাহলে জেনে নিন, সঠিক নিয়মে শরীরচর্চা না করলে অসুখ হতে বাধ্য।

শরীর সুস্থ রাখার জন্য শরীরচর্চা যেমন জরুরি, তার থেকেও বেশি জরুরি খাবার। নিয়ম মেনে খাবার না খেলেও শরীর খারাপ হতে পারে। শরীরচর্চা করার আগে কিংবা পরে কী খাবার খাওয়া উচিত্, তা অনেকেরই জানা নেই। জেনে নিন শরীর সুস্থ রাখতে ব্যায়াম করার আগে কী খাবেন আর কী এড়িয়ে যাবেন।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শরীরচর্চা করার আগে যেকোনও ভাজাভুজি জাতীয় খাবার, ফ্যাট জাতীয় খাবার, মশলাদার খাবার, যে সমস্ত খাবারে বেশি পরিমাণে ফাইবার আছে, এমনকী সব্জি এবং কার্বোনেটেড ড্রিঙ্কস একেবারেই খাওয়া উচিত্ নয়। এই সমস্ত খাবার শরীরচর্চার আগে খেলে শরীর সুস্থ থাকার পরিবর্তে আরও অসুস্থ হয়ে পড়বে।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানাচ্ছেন, জিমে গিয়ে শরীরচর্চা হোক বা ঘরেই হোক, ব্যায়াম করার অন্তত ২০ মিনিট আগে একটা কলা খেয়ে নিন। কারণ, কলায় অল্প পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে। যা অনেকক্ষণ পর্যন্ত আপনার শরীরে ইনসুলিন ধরে রাখতে সাহায্য করে।


বিস্তারিত

বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছর

সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে বাংলাদেশ সফলতার ধারায় রয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু এখন প্রায় ৭২ বছর।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস-২০১৮ উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
আগামী ৭ এপ্রিল বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হবে। এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা : সবার জন্য, সর্বত্র’।
স্বস্থ্যপ্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০০ সালে মানুষের গড় আয়ু ছিল ৬৫.৫ বছর। বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ৭১.৮ বছর। বর্তমান সরকারের নানামুখি পদক্ষেপের কারনে এই সফলতা এসেছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চিকিৎসা শিক্ষা ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সচিব ফয়েজ আহম্মেদ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
জাহিদ মালেক বলেন, দেশে ১৮ থেকে ২২ শতাংশ মানুষ দরিদ্র সীমার নিচে বাস করে। দরিদ্র সীমার এই তারতম্যের অন্যতম কারণ স্বাস্থ্য সেবায় ব্যয় বৃদ্ধি। স্বাস্থ্য ব্যয় কমিয়ে আনা সম্ভব হলে দেশে দরিদ্র সীমার মাত্রা কমে আসবে।
তিনি বলেন, পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি মানুষের অতি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুবিধা গ্রহণের সুযোগ নেই। পৃথিবীর ৮০ কোটি মানুষ তাদের পরিবারের মোট ব্যয়ের অন্তত ১০ শতাংশ চিকিৎসাসেবা গ্রহণের খরচ নিজেদের পকেট থেকে বহন করে এবং বছরে প্রায় ১০ কোটি মানুষ চিকিৎসা সেবার ব্যয় বহন করতে গিয়ে অতি দরিদ্র হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, দেশে স্বাস্থ্য সেবা নিতে গিয়ে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয় এর ৬৭ শতাংশই রোগীকে বহন করতে হয়। এই খরচের ৪০ শতাংশেরও বেশি অর্থ ব্যয় হয় ওষুধ ক্রয়ে। স্বাস্থ্য ব্যয় কমিয়ে আনতে ওষুধের মূল্য নির্ধারণ জরুরি। রোগী এবং চিকিৎসকের স্বার্থ সুরক্ষায় সরকার ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন’ করছে। যা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যেই আইনটি কেবিনেটে উঠবে।
জাহিদ মালেক বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জন করতে হলে ২০২৩ সালের মধ্যে পৃথিবীর আরো ১০০ কোটি মানুষকে অতি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসুবিধার আওতায় নিয়ে আসতে হবে এবং চিকিৎসাসেবার ব্যয় বহন করতে গিয়ে বছরে যে প্রায় ১০ কোটি মানুষ অতি দরিদ্র হয়ে পড়ছে তার সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, সেমিনার আয়োজন, জাতীয় পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ, স্মরণিকা প্রকাশ, টেলিভিশনে আলোচনা অনুষ্ঠান, সড়কদ্বীপ সজ্জিতকরণ, প্রেস ব্্িরফিং, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, জারীগান, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর আলোচনা অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এ বছর জাতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঢাকাস্থ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য জেলা ও উপজেলায়ও বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হবে।

বিস্তারিত

১০১ বছর বেঁচে থাকার ৭টি উপায়

যুক্তরাজ্যে অত্যন্ত সুপরিচিত একজন চিকিৎসক ড. ডন হারপার। মানুষের স্বাস্থ্যের উপর টেলিভিশনে অনুষ্ঠান করে তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তার চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞান দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। সম্প্রতি তিনি একটি বই লিখেছেন। বাইটির নাম ১০১ বছর সুস্থ হয়ে বাঁচুন।

নীরোগ দীর্ঘ আয়ুর জন্যে এখানে তার দেওয়া সাতটি টিপস তুলে ধরা হলো:
১. ঠিক মতো ঘুমান

দিনে ঠিক কতোটুকু সময় ঘুমাচ্ছেন এবং সেই ঘুম কেমন হচ্ছে সেটা সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ। খুব বেশি ঘুম যেমন খারাপ তেমনি খারাপ অল্প ঘুমও। ড. হারপার বলছেন, সেকারণে ঠিকঠাক মতো ঘুমাতে হবে।

ফলে আমরা যারা ঘুমের চাহিদা মিটিয়ে নিতে অল্প একটু সময় চোখ বন্ধ রেখে ভাবছি যে আমাদের ঘুম হয়ে গেছে, তাদেরকে একটু সতর্ক হতে হবে। তিনি বলেন, "দিনের বেলা অল্প কিছুক্ষণের জন্যে ঘুমিয়ে নেওয়া, যেটাকে আমরা ক্যাটন্যাপ বলি, সেটার কথা আমরা জানি। তবে সেটা ঠিকঠাক মতো হতে হবে। যেমন একটা ব্যাটারিকে পুরোপুরি চার্জ দেওয়া হয়। আমরা যদি শুধু ক্যাটন্যাপ দিয়ে চালিয়ে নেবার চেষ্টা করি তাহলে সেটা স্বাভাবিক হবে না। রাতের বেলা আমরা বেশ কয়েকবার গভীর ঘুমে তলিয়ে যাই।"
২. হাঁটাচলা করুন

আমাদের অনেকেই প্রচুর সময় বসে থেকে কাটাই। এবং এটা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো নয়। সুসংবাদ হচ্ছে যে এজন্যে আমাদের ম্যারাথন রানার হতে হবে না। যেটা করতে হবে সেটা হলো শরীরটাকে একটু নাড়ানো- মানে হাঁটাচলা করা।

৩. আপনার লিভারকে একটু বিশ্রাম দিন

এক গ্লাস রেড ওয়াইন হয়তো অনেকের কাছে খুব আনন্দের কিছু। কিন্তু ড. হারপার বলছেন, প্রতিদিন সন্ধ্যায় পান করা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে।

তিনি বলেন, "অবশ্যই প্রত্যেক রাতে পান করা যাবে না। আপনার লিভারকে একটু বিশ্রাম দিতে হবে। সপ্তাহে অন্তত দু'দিন।"
৪. আপনার জিন সম্পর্কে জানুন

বিশেষ কোন অসুখে পড়ার প্রবণতা হয়তো আপনার মধ্যে বেশি থাকতে পারে। কিন্তু ড. হারপার বলছেন, আপনার পরিবারের বা বংশের অন্যান্য সদস্যদের অসুখ বিসুখের ইতিহাস জানা থাকলে সেটা আমাদেরকে সুস্থ ও সুন্দর জীবন যাপন করতে সাহায্য করতে পারে।


তিনি বলেন, "জিন যে শরীরে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সেটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। এই মুহূর্তে হয়তো আমি আমার জিন নিয়ে বেশি কিছু করতে পারবো না। কিন্তু কোন কোন জিনের কারণে আমরা বিশেষ একটি রোগে আক্রান্ত হচ্ছি সেটা জানলে আমাদের সুবিধা হবে। হৃদরোগের কথাই ধরুন। আমি তো আর আমার জীবন নিয়ে যন্ত্রণায় ভুগতে চাই না। কিন্তু আমি হয়তো এক্স এবং ওয়াই ক্রোমোজোম সম্পর্কে আরো একটু সচেতন হতে পারি।
৫. কার্বোহাইড্রেটের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে

ভাত ও রুটির মতো কার্ব পরিহার করা আজকালকার দিনে হয়তো একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু ডা. হারপার বলছেন, ব্যালেন্সড ডায়েটের জন্যে আমাদেরকে এসবও খেতে হবে। খুব বেশি আনন্দিত হবার কিছু নেই। এখানেও কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

রুটি ও ভাতের মতো কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে বেছে বেছে

"আমি সবসময় রিফাইন বা মসৃণ কার্ব না খেয়ে বরং একটু জটিল ধরনের (মোটা আটার) কার্ব খাওয়ার কথা বলবো। যেমন বাদামী চাল, আস্ত শস্য দানা সমেত মোটা আটার রুটি।
৬. প্রতিদিন হাসুন

সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত আনন্দের- এটা মনে রাখতে হবে। এটাকে দৈনন্দিন টুকিটাকি কাজের অংশ হিসেবে দেখলে হবে না। এখানে মানসিকতার একটা পরিবর্তন প্রয়োজন। ড. হারপার বলেন, "এজন্যে ইতিবাচক মনোভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ।"

বইটি লিখতে গিয়ে গবেষণা করার সময় তিনি একজন বিজ্ঞানীর করা একটি গবেষণা খুঁজে পেয়েছেন যেখানে তিনি দীর্ঘ আয়ুর সাথে তিনি হাসিখুশির থাকার একটা সম্পর্কে খুঁজে পেয়েছেন।

"এমন কিছু করুণ যা প্রতিদিন আপনাকে হাসিখুশি রাখবে," বলেন তিনি।
৭. চাপমুক্ত থাকার রাস্তা খুঁজে বের করুন

আমাদের অনেকেই নানা রকমের স্ট্রেসের মধ্যে থাকি বা মানসিক চাপে ভুগি। এর একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে আমাদের স্বাস্থ্যের উপর। সেটা শারীরিক ও মানসিক দু'ধরনের স্বাস্থ্যেরই ক্ষতি করে।

"আজকের দিনে নানা কারণে স্ট্রেসের সৃষ্টি হয়। সেটা কাজের কারণে হতে পারে, হতে পারে সম্পর্কের কারণেও। পারিবারিক কারণেও হয়। কিন্তু এসব চাপ থেকে কীভাবে মুক্ত থাকা যায় তার উপায় প্রত্যেককে আলাদা আলাদাভাবে খুঁজে নিতে হবে। কারণ একেকজনের বেলায় এটা একেকভাবে কাজ করে," বলেন ড. হারপার।

এজন্যে একজন চিকিৎসক কিম্বা এসংক্রান্ত অন্যান্য পেশাজীবীদের কাছ থেকেও সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন।

"এটা খুবই ব্যক্তিগত। একেকজনের বেলায় একেক রকমের। সেটা তার মতো করে করা দরকার। তবে আমরা সবাই মিলে কিছু একটা করতে পারি।"


বিস্তারিত

গরমে শরীর সুস্থ রাখতে যে পানীয়গুলো খাবেন

আসছি আসছি করে গরমকালটা এসেই গেল। একটু বেলা বাড়লেই রোদের তাপে আর বাইরে বেরনো যাচ্ছে না। গরমের তাপ এতটাই। এই সময়ে বেশিরভাগ মানুষই শরীরকে ঠাণ্ডা রাখার জন্য কোল্ড ড্রিঙ্কস বা আইসক্রিম খেয়ে থাকেন। কিন্তু নিউট্রিশনিস্টরা জানাচ্ছেন, গরমে শরীর সুস্থ রাখতে কোল্ড ড্রিঙ্কস বা আইসক্রিম নয়, বরং এমন কিছু পানীয় খেতে হবে, যা স্বাস্থ্যকরও। তবে শুধু স্বাস্থ্যকর পানীয় খেলেই চলবে না। তার জন্য রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট সময়েও। সময় মেনে খেলে তা শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। তাই কোন পানীয় কখন খাবেন জেনে নিন।

১) ডাবের জল- গরমে শরীর সুস্থ রাখতে সকালে বা দুপুরের আগে ডাবের জল খান। বদহজমের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করে ডাবের জল।

২) বাটারমিল্ক- দুপুরের খাবারের পর বাটারমিল্ক খান।

৩) লেবুর সরবত- সন্ধের খাবারের আগে এক গ্লাস লেবুর সরবত খান। লেবুর সরবতে একটু নুন, চিনি, জিরে গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে নিন।

গরমে এই সমস্ত পানীয় শরীরের কী কী উপকার করে? জেনে নিন-

১) বদহজম, অম্লতা, পেট ফাঁপার হাত থেকে রক্ষা করে।

২) ত্বক ভালো রাখে।

৩) জ্বর প্রতিরোধ করে।

৪) শরীরের বিভিন্ন ব্যথা প্রতিরোধ করে।

বিস্তারিত

গরমে শরীর সুস্থ রাখতে যে পানীয়গুলো খাবেন

আসছি আসছি করে গরমকালটা এসেই গেল। একটু বেলা বাড়লেই রোদের তাপে আর বাইরে বেরনো যাচ্ছে না। গরমের তাপ এতটাই। এই সময়ে বেশিরভাগ মানুষই শরীরকে ঠাণ্ডা রাখার জন্য কোল্ড ড্রিঙ্কস বা আইসক্রিম খেয়ে থাকেন। কিন্তু নিউট্রিশনিস্টরা জানাচ্ছেন, গরমে শরীর সুস্থ রাখতে কোল্ড ড্রিঙ্কস বা আইসক্রিম নয়, বরং এমন কিছু পানীয় খেতে হবে, যা স্বাস্থ্যকরও। তবে শুধু স্বাস্থ্যকর পানীয় খেলেই চলবে না। তার জন্য রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট সময়েও। সময় মেনে খেলে তা শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। তাই কোন পানীয় কখন খাবেন জেনে নিন।

১) ডাবের জল- গরমে শরীর সুস্থ রাখতে সকালে বা দুপুরের আগে ডাবের জল খান। বদহজমের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করে ডাবের জল।

২) বাটারমিল্ক- দুপুরের খাবারের পর বাটারমিল্ক খান।

৩) লেবুর সরবত- সন্ধের খাবারের আগে এক গ্লাস লেবুর সরবত খান। লেবুর সরবতে একটু নুন, চিনি, জিরে গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে নিন।

গরমে এই সমস্ত পানীয় শরীরের কী কী উপকার করে? জেনে নিন-

১) বদহজম, অম্লতা, পেট ফাঁপার হাত থেকে রক্ষা করে।

২) ত্বক ভালো রাখে।

৩) জ্বর প্রতিরোধ করে।

৪) শরীরের বিভিন্ন ব্যথা প্রতিরোধ করে।

বিস্তারিত

ইউনাইটেড হাসপাতালকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা

ল্যাবে মেয়াদোত্তীর্ণ ক্যামিকেল রাখাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসব ক্যামিকেল ব্যবহারে সঠিক টেস্ট রিপোর্ট পাওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।

বুধবার দুপুর বারোটা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত যৌথভাবে এই অভিযান চালায়। মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার, ফ্রিজের তাপমাত্রা ঠিক না রাখায় ক্যামিকেল এর বক্সে পানি জমা, অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ওষুধ কেনা ও মেয়াদোত্তীর্ণ অপারেশন সামগ্রী রাখার প্রমাণ পায় আদালত।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, 'আমরা এমনও পেয়েছি যে, অনেক কেমিকেল তিন চার বছর আগে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। দুই থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার কথা কিন্তু সবগুলো একেবারে বরফ জমে গেছে। এই হাসপাতালে গত কয়েকবছর ধরে যে সাপ্লাই চেইনের মাধ্যমে ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে তারাই নকল এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সাপ্লাই করেছে।'

প্রায় ৫০ শতাংশ ক্যামিকেল আছে যা মাস খানেকের মধ্যে মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে। এ ধরনের ক্যামিকেল দিয়ে তৈরি করা রিপোর্ট শঙ্কায় থাকবে বলে মনে করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মেডিকেল অফিসার দেওয়ান মো. মেহেদী হাসান।

তিনি বলেন, 'পঞ্চাশ শতাংশ রিএজেন্টের মেয়াদ আছে এই এপ্রিল মাস পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে এগুলো কোনভাবেই শেষ করা সম্ভব নয়। রোগ নির্ণয়ের জন্য এই রিএজেন্ট ব্যবহার করা হয় এবং এটার মেয়াদ যত শেষেরদিকে চলে আসে এর কার্যকারিতা ততই কমে আসে। আর যখন মেয়াদ শেষ হয়ে যায় তখন যে ফলাফলটা আসার কথা সেটা তো আর আসে না।'

এসব অভিযোগ শোনার পর সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ মানুষ।

সেবা নিতে আসা একজন বলেন, 'মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মানে তো বিষ। আমরা তো টাকা দিয়ে এখানে বিষ কিনতে এসেছি।'

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন, সেবার মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি বাড়ানোসহ গুণগত দিক দিয়েও পরিবর্তন আনা হবে।

ইউনাইটেড হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা ডা. সাগুফা আনোয়ার বলেন, 'আমাদের ভুল-ত্রুটি মাঝে মাঝে হতে পারে। আমাদের নিজেদেরও অভ্যন্তরীণ চেকিং প্রক্রিয়া আছে। সেটা তো চলবেই, আরও সেটাকে জোরদার করা হবে। অবশ্যই এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। উন্নতি করার তো কোন শেষ নাই।'

সব অনিয়মের পরিবর্তনের নির্দেশ দেন র‌্যাব-এর ভ্রাম্যমান আদালত। ১৫ দিন পর আবারো হাসপাতালের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়।

বিস্তারিত

তৈরি করুন মজাদার পুডিং

আজকাল পুডিং বলতেই হরেক রকম পুডিং বুঝায় -যেমন - জেলো পুডিং, নারকেলের দুধ দিয়ে পুডিং, শুধু দুধের পুডিং। তবে যতোরকম ভাবে রান্না করা হোক না কেনো ডিম দিয়ে তৈরী পুডিং এর মধ্যে একধরনের ঐতিহ্য মিশে আছে আর সুস্বাদু তো অবশ্য ই - এই ডিমের পুডিং তৈরীতে যা যা লাগবে ঃ--

১।ডিম- ৮টা
২। ঘন দুধ - দেড় কাপ
৩। চিনি - এক কাপ অথবা স্বাদ মতো

প্রথমে একটি পরিস্কার বাটিতে ডিম গুলো সব ভেঙে নিয়ে কাঁটা চামচ দিয়ে খুব ভালোভাবে বিট করতে হবে তারপর তাতে চিনি মিশিয়ে আবারো বিট করতে হবে এবং সবশেষে ঘন দুধ মিশিয়ে ও আরো কিছুক্ষন বিট করতে হবে - তারপর একটা এ্যালুমিনিয়াম টিফিন বাটি অথবা এখন পুডিং কেইস কিনতে পাওয়া যায় সেটাতে আগে থেকে করে রাখা ক্যারামেল (ক্যারামেল করতে লাগবে ২টেবিল চামচ চিনি এবং সামান্য পানি, বাটিতে চিনি ও পানি দিয়ে চুলায় বসিয়ে বাদামী রঙ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে, হালকা বাদামী হলে নামিয়ে নিলে ই ক্যারামেল রেডি) এ সব টুকু মিশ্রন ঢেলে দিয়ে ঢাকনি দিয়ে টিফিনবক্স বন্ধ করে বকেইস থেকে কিছুটা বড় হাঁড়িতে সামন্য পানি দিয়ে তাতে কেইসটি রেখে চুলায় জ্বাল দিতে হবে আধ ঘন্টার মতো, তারপর চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে ইচ্ছেমতো সাইজে কেটে পরিবেশন করতে হবে --

আর যদি ঝটপট করতে চান তাহলে সবকিছু এক সঙ্গে ইলেকট্রিক এগ বিটারে দিয়ে ৪/৫ মিনিট বিট করে নামিয়ে আগে থেকে ক্যারামেল করে রাখা বাটিতে ঢেলে দিয়ে প্রেসারকুকারে সামান্য পানি দিয়ে তাতে বাটি ঢুকিয়ে চার/পাঁচটা সিটি দিলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা হলে বের করে নিয়ে বাটির চারধার ছুরি দিয়ে কেটে একটা সমান প্লেটে উপুড় করে ঢেলে ফ্রীজে রাখতে পারেন অথবা এমনিতেই পছন্দমতো সাইজে কেটে নির্ভাবনায় খেতে পারেন মজাদার পুডিং।

বিস্তারিত

ঢামেকে ভিড় না করার অনুরোধ

নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভিড় না করার অনুরোধ জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

শুক্রবার বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে বিমান দুর্ঘটনায় আহত শাহরিন আহমেদকে দেখার পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অনুরোধ জানান।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রী, আমি নিজেই যেতে চাইনি। কিন্তু রোগীর খোঁজখবর ও চিকিৎসা ব্যবস্থা তদারকি করতে আমার যেতে হয়েছে। কিন্তু আমি বাকি অন্য সবাইকে বলব, বিমান দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের দেখতে বার্ন ইউনিটে ভিড় জমাবেন না। এতে যেমন রোগী ও স্বজনরা বিব্রত হচ্ছেন, তেমনই তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থাও বাধাগ্রস্ত হবে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলনে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশমতে বিমান দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসকসেবা দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। চিকিৎসাসেবায় যেন কোনো গাফিলতি না হয় সে ব্যবস্থাও আমরা করেছি। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করব আহতদের দ্রুত সুস্থ করে তোলার। এছাড়া আহতদের মানসিক ও শারীরিক চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।

সংবাদ সম্মেলনে বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, শাহরিনের শরীরে পাঁচ শতাংশ বার্ন হয়েছে। আমরা বৃহস্পতিবার তার শরীরের ক্ষতস্থানে ড্রেসিং করেছি। তিনি এখন সুস্থ আছেন। যেহেতু দুর্ঘটনায় শাহরিনের পায়ের হাড় ভেঙে গেছে, তাই তার পায়ে অস্ত্রোপচার করতে হবে। আগামী রোববার বার্ন ইউনিটে একটি বোর্ড বসবে তার পায়ের অস্ত্রোপচারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে।

তিনি আরো বলেন, নেপালে আমাদের যে স্বাস্থ্য টিম গেছে, সেই টিমের সঙ্গে আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে ওখানে থাকা বাংলাদেশি রোগীদের দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করবে স্বাস্থ্য টিম।

 
বিস্তারিত

চুলের রুক্ষতা প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

রুক্ষ চুল কারোই কাম্য নয়। নানা কারণেই হারাতে পারে চুলের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ও কোমলতা। রুক্ষ চুল নষ্ট করে আমাদের স্বাভাবিক সৌন্দর্য। তাই নজর রাখতে হবে আপনারই অযত্নের কারণে চুল যেন রুক্ষ না হয়ে যায়।

আপনি কি সঠিক শ্যাম্পু ব্যবহার করছেন? চুলের ধরন জেনে তবেই শ্যাম্পু করা দরকার। ভুল শ্যাম্পু ব্যবহার করলে আপনার চুল আরও বেশি রুক্ষ শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

চুল নরম রাখার জন্য শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার ব্যবহার করা খুব জরুরি। যদি আপনার মনে হয়, কন্ডিশনার আপনার চুলকে প্রচণ্ড তেলতেলে করে দিচ্ছে, তাহলে শ্যাম্পু করার আগে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

চুল ধোয়ার সময়ে কখনোই গরম পানি ব্যবহার করবেন না। শ্যাম্পু ব্যবহার করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে চুল ধুয়ে ফেলুন। ঠান্ডা পানি যে শুধুমাত্র ত্বকের জন্যই উপকারী তাই নয়, চুলের জন্যও একইরকম উপকারী।

গোসল করে ভেজা চুল কখনো চিরুনি দিয়ে আঁচড়াবেন না। কারণ গোসল করার পর চুলের গোড়া নরম হয়ে থাকে। তাই তখন একটু টানেই চুল ছিঁড়ে যেতে পারে।
বিস্তারিত

শরীরে ৪টি লক্ষণ দেখলেই ডাক্তার দেখান

মানবদেহে কখন কী ভাবে রোগ বাসা বাঁধে, তার কোনও ঠিক ঠিকানা নেই। অনেক সময় তৎক্ষণাৎ বোঝা গেলেও, এমন বহু রোগ আছে যা বুঝতে আপনার বেশ কয়েক বছর সময় লেগে যায়। আর তত দিনে সেই রোগ অনেক গভীরে পৌঁছে যায়।

শরীরে যে সব রোগ বাসা বাঁধে, তার অধিকাংশই স্ট্রেস থেকে আসে। এমনকী মানসিক ব্যাধিও দেখা দিতে পারে স্ট্রেস থেকে। ‘নাফিল্ড হেলথ’-এর বিশেষজ্ঞ টিম হিপগ্রেভ জানিয়েছেন, শরীরে চারটি লক্ষণই আগাম জানান দেয় যে, আপনার দেহে রোগ বাসা বাঁধতে শুরু করেছে।

দেখে নেওয়া যাক, কী সেই লক্ষণগুলি—

• কাজ করার ক্ষমতা আস্তে আস্তে কমতে থাকলে বা শরীরে এনার্জির অভাব বোধ করলে বুঝবেন রোগ বাসা বাঁধছে। মূলত স্ট্রেস থেকেই এই লক্ষণ আসে। এর থেকে হরমোন জনিত সমস্যাও তৈরি হয় ও মানসিক ব্যাধি, ঘুম কম হওয়া ইত্যাদিও শুরু হয়।

• চোয়ালে ব্যথা বা দাঁত কিড়মিড় করা, মাথায় ব্যথা, দাঁতের সমস্যা— ইত্যাদিও হয় স্ট্রেস ও অ্যাংজাইটি থেকে। অনেক সময়ে ঘুমের মধ্যেও অনেকে দাঁতে দাঁত ঘষতে থাকেন, যার ফলে মাড়ি বা জিভি কেটে যায়। এর খেকে মুখে ইনফেকশন পর্যন্ত হতে পারে। মুখের ইনফেকশন বছরের পর বছর ফেলে রেখে দিলে মুখে ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে।

• প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন? অর্থাৎ শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কমে গিয়েছে। নিয়মিত এমন হতে থাকলে এক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যান।

• স্ট্রেস থেকে রোজকার খাদ্যাভ্যাসও বদলে যায়। স্ট্রেস থাকলে তখন ভাত রুটির থেকেও চটজলদি খাবার খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। খিদে খুব বেড়েও যেতে পারে, আবার কমেও যেতে পারে। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন মানে পেটের বড় অসুখের ইঙ্গিত। তাই দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বিস্তারিত

দিনে ১টা সিগারেটেই বাড়তে পারে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। এসব কিছু জানার পরও সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ ধূমপান করেন। প্যাকেটের পর প্যাকেট নিমেষে ধোঁয়া করে বাতাসে উড়িয়ে দেন। শরীর স্বাস্থ্যের কতটা ক্ষতি হচ্ছে, সেটা একবার ভেবেও দেখেন না। সম্প্রতি একটি তথ্য প্রকাশ হয়েছে। যাতে বলা হয়েছে, দিনে ১০টা কিংবা ২০টা নয়, হার্ট অ্যাটাক হতে পারে দিনে ১টা মাত্র সিগারেট খেলেই।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক অ্যালান হ্যাকশ এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা মনে করি, সারাদিনে বুঝি প্রচুর সিগারেট খেলে তবেই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। আসলে তা নয়। ২০টা খেতে হবে না। যদি কোনও ব্যক্তি সারাদিনে ১টা মাত্র সিগারেটও খান, তাহলেও তাঁর মধ্যে হৃদরোগের হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অর্থাত্, সেই ব্যক্তির মধ্যে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক এবং ফুসফুসের ক্যানসারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।’

ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের সমীক্ষায় প্রকাশ পেয়েছে যে, প্রত্যেক বছর সাত মিলিয়ন মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয় তামাক। তাছাড়া, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের কারণে মৃত্যু হয় ২ মিলিয়ন মানুষের।

 
বিস্তারিত

স্ট্রবেরির উপকারী গুণাগুণগুলো

সহজলভ্য না হওয়ায় স্ট্রবেরির উপকারী গুণাগুণগুলি সম্পর্কে আমাদের বিশেষ কোনও ধারণাই নেই। উজ্জ্বল লাল রং, স্বাদ, গন্ধের জন্য বিখ্যাত স্ট্রবেরি। জ্যাম, মিল্কশেক, চকোলেট, আইসক্রিম প্রভৃতিতে স্ট্রবেরি ব্যবহার করা হয়। স্বাদে, গন্ধে অতুলনীয় এই ফল শুধুমাত্র জিভের স্বাদই মেটায় না। পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন উপকারে লাগে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে পলিফেনল, ডায়টারি ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ভিটামিন। কেন প্রত্যেকদিনের ডায়েটে অবশ্যই স্ট্রবেরি রাখবেন, জেনে নিন-

১) স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি এবং ফাইটোকেমিক্যালস রয়েছে। যা, আমাদের মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ভালো করে। ভিটামিন সি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শরীরে ভিটামিন সি-এর ঘাটতি পূরণ করতে প্রত্যেকদিন ১ কাপ করে স্ট্রবেরি খান।

২) স্ট্রবেরি আমাদের হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৩) অতিরিক্ত ওজন নিয়ে যে এত চিন্তায় রয়েছেন, প্রত্যেকদিন স্ট্রবেরি খেলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ ঝড়ে যায় সহজে।

৪) রক্তচাপ কমিয়ে হাইপারটেনশন কম রাখে স্ট্রবেরিতে থাকা পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম।

৫) এখানেই শেষ নয়। দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে স্ট্রবেরি।



বিস্তারিত

অ্যাপলোকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ ও রি-এজেন্ট রাখার অভিযোগে রাজধানীর অ্যাপলো হাসপাতালকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এই হাসপাতালটিতে সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম, র‌্যাব-১ এর মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম ও এএসপি নজমুল হকের নেতৃত্বে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

অভিযান পরিচালনাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখতে পায়, এ্যাপোলো হাসপাতালের নিজস্ব ফার্মেসিতে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ ও রি-এজেন্ট মজুদ করা আছে। অথচ এই ওষুধ ওই হাসপাতালের ভর্তি হওয়া রোগীদের পথ্য হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৫২ ও ৫৩ এবং দি ড্রাগ এ্যাক্ট-১৯৪০ এর ১৮ ও ২৭ ধারা মোতাবেক মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ মজুদ ও বিক্রয় এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ রি-এজেন্ট (বিকারক) দ্বারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার অপরাধে এ্যাপোলো হাসপাতাল ও তাদের নিজস্ব ফার্মেসিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বিস্তারিত

হাত-পায়ের গিঁটের কালো দাগ দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে

কিছুদিন হল ম্যানিকিওর ও পেডিকিওর করিয়েছেন। কিন্তু, এর মধ্যেই হাতে পায়ের গিটে কালো দাগ পড়ে গেছে। এই নিয়ে চিন্তিত? চিন্তা করবেন না। আগে ভেবে দেখুন, এমন দাগের কারণ কী? নানা কারণে এটি হতে পারে। যেমন, প্রতিনিয়ত ঘষা খাওয়ার ফলে আঙুলের গিঁটে কালচে হয়ে যায়। এছাড়াও সানবার্ন, দূষণ, ত্বকের নানা রোগ (যেমন, চিকেন পক্স) ইত্যাদি কারণে আঙুলের গিঁট কালচে হয়ে যায়। এর সঙ্গে সঠিক যত্ন ও পরিচর্যার অভাব তো থাকেই। ঘরোয়া উপায়ে এই কালো দাগ দূর করা সম্ভব। জেনে নিন কীভাবে-

বেকিং সোডা

বেকিং সোডা আঙুলের গিঁটের স্বাভাবিক রঙ ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। একটি পাত্রে হালকা গরম জল নিন। এবার এতে এক চিমটি বেকিং সোডা ভালো করে মিশিয়ে নিন। এতে হাত ডুবিয়ে রাখুন। ১০ মিনিট বাদে মিশ্রণ থেকে হাত তুলে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এরপর ময়েশ্চারাইজ়ার লাগিয়ে নিন।

চিনির স্ক্রাব

চিনি খুব ভালো স্ক্রাবার হিসাবে কাজ করে। প্রথমে একটি পাত্র নিন। এতে ২ চা মধু, ১ চা লেবুর এবং ১ চা চিনি ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি আঙুলের গিঁটে ম্যাসাজ করুন। এভাবে ২০ মিনিট ম্যাসাজ করবার পর হাত ধুয়ে ফেলুন। এটি খুব ভালো আঙুলের গিঁটের কালো দাগ দূর করে।

Image result for হাত-পায়ের গিঁটের কালো দাগ

লেবুর রস

লেবুতে রয়েছে খুব দারুণ প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান, যা ত্বকের উপরিভাগের কালচে ভাব দূর করে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে থাকে। একটি পাত্রে খানিকটা হালকা গরম জল নিন। এতে ২ থেকে ৩ চা লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণে হাত ভিজিয়ে রাখুন। ৫ থকে ১০ পর হাত গরম জল থেকে তুলে ধুয়ে মুছে নিন।

গ্লিসারিন

আঙুলের গিঁটের কালো দাগ দূর করার ক্ষেত্রে গ্লিসারিন খুব ভালো কাজ করে থাকে। একটি পাত্র নিন। তাতে হালকা গরম জল নিন। এবার এতে আধচামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। তাতে হাত দু’টি ২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর মিশ্রণ থেকে হাত তুলে ঠাণ্ডা জলে হাত ধুয়ে ফেলুন। এরপর ময়েশ্চারাইজ়ার লাগিয়ে নিন।

দুধের সর এবং হলুদের গুঁড়ো

হলুদ এবং দুধের সর এমনিতেই কালো দাগ তুলতে সাহায্য করে। ১ চামচ দুধের সর, আধচামচ হলুদের গুঁড়ো এবং ২ থেকে ৩ ফোঁটা বাদামের তেল মিশিয়ে একটি প্যাক বানিয়ে নিন। এবার প্যাকটি দিয়ে আঙুলের গিঁটে ম্যাসাজ করুন। ২০ মিনিট বাদে শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এখানে বাদাম তেল আপনার ত্বককে ময়েশ্চারাইজ় করবে। এবং হলুদ ও দুধ ত্বকের দাগ তুলতে সাহায্য করে।

Image result for হাত-পায়ের গিঁটের কালো দাগ

ভিটামিন E ক্যাপসুল

১ চামচ দুধের সরের সঙ্গে একটি ভিটামিন E ক্যাপসুল মিশিয়ে নিন। এই পেস্টটি দিয়ে আঙুলে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এটি আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারেন।

কাজুবাদামের গুঁড়ো

কাজুবাদামের গুঁড়ো এবং গোলাপ জল একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এটির একটি ঘন পেষ্ট তৈরি করুন। এরপর প্রতিটি আঙুলের গিঁটে এই পেষ্ট লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এইভাবে সপ্তাবে ২ বার প্যাকটি ব্যবহার করলে আঙুলের কালো দাগ দূর হয়ে যাবে।

Image result for হাত-পায়ের গিঁটের কালো দাগ

ডিমের সাদা অংশ

ডিমে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস আছে। যা ত্বকের উপরিভাগের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ডিম ভেঙে সাদা অংশ আলাদা করে আঙুলের গিঁটের উপর লাগিয়ে দিন। ১৫-২০ বাদে হালকা গরম জলে হাত ধুয়ে ময়েশ্চারাইজ়ার লাগিয়ে নিন।
বিস্তারিত

বুঝেশুনে খান ডাইজেসটিভ বিস্কুট

রোগা হওয়া এখন একটা ট্রেন্ড। পুরোনো পোশাক যদি গায়ে বড় হয় তাহলে মন যেন খুশিতে ভরে ওঠে। স্লিম অ্যান্ড ট্রিম চেহারাই এখন ফ্যাশনে ইন। আর এর মধ্যে এমন কিছু মানুষ আছেন যাঁরা খাওয়া ছাড়া থাকতেই পারেন না। তার জন্য চেহারার দিকে খুব একটা চোখও দেন না। তাঁরা আছেন নিজের মতোই। কিন্তু যাঁরা রোগা হওয়ার চক্করে যা খুশি তাই খেয়ে চলেছেন, রোগা হওয়ার জন্য পাশের বাড়ির মালতী কাকিমাও যদি কোনও টিপস দেন সেটা মন দিয়ে শোনেন। অথচ পরিবারের সদস্যরা যাঁরা প্রতিনিয়ত তাঁর শরীরের জন্য চিন্তিত। তাঁদের কথা গুরুত্বই দেন না। আর এই রোগা হওয়ার রুলস অ্যান্ড রেগুলেশনের মধ্যে ডাইজেসটিভ বিস্কুট অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব ডাইজেসটিভ বিস্কুট শরীরের জন্য একেবারেই ভালো না।

সকালে চায়ের সঙ্গে টা না হলে যেন চলে না। কিন্তু, রোগা হওয়ার কথা মাথায় রেখে প্রতিদিনের ক্রিম বিস্কুটের পরিবর্তে হেলদি মানে ডাইজেসটিভ বিস্কুটই অনেকে বেছে নেন। আসলে ওই বিস্কুটটিকে অনেকেই হেলদি মনে করেন। আর এই বিস্কুট চিকিৎসকরা সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্য ও হজমশক্তি কম এমন রোগীকে দিয়ে থাকেন। তবে এখন এটা প্রায় সবাই খায়।



বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মানুষ ডাইজেসটিভ বিস্কুটকে যতটা হেলদি বলে মনে করেন সেটা ততটাও হেলদি নয়। কারণ ওই বিস্কুট আপনার খিদে মেটাতে সাহায্য করে। এছাড়া হেলদি খাবারের প্রতি একটা ভালোবাসা তৈরি করে দেয়। যা একটু তেল ঝাল মশলা খেলেই শরীরের সমস্যা করে।      

ডাইজেসটিভ বিস্কুট কেন সব সময় খাবেন না ?

উপকরণ লুকানো থাকে

বিস্কুটের প্যাকেটের গায়ে যে যে উপকরণ থাকে তার বাইরেও এমন অনেক উপকরণ থাকে যা আপনার শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক। অনেক সময় প্যাকেটের গায়ে লেখা থাকে যে এই বিস্কুটে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলস রয়েছে। ওই উপকরণগুলিকে নিয়ে ইন্টারনেট ঘেঁটে দেখুন। সেগুলির মধ্যে অনেক সময় টেস্ট যাতে ভালো লাগে তেমন জিনিসও মেশানো হয়। প্রতিদিন খাওয়ার ফলে আপনার ওই বিস্কুটের প্রতি একটা আসক্তি তৈরি হয়ে যায়।

প্রসেসড

ডাইজেসটিভ বিস্কুটের মধ্যে অনেক ধরনের উপকরণ থাকে। আর সেগুলি প্রসেসড না করলে কখনওই ঠিক থাকে না। সে কারণেই অনেকদিন ফেলে রাখার পরও বিস্কুটগুলিতে ফাঙ্গাস ধরে না। ফলে আপনি যদি মনে করেন প্রসেসড ফুড খাবেন না তাহলে ডাইজেসটিভ বিস্কুট খাওয়াও ছেড়ে দিন।

আনহেলদি ক্যালোরিও থাকে

এই বিস্কুটে অন্তত ৫০ গ্রাম ক্যালোরি থাকে। এই ক্যালোরি আপনার শরীরের জন্য একেবারেই ভালো না। এগুলি ওজন কমানোর পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। আসলে চিনি, ময়দা ও সোডিয়াম থেকে যে আনহেলদি ক্যালোরি পাওয়া যায় তা আপনার শরীরের জন্য একেবারেই ভালো না। এটি শরীর আরও খারাপ করে দেয়।     


বিস্তারিত

কিসমিসকে অবজ্ঞা নয়

কেউ দেন পায়েসে, কেউ ধোঁয়া ওঠা পোলাওয়ে। অনেকে আবার বিরিয়ানি স্পেশ্যাল করতেও উপরে ছড়িয়ে দেন। যেখানেই পড়ুক না কেন, স্বাদ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। অনেকে আবার খাবার প্লেটে আলাদা করে পাশে রেখে দেন। যাতে খাওয়ার শেষে কিসমিসের টকমিষ্টি স্বাদটা মুখে থেকে যায়। তবে কেবল স্বাদেই অতুলনীয় নয় ছোট এই ড্রাই ফ্রুট, তার রয়েছে আরও অনেক উপকারিতা। বিশেষ করে মহিলাদের তো রোজই নিয়ম করে কিসমিস অথবা কিসমিস ভেজানো জল খাওয়া উচিত। কারণ-

    সমীক্ষা বলছে প্রত্যেক মহিলার দিনে নির্দিষ্ট পরিমাণ কিসমিস খাওয়া উচিত। এতে শরীর প্রয়োজনীয় ক্যালোরি পাবে কিন্তু কোনও ফ্যাট থাকবে না।

 

    কিসমিসে পর্যাপ্ত পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে। আর এর মিষ্টত্ব শরীরকে শক্তি জোগায়। এতে কর্মক্ষমতা বাড়ে।

 

    বেশিরভাগ মহিলার শরীরে আয়রনের কমতি থাকে। তারা রক্তাল্পতায় ভোগেন। এমন সমস্যায় কিসমিস ভীষণ উপকারে লাগে। এতে প্রচুর মাত্রায় আয়রন থাকে।

 

    ছোট্ট এই ড্রাই ফ্রুটে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়ামও থাকে। যা পেশি সংকোচনের হার কমিয়ে দেয়। আবার স্নায়ুতে রক্তপ্রবাহের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে।

 

    হৃৎপিণ্ডের সমস্যা যাদের রয়েছে তাদের তো রোজ কিসমিস খাওয়া উচিত। কারণ তা হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

    উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। কিসমিস রক্তে সোডিয়ামের পরিমাণ কমিয়ে দিয়ে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।




লিভার ও কিডনির সমস্যাতেও কিসমিস ভীষণ উপকারি। শুধু কিসমিস কেন কিসমিস ভেজানো জল খেলেও এই একই উপকার পাওয়া যায়। কেমন করে বানাবেন এই কিসমিস ভেজানো জল?

    প্রথমে একটি পাত্রে দুই কাপ জল নেবেন।
    তাতে দেড়শো গ্রাম কিসমিস দিয়ে সারারাত রেখে দেবেন। জলে দেওয়ার আগে কিন্তু কিসমিসগুলো একবার অবশ্যই ধুয়ে নেবেন।
    পরদিন সকালে কিসমিস ছেঁকে নিয়ে জলটি হালকা গরম করে নেবেন।


ব্যস, ওই জলটি খেয়ে নেবেন। তবে কিসমিস ভেজানো জল খাওয়ার পরের আধ ঘণ্টায় কিছু খাবেন না। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এভাবে কিসমিস ভেজানো জল খেলে, প্রভাব নিজেই বুঝতে পারবেন।



বিস্তারিত

চোখের মণিতে কিলবিল কৃমি!

বছর চব্বিশের হাসিখুশি, ছটফটে তরুণী। ভালবাসেন পাহাড়-জঙ্গল-ঝর্নার ধারে বন্ধুদের সঙ্গে মজা করতে। ঘোড়ায় চড়তে। কিন্তু এ বারে ছুটি কাটিয়ে আসার কিছু দিন পর থেকেই একটা চোখ করকর করছিল বেশ। জলে ধুয়ে, হাত দিয়ে অল্পবিস্তর ঘষাঘষি করেও লাভ হচ্ছিল না। তার পর এক দিন নিজেই চোখের মণি থেকে টেনে বার করলেন সুতোর মতো কী একটা জিনিস! আধ ইঞ্চি মতো লম্বা। আধা স্বচ্ছ।

ঘাবড়ে যাওয়ারই কথা। স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনিও চোখ থেকে বার করে আনলেন অমনই আর দু’টো সুতো! কৃমির মতো মনে হলেও এমনটা আগে কখনও দেখেননি ওই চিকিৎসকও।

অন্ধ হয়ে যাব না তো! আতঙ্কে একশা হয়ে ওরেগনের ব্রুকিংস শহরের অ্যাবি বেকলি ছুটে গিয়েছিলেন চোখের ডাক্তারের কাছে। তিনি বার করলেন আরও তিনটি। কিন্তু সমাধান করতে পারলেন না। অ্যাবি শেষে দ্বারস্থ হলেন সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি)-এর একটি কেন্দ্রে। সেখানকার গবেষকেরা জানালেন, অ্যাবির চোখে এগুলো কৃমি। থেলাজিয়া পরিবারের। সেখানে আরও ৮টি, অর্থাৎ ২০ দিনে বার করা হল মোট ১৪টি কৃমি। দেখা গেল, আর কোনও কৃমি নেই অ্যাবির চোখে। জ্বালা বা অন্য উপসর্গও নেই ।

ঘটনাটি ২০১৬ সালের। এত দিনের মধ্যে চোখ নিয়ে আর কোনও সমস্যা হয়নি। ভাল আছেন ২৬ বছরের অ্যাবি। ক’দিন আগেই ফেসবুকে পোস্ট করেছেন মজাদার স্নোম্যানের ছবি। আর সিডিসি-র বিজ্ঞানীরাও সদ্যই জানিয়েছেন তাঁর চোখে বাসা বাঁধা কৃমির কাহিনি। ‘ট্রপিক্যাল মেডিসিন’ ও ‘হাইজিন’ পত্রিকায়। ওই গবেষকদেরই এক জন, রিচার্ড ব্র্যাডবেরি। তাঁর কথায়, ‘‘চোখের মধ্যে কিলবিল করছে কিছু কৃমি! এটা ছিল খুবই বিচ্ছিরি, শিউরে ওঠার মতো ব্যাপার।’’ অ্যাবিকে ওই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে পারলেও অনেকগুলি প্রশ্নের মুখে পড়েন সিডিসি-র গবেষকেরা। কয়েক মাস পরে তাঁরা ঠিক করে চিনতে পারেন ওই জঘন্য পরজীবীগুলি আসলে ‘থেলাজিয়া গুলোসা’। যা থাকে গরুর চোখে। কখনও কখনও বেড়াল বা কুকুরেরও। মূলত, চোখে বসা মাছিদের মাধ্যমে ছড়ায় এই কৃমির লার্ভা। ওই মাছিরা চোখের জল খেয়ে বাঁচে। এবং খাওয়ার সময়ে চোখে চলে যায় কৃমির লার্ভা। সেখানেই বাড়বাড়ন্ত হতে থাকে সেগুলির।

তা বলে মানুষের চোখে ‘থেলাজিয়া গুলোসা’! মানুষের চোখ এতই তৎপর যে, কাছাকাছি কিছু এলেই চোখের পলক পড়ে যায়। মাছি তাতে বসল কী করে? শুরু হয় খোঁজ। অ্যাবির কাছ থেকে গবেষকেরা জানতে পারেন, কিছু দিন আগে দক্ষিণ ওরেগনে এক জায়গায় ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন তিনি। এলাকাটি গো-পালনের জন্য বিখ্যাত। সেখানেই ঘোড়ায় চড়ার সময়ে কোনও মাছি এত দ্রুত এসে চোখে পড়েছিল যে, চোখের পাতাও তার দায়িত্ব পালন করতে পারেনি। এটা খুবই বিরল ঘটনা। এবং মানুষের চোখে ‘থেলাজিয়া গুলোসা’ বিশ্বে এই প্রথম, জানাচ্ছেন ব্র্যাডবেরি।

এর আগে থেলাজিয়া পরিবারেরই অন্য দুই প্রজাতির কৃমি দেখা গিয়েছে মানুষের চোখে। গোটা ইউরোপ ও এশিয়া মিলিয়ে মাত্র ১৬০টি ঘটনার তথ্য মিলেছে এ পর্যন্ত। আর আমেরিকার ইতিহাসে সংখ্যাটি ১১। চিকিৎসা না করালে এগুলি কর্নিয়ার ক্ষতি, এমনকী অন্ধও করে দিতে পারে । তবে সব কৃমি বার করে দিলে, স্থায়ী সমস্যা বা উপসর্গ থাকে না।

স্বস্তির দিক এই একটিই।
বিস্তারিত

  • ‘মৃত শিশুর মাতৃত্ব নিয়ে সন্দেহ’ তদন্ত কমিটি গঠন
  • শুটিং না করেও টিজারে মুনমুন, পরিচালক বলছেন ভিন্ন কথা
  • বিশ্ব একাদশের হয়ে খেলবেন সাকিব-তামিম
  • বিয়ানীবাজারে জেনোসিডিল সহ যুবক আটক
  • বজ্রপাতের সময়ে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়
  • এবার গোপালগঞ্জে বাসচাপায় এক নারী নিহত
  • সিকৃবিতে ‘সেলফ এসেসমেন্ট’ কমিটির কর্মশালা অনুষ্ঠিত
  • প্রভাষক জুয়েল হত্যার প্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন
  • সিলেটে মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি
  • রাজনগরে গৃহবধূ খুন
  • বাংলাদেশ লোকসংস্কৃতি ফোরাম এর সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি অসিত বরণ
  • ধোপাদিঘীর ‘ক্ষতি নয়,সৌন্দর্যবর্ধন করছে’ সিসিক
  • সিলেট চেম্বারে এসএমই উদ্যোক্তাদের ব্যবসা বিকাশে ই-কমার্স শীর্ষক সেমিনার
  • সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক
  • শাবিতে আসছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান
  • কাবুলে জঙ্গি হামলা, নিহত বেড়ে ৬৩
  • পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে তারেকের লিগ্যাল নোটিশ
  • বিএনপির মিছিলে পুলিশি বাধা
  • জাতীয় পার্টিতে বিএনপির অনেক নেতাই যোগ দেবে: এরশাদ
  • সংবাদ সম্মেলনে রিজভী তারেক রহমান পাসপোর্ট জমা দিলে সবাইকে দেখান
  • মুসলমানরাই সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসের শিকার: বান কি মুন   ৫০৬৯৯
  • ছলনাময়ী নারীদের চেনার উপায়   ১৪৮৯১
  • মেয়র কালামের পায়ের নিচে ওসি আতাউর শার্ট খুলে লিনডাউন,তারপর জুতো পেটার প্রস্তাব   ১৪৭৯৯
  • জুমার নামাজ ছুটে গেলে কী করবেন?   ১৩৪৪৮
  • ​চিনা কোম্পানিকে কাজ দিতে প্রতিমন্ত্রী তারানার স্বাক্ষর জাল   ৯৪৩০
  • জেনে নিন ছুলি দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায়   ৯৩৪২
  • মুসাফির কাকে বলে? মুসাফিরের রোযা ভঙ্গ করলে   ৮৯৩৩
  • ডিমের পর স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে সোনালি মুরগি   ৮৭৭১
  • গরুর দুধের অসাধারণ কয়েকটি গুণ   ৮৪৭৯
  • ঋণখেলাপি নই-হুন্ডি ব্যবসায়িও নই,সম্পত্তি নিলামের খবর অপপ্রচার-নাসির   ৮৪৬০
  • খতমে ইউনুস নামে সামাজে চলে আসা জালিয়াতী   ৭৮৭২
  • মুঘল সম্রাটদের দিনযাপন   ৭০১৮
  • হযরত শাহ্‌ জালাল ইয়েমেনী (রাঃ)-এঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী   ৬৪৫৯
  • চিত্রনায়িকা সাহারার সেক্স ভিডিও ফাঁস!   ৬৪২৪
  • ম,আ,মুক্তাদিরের ছেলে রাহাত লন্ডনে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে   ৬৪১০
  • শিশুর কানে আজান দেবে কে?   ৬২৮০
  • প্রশ্নব্যাংকে প্রশ্ন, স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাছাই হয়ে পরীক্ষা   ৫৭৪১
  • কামরূপ-কামাখ্যা : নারী শাসিত যাদুর ভূ-খন্ড   ৫৭৩২
  • ফুলবাড়ির বশর চেীধুরী আজ ইন্তেকাল করেছেন   ৫৬৪৯
  • চিকিৎসায় দ্রুত সরকারি সহযোগিতা চান খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া   ৫৪১৯
  • সাম্প্রতিক আরো খবর

  • বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন ‘মিনারেল ওয়াটার’
  • বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন ‘মিনারেল ওয়াটার’
  • মাইগ্রেন চিকিৎসায় যুগান্তকারী ওষুধ আবিষ্কার!
  • সেফওয়ে হাসপাতালে দুই প্রসূতির মৃত্যু: তথ্য সংগ্রহে সিভিল সার্জন অফিস
  • ‘জীবন দিয়ে হলেও তোমায় সুরক্ষিত রাখব’
  • গর্ভনিরোধক এই পিলের কোনও সাইড এফেক্ট আছে?
  • ভয় থেকে হতে পারে অ্যালঝাইমার
  • বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস শনিবার
  • শরীরচর্চা করার আগে কী খাবেন কী খাবেন না?
  • বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছর
  • ১০১ বছর বেঁচে থাকার ৭টি উপায়
  • গরমে শরীর সুস্থ রাখতে যে পানীয়গুলো খাবেন
  • গরমে শরীর সুস্থ রাখতে যে পানীয়গুলো খাবেন
  • ইউনাইটেড হাসপাতালকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা
  • তৈরি করুন মজাদার পুডিং
  • ঢামেকে ভিড় না করার অনুরোধ
  • চুলের রুক্ষতা প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
  • শরীরে ৪টি লক্ষণ দেখলেই ডাক্তার দেখান
  • দিনে ১টা সিগারেটেই বাড়তে পারে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি
  • স্ট্রবেরির উপকারী গুণাগুণগুলো
  • অ্যাপলোকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা
  • হাত-পায়ের গিঁটের কালো দাগ দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে
  • বুঝেশুনে খান ডাইজেসটিভ বিস্কুট
  • কিসমিসকে অবজ্ঞা নয়
  • চোখের মণিতে কিলবিল কৃমি!