সর্বশেষ খবর

   স্বাভাবিক জীবনে ফিরল সুন্দরবনের ৫৭ দস্যু    শুক্রবার কলকাতা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী    মাদকবিরোধী অভিযানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৭ জন নিহত    নবীগঞ্জ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র হলেন এটিএম সালাম    ঈদে ৪ দিন সিএনজি স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা    সারা দেশে বন্দুকযুদ্ধ : মানবাধিকার কমিশনের উদ্বেগ    শিল্প প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে দেশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: রাষ্ট্রপতি    ছিটকে পড়লেন রোমেরো    বিরল রোগ আক্রান্ত মুক্তামনি আর নেই    বালাগঞ্জে ভেজাল বিরোধী অভিযান    র‍্যাবের খাঁচায় সিলেটের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ সুধাংশু    বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উপলক্ষে সিলেটে আলোচনা সভা    জিন্দাবাজারে রিফাত এন্ড কোং’এ ২০ হাজার টাকা জরিমানা    মৌলভীবাজারে দুই ছাত্রলীগ কর্মী খুনের মামলার প্রধান আসামির আত্মসমর্পণ    সহকর্মীকে ‘হ্যান্ডসাম’ বলায় চাকরি হারালেন সংবাদ উপস্থাপিকা    প্রতিটি পোস্টে নজর রাখছে ১৫ হাজার ‘ফেসবুক পুলিশ’    মন্ত্রী-সচিবদের কেউ কেউ ফোন-ফ্যাক্সের দোকান খুলে বসতে পারেন: পার্থ    মিশিগান বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত    সাকিবদের হারিয়ে ফাইনালে চেন্নাই    ‘মাদকবিরোধী অভিযানে মানুষের প্রশংসা বিএনপির ভালো লাগছে না’


খবর - আন্তর্জাতিক

তুরস্কে ইসরাইলি পণ্য নিষিদ্ধ

জেরুজালেম: গাজা সীমান্তে ফিলিস্তিনিদের হত্যার প্রতিবাদে ইসরাইলি কিছু পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে তুরস্ক। দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান ইঙ্গিত দিয়েছেন, তার দেশ ইসরাইলি কিছু পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ব্যাপারে চিন্তা করছে। তুরস্কের স্থানীয় একটি দৈনিকের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্স মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

আগামী জুনে দেশটির নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন এরদোগান। গাজা সীমান্তে সহিংসতা ও জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতিবাদে মুসলিম দেশগুলোর জোট ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্যদের নিয়ে গত সপ্তাহে বৈঠক করেন তিনি। ওআইসির বৈঠকে গাজা হত্যাযজ্ঞ ও মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে নেয়ার বিস্তারিত

পাকিস্তানে তীব্র তাপদাহে ৬৫ জনের মৃত্যু

পাকিস্তানের করাচিতে তীব্র তাপদাহে হিটস্ট্রোকে অন্তত ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২১ মে) এই তথ্য জানিয়েছে দেশটির দাতব্য সংস্থা এধি ফাউন্ডেশন। খবর- ডনের।

সংস্থাটির প্রধান ফয়সাল এডি জানান, করাচির কোরাঙ্গি ও সোহরাম গোথ এলাকায় গত তিনদিনে ১১৪টি লাশ আনা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে হিটস্ট্রোকে। নিহত বেশির ভাগ মানুষ লান্ধি ও কোরাঙ্গি এলাকার।

ফয়সাল আরও জানান, হিটস্ট্রোকে নিহতদের বেশিরভাগেরই মৃত্যু হয়েছে তাদের বাড়িতে। ৬ থেকে ৭৮ বছরের মানুষ রয়েছেন নিহতদের মধ্যে। এসব মানুষ সঠিক সময় চিকিৎসা পাননি। ফলে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

অবশ্য সিন্ধুর স্বাস্থ সচিব ড. ফজলুল্লাহ পেচুহো এধি ফাউন্ডেশনের এই দাবিকে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, শুধু চিকিৎসক ও হাসপাতাল মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে পারে। এক্ষেত্রে করাচিতে হিটস্ট্রোকে মৃত্যুর বিষয়টি আমি অস্বীকার করছি।

ড. ফজলুল্লাহ জানান, গত তিনদিনে করাচির কোনও হাসপাতালে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত কোনও রোগী ভর্তি হয়নি।

গত কয়েকদিন ধরে করাচির তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রয়েছে। আগামী ২৩ মে পর্যন্ত এই অবস্থা বজায় থাকবে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। রবিবার পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তর করাচিতে তীব্র গরমের জন্য সতর্কতা জারি করে। ওই দিন বিকাল ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

করাচির মেয়র ওয়াসিম আখতার বাসিন্দাদের হিটস্ট্রোক এড়াতে দিনের বেলা ঘরে ভেতরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিস্তারিত

রোজা সবার জন্য ‘ভয়ঙ্কর হুমকি’: ড্যানিশ মন্ত্রী

রোজা সবার জন্য ‘ভয়ঙ্কর হুমকি’ এমন মন্তব্য করলেন ড্যানিশ ইমিগ্রেশন এবং ইন্টিগ্রেশনমন্ত্রী ইনজার স্টোজবার্গ। তিনি মধ্য-ডানপন্থী লিবারেল পার্টির সদস্য। এছাড়া রোজার সময় মুসলিমদের অফিস থেকে ছুটি নিতে বলেছেন তিনি। এমন তথ্য দিয়ে খবর প্রকাশ করেছে রাশিয়ান আন্তর্জাতিক টেলিভিশন নেটওয়ার্ক আরটি।

ড্যানিশ এই মন্ত্রী অভিবাসনবিরোধী ও মুসলিমবিদ্বেষী। ইনজার স্টোজবার্গ বলেন, মুসলিমদের রোজা রাখা আমাদের সবার জন্য ভয়ঙ্কর হুমকি।

এক কলামে স্টোজবার্গ মুসলিমদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাকি ডেনিশ সমাজের জন্য নেতিবাচক পরিণতি এড়াতে আমি মুসলিমদের বলবো তারা যেন রোজার মাসে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে নেয়।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিস্মিত হই, ১৪০০ বছর আগে ইসলামের একটি অবশ্য পালনীয় ধর্মীয় বিধান যদি ২০১৮ সালে ডেনমার্কে আমাদের সমাজ এবং শ্রমবাজারের সঙ্গে মানানসই বলা হয়।’

এই মন্ত্রীর আশঙ্কা, রোজা রাখার কারণে ‘নিরাপত্তা ও উৎপাদন ক্ষমতায়’ নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, একজন বাস চালক ১০ ঘণ্টার বেশি কোনো কিছু খায় না এবং পান করে না। ‘এটা আমাদের সবার জন্য ভয়ঙ্কর হতে পারে’।

তিনি এমন সময় এই মন্তব্য করলেন, যখন মুসলিমদের পবিত্র রমজান মাস পালন শুরু হয়েছে। এই মাসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও জৈবিক চাহিদা থেকে বিরত থেকে রোজা পালন করে থাকেন মুসলিমরা।

উল্লেখ্য, এর আগেও নানা বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন এই নারী ড্যানিশ মন্ত্রী।
বিস্তারিত

জেদ্দায় ঢাকামুখী উড়োজাহাজের জরুরি অবতরণ

ঢাকার উদ্দেশে মদিনা থেকে ছেড়ে আসা সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট জেদ্দা বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে। যান্ত্রিক ক্রুটির কারণে এয়ারবাস এ৩৩০-২০০ মডেলের প্লেনটি জেদ্দা কিং আব্দুল আজিজ বিমান বন্দরে জরুরি অবতরণ করে।  বিমানটির ফ্লাইট নম্বর ছিল এসভি৩৮১৮।  ফ্লাইটটিতে ১৪১ জন যাত্রী ও ১০ জন ক্রু ছিলেন।

জানা যায়, উড্ডয়নের পর স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে যাত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে জেদ্দার বাদশাহ আব্দুল আজিজ বিমানবন্দরে সৌদি এয়ারবাস এ-৩৩০-২০০ বিমানটি অবতরণ করে। জেদ্দা বিমানবন্দরের সিভিল এভিয়েশন এবং ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ সব যাত্রীদের নিরাপদে বিমান থেকে নামিয়ে আনে।

বর্তমানে ঐ ফ্লাইটের যাত্রীদের জেদ্দা হজ্জ টার্মিনালের লাউঞ্জে রাখা হয়েছে, তবে সব যাত্রীই অক্ষত রয়েছেন বলে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

সৌদি গণমাধ্যম আল আরাবিয়ার খবরে বলা হয়েছে, বিমানটি রানওয়েতে অবতরণের অনুমতি না পাওয়ায় কয়েক ঘণ্টা ধরে বিমানবন্দরের আকাশে ঘোরাঘুরি করে এবং অবশেষে স্থানীয় সময় রাত ১০টায় অবতরণ করতে সক্ষম হয়।

স্থানীয় সৌদি গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, ৭০ জন যাত্রীকে এয়ারপোর্টেই চিকিৎসা দিয়েছে মেডিকেল টিম এবং চারজনকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বিমানটির সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও যাত্রীরা নিরাপদে আছেন বলে জানানো হয়েছে।

বিস্তারিত

সৌদিতে অভ্যুত্থানের ডাক দিলেন নির্বাসিত যুবরাজ (ভিডিও)

সৌদি বাদশাহ সালমানকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিতে দুই চাচাত ভাইয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির নির্বাসিত এক যুবরাজ। ওই যুবরাজের নাম  খালেদ বিন ফারহান। মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অভ্যুত্থানের ডাক দেয়ার পর এর সমর্থনে দেশটির পুলিশ ও সেনাবাহিনীর অনেক সদস্যের কাছে থেকে ই-মেইলে সাড়া পেয়েছেন।

প্রিন্স খালেদ বিন ফারহান অপর দুই যুবরাজ আহমেদ বিন আব্দুল আজিজ ও মুকরিন বিন আব্দুল আজিজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সৌদি রাজপরিবার ও দেশের যে ক্ষয়ক্ষতি বাদশাহ সালমানের নিয়ন্ত্রণহীন, নির্বোধ ও খামখেয়ালীপনা শাসনের মাধ্যমে হয়েছে তা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।

সৌদি প্রিন্স খালেদ বিন ফারহান ২০১৩ সাল থেকে জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, যদি যুবরাজ আহমেদ এবং মুকরিন ঐক্যবদ্ধ হয় তাহলে রাজপরিবার, নিরাপত্তা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর ৯৯ শতাংশ সদস্য তাদের পাশে দাঁড়াবে।

প্রিন্স খালেদ বিন ফারহান আরও বলেন, বাদশাহ সালমানের জীবিত বড় ভাই মাহমুদ বিন আব্দুলআজিজ সম্প্রতি এক বিবৃতিতে পুরো রাজপরিবারে বড় ধরনের অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, রাজপরিবারের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে। আমি এই তথ্য পাওয়ার পর বাদশাহ সালমানের উচ্চশিক্ষিত দুই ছেলে আমার চাচাত ভাই আহমেদ এবং মুকরিন; যারা ভালো বুদ্ধিমান এবং আরও ভাল পরিবর্তন আনতে সক্ষম তাদের অনুরোধ জানিয়েছি। আমি বলেছি, আমরা সকলেই তাদের সঙ্গে আছি এবং তাদের প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে।

উল্লেখ্য,  গত এপ্রিলে রাজধানী রিয়াদের রাজপ্রাসাদে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনার পর বাদশাহ বিরোধী অভ্যুত্থানের যে ডাক উঠেছে তা নিয়ে রহস্য দেখা দিয়েছে। ওই সময় রাজপ্রাসাদের সামনে বিনা অনুমতিতে উড়তে থাকা একটি ‘খেলনা ড্রোনে’ গুলি চালিয়ে ভূপাতিত করা হয় বলে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়া হয়।

রাজপ্রাসাদে গোলাগুলির এ ঘটনার পর সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে দীর্ঘদিন ধরে দেখা যায়নি। রাশিয়া ও ইরানের বেশ কিছু গণমাধ্যমে বলা হয়, অভ্যুত্থান চেষ্টার সময় গুলিতে মারা গেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তবে মৃত্যুর গুঞ্জন উড়িয়ে দিতে সম্প্রতি যুবরাজের কার্যালয় থেকে আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তার একটি ছবি প্রকাশ করা হয়। তবে এই ছবি কত তারিখে কোন সময় তোলা হয়েছে সেব্যাপারে কোনো তথ্য দেয়নি যুবরাজের কার্যালয়।

প্রিন্স খালেদ বলেছেন,  মূল ঘটনাকে আড়াল করতে ড্রোনের গল্প সাজানো হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এটি প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা নয় বরং তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মাত্র।

তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ‘এমবিএস’ যদি ক্ষমতায় থাকেন, তাহলে অভ্যুত্থান এড়ানো যাবে না। ‘আমি ইউরোপীয়দের বলতে চাই, সৌদি আরবের পরিস্থিতি আগ্নেয়গিরির রূপ ধারণ করেছে; যা বিস্ফোরণের মুখে রয়েছে। যদি এটি ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে শুধু সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ অথবা আরব অঞ্চলের পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলবে না; ইউরোপের ওপরও প্রভাব ফেলবে।’
বিস্তারিত

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এফবিআইয়ের ‘অনুপ্রবেশের’ তদন্ত হবে

যুক্তরাষ্ট্রের ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই অসৎ ‍উদ্দেশ্যে কোনো গোয়েন্দাবৃত্তি চালিয়েছিল কি না, সে বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা হবে।

রোববার মার্কিন বিচার বিভাগের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রড রোসেনস্টেইন জানান, যদি ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো ‘অনুপ্রবেশ’ পাওয়া যায় তবে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রড রোসেনস্টেইন বলেন, ‘যদি অসৎ ‍উদ্দেশ্যে কেউ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে অনুপ্রবেশ করে থাকে বা প্রার্থীর ওপর নজরদারি চালিয়ে থাকে, আমাদের জানা প্রয়োজন এটি কী উদ্দেশ্যে ছিল এবং এরপর যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এর আগে রোববারই এক টুইটার বার্তায় ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ওবামা প্রশাসন তার নির্বাচনী প্রচারণায় অসৎ উদ্দেশ্যে এফবিআই দিয়ে গোয়েন্দাবৃত্তির আদেশ দিয়েছিলেন কি না, তা তিনি জানতে চান। এ জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন তিনি।

টুইটার বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এখন দাবি জানাচ্ছি এবং আগামীকাল আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবো যে, ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এফবিআই/ডিওজে অনুপ্রবেশ করেছিল কি না কিংবা নজরদারি চালিয়েছিল কি না এবং এই ধরনের দাবি বা অনুরোধ ওবামা প্রশাসনের লোকজনের দ্বারা করা হয়েছিল কি না, তার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে।’

এ সময় ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের বিষয়ে বিশেষ পরামর্শক রবার্ট মুয়েলারের তদন্ত নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই তদন্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এর মূল বারাক ওবামা প্রশাসনে নিহীত।

এফবিআই ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে গুপ্ত বৈঠক করেছিল, সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যমে এমন খবরের পর এই টুইট করেন ট্রাম্প।

বিস্তারিত

আবারও হাসপাতালে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

পশ্চিম তীরের একটি হাসপাতালে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে ভর্তি করা হয়েছে। গত সপ্তাহে একটি অস্ত্রপচারের পর জটিলতা দেখা দেওয়ায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দেশটির এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহের মধ্যে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো হাসপাতালে ভর্তি হতে হলো আব্বাসকে। মঙ্গলবার তার কানে ছোট অস্ত্রপচার করা হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। শনিবার রাতে আবারো আব্বাসকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

রামাল্লায় এক ফিলিস্তিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শরীরের তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় রোববার রাতে আবারো আব্বাসকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ওয়াফাতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আল-ইসতিশারি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থাপক ডা. সাঈদ সারাহনেহ বলেছেন, আব্বাসের মেডিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল ভালো এবং তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে।


বিস্তারিত

উইন্ডসর প্রাসাদে প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কলের রূপকথার বিয়ে

লন্ডনের উইন্ডসর কাসলে এক বিয়ের অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান মার্কলেকে স্বামী এবং স্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

সেন্ট জর্জেস চ্যাপেল গির্জায় ব্রিটেনের রানী এলিজাবেথ এবং ৬০০ নিমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিতিতে তারা বিয়ের শপথ-বাক্য পাঠ করেন এবং আঙটি বদল করেন।

ব্রিটিশ ডিজাইনার ক্লেয়ার ওয়েইট কেলারের তৈরি বিয়ের পোশাক পরে মেগান মার্কল যখন গির্জায় এসে হাজির হন তখন শ্বশুর প্রিন্স চার্লস তার হাত ধরে তাকে বিয়ের মঞ্চ পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যান।

বিয়ের পর প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান মার্কলের উপাধি হবে ডিউক এবং ডাচেস অফ সাসেক্স।

বিয়ের অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমরিকান টকে-শো হোস্ট ওপরাহ্ উইনফ্রে, অভিনেতা জর্জ ক্লুনি ও তার স্ত্রী আমাল, সাবেক ফুটবল তারকা ডেভিড বেকহ্যাম ও তার স্ত্রী ভিক্টোরিয়া, টেনিস তারকা সেরেনা উইলিয়ামস এবং গায়ক এল্টন জন।

এই বিয়ে উপলক্ষে লক্ষাধিক মানুষ উইন্ডসরে হাজির হন। সারা বিশ্বে কোটি কোটি মানুষ টেলিভিশনে এই বিয়ের অনুষ্ঠান সরাসরি উপভোগ করেন।

রানী এলিজাবেথ এবং তার স্বামী এডিনবরার ডিউক বাদে রাজপরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে প্রিন্স হ্যারির ভাই ডিউক অফ কেমব্রিজ উইলিয়াম, মামা আর্ল স্পেন্সার, ডাচেস অফ ইয়র্ক সারাহ্ ফার্গুসন এই বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তবে প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে সহ কোন রাজনীতিককে এই অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ জানানো হয়নি। কারণ এটি কোন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ছিল না।

বিবিসির রাজপরিবার সংক্রান্ত সংবাদদাতা জনি ডাইমন্ড বলছেন, যেভাবে পুরো অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছিল, সেই বিবেচনায় এটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের এক রাজকীয় অনুষ্ঠান।

অন্যান্য বিয়ের অনুষ্ঠানের যেমনটি আগে দেখা গেছে, এই বিয়েতে বড় বড় কেক তৈরি করা হয়নি।

রাজকীয় অনুষ্ঠানে গির্জার মধ্যে এবার গসপেল কয়্যার সামগান পরিবেশন করেছে।

উইন্ডসর প্রাসাদে এই প্রথমবারের মতো সাধারণ জনগণের মধ্য থেকে ১২০০ ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

১৯৯৭ সালে প্রিন্স হ্যারির মা প্রিন্সেস ডায়ানার বিয়ের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাকে ‘পিপলস প্রিন্সেস’ অর্থাৎ জনগণের রাজকুমারী হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

কিন্তু নানা আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই বিয়েও জনগণের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছে বলে জনি ডাইমন্ড বলছেন।

বিস্তারিত

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস আজ

আজ ২০ মে রোববার ‘বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস’। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও আজ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশনের (বিএসটিআই) উদ্যোগে নানা কর্মসূচি পালিত হবে।

উল্লেখ্য, মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাপের গুরুত্ব সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করে তোলাই বিশ্ব মেট্রোলজি দিবসের উদ্দেশ্য। চলতি বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘আন্তর্জাতিক পদ্ধতির একক সমূহের ক্রমবিবর্তন’।

এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এছাড়া শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ্ এ উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন।

এছাড়া, বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উপলক্ষে ওজন ও পরিমাপ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা উন্টারন্যাশনাল ব্যুরো অব ওয়েট্স এ্যান্ড মের্জাস (বিআইপিএম) -এর পরিচালক মার্টিন মিল্টন বাণী দিয়েছেন।

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস-২০১৮ উপলক্ষে বিএসটিআই বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বিএসটিআই’র প্রধান কার্যালয় ও আঞ্চলিক অফিসসমূহে আলোচনা সভা, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান ও মেট্রালজি দিবেসের গুরুত্ব বিষয়ক কথিকা প্রচার।

বিস্তারিত

এবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় স্কুলে বন্দুক হামলায় নিহত ১

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের পর জর্জিয়ার একটি স্কুলে বন্দুক হামলার ঘটনায় অন্তত একজন নিহত এবং আরও একজন আহত হয়েছেন। কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, শুক্রবার রাতে জোনেবোরোয় মাউন্ট জায়ন হাইস্কুলের পার্কিং এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। খবর ফক্সএইটের।

ক্লেটন কাউন্টি দমকল বিভাগ জানিয়েছে, ওই বন্দুক হামলার পর তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজন বন্দুকের গুলিতে আহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে একজন পরে হাসপাতালে মারা যান। আর তৃতীয় ব্যক্তি একজন গর্ভবতী নারী, যাকে ধাক্কা দেয়ায় তিনি আহত হয়েছেন।

দমকল বিভাগ জানাচ্ছে, একজন আহত ব্যক্তিকে আটলান্টা মেডিকেল সেন্টার আরেকজনকে পিয়েডমন্ট হেনরি হাসপাতাল চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে তৃতীয় ব্যক্তিকে সাউদার্ন রিওজিনাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বন্দুক হামলায় নিহত ব্যক্তি একজন নারী বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, ওই নারীর বয়স চল্লিশের কোঠায়।

পুলিশ এর আগে জানিয়েছিল যে, বন্দুক হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। তারা জানান, একটি সমাপনী অনুষ্ঠানে ওই হামলার ঘটনা ঘটে।

তবে সন্দেহভাজন ব্যক্তি, তার উদ্দেশ্য বা হতাহতের সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি পুলিশ।

এর আগে শুক্রবার সকালে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সান্টা ফে হাইস্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। ওই হামলায় আরও ১০ জন আহত হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলার ঘটনা বেড়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে গত আট দিনে এটি স্কুলে চতুর্থ এবং চলতি বছরে ২৩তম বন্দুক হামলার ঘটনা।


বিস্তারিত

কিউবায় বিমান দুর্ঘটনায় অন্তত ১০০ জন নিহত

কিউবার রাষ্ট্রায়াত্ত বিমান পরিবহন সংস্থা কিউবানার একটি বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১০০ জন লোকের প্রাণহানি হয়েছে। এ ঘটনায় ৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও তাদের অবস্থা আশংকাজনক বলে কিউবার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বিবিসিকে জানিয়েছে।
এর আগে শতাধিক আরোহী নিয়ে হাভানার হোসে মার্তি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই বিধ্বস্ত হয় বিমানটি।

ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি দেখার পর কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াস-কানেল বহু হতাহতের আশঙ্কা প্রকাশ করেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।

কিউবার কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র গ্রানমা জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

কিউবার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, অভ্যন্তরীণ রুটের ওই ফ্লাইটটি রাজধানী হাভানা থেকে ১০৪ জন যাত্রী নিয়ে দ্বীপ দেশটির পূর্ব অংশের ওলগিনে যাচ্ছিল। ফ্লাইট পরিচালনার দায়িত্বে ছিল নয়জন বিদেশি ক্রু।

স্থানীয় সময় বেলা ১২টা ৮ মিনিটে রানওয়ে থেকে উড্ডয়নের পরপরই উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয় এবং বিস্ফোরণ ঘটে। বিমানবন্দরের কাছেই কালো ধোঁয়া পাকিয়ে উঠতে দেখা যায় টুইটারে আসা ছবিতে।

বিস্তারিত

টেক্সাসে স্কুলে বন্দুক হামলায় নিহত ৮, গ্রেপ্তার দুই

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সান্টা ফে হাইস্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। হ্যারিস কাউন্টির শেরিফ এড গনজালেজ বলেছেন, শুক্রবার সকালে ওই হামলার ঘটনায় ১০ জন পর্যন্ত মারা গিয়ে থাকতে পারেন। খবর সিএনএনের।

গনজালেজ বলেছেন, গ্যালভেস্টন থেকে ২০ মাইল দূরে অবস্থিত এই স্কুলে হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন একজন তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই তরুণ স্কুলটিরই একজন শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই ব্যক্তি স্কুলে ছাত্র বলে আমাদের বিশ্বাস। শেরিফ গনজালেজ বলেন, নিহতদের অধিকাংশ শিক্ষার্থী।

এদিকে কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, কমপক্ষে ১২ জনকে তিনটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। সাতজন টেক্সাসের ওয়েবস্টারের ক্লিয়ার লেক রিজিওনাল মেডিকেল হাসপাতালে, দুইজন টেক্সাস সিটির মেইনল্যান্ড মেডিকেল সেন্টার ও অন্য তিনজন গ্যালভেস্টনে টেক্সাস মেডিকেল শাখার জন সিলি বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ওই হামলার ঘটনায় কমপক্ষে একজন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, একটি শটগান দিয়ে একজন বন্দুকধারী টেক্সাসের সান্টা ফে হাইস্কুলের একটি ক্লাসরুমে ঢুকে গুলি করা শুরু করেন। তিনি একটি ছাত্রীর পায়ে গুলি লাগতে দেখেন।


কিম সুলিভান নামের এক অভিভাবক জানান, তার ১৭ বছরের মেয়ে তাকে ফোন করে জানিয়েছে যে স্কুলে বন্দুক হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পর তারা দৌড়ে স্কুলের উল্টো পাশে শেল গ্যাস স্টেশনে আশ্রয় নেয়।

তিনি বলেন, বাচ্চারা দ্বিধান্বিত হয়ে পড়েছে এবং বাবা-মা তাদের সন্তানদের খুঁজে বের করা চেষ্টা করছেন।

এদিকে টুইটারে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, পার্শ্ববর্তী একটি মাঠে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ব্যাগ খালি করে চেক করছেন।

সান্টা ফে হাইস্কুলের একজন শিক্ষার্থী অ্যাঞ্জেলিকা মার্টিনেজ বলেন, এটা প্রতিদিনের মতো ছিল। আমরা আমাদের প্রথম পিরিয়ডের কাজ করছিলাম। তারপর হঠাৎ করে ফায়ার ড্রিলের মতো শব্দ শুনতে পাই।

উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গত আট দিনে এটি তৃতীয় এবং চলতি বছরে ২২তম বন্দুক হামলার ঘটনা।
বিস্তারিত

জাপানে ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প

জাপানের পূর্বাঞ্চলে ৫ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত এনেছে।

দেশটির ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, বৃহস্পতিবার জাপানের পূর্বাঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত এনেছ।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম চ্যানেল নিউজ এশিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল চিবা উপকূলে। তবে কোনও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। পাওয়া যায়নি কোনও হতাহতের খবরও।

এর আগে সর্বশেষ ২০১৬ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্প দেখেছিল জাপান। সেই ভূমিকম্পে অন্তত ৯ জন নিহত ও
বিস্তারিত

হিজবুল্লাহ’র ওপর আমেরিকা ও সৌদি জোটের নিষেধাজ্ঞা

লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব হাসান নাসরুল্লাহসহ শীর্ষস্থানীয় কয়েক জন নেতার বিরুদ্ধে নতুনকরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আমেরিকা ও তার আরব মিত্ররা।

মার্কিন অর্থ বিভাগ এক বিবৃতিতে বলেছে, হিজবুল্লাহ মহাসচিব হাসান নাসরুল্লাহ ও উপ-মহাসচিব শেখ নায়িম কাসেমসহ শীর্ষস্থানীয় পাঁচ নেতার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

নতুন এই নিষেধাজ্ঞায় আমেরিকার সঙ্গে অংশ নিয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার এবং ওমান। হিজবুল্লাহর নেতাদের বাইরে এ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজন ব্যক্তিত্ব এবং প্রতিষ্ঠানকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

হিজবুল্লাহ সন্ত্রাসী তৎপরতায় অংশ নিচ্ছে বলে আমেরিকা ও তার মিত্র দেশগুলোর অভিযোগ।

হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে এমন সময় সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ আনা হয়েছে যখন সংগঠনটি নিজ দেশে ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে। এছাড়া লেবাননের সাম্প্রতিক সংসদ নির্বাচনে হিজবুল্লাহর জোট সবচেয়ে বেশি আসনে বিজয় লাভ করেছে। তথ্যসূত্র: পার্সটুডে

বিস্তারিত

পর্ন তারকাকে অর্থ পরিশোধের কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

শেষ পর্যন্ত আইনজীবীর মাধ্যমে পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে অর্থ পরিশোধের স্বীকারোক্তি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুইজনের সম্পর্কের ব্যাপারে মুখ বন্ধ রাখতে তাকে ওই অর্থ দেওয়া হয়েছিল।

ডোনাল্ড ট্রাম্প, মাইকেল কোহেন এবং স্টর্মি ড্যানিয়েলস। ছবি: বিবিসি।বুধবারযুক্তরাষ্ট্রের গভর্নমেন্ট ইথিক্স বিষয়ক দফতরের পক্ষ থেকে বলা হয়, ট্রাম্প তার আগের আর্থিক বিবরণীতে এ বিষয়ে অর্থ পরিশোধের বিষয়টি উল্লেখ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ওই আর্থিক বিবরণীতে দেখা গেছে, আইনজীবী মাইকেল কোহেনকে ২০১৬ সালের এক ব্যয় বাবদ অর্থ পরিশোধ করেছেন ট্রাম্প। এর পরিমাণ এক লাখ এক ডলার থেকে আড়াই লাখ ডলারের মধ্যে।

এর আগে স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে এক লাখ ৩০ ডলার পরিশোধের কথা অস্বীকার করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে এবার হোয়াইট হাউসের এক নোটে বলা হয়েছে, এই অর্থ পরিশোধের ব্যাপারটি ছিল ‘স্বচ্ছতার আগ্রহ’ থেকে।

এ ব্যাপারে তথ্য প্রকাশে অনাগ্রহের কথাও জানায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের দফতর। তবে অফিস অব দ্য গভর্নমেন্ট ইথিক্স (ওজিই) প্রধানের লেখা এক চিঠিতে বলা হয়েছে, আইনজীবী মাইকেল কোহেনের অর্থ পরিশোধের বিষয়টি দায় বা বাধ্যবাধকতা বিভাগে রিপোর্ট করা প্রয়োজন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রড রোজেনস্টেইনকে লেখা চিঠিতে ওজিই-এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক বলেন, এর অনুসরণের মাধ্যমে আপনি যে কোনও তদন্তের প্রাসঙ্গিক বিষয়বস্তু খুঁজে পেতে পারেন।

এর আগে গত এপ্রিলে ট্রাম্পের আইনজীবী মাইকেল কোহেনের অফিসে হানা দেয় এফবিআই। সেখান থেকে তারা ইমেইল, কর সংক্রান্ত নথি ও ব্যবসায়িক নথির পাশাপাশি স্টর্মি ড্যানিয়েলস সংক্রান্ত নথিও জব্দ করেন। ওই সময়ে নিজ আইনজীবীর অফিসে এফবিআই-এর তল্লাশির ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি বলেন, ওই অভিযান ‘অসম্মানজনক পরিস্থিতি’ তৈরি করেছে এবং এটি ‘দেশের ওপর চালানো হামলা।’

ট্রাম্পের ভাষায়, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছি, সুনির্দিষ্টভাবে আমাকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে। আমি সেটা কমাতে চেয়েছি। লাখ লাখ পৃষ্ঠার নথি আমি বিশেষ তদন্তকারীর হাতে তুলে দিয়েছি।’ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেও ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, তদন্তে যা-ই বেরিয়ে আসুক না কেন, তাতে তিনি চিন্তিত নন। সূত্র: বিবিসি।

বিস্তারিত

নাজিব রাজাকের বাড়িতে পুলিশের তল্লাশি

মালয়েশিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। বুধবার রাতে এ তল্লাশি চালানো হয়।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, রাতে নাজিবের বাড়ির সামনে পুলিশের অনেকগুলো গাড়ি দেখা গেছে। নিউ স্ট্রেইটস্ টাইমস সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,তার বাড়িতে তল্লাশি চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তবে এ বিষয়ে তারা বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

সিএনএন ও রয়টার্স জানিয়েছে, নাজিবের হ্যান্ডব্যাগ ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র জব্দ করা হয় তল্লাশিকালে। অর্থ পাচার কেলেঙ্কারীর তদন্তের অংশ হিসেবে এ তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন নাজিবের আইনজীবী।

সম্পতি জাতীয় নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে নাজিব রাজাকের দল। নির্বাচনের এক সপ্তাহ পর প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হলো।

ওই নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে মাহাথির মোহাম্মদের নতুন জোট এবং ফের মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হন মাহাথির। তিনি জানিয়েছিলেন, নাজিবের বিরুদ্ধে ফের দুর্নীতির তদন্ত শুরু করতে চান তিনি।

 
গত শনিবার নাজিবের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ওইদিন স্ত্রীসহ ছুটি কাঁটাতে দেশের বাইরে যাওয়ার কথা ছিল তার।

২০০৯ সালে নাজিব রাজাক ওয়ান মালয়েশিয়া ডেভেলপমেন্ট বরহাদ (ওয়ানএমডিবি) প্রতিষ্ঠা করেন। এই কোম্পানির অ্যাকাউন্ট থেকে ৭০০ মিলিয়ন ডলার নাজিব রাজাকের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। তবে নাজিব কোনো দুর্নীতি করার কথা অস্বীকার করেছেন ।

এ বিষয়ে ২০১৫ সালে তাকে অভিযুক্ত করা হলেও পরে  কর্তৃপক্ষ তাকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়।

প্রসঙ্গত, ৯ মে মালয়েশিয়ার নির্বাচনে নাজিবের নেতৃত্বাধীন বারিসান ন্যাসিওনাল (বিএন) অপ্রত্যাশিতভাবে পারাজিত হয় বিরোধী পাকাতান হারাপান জোটের কাছে। আর  নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন ৯২ বছরের মাহাথির মোহাম্মদ যিনি রাজাকেরই রাজনৈতিক গুরু ছিলেন।

বিস্তারিত

দীর্ঘদিন পর মুক্তি পেলেন মালয়েশিয়ান রাজনীতিক আনোয়ার ইব্রাহিম

মালয়েশিয়ান রাজনীতিক ও পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ফলে তিনি আবারও রাজনীতিতে ফিরতে পারবেন। এক সময়ের সম্ভাবনাময় এই নেতাকে সমকামিতা ও দুর্নীতির অভিযোগে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

বুধবার রাজকীয় ক্ষমার বিষয়ে আলোচনার পর তাকে মুক্ত ঘোষণা করে ক্ষমা প্রশ্নে গঠিত কমিটি।

মালয়েশিয়ার রাজা ইয়াং দি পারতুয়ান এগংয়ের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, আনোয়ারের মুক্তি নিয়ে চলমান প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে সন্তুষ্ট রাজা।

বিরোধী জোটের নেতৃত্ব নেওয়ার সময় মাহাথির চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন, জোট ক্ষমতায় এলে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেবেন। তবে এর দুই বছরের মধ্যে আনোয়ার ইব্রাহিমের মুক্তি নিশ্চিত করে তার কাছে সরকারপ্রধানের দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন তিনি। শপথ নিয়ে মাহাথিরও বলেছিলেন, দ্রুতই আনোয়ারের মুক্তি নিশ্চিত করবেন তিনি।

গত ৯ মে বুধবারের নির্বাচনে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা বারিসন ন্যাসিওনাল সরকারকে হারিয়ে জয়লাভ করে চার দলের নতুন জোট। হাসপাতালের বেডে শুয়ে পাঠানো এক বিবৃতিতে আনোয়ার ইব্রাহিম তার পিপলস জাস্টিস পার্টি-পিকেআর সদস্যদের মাহাথিরের সরকারকে ‘শক্তিশালী ও স্থিতিশীল’ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

মাহাথির ক্ষমতাসীন জোটের নেতা আর আনোয়ার জোটের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জেতা দল পিকেআর’র নেতা। এই দুজন প্রথমে বন্ধু, তারপর শত্রু ও পরে জোটের মিত্র হয়েছেন। তাদের এমন পরিবর্তনশীল সম্পর্কই গত তিন দশক ধরে মালয়েশিয়ার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে। এমনকি জোটের ভবিষ্যৎও এই দুজনের সম্পর্কের ওপরই নির্ভর করছে।

আনোয়ার ইব্রাহিম ও মাহাথির মোহাম্মদ একসময় ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলেন। কিন্তু মতপার্থক্যের জেরে ১৯৯৮ সালে উপপ্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে আনোয়ার ইব্রাহিমকে সরিয়ে দেন মাহাথির। এরপর কথিত সমকামিতার অভিযোগে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে রাজনৈতিক পালাবদলের ধারাবাহিকতায় সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে হটাতে তারা আবার মিত্রে পরিণত হন। সূত্র: বিবিসি।
বিস্তারিত

যেভাবে জন্ম হয়েছিল ইসরায়েলের

ফিলিস্তিনের গাজা থেকে দুই মাইল উত্তরে কিবুটস এলাকা। এখানে ১৯৩০’র দশকে পোল্যান্ড থেকে আসা ইহুদীরা কৃষি খামার গড়ে তুলেছিল। ইহুদিদের পাশেই ছিল ফিলিস্তিনি আরবদের বসবাস। সেখানে আরবদের কৃষি খামার ছিল। তারা কয়েক শতাব্দী ধরে সেখানে বসবাস করছিল।

সে সময় মুসলমান এবং ইহুদীদের মধ্যে সম্পর্ক মোটামুটি বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু ১৯৩০’র দশকে ফিলিস্তিনিরা বুঝতে পারলো যে তারা ধীরে-ধীরে জমি হারাচ্ছে। ইহুদিরা দলে-দলে সেখানে আসে এবং জমি ক্রয় করতে থাকে।

ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সময় প্রায় সাত লাখের মতো ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তারা ভেবেছিল দ্রুত সমস্যার সমাধান হলে তারা বাড়ি ফিরে আসতে পারবে। কিন্তু ইসরায়েল তাদের আর কখনোই বাড়িতে ফিরতে দেয়নি।

ইসরায়েলের সাবেক প্রেসিডেন্ট শিমন পেরেজ বছর দশেক আগে বিবিসি’র সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ফিলিস্তিনদের কেন এই দশা হলো সেজন্য তাদের নিজেদেরই প্রশ্ন করা উচিত। পেরেজ বলেন, অধিকাংশ জমি ফিলিস্তিনদের হাতেই থাকতো। তাদের একটি আলাদা রাষ্ট্র হতো। কিন্তু তারা সেটি প্রত্যাখ্যান করেছে। ১৯৪৭ সালে তারা ভুল করেছে। আমরা কোন ভুল করিনি। তাদের ভুলের জন্য আমরা কেন ক্ষমা চাইবো?

১৮৯৭ সাল থেকেই ইহুদিরা চেয়েছিলেন নিজেদের জন্য আলাদা একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলতে। ১৯১৭ সালে থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনের ভূমি ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ১৯১৭ সালের নভেম্বর মাসে তুরস্কের সেনাদের হাত থেকে জেরুজালেম দখল করে ব্রিটেন।

তখন ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে ফিলিস্তিনের মাটিতে ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনের জন্য সহায়তা করবে। ব্রিটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড আর্থার জেমস বেলফোর বিষয়টি জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন ইহুদি আন্দোলনের নেতা ব্যারন রটসচাইল্ডকে।

তৎকালীন ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সে চিঠি ‘বেলফোর ডিক্লারেশন’ হিসেবে পরিচিত। ইহুদীদের কাছে ব্রিটেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে ফিলিস্তিনের জমিতে তাদের জন্য একটি রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ করে দিবে। যদিও রোমান সময় থেকে ইহুদিদের ছোট্ট একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী সে জায়গায় বসবাস করতো।

ইউরোপে ইহুদিদের প্রতি যে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল সেটি তাদের একটি নিজস্ব রাষ্ট্র গঠনের ভাবনাকে আরো তরান্বিত করেছে। ১৯৩৩ সালের পর থেকে জার্মানির শাসক হিটলার ইহুদিদের প্রতি কঠোর হতে শুরু করেন। ইতোমধ্যে জাহাজে করে হাজার হাজার ইহুদি অভিবাসী ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে আসতে থাকে।

তখন ফিলিস্তিনি আরবরা বুঝতে পারে যে তাদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ছে। ফিলিস্তিনি আরবরা নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য বিদ্রোহ করে। তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল ব্রিটিশ সৈন্য এবং ইহুদি নাগরিকরা।

কিন্তু আরবদের সে বিদ্রোহ কঠোর হাতে দমন করেছে ব্রিটিশ সৈন্যরা। ফিলিস্তিনদের উপর ব্রিটিশ সৈন্যরা এতো কঠোর দমন-পীড়ন চালিয়েছিল যে আরব সমাজে ভাঙন তৈরি হয়েছিল। ইহুদিরা তাদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনে বদ্ধপরিকর ছিল। ব্রিটেনের সহায়তায় সে অনুযায়ী তারা কাজ এগিয়ে নিচ্ছিল।

১৯৩০’র দশকের শেষের দিকে ব্রিটেন চেয়েছিল হিটলারের নাৎসি বাহিনীর বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের অবস্থান জোরালো করতে। সেজন্য আরব এবং ইহুদি- দু’পক্ষকেই হাতে রাখতে চেয়েছে ব্রিটেন। ১৯৩৯ সালের মাঝামাঝি ব্রিটেনের সরকার একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করে যেখানে বলা হয়েছিল পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য পঁচাত্তর হাজার ইহুদি অভিবাসী আসবে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে। অর্থাৎ সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছিল।

ব্রিটেনের এ ধরনের পরিকল্পনাকে ভালোভাবে নেয়নি ইহুদিরা। তারা একই সাথে ব্রিটেন এবং হিটলারের বিরুদ্ধে লড়াই করার পরিকল্পনা করে। তখন ৩২ হাজার ইহুদি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়। সেখান থেকে সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে ইহুদি সৈন্যরা ব্রিটেন এবং আরবদের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলারের বাহিনীর দ্বারা লাখ-লাখ ইহুদি হত্যাকাণ্ডের পর নতুন আরেক বাস্তবতা তৈরি হয়। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার পর যেসব ইহুদি বেঁচে ছিলেন তাদের জন্য জন্য কী করা যায় সেটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

তখন ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনের চিন্তা আরো জোরালো হয়। আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান ইসরায়েল রাষ্ট্রের পক্ষে জোরালো অবস্থান তুলে ধরেন। ট্রুম্যান চেয়েছিলেন হিটলারের হাত থেকে বেঁচে যাওয়া এক লক্ষ ইহুদিকে অতি দ্রুত ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে জায়গা দেয়া হোক।

কিন্তু ব্রিটেন বুঝতে পারছিল যে এতো বিপুল সংখ্যক ইহুদিদের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নিয়ে গেলে সেখানে গৃহযুদ্ধ হবে। এ সময় ইহুদিদের সশস্ত্র দলগুলো ব্রিটিশ সৈন্যদের ওপর ফিলিস্তিনের বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালানো শুরু করে।

তখন ইউরোপ থেকে ফিলিস্তিনের উদ্দেশ্যে জাহাজে বোঝাই হয়ে আসা হাজার-হাজার ইহুদিদের বাধা দেয় ব্রিটিশ বাহিনী। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। ইহুদি সশস্ত্র দলগুলো ব্রিটিশ বাহিনীর উপর তাদের আক্রমণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

তাদের উদ্দেশ্য ছিল এমন একটি পরিস্থিতির তৈরি করা যাতে ইহুদি রাষ্ট্র গঠনের জন্য ব্রিটেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়। তখন সমাধানের জন্য ব্রিটেনের উপর চাপ বাড়তে থাকে। এরপর বাধ্য হয়ে ব্রিটেন বিষয়টিকে জাতিসংঘে নিয়ে যায়।

১৯৪৭ সালের নভেম্বর মাসে ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে দু’টি রাষ্ট্র গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ। একটি ইহুদিদের জন্য এবং অন্যটি আরবদের জন্য।

ইহুদিরা মোট ভূখণ্ডের ১০ শতাংশের মালিক হলেও তাদের দেয়া হয় মোট জমির অর্ধেক। কিন্তু আরবদের জনসংখ্যা এবং জমির মালিকানা ছিল আরবদের দ্বিগুণ। স্বভাবতই আরবরা এ সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি। তারা জাতিসংঘের এ সিদ্ধান্ত খারিজ করে দেয়।

কিন্তু ফিলিস্তিনীদের ভূখণ্ডে তখন ইহুদিরা বিজয় উল্লাস শুরু করে। অবশেষে ইহুদিরা একটি স্বাধীন ভূখণ্ড পেল। কিন্তু আরবরা অনুধাবন করেছিল যে কূটনীতি দিয়ে এ সমস্যার সমাধান হবে না।

জাতিসংঘের এ সিদ্ধান্তের পর আরব এবং ইহুদিদের মধ্যে দাঙ্গা শুরু হয়ে যায়। তখন ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ছেড়ে যাবার জন্য ব্রিটিশ সৈন্যরা দিন গণনা করছিল। তখন ইহুদিদের সশস্ত্র দলগুলো প্রকাশ্যে আসা শুরু করে। তাদের গোপন অস্ত্র কারখানাও ছিল।

কিন্তু ইহুদিদের সবচেয়ে বড় সুবিধা ছিল তাদের বিচক্ষণ নেতৃত্ব। এর বিপরীতে আরবদের কোনও নেতৃত্ব ছিলনা। ইহুদিরা বুঝতে পেরেছিল যে নতুন রাষ্ট্র গঠনের পর আরবরা তাদের ছেড়ে কথা বলবে না। সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য আগে থেকেই তৈরি ছিল ইহুদিরা।

সবার দৃষ্টি ছিল জেরুজালেম শহরের দিকে। মুসলমান, ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের জন্য পবিত্র এ জায়গা। জাতিসংঘ যে সিদ্ধান্ত দিয়েছিল সেখানে জেরুজালেম আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা ছিল।

কিন্তু আরব কিংবা ইহুদি- কোন পক্ষই সেটি মেনে নেয়নি। ফলে জেরুজালেম শহরের নিয়ন্ত্রণের জন্য দু’পক্ষের মধ্যে যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। জেরুজালেমে বসবাসরত ইহুদিদের অবরুদ্ধ করে রেখেছিল আরবরা। অন্য জায়গার সাথে জেরুজালেমের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে ইহুদিরা আরবদের উপর পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। অনেক বিশ্লেষক বলেন, তখন ইহুদিরা আরবদের নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পনা করেছিল। যেহেতু আরবদের মধ্যে কোনও সমন্বয় ছিল না সেজন্য ইহুদিরা একের পর এক কৌশলগত জায়গা দখল করে নেয়।

তখন ফিলিস্তিনের একজন নেতা আল-হুসেইনি সিরিয়া গিয়েছিলেন অস্ত্র সহায়তার জন্য। কিন্তু সিরিয়া সরকার ফিলিস্তিনদের সে সহায়তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। সেখান থেকে ফিরে এসে আল হুসেইনি আবারো যুদ্ধে নামেন। এর কয়েকদিন পরেই তিনি নিহত হন।

ইহুদিরা যখন তাদের আক্রমণের মাত্রা বাড়িয়ে দিলে ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাস নাগাদ বহু ফিলিস্তিনি আরব তাদের বাড়ি ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। ইহুদি সশস্ত্র গ্রুপগুলোর নৃশংসতা আরবদের মনে ভয় ধরিয়ে দেয়। অন্যদিকে ফিলিস্তিনী সশস্ত্র দলগুলো ইহুদিদের ওপর কয়েকটি আক্রমণ চালায়।

কিন্তু ইহুদিদের ক্রমাগত এবং জোরালো হামলার মুখে ভেঙে পড়তে শুরু করে ফিলিস্তিনিরা। তারা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। অন্যদিকে জর্ডানের বাদশাহ আব্দুল্লাহ এবং অন্য আরব দেশগুলোর সরকার তাদের নিজ দেশের ভেতরে চাপে পড়ে যায়।

সেসব দেশের জনগণ চেয়েছিল, যাতে ফিলিস্তিনদের সহায়তায় তারা এগিয়ে যায়। ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ফিলিস্তিন ছেড়ে চলে যায় ব্রিটেন। একই দিন তৎকালীন ইহুদি নেতারা ঘোষণা করেন যে সেদিন রাতেই ইহুদি রাষ্ট্রের জন্ম হবে।

ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যেই আরবরা আক্রমণ শুরু করে। একসাথে পাঁচটি আরব দেশ ইসরায়েলকে আক্রমণ করে। যেসব দেশ একযোগে ইসরায়েলকে আক্রমণ করেছিল তারা হচ্ছে – মিশর, ইরাক, লেবানন, জর্ডান এবং সিরিয়া। তাদের সৈন্য সংখ্যা ছিল প্রায় ত্রিশ হাজারের মতো।

অন্যদিকে ইসরায়েলের সৈন্য সংখ্যা ছিল প্রায় ৩৫ হাজার। কিন্তু আরব দেশগুলোর মধ্যে কোনও সমন্বয় ছিলনা। তাছাড়া আরব নেতৃত্ব একে অপরকে বিশ্বাস করতো না। জেরুজালেম দখলের জন্য আরব এবং ইসরায়েলের মধ্যে চলছে তীব্র লড়াই।

ইহুদিরা ভাবছিল জেরুজালেম ছাড়া ইহুদি রাষ্ট্রের কোনও অর্থ নেই। অন্যদিকে মুসলমানদের জন্যও জেরুজালেম পবিত্র জায়গা। তীব্র লড়াইয়ের এক পর্যায়ে ইসরায়েলি বাহিনী পিছু হটতে থাকে। তাদের অস্ত্রের মজুদ শেষ হয়ে যায়।

সম্ভাব্য পরাজয় আঁচ করতে পেরে ইহুদিরা নিজেদের শক্তি সঞ্চয়ের জন্য সময় নেয়। আর কিছুদূর অগ্রসর হলেই মিশরীয় বাহিনী তেল আবিবের দিকে অগ্রসর হতে পারতো। তখন জাতিসংঘের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

যুদ্ধবিরতির সময় দু’পক্ষই শক্তি সঞ্চয় করে। কিন্তু ইসরায়েল বেশি সুবিধা পেয়েছিল। তখন চেকোস্লোভাকিয়ার কাছ থেকে আধুনিক অস্ত্রের চালান আসে ইসরায়েলের হাতে। যুদ্ধ বিরতি শেষ হলে নতুন করে আরবদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ইসরায়েলি বাহিনী। একর পর এক গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে নেয় ইহুদিরা।

তেল আবিব এবং জেরুজালেমের উপর তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়। জাতিসংঘের মাধ্যমে আরেকটি যুদ্ধ বিরতির মাধ্যমে সে সংঘাত থামে। ইসরায়েলি বাহিনী বুঝতে পরে তারা স্বাধীনতা লাভ করছে ঠিকই কিন্তু লড়াই এখনো থামেনি।

১৯৪৭ সালের নভেম্বর মাস থেকে ১৯৪৯ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ছয় হাজার ইহুদি নিহত হয়েছিল। ইহুদিরা মনে করে তারা যদি সে যুদ্ধে পরাজিত হতো তাহলে আরবরা তাদের নিশ্চিহ্ন করে দিতো। ইসরায়েলিরা মনে করে ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ সেভাবে দু’টি দেশের স্বীকৃতি দিয়েছিল, সেটি যদি ফিলিস্তিনিরা মেনে নিতো তাহলে ফিলিস্তিন এবং ইসরায়েল নামের দুটি দেশ এখন পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ অবস্থান করতো।

আরব দেশগুলোর মধ্যে পারষ্পরিক আস্থা না থাকার কারণেই ১৯৪৮ সালের যুদ্ধে তারা পরাজিত হয়েছে এবং ইসরায়েল দেশটির জন্ম হয়ে সেটি স্থায়ী হতে পেরেছে। অনেক ঐতিহাসিক বিষয়টিকে এভাবেই দেখেন।

১৯৪৮ সালের পর থেকে সামরিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে অতি দ্রুত উন্নতি লাভ করে ইসরায়েল। তারা সুপার পাওয়ার হিসেবে আবির্ভূত হয়। সূত্র-বিবিসি

বিস্তারিত

ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে ৫৫ ফিলিস্তিনি নিহত

জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস উদ্বোধনকে ঘিরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে গাজা-ইসরাইল সীমান্তে তীব্র বিক্ষোভ-সংঘর্ষে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে অন্তত ৫৫ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২ হাজার ২০০ জন আহত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন। ২০১৪ সালের গাজা যুদ্ধের পর একদিনে ফিলিস্তিনি নিহতের এ সংখ্যা এটিই সর্বোচ্চ।

সোমবার জেরুজালেমে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস খোলা হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়েছেন ফিলিস্তিনিরা। তারা এ পদক্ষেপকে পুরো নগরীর ওপর ইসরাইলি শাসনের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের স্পষ্ট সমর্থন হিসেবেই দেখছেন। যে জেরুজালেমের পূর্বাঞ্চলকে ফিলিস্তিনিরা নিজেদের বলে দাবি করে আসছে।
সোমবার মার্কিন প্রতিনিধি এবং ইসরাইলি নেতাদের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দূতাবাস উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী ঘোষণায় ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড ফ্রেইডম্যান বলেন, আজ আমরা ইসরাইলের জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস খুলছি।
ওদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বক্তব্য রেখেছেন ভিডিও লিংকের মাধ্যমে। তিনি বলেন, ইসরাইল একটি সার্বভৌম জাতি। তাদের নিজেদের রাজধানী নির্ধারণের অধিকার আছে। কিন্তু বহুদিন ধরে আমরা এ সুস্পষ্ট বিষয়টিকে স্বীকৃতি দিতে পারিনি।
একটি দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্যও ট্রাম্প প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান।
অন্যদিকে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু দূতাবাসের উদ্বোধনী বক্তব্যে ট্রাম্পকে তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং দিনটিকে ইসরাইলের জন্য ‘গৌরবোজ্জ্বল দিন’ বলে বর্ণনা করেন।
দূতাবাস খোলার আগে থেকেই গাজা সীমান্তে মারমুখী অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন ফিলিস্তিনিরা। সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে ১৮ বছরের কম বয়সী ৬ শিশু  এবং হুইলচেয়ারে চলাফেরা করা এক ব্যক্তিও আছেন।
‘গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে গাজার শাসনক্ষমতায় থাকা হামাসের নেতৃত্বে ফিলিস্তিনিরা ছয় সপ্তাহ ধরে সীমান্তে বিক্ষোভ করে আসছেন।
নিজ ভূমিতে ফেরত যাওয়ার অধিকারের দাবিতে ৩০ মার্চ থেকে ফিলিস্তিনিরা গাজা সীমান্তে বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৮৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
এ হত্যাকা- নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্ব উদ্বেগ প্রকাশ করলেও যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকেই সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।
সোমবার জেরুজালেমে উদ্বোধন করা নতুন মার্কিন দূতাবাসের সামনে ফিলিস্তিনি পতাকা ওড়ানো বিক্ষোভকারীদের সঙ্গেও ইসরাইলি পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। আটক হয়েছেন কয়েকজন বিক্ষোভকারী।
জেরুজালেমে বর্তমানে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট ভবনের ভেতরই ছোট আকারে দূতাবাসের কাজ শুরু হয়েছে সোমবার থেকে। পরে ইসরাইলের তেল আবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস পুরোপুরি উঠে গেলে তখন বড় একটি জায়গা খুঁজে নিয়ে সেখানে দূতাবাস ভবন করা হবে।
ইসরাইল রাষ্ট্রের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের দিনটিতেই মার্কিন দূতাবাসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হলো।
অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইসরাইলে যান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কা ও তার স্বামী জারেড কুশনার। তারা দুইজনই হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা।
কুশনার-ইভাঙ্কা দম্পতির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্টিফেন মিউচিন ও উপ-পরাষ্ট্রমন্ত্রী জন সুলিভান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তেল আবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে আনার এ সিদ্ধান্তকে ইসরাইল প্রশংসা করলেও ফিলিস্তিনিরা শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে এর প্রবল বিরোধিতা করে আসছেন। দূতাবাস খোলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জন্য জেরুজালেমে জমায়েত হন তারা।
জেরুজালেমকে নিজেদের ‘শাশ্বত ও অখ-’ রাজধানী বলে বিবেচনা করে ইসরাইল। অপরদিকে, ফিলিস্তিনিরা তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে পূর্ব জেরুজালেম দাবি করেন। তারা ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ।

বিস্তারিত

ভারতে বৃষ্টি-বজ্রপাতে ৪৭ জনের মৃত্যু

রোববার বৃষ্টি এবং বজ্রপাতে ভারতের উত্তর, পূর্ব এবং দক্ষিণাঞ্চলে কমপক্ষে ৪০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ১৮ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ২৮ জন। অপরদিকে অন্ধ্রপ্রদেশে নয়জন, তেলেঙ্গানায় তিনজন, পশ্চিমবঙ্গে ১২ জন এবং দিল্লিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

উত্তর প্রদেশের মুখ্য সচিব (তথ্য) অবনীশ অস্থি জানান, ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ২৮ জন আহত হয়েছেন এবং ৩৭ টির মতো ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বরাত দিয়ে তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সব জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, কমিশনারদের ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সহায়তা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দপ্তর। ঝড়-বৃষ্টিতে এখন পর্যন্ত উত্তর প্রদেশেই মৃত্যুর সংখ্যা সর্বোচ্চ। সামবালপুরে বজ্রপাতের কারণে আগুনের সূত্রপাত হওয়ায় প্রায় ১শ বাড়ি পুড়ে গেছে।

অন্ধ্রপ্রদেশের কয়েকটি জায়গায় বজ্রপাতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই শ্রীকাকুলাম জেলার। তেলেঙ্গানায় তিনজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্মকর্তারা।

পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণাঞ্চলে বজ্রপাত এবং ঝড়ে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে চারজনই শিশু। অপরদিকে দিল্লিতে এক নারীসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সরকারি কর্মকর্তারা জানান, ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে পশ্চিমবঙ্গে ১২ জন মারা গেছেন।

এর মধ্যে হাওড়া জেলায় ৫ জন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৪পরগনা এবং নদিয়া জেলায় দুইজন করে মোট ৬ জন এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় একজন। এসব স্থানে আহত হয়েছে ১৫ জন। হাওরা জেলায় নিহতের মধ্যে ৪ শিশু রয়েছেন যাদের বয়স ৮ থেকে ১২ বছরের মধ্যে।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি একটি নিউজ চ্যানেলকে বলেন, ‘প্রকৃতির উপর আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। যারা মারা গেছেন আমরা তাদের ফিরিয়ে দিতে পারব না। তবে আমাদের সরকার হতাহতের পরিবারের পাশে দাঁড়াবে এবং তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’

খবরে বলা হয়, রোববার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে রাজধানী দিল্লি ও আশপাশের রাজ্যগুলোতে আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায়। পরে শুরু হয় ঝড়-বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টি। এ সময় ঘণ্টায় ১০৯ কিলোমিটার বেগে ছড়ো হাওয়া বয়ে যায়। ঝড় বৃষ্টিতে বিমান, রেল ও মেট্রা চলাচল বিঘ্নিত হয়ে। গাছ উপরে ও দেয়াল ধ্বসে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে সব কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। ৭০টির বেশি বিমানের ফ্লাইট অন্যত্র অবতরণ করানো হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টিতে দিল্লিত মেট্রো সেবাও ব্যহত হয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতে ঝড়-বৃষ্টিতে উত্তর প্রদেশ এবং রাজস্থানসহ ভারতের পাঁচ রাজ্যে একশোর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বাড়ি-ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং গাছ-পালা উপড়ে পড়েছে।

বিস্তারিত

গাজা সীমান্তে পুলিশের গুলিতে আহত ২৮

গাজা সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে অন্তত ২৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস খোলার আগ মুহুর্তে এমন ঘটনা ঘটেছে। গত ছয় সপ্তাহ ধরেই ফিলিস্তিনিরা আন্দোলন চালিয়ে আসছে।

জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে আসছিল স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনিরা। এরই ধারাবাহিকতায় তারা সীমান্তবর্তী এলাকায় ঝড়ো হচ্ছিল। ওই সময় ইসরায়েলি সেনারা তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালালে অন্তত ২৮ জন গুলিবিদ্ধ হন।

ইসরায়েল রাষ্ট্রের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মার্কিনিরা জেরুজালেমে তাদের দূতাবাস খুলতে যাচ্ছে। আগেই ধারণা করা হচ্ছিল, দিনটিতে বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি সীমান্ত এলাকায় ঝড়ো হতে পারে। এর আগে গাজার মসজিদগুলো থেকে সীমান্ত এলাকায় স্বাধীনতাকামীদের ঝড়ো হতে লাউডস্পিকারে আহ্বান জানানো হয়।

গত ৩০ মার্চ থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভে গুলি চালিয়ে ইসরায়েলি বাহিনী এ পর্যন্ত ৪৫ জনকে হত্যা করেছে। এ সময়ের মধ্যে কোনো ইসরায়েলি সেনার হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

সূত্র: রয়টার্স

বিস্তারিত

অস্ট্রেলিয়ায় একই পরিবারের ৭ জনকে গুলি করে হত্যা

অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের একটি বাড়িতে একই পরিবারের তিন প্রজন্মের সাতজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ২২ বছরের মধ্যে দেশটিতে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের হত্যার পর এটি একটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর শনিবার দেশটির জনগণের কাছে এটি ছিল একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা।
 
শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের মার্গারেট রিভার এলাকার কাছের একটি বাড়িতে পুলিশ ওই পরিবারের চার শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক তিন ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। খবর এএফপি’র।
 
পুলিশ নিহতদের পরিচয় দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে প্রতিবেশীরা স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, নিহতরা হলেন- ক্যাটরিনা মাইলস নামের এক নারী, তার আট থেকে ১৩ বছর বয়সী শিশু ও তার বাবা-মা।
 
লাশগুলোর কাছে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া গেছে। পুলিশ এ ঘটনায় কাউকে সন্দেহ করছে কিনা সে ব্যাপারে কিছু জানায়নি। নিশ্চিত না হলেও তারা একে হত্যার পর আত্মহত্যার ঘটনা মনে করছে।
বিস্তারিত

নাজিব রাজাকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

মালয়েশিয়ার সদ্য বিদায় নেওয়া প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। দেশটির অভিবাসন কর্মকর্তারা শনিবার সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন।

নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর নাজিব রাজাক বলেছিলেন, তিনি ও তার স্ত্রী অবসর সময় কাটানোর জন্য শনিবার বিদেশে ঘুরতে যাবেন। তার এ ঘোষণার পরই দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার এমন খবর এলো।

বুধবার মালয়েশিয়ার জাতীয় নির্বাচনে নাজিব রাজাকের বারিসান ন্যাশনাল জোটকে পরাজিত করে সরকার গঠন করে মাহাথির মোহাম্মদের পকাতন হরাপন জোট। বৃহস্পতিবার বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ৯২ বছর বয়সে শপথ গ্রহণ করেন মাহাথির।

নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি ২০১৫ সালে একটি রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিল থেকে ৭০০ মিলিয়ন ডলার সরিয়ে নিয়েছেন। তবে পরে সেই অভিযোগ থেকে কর্তৃপক্ষ তাকে অব্যাহতি দেয়।

নাজিব রাজাকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছেন, দুর্নীতির দায়ে তার বিরুদ্ধে ফের তদন্ত শুরু হতে পারে।

তথ্য : বিবিসি।

বিস্তারিত

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট

বিমানকর্মীদের ভুয়া ডিগ্রির মামলায় স্থানীয় বিমান সংস্থার প্রধানদের তলব করেছে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট। এদের মধ্যে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শহিদ খাকান আব্বাসীও রয়েছেন। প্রধান বিচারপতি মিয়া সাকিব নাসিরের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার তাদের তলবের আদেশ দেন। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের পাইলটদের ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার সংক্রান্ত মামলায় তাদের তলব করা হয়। তবে আদেশে আদালত স্পষ্ট করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খাকান আব্বাসীকে তলব করা হয়নি। বরং তাকে এয়ারব্লু এয়ারলাইনসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে তলব করা হয়েছে।

তবে এয়ারব্লু এয়ারলাইনসের ওয়েবসাইটে খাকান আব্বাসীকে এখন আর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দেখানো হচ্ছে না। ওয়েবসাইট অনুসারে এয়ারলাইনসটির এখনকার সিইও তারিক চৌধুরি। ওয়েবসাইটে দেওয়া পরিচিতিমূলক বক্তব্যে বলা হয়েছে, কোম্পানিরি শেয়ারহোল্ডার কাঠামোর মধ্যে বেশ কয়েকজন বিনিয়োগকারী রয়েছেন, এর মধ্যে বেশিরভাগ শেয়ারের মালিক তারিক চৌধুরি। জনাব চৌধুরি কোম্পিানির সিইও এবং বোর্ড চেয়ারম্রানেরও দায়িত্ব পালন করছেন।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী এয়ালাইনসের প্রধানদের আগামী শনিবার আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে। সিভিল এভিয়েশন অথরিটির (সিএএ) অতিরিক্ত পরিচালক নাসির আলী শাহ আদালতকে জানিয়েছেন, তার সংস্থা গত বৃহস্পতিবার শাহিন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস ও  বুধবারএয়ারব্লু এয়ারলাইনসের পাইলটদের ডিগ্রি বিষয়ক রিপোর্ট হাতে পেয়েছে।

অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল সাজিদ ইলিয়াস ভাটির কাছে পেশ করা ওই রিপোর্ট অনুযায়ী পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের ৪৫১ পাইলটের মধ্যে ২৪ জন ও ১৯৭২ কেবিন ক্রুর মধ্যে ৬৭ জনের ভুয়া ডিগ্রি পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ভুয়া ডিগ্রিধারী ১৭ পাইলট এরইমধ্যে এয়ারলাইন ছেড়ে দিয়েছে। পাঁচজন সিন্ধুর উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বাকি দুইজন লাহোর ও ইসলামাবাদের প্রথম শ্রেণীর আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে কাজে রয়েছেন।
বিস্তারিত

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি শি জিনপিং, সেরা দশে মোদি

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তির মর্যাদা অর্জন করলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। চলতি বছরে  ফোর্বস ম্যাগাজিনের বিশ্বের সেরা ৭৫ জন প্রভাবশালীর তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন তিনি। এর আগে পর পর চারবার এই মর্যাদার আসনে থাকলেও এবার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন পুতিন। তালিকায় তিন নম্বরে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে ফোর্বসের সেরা দশে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার অবস্থান নবম।বুধবার এমন তথ্য দিয়ে খবর প্রকাশ করেছে দ্য ইকোনোমিকস টাইমস।

এদিকে তালিকায় মোদি ছাড়া আরও একজন ভারতীয় রয়েছেন। তিনি রিলায়েন্সের কর্ণধার মুকেশ আম্বানি। তালিকায় ৩২তম স্থানে রয়েছেন তিনি। এছাড়া তালিকায় নাম রয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মাইক্রোসফট সিইও সত্য নাদেল্লার। তার অবস্থান ৪০তম।

তালিকা প্রকাশের পর ফোর্বসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশ্বের জনসংখ্যা ৭৫০ কোটিরও অধিক। কিন্তু এই ৭৫ জন পুরুষ ও মহিলার ক্ষমতা গোটা বিশ্বে অনেক বেশি। বার্ষিক এই তালিকায় প্রতি ১০ কোটি মানুষের মধ্যে থেকে ১ জনকে বেছে নেয়া হয়েছে, যিনি খুবই ক্ষমতাধর।

ফোর্বসের তালিকায় সেরা দশে অন্যদের মধ্যে রয়েছেন- চতুর্থ স্থানে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল, পঞ্চম স্থানে অ্যামাজনের প্রধান জেফ বেজস, ষষ্ঠ স্থানে পোপ ফ্রান্সিস, সপ্তম স্থানে বিল গেটস, অষ্টম স্থানে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান , নবম স্থানে নরেন্দ্র মোদি ও দশম স্থানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ।

তালিকায় অন্যদের মধ্যে রয়েছেন- মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ার জেরোমি এইচ পাওয়েল (১১), ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ (১২), ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ (১৩)। এছাড়া ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ি রয়েছেন তালিকায় ১৭ নম্বরে। চীনের আলিবাবা গ্রুপের প্রধান জ্যাক মা এ তালিকায় ২১ নম্বরে রয়েছেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রয়েছেন ২৬ নম্বরে। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন এ তালিকায় ৩৬ নম্বরে রয়েছেন। বিশ্বের ভয়ঙ্করতম সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএস নেতা আবু বকর আল-বাগদাদি এ তালিকায় ৭৩ নম্বরে রয়েছেন।
বিস্তারিত

  • স্বাভাবিক জীবনে ফিরল সুন্দরবনের ৫৭ দস্যু
  • শুক্রবার কলকাতা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • মাদকবিরোধী অভিযানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৭ জন নিহত
  • নবীগঞ্জ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র হলেন এটিএম সালাম
  • ঈদে ৪ দিন সিএনজি স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা
  • সারা দেশে বন্দুকযুদ্ধ : মানবাধিকার কমিশনের উদ্বেগ
  • শিল্প প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে দেশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: রাষ্ট্রপতি
  • ছিটকে পড়লেন রোমেরো
  • বিরল রোগ আক্রান্ত মুক্তামনি আর নেই
  • বালাগঞ্জে ভেজাল বিরোধী অভিযান
  • র‍্যাবের খাঁচায় সিলেটের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ সুধাংশু
  • বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উপলক্ষে সিলেটে আলোচনা সভা
  • জিন্দাবাজারে রিফাত এন্ড কোং’এ ২০ হাজার টাকা জরিমানা
  • মৌলভীবাজারে দুই ছাত্রলীগ কর্মী খুনের মামলার প্রধান আসামির আত্মসমর্পণ
  • সহকর্মীকে ‘হ্যান্ডসাম’ বলায় চাকরি হারালেন সংবাদ উপস্থাপিকা
  • প্রতিটি পোস্টে নজর রাখছে ১৫ হাজার ‘ফেসবুক পুলিশ’
  • মন্ত্রী-সচিবদের কেউ কেউ ফোন-ফ্যাক্সের দোকান খুলে বসতে পারেন: পার্থ
  • মিশিগান বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
  • সাকিবদের হারিয়ে ফাইনালে চেন্নাই
  • ‘মাদকবিরোধী অভিযানে মানুষের প্রশংসা বিএনপির ভালো লাগছে না’
  • মুসলমানরাই সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসের শিকার: বান কি মুন   ৫০৭১৮
  • ছলনাময়ী নারীদের চেনার উপায়   ১৫২৮০
  • মেয়র কালামের পায়ের নিচে ওসি আতাউর শার্ট খুলে লিনডাউন,তারপর জুতো পেটার প্রস্তাব   ১৪৮৪৩
  • জুমার নামাজ ছুটে গেলে কী করবেন?   ১৪২৫৬
  • জেনে নিন ছুলি দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায়   ৯৮৭১
  • ​চিনা কোম্পানিকে কাজ দিতে প্রতিমন্ত্রী তারানার স্বাক্ষর জাল   ৯৪৫০
  • মুসাফির কাকে বলে? মুসাফিরের রোযা ভঙ্গ করলে   ৯৩৫৯
  • ডিমের পর স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে সোনালি মুরগি   ৮৯০১
  • গরুর দুধের অসাধারণ কয়েকটি গুণ   ৮৬৪৬
  • ঋণখেলাপি নই-হুন্ডি ব্যবসায়িও নই,সম্পত্তি নিলামের খবর অপপ্রচার-নাসির   ৮৪৭৮
  • খতমে ইউনুস নামে সামাজে চলে আসা জালিয়াতী   ৮১৩১
  • মুঘল সম্রাটদের দিনযাপন   ৭১৩০
  • হযরত শাহ্‌ জালাল ইয়েমেনী (রাঃ)-এঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী   ৬৬২৭
  • চিত্রনায়িকা সাহারার সেক্স ভিডিও ফাঁস!   ৬৫৬৫
  • ম,আ,মুক্তাদিরের ছেলে রাহাত লন্ডনে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে   ৬৪৬৯
  • শিশুর কানে আজান দেবে কে?   ৬৪২৬
  • কামরূপ-কামাখ্যা : নারী শাসিত যাদুর ভূ-খন্ড   ৫৯৩২
  • প্রশ্নব্যাংকে প্রশ্ন, স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাছাই হয়ে পরীক্ষা   ৫৮৫৭
  • ফুলবাড়ির বশর চেীধুরী আজ ইন্তেকাল করেছেন   ৫৬৭৯
  • চিকিৎসায় দ্রুত সরকারি সহযোগিতা চান খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া   ৫৪৩৮
  • সাম্প্রতিক আরো খবর

  • তুরস্কে ইসরাইলি পণ্য নিষিদ্ধ
  • পাকিস্তানে তীব্র তাপদাহে ৬৫ জনের মৃত্যু
  • রোজা সবার জন্য ‘ভয়ঙ্কর হুমকি’: ড্যানিশ মন্ত্রী
  • জেদ্দায় ঢাকামুখী উড়োজাহাজের জরুরি অবতরণ
  • সৌদিতে অভ্যুত্থানের ডাক দিলেন নির্বাসিত যুবরাজ (ভিডিও)
  • প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এফবিআইয়ের ‘অনুপ্রবেশের’ তদন্ত হবে
  • আবারও হাসপাতালে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
  • উইন্ডসর প্রাসাদে প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কলের রূপকথার বিয়ে
  • বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস আজ
  • এবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় স্কুলে বন্দুক হামলায় নিহত ১
  • কিউবায় বিমান দুর্ঘটনায় অন্তত ১০০ জন নিহত
  • টেক্সাসে স্কুলে বন্দুক হামলায় নিহত ৮, গ্রেপ্তার দুই
  • জাপানে ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প
  • হিজবুল্লাহ’র ওপর আমেরিকা ও সৌদি জোটের নিষেধাজ্ঞা
  • পর্ন তারকাকে অর্থ পরিশোধের কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প
  • নাজিব রাজাকের বাড়িতে পুলিশের তল্লাশি
  • দীর্ঘদিন পর মুক্তি পেলেন মালয়েশিয়ান রাজনীতিক আনোয়ার ইব্রাহিম
  • যেভাবে জন্ম হয়েছিল ইসরায়েলের
  • ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে ৫৫ ফিলিস্তিনি নিহত
  • ভারতে বৃষ্টি-বজ্রপাতে ৪৭ জনের মৃত্যু
  • গাজা সীমান্তে পুলিশের গুলিতে আহত ২৮
  • অস্ট্রেলিয়ায় একই পরিবারের ৭ জনকে গুলি করে হত্যা
  • নাজিব রাজাকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
  • পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট
  • বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি শি জিনপিং, সেরা দশে মোদি