সর্বশেষ খবর

   হাথুরুসিংহের পরিকল্পনা ভুলে গেছে বাংলাদেশ: মাশরাফি    নতুন সম্পর্কে জোলি!    মাটির লেয়ারের ভিন্নতায় পদ্মা সেতুর ১৪ পাইলের ডিজাইনে বিলম্ব    ব্যাংকিং খাতে জবাবদিহিতার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে : অর্থমন্ত্রী    অবকাঠামো উন্নয়নে ৬০ মিলিয়ন ডলার দেবে ওএফআইডি    বাংলাদেশ যথেষ্ট সক্ষমতা অর্জন করেছে : বিশ্বব্যাংক    ৩৭ হজ এজেন্সিকে নোটিশ    বাজেটে এমপিও অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিবে: প্রধানমন্ত্রী    ভোলাগঞ্জ ও কালাইরাগে ৩৬টি ‘বোমা মেশিন’ ধ্বংস    ফেঞ্চুগঞ্জে ছাত্রলীগের ৫ নেতা বহিষ্কার    আম্মার মতো আমিও হারিয়ে যাব : রাইমা    ‘সূর্যসেন’ নতুন মঞ্চনাটক    আমি মৃত্যুকে ভয় করি না: আইভী    আমি একাই যথেষ্ট: শামীম ওসমান    সিরিয়ার কুর্দিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবেন এরদোয়ান    বড় ধরনের বিপদ থেকে বাচঁলেন শোয়েব!    কোহলির জরিমানা    নির্বাচন স্থগিত হওয়া ইসির চরম ব্যর্থতা: ফখরুল    ঢাকা উত্তরের মেয়র পদে উপনির্বাচন স্থগিত    রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু ২ বছরের মধ্যে


খবর - জীবনধারা

কানের লতিতে ১মিনিট লাগিয়ে রাখুন কাপড় মেলার ক্লিপ!

আপনি কি প্রচণ্ড মানসিক চাপে ভুগছেন? তার জেরে মাথায় অসহ্য যন্ত্রণা?  কোনও কাজেই কি ঠিকমতো মন দিতে পারছেন না? আপনার যৌন জীবনও কি ব্রিবত? তাহলে নতুন বছরের শুরুতেই আপনি এই চেষ্টা করে দেখতেই পারেন! যার কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

দিনে অন্তত এক মিনিট নিজের কানের লতি চেপে ধরুন। শুধু মানসিক স্ট্রেসই নয়, শরীরের যে কোনও অংশের ব্যাথা সারাতে কানের লতির বিভিন্ন জায়গায় বুড়ো আঙুল ও তর্জনির সাহায্যে চাপ ফলদায়ী হয়ে উঠবে।

কীভাবে তা সম্ভব?
বিশেষজ্ঞ রিচার্ড র্যানডিগের মতে, কানের লতিতে রয়েছে একাধিক সূক্ষ্ম প্রেসার পয়েন্ট। মস্তিষ্কের কাছাকাছি অবস্থানের কারণেই কানের লতিতে অসংখ্য স্নায়ু রয়েছে, যা দেহের নানা অংশের সংবেদনের সঙ্গে বিস্তারিত

হিপ পকেটে মানি ব্যাগ রাখলে হতে পারে পক্ষাঘাত!

মানিব্যাগ কোথায় রাখেন? প্যান্টের পিছনের পকেটে? ঘণ্টার পর ঘণ্টা ওইভাবেই বসে থাকেন? জানেন কি, নিজের কতবড় সর্বনাশ করছেন? পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন।

যখন আপনি বাইরে বেরোন, তখন মানিব্যাগ কোথায় থাকে? নিশ্চয়ই বুক পকেটে নয়।  প্যান্টের সামনের পকেটে রাখেন কি? খুব কম। পার্স থাকে হিপ পকেটেই। মানিব্যাগে কি শুধুই থাকে টাকা? না। টাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় কাগজ, ভিজিটিং কার্ড, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, মেট্রোর স্মার্টকার্ড, পার্সে থাকে সবই। ফলে, মানিব্যাগ হয়ে যায় ভারী ও মোটাসোটা। পিক পকেটের ঝুঁকি তো থাকেই। সঙ্গে আরও মারাত্মক বিপদ। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

হিপ পকেটে পার্স রাখার বিপদ কোথায়? মার্কিন একটি গবেষণা বলছে, মোটা মানিব্যাগ হিপ পকেটে রেখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট করে। পিঠ, ঘাড়, যৌনাঙ্গের পার্শ্ববর্তী অঞ্চল, নিতম্বে খারাপ প্রভাব ফেলে। শিরদাঁড়ায় ক্রমাগত চাপ পড়ার ফলে তা ধীরে ধীরে বেঁকে যেতে পারে। পিঠ ও ঘাড়ে ব্যথা শুরু হয়। স্পাইনাল জয়েন্ট, পেশি ও ডিস্ক মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। পেলভিসের একাধিক নার্ভ অকেজো হতে থাকে। সায়াটিকা নার্ভের ওপর খুব চাপ পড়ে। দীর্ঘদিন এভাবে চলতে থাকলে সোজা হয়ে বসার ক্ষমতা হারিয়ে যেতে পারে। শেষ পরিণতি পক্ষাঘাত।
তাহলে উপায়? বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন, হিপ পকেটেই কেন রাখতে হবে মানিব্যাগ? প্যান্টের ডান বা বাঁদিকের পকেট  কিংবা অফিস ব্যাগে মানিব্যাগ রাখতে বাধা কোথায়? বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চয়ই পঙ্গু হয়ে যেতে চান না? তাই সময় থাকতেই সাবধান। বিস্তারিত

শীতকালে সুস্থ থাকতে স্নান করুন ঠান্ডা জলে

শীতকালে স্নান করাটাই যেন একটা বড় চ্যালেঞ্জের বিষয়। জল দেখলেই কেমন যেন বুক ধুকপুক করতে থাকে। অনেকে আবার শাওয়ার চালিয়ে তার তলায় দাঁড়াবেন কি না সেই চিন্তাই করতে থাকেন। আর যদি সকালে স্নান করতে হয় তাহলে তো কোনও কথাই নেই। ঘুম থেকে উঠেই যেন কান্না পায়। এই কষ্টের হাত থেকে বাঁচতে অনেকেই গরম জলে স্নান করেন। তবে যতই আরাম হোক না কেন, শীতকালে ঠান্ডা জলে স্নান করাই সবথেকে ভালো।

কেন জেনে নিন...

ত্বকের জন্য ভালো
গরম জল ত্বকের জন্য একেবারেই ভালো না। শীতকালে এমনিতেই ত্বক ও চুল রুক্ষ হয়ে যায়। আর ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচতে অনেকেই গরম জলে স্নান করেন। কিন্তু, গরম জল ত্বক ও চুলকে আরও রুক্ষ করে তোলে। তাই নিজের চুল ও ত্বকের কথা চিন্তা করে ঠান্ডা জলে স্নান করাই ভালো।  
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে

•    রক্তে শ্বেত কণিকা বাড়াতে সাহায্য করে ঠান্ডা জল। ঠান্ডা জলে স্নান করার ফলে ত্বকও ঠান্ডা হয়ে পড়ে। ফলে তা গরম করার জন্য ত্বক নিজেই তাপ উৎপাদন করতে শুরু করে। এই তাপ উৎপাদনের সময় শ্বেত রক্ত কণিকা জন্মাতে থাকে। যা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। এই সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা না বাড়লে সর্দি, কাশির মতো সমস্যা দেখা যায়।  মাসেলের ব্যথা কমায়

•    ঠান্ডায় ব্যথা যেন একটু বেড়ে যায়। ঠুক করে কোথাও লাগলেই ব্যথা করে। এছাড়া মাসেল পেন তো খুব স্বাভাবিক বিষয়। আর এই সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে অবশ্যই ঠান্ডা জলে স্নান করুন। মাসেলের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে ঠান্ডা জল। ক্লান্তি দূর করে

•    ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে ঠান্ডা জল। সারাদিন কাজ করার পর হয়তো গরম জলে স্নান করে অনেকেই আরাম পান। কিন্তু, ক্লান্তি দূর করে শরীরকে চনমনে করে তুলতে অনেক বেশি সাহায্য করে ঠান্ডা জল। করে দেখুন তাহলেই বুঝতে পারবেন। 
সতর্কতা বাড়ায় 

•    সকালে ঘুম থেকে উঠে কাজে যেতেই হবে কিছু করার নেই। ঠান্ডা বলে যে কাজে যাবেন না সেটা হবে না। সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব থাকলেও কেমন যেন লাগে। গোটা দিনটাই বৃথা বলে মনে হয়। তাই ঘুমভাব কাটাতে শরীরকে সতর্ক করে তোলার জন্য ঠান্ডা জলে স্নান করুন। দেখবেন এক নিমেষে কেটে গেছে ঘুম। ঠান্ডা জল শরীরকে অনেক বেশি সজাগ করে তোলে।
বিস্তারিত

হাইট শর্ট ? রং বুঝে পালাজো পরুন

এখনও  ফ্যাশনে ইন রয়েছে পালাজো। এছাড়া পালাজ়ো নিয়ে এক্সপিরিমেন্ট এখনও বন্ধ হয়নি। প্রথমে শুধু টপের সঙ্গে পরলেও, এখন কুর্তি থেকে শুরু করে লং টপ, ক্রপ টপ, সালোয়ার সব কিছুর সঙ্গেই পালাজ়ো পরার ট্রেন্ড শুরু হয়েছে। পালাজ়োতে মেতে সব ফ্যাশনিস্তারা। যে কোনও অনুষ্ঠানে অনায়াসেই পালাজ়ো পরা যেতে পারে। তবে লম্বাদের জন্য এই পোশাক মানানসই হলেও যাদের হাইট শর্ট তাদের ক্ষেত্রে বিষয়টা একটু চিন্তার। এখন প্রশ্ন হল, তাহলে কী শর্ট হাইটের মহিলারা এই পোশাক পরতে পারবেন না ?

অনেকে অবশ্য তাই মনে করেন। ভাবেন শর্ট হাইট হলে তাদের যে কোনও পোশাক পরার কোনও অধিকার নেই। এই ধারণা একেবারেই ভুল। শর্ট হাইটের মহিলারা সব পোশাকই পরতে পারেন। শুধু পোশাক বাছার সময় তাদের অনেকগুলি জিনিস মাথায় রাখতে হয়। তবে পালাজ়ো পরার ক্ষেত্রে তেমন কোনও বাধা নিষেধ নেই। শুধু পালাজ়োর রং বাছার সময় একটু খেয়াল রাখতে হবে।

অনেক সময় পালাজ়ো পরার ফলে শর্ট হাইটের মহিলাদের আরও শর্ট দেখতে লাগে। ফলে সঠিক ফেব্রিক বাছা দরকার। এই ধরনের মহিলারা যতটা গাঢ় রঙের পালাজ়ো বাছবেন ততই ভালো। যেমন, নীল, ওয়াইন কালার বা কালো রঙের পালাজ়ো তাদের গেটআপের সঙ্গে একেবারে মানানসই। গাঢ় রঙের পালাজ়ো পরলে হাইট ওতটা বোঝা যায় না। কিছুটা লম্বাও দেখতে লাগে। গাঢ় রঙের পালাজ়োর সঙ্গে টিমআপ করে হাইহিল কিন্তু মাস্ট। না হলে পুরো বিষয়টাই মাটি হয়ে যাবে। তবে যাঁদের হাইহিল পরতে সমস্যা আছে তাঁরা যতটা পারবেন হিল পরার চেষ্টা করবেন।
তবে গাঢ় রঙের পালাজ়োর সঙ্গে কিন্তু গাঢ় টপ পরবেন না। এতে লম্বার পরিবর্তে অদ্ভুত দেখতে লাগবে। তাই ওই ধরনের পালাজ়োর সঙ্গে টাইট ও হালকা কালারের টপ পরুন। কুর্তিও যদি পরেন, তাহলে সেটাও যেন হালকা কালারের হয়। বিস্তারিত

গোলাপ জলের কয়েকটি ব্যবহার

গোলাপের পাপড়ি জলে ভিজিয়ে তা থেকে তৈরি করা হয় গোলাপ জল। ত্বকের জন্য এটি খুবই উপকারি। এমনকি স্পর্শকাতর ত্বকেও নিশ্চিন্তে ব্যবহার করা যায় গোলাপ জল। ত্বকের নানারকম সমস্যার এটি অন্যতম সমাধান। জেনে নিন, কী কী ভাবে ব্যবহার করা যায় গোলাপ জল-

টোনার হিসাবেত্বক সুস্থ রাখতে নিয়মিত ক্লিনজ়িং, টোনিং, স্ক্রাবিং ও ময়েশ্চারাইজ়িং করা উচিত। আর ক্লিনজ়ার, টোনার, স্ক্রাবার ও ময়েশ্চারাইজ়ারগুলি যদি প্রাকৃতিক হয়, তবে ভালো ফল পাওয়া যায়। টোনার হিসাবে যেমন ব্যবহার করতে পারেন গোলাপ জল। কারণ, গোলাপ জল ত্বকে pH-এর সমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। রাতে ঘুমোনোর আগে তুলো দিয়ে সারা মুখে গোলাপ জল লাগান। এতে ত্বক টানটান হবে। আর আপনিও সতেজ বোধ করবেন।

চোখের নিচের ফোলাভাব কমাতেক্লান্তি, অ্যালার্জি বা আরও বেশকিছু কারণে চোখের নিচের অংশ ফুলে উঠতে পারে। আসলে, চোখের চারপাশের অংশের চামড়া খুব পাতলা হয়। ওই অংশে অতিরিক্ত ফ্লুইড জমা হয়ে তা ফুলে ওঠে। ঠান্ডা জল স্প্রে করলে বা তা দিয়ে শেক দিলে কমানো যায় ফোলাভাব। একটি বোতলে গোলাপ জল ভরে তা ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিন। এবার চোখের চারপাশের ফোলা অংশে তা ব্যবহার করুন। ফোলা কমে যাবে আর আপনার চোখের চারপাশটি হয়ে উঠবে ঠান্ডা ও সুরভিত।
মেকআপ রিমুভারগোলাপ জল ব্যবহার করা যায় মেকআপ রিমুভার হিসাবেও। কারণ, বাজার চলতি মেকআপ রিমুভারে নানারকম রাসায়নিক পদার্থ থাকে। যা ক্ষতি করে ত্বকের। গোলাপ জলের সঙ্গে নারকেল তেল ও আমন্ড অয়েল মিশিয়ে মেকআপ পরিষ্কার করলে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে না। আর ত্বকও হয়ে ওঠে কোমল, জেল্লাদার ও দাগছোপমুক্ত।
ত্বকের ক্লান্তি দূর করতেত্বকের ক্লান্তি দূর করতেও কাজ দেয় গোলাপ জল। গোলাপ জলের মিষ্টি গন্ধ মন ভালো করতেও সাহায্য করে। মানসিক চাপ অনেকটা হালকা হয়ে যায় গোলাপ জলের গন্ধে। মেকআপ করার পর সামান্য গোলাপ জল স্প্রে করে নিলে চেহারায় আসে সতেজতা।
ত্বকে আর্দ্রতা জোগাতেগোলাপ জল রুক্ষভাব দূর করে ত্বককে কোমল করে। ত্বকের গভীরে পৌঁছে ত্বককে ভিতর থেকে আর্দ্রতা জোগায় গোলাপ জল।  প্রতিদিন ব্যবহারের ময়েশ্চারাইজ়িং ক্রিম, বডি লোশন বা ফেস মাস্কে সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে নিলে আরও ভালো ফল পাওয়া যায়।
বিস্তারিত

শীতকালে বিয়ে? চুলের খেয়াল রাখুন

শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা - সারাবছরই মানুষ চুল নিয়ে নাজেহাল। গ্রীষ্ম ও বর্ষার সমস্যাগুলি থেকে মুক্তি মিললেও সামনেই আসছে শীত। তাই, ঋতু অনুযায়ী চুলের সমস্যার ধরনও বদলাবে। অন্যবার এই সব সমস্যা আর সমাধান নিয়ে ভাবতে ভাবতেই শীতকাল কেটে যায়। কিন্তু, এবার তো শীতকালেই বিয়ে। আর বিয়ের আগের ক’টাদিন চুলের যত্ন যে নিতেই হবে। শীতকালের মূল সমস্যা হল আর্দ্রতার অভাব।

আর্দ্রতার অভাবে চুলে আসে শুষ্কভাব। যার ফলে চুল ভঙ্গুর হয়ে যায়। দেখা দেয় চুল পড়া ও নিষ্প্রাণ হয়ে যাওয়ার সমস্যা। তাছাড়াও, চুলে সহজেই জট পড়ে। চুলের ফুরফুরে ভাব নষ্ট হয়ে যায়। জেনে নিন, কীভাবে এসময় চুলের খেয়াল রাখলে এই ধরনের সমস্যাগুলি এড়ানো সম্ভব-

প্রতিদিন চুল ধুতে হবে। চুল কোনওদিন গরম জল দিয়ে ধোবেন না, ব্যবহার করতে পারেন হালকা গরম বা ঠান্ডা জল। চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার বাছুন। প্রতিদিন শ্যাম্পু করার পর চুলে কন্ডিশনার লাগান। আর মাথায় রাখবেন, শ্যাম্পুর লাগান মাথার ত্বকে, কিন্তু, কন্ডিশনার লাগান চুলের আগায় (কিছু কন্ডিশনার মাথার ত্বকেও লাগানো যায়, বোতলের গায়ে লেখা পদ্ধতি অনুসরণ করুন)।
কন্ডিশনিং করলেই হবে না, মাঝেমাঝে চুলের প্রয়োজন ডিপ কন্ডিশনিং। রোজ যেমন শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নেন, তেমনই করুন। তুল থেকে পুরো শ্যাম্পু ধুয়ে ফেলার পর টাওয়েল দিয়ে চুলে থাকা বাড়তি জল ঝেড়ে ফেলুন। এবার কিছুটা কন্ডিশনার নিয়ে চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত ভালো করে লাগিয়ে নিন। বড় দাঁড়া এবং মাঝে কিছুটা ফাঁকা এমন চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিন। এভাবে আঁচড়ালে চুলের সব অংশে কন্ডিশনার পৌঁছোবে। পুরো চুল একসঙ্গে করে নিয়ে শাওয়ার ক্যাপ পড়ে নিন। অন্তত ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।


প্রতিদিন অবশ্যই চুলের জট ছাড়াতে হবে। কিন্তু, ভেজা অবস্থায় জট ছাড়াবেন না। এসময় চুলের গোড়া নরম থাকায় বেশি চুল ওঠার সম্ভাবনা থাকে। চুল শুকিয়ে নিয়ে উপর থেকে সামান্য জল ছড়িয়ে বড় দাঁড়ার চিরুনি দিয়ে আস্তে আস্তে গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত আঁচড়ে নিন। কাঠের চিরুনি ব্যবহার করুন।  
এই কয়েকটা দিন চুলে কোনওরকমভাবে তাপ দেবেন না। হেয়ার ড্রায়ার বা কোনও হেয়ার স্টাইলিং কিট ব্যবহার করবেন না। আর যদি একান্তই ব্যবহার করতে হয়, আগে পুরো চুলে হেয়ার সিরাম লাগিয়ে নিন। তাপ থেকে এই হেয়ার সিরাম কিছুটা হলেও চুলকে বাঁচাবে।
মাসে অন্তত একবার স্যালোঁতে যান। আপনার চুলের জন্য উপকারি কোনও একটি হেয়ার স্পা করিয়ে নিন। ডগা চেরা বা শুষ্ক চুলের সমস্যা থেকে বাঁচতে মাঝেমাঝে চুলের নিচের অংশটি ট্রিম করে নিন।
শ্যাম্পু করার আগের রাতে চুলের গোড়ায় হালকা গরম তেল ম্যাসাজ করুন। ওই তেল লাগান বাকি চুলেও। আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করুন। পরদিন সকালে শ্যাম্পু করে নিন। চুল ভালো করে শুকিয়ে তবেই আঁচড়াবেন।
  বিস্তারিত

এইসব উপাদানই ত্বককে রাখবে কোমল

সবসময় ভালো খাবার খেলেই ত্বক ভালো থাকবে এমন নয়। কোন্ ক্রিম, ফেসওয়াশ বা প্যাক ব্যবহার করছেন তার উপরও নির্ভর করে ত্বকের স্বাস্থ্য। নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিলে শীতেও ত্বক থাকে কোমল ও প্রাণবন্ত। রাসায়নিকযুক্ত প্রোডাক্টের ব্যবহার কমিয়ে ত্বকের জন্য বেছে নিন এইসব ঘরোয়া উপাদান-

ত্বক সুস্থ রাখতে নিয়মিত স্ক্রাবিং করা খুব জরুরি। এতে ত্বকের উপর থাকা মৃত কোশ দূর হয়। রোমকূপের মুখ বন্ধ হয় না। ফলে, পুষ্টিপদার্থগুলি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করতে পারে। স্ক্রাবিংয়ের জন্য বাড়িতেই বানিয়ে নিন আমন্ড ও কমলালেবুর স্ক্রাব। কমলালেবুর খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিন। তাতে মিশিয়ে দিন আমন্ডগুঁড়ো। তৈরি আপনার স্ক্রাবার। স্ক্রাবিং করলে ত্বকে আসে স্বাভাবিক জেল্লা। ট্যান দূর করে এবং রোমকূপগুলির মুখে ময়লা জমা রোধ করে ত্বকে জেল্লা আনতে আমন্ড-কমলালেবুর স্ক্রাবে মেশাতে পারেন অলিভ অয়েল।    
শীতকালে ত্বক শুষ্ক ও নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। এইসময় ত্বকে খুব কোমলতার সঙ্গে যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।  এজন্য ব্যবহার করতে পারেন দুধের সর। সকালে উঠে দুধের সর মেখে কিছুক্ষণ রেখে হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকে জেল্লা আনতে হলে দুধের সরের সঙ্গে মিশিয়ে নিন সামান্য হলুদ। 
প্রতিদিন সারা শরীরে এক চামচ ঘি বা নারকেল তেল মাখুন। ত্বক সুস্থ থাকবে। আর নিয়মিত ব্যবহার করলে কিছুদিন পর আপনি পাবেন কোমল ও দাগছোপহীন ত্বক। 
এসেনশিয়াল অয়েলে থাকে সুগন্ধ। তবে, মিষ্টি গন্ধ ছড়ানোই এর একমাত্র কাজ নয়। ত্বকের খেয়াল রাখতেও এগুলি দারুণ কার্যকরি। প্রতিদিন এসেনশিয়াল অয়েল দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করলে ফল পাবেন কয়েকদিনের মধ্যেই। আর বেশকিছু এসেনশিয়াল অয়েলের ক্ষত সারানোর ক্ষমতা থাকে। তাই, মুখে কোনও ক্ষত বা দাগ থাকলে তা দূর হবে এসেনশিয়াল অয়েলের গুনে। 
প্রচুর জল খান। জল শরীরের ভিতর থেকে ত্বককে আর্দ্রতা জোগায়। ফলে, ত্বক থাকে সুস্থ ও সুন্দর। স্বাভাবিক জেল্লা ফুটে ওঠে। 
আপনার ত্বক যদি শুষ্ক হয়, তবে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মুখে ও ঘাড়ে কিছুটা নারকেল তেল মেখে নিন। সকালে উঠে শুষ্কভাব সহজে আসবে না। 
ত্বকের জন্য খুবই উপকারি শিয়া বাটার। শিয়া নামের একটি ফল থেকে এটি পাওয়া যায়। সম্ভব হলে শিয়া বাটার জোগাড় করে প্রতিদিন ব্যবহার করুন। 
ত্বক টানটান রাখার জন্য প্রয়োজন টোনার। প্রাকৃতিক উপাদানের মধ্যে টোনার হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন নিম। নিমের রস ত্বকে লাগালে বলিরেখা ও দাগ দূর হয়। বিস্তারিত

বোতলের তলায় ত্রিকোণ চিহ্নের অর্থ কী?

ঠান্ডা পানীয় থেকে জলের বোতল, কখনও কি লক্ষ্য করেছেন, এগুলির নিচে থাকে ত্রিকোণ চিহ্ন? হয়তো লক্ষ্য করেছেন কিন্তু সে নিয়ে বিশেষ চিন্তা-ভাবনা করেননি৷ আজ আপনাকে এই চিহ্নেরই অর্থ জানাবো…একবার চোখ বুলিয়ে নিন নিচের লেখাতে…

বিভিন্ন প্লাস্টিক বোতলের চারিত্রিক ইনডেক্স জানাতেই এই চিহ্ন ব্যবহৃত হয়৷ বোতলটি যে বিধিসম্মতবাবে তৈরি তারই প্রমাণ দেয় এই চিহ্ন৷ তবে এর মধ্যে থাকা সংখ্যা নির্দেশ দেয় এই বোতলটি কতটা নির্ভরযোগ্য৷

ত্রিকোণের মাঝে ১ লেখা- এর অর্থ বোতলটি তৈরির ক্ষেত্রে পলিথিলিন টেরেপথ্যালেট প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে, তাই একবারের বেশি এর ব্যবহার স্বাস্থ্যের পক্ষে হানিকারক হতে পারে৷
ত্রিকোণের মাঝে ২ লেখা- মূলত সাবান গুঁড়ো, শ্যাম্পুর ক্ষেত্রে এই ধরনের ঘন পলিথিন ব্যবহার করা হয়৷
ত্রিকোণের মাঝে ৩ লেখা- এই ধরনের প্ল্যাস্টিকে ‘পোলিভিনিল ক্লোরাইড’ বা ‘পিভিসি’-র ব্যবহার হয়ে থাকে৷ এই ধরনের বোতল বেশি ব্যবহারে ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে বলে আশঙ্কা করা হয়৷
ত্রিকোণের মাঝে ৪ লেখা- দামি বোতল থেকে প্ল্যাস্টিক প্যাকেটে এই সংখ্যা হয়তো লক্ষ্য করে থাকবেন৷ এর অর্থ আপনি একাধিকবার ব্যবহার করতে পারেন সেটি৷
ত্রিকোণের মাঝে ৫ লেখা- খাবারের কন্টেনারে এই সংখ্যা থাকলে বুঝতে হবে তা অনেকবারই ব্যবহার করতে পারবেন এবং তা যথেষ্ট নিরাপদও৷
ত্রিকোণের মাঝে ৬ লেখা- এই ধরনের প্লাস্টিক তৈরি হয় পলিস্টিরিন এবং পলিকার্বনেট বিসপেনল-এ৷ এর থেকে ক্যানসারের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মত অনেকের৷ তাই এর ব্যবহারে ক্ষতির আশঙ্কা থেকেই যায়৷
ত্রিকোণের মাঝে ৭ লেখা- এক্ষেত্রেও তাই৷ মানবশরীরের হরমোনজনিত সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায় বলে মনে করেন অনেকে৷
তবে প্ল্যাস্টিকের ওপর চিহ্ন বা সংখ্যা যাই থাকুক, তার অর্থ নিয়ে যতই তর্ক-বিতর্ক থাকুক, এর ব্যবহারের বিষয়ে বেশিরভাগ জনই কিন্তু সতর্কবাণী দিয়ে থাকেন৷ তাই প্লাস্টিকের ব্যবহার সম্পর্কে আপনিও সতর্ক থাকুন৷
বিস্তারিত

কে পরছে ২০ ফুটের জুতো?

কলকাতা: এত বড়। হ্যাঁ। সত্যি। দক্ষিণ কলকাতার লেক মলে প্রদর্শিত হচ্ছে ২০ ফুট উচ্চতার জুতো। তবে সে জুতোয় পা গলানোর সাধ্য নেই। কারণ, কেবল প্রদর্শনীর জন্যই এই জুতো রাখা হয়েছে।

তাছাড়া, এমন বড় পা কারই বা হবে। এফবিবি বিগবাজার কর্তৃপক্ষ আয়োজন করেছেন বিগ বুটস ফেস্টিভালের। আর সেখানেই জুতোর বিপুল বাজার তৈরি করা হয়েছে।
এই উৎসবের নাম দেওয়া হয়েছে বিগ বুটস হাব। লেক মলে এমনিতে গেলেই গেটের সামনে দেখা মিলবে এই বিশালাকার জুতোর। তবে যাঁদের পায়ের শ্রী বৃদ্ধিতে বাহারি জুতো কেনার শখ রয়েছে, তাদের জন্য অবশ্য রয়েছে সুখবর।
কারণ, সাধারণ পায়ের মাপেও আন্তর্জাতিক মানের নানা জুতো বিক্রি করা হচ্ছে এই উৎসবে। ফলে, এখানে গেলে অনেকেই পেয়ে যেতে পারেন সখের জুতো জোড়া।

বিস্তারিত

লিপস্টিক কীভাবে বেশিক্ষণ ঠোঁটে থাকবে?

রেড-ব্রাউন-পিঙ্ক-পার্পল। লিপস্টিকের কয়েকটি জনপ্রিয় শেড। এক একজন মহিলার পছন্দ এক একটি রং। লিপস্টিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই রংই আসল। এই রং যদি লাগানোর পরই হালকা হয়ে যায় বা কিছুক্ষণ পর উঠে যায়, তাহলে সবটাই মাটি। কীভাবে, লিপস্টিকের রং অনেকক্ষণ পর্যন্ত ঠোঁটে থাকবে, আজ থাকল তারই কিছু টিপস-

কেনার সময় ভালো করে পরীক্ষা করে নিন। লিপস্টিকের রং সহজেই উঠে যাচ্ছে কি না তা দেখুন। সামান্য একটু লিপস্টিক হাতে লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর অ্যালকোহলযুক্ত টোনার উপরে লাগিয়ে ঘষে দেখুন। বডি লোশন দিয়েও একই পরীক্ষা করে নিন। লিপস্টিকের রং সহজেই হালকা হয়ে গেলে, তা ঠোঁটেও বেশিক্ষণ টিকবে না,  তাই না কেনাই উচিৎ।

ফাটা ঠোঁটে লিপস্টিক লাগাবেন না। ফাটা ঠোঁটে বিশেষ করে ম্যাট লিপস্টিক লাগালে তা আরও শুকিয়ে যায়। অনেকেই ফেটে থাকা চামড়া তুলতে শুরু করেন। নাহলে, লিপস্টিকের উপর লিপবাম লাগান। ফলে, লিপস্টিক অনেক তাড়াতাড়ি উঠে যায়। লিপস্টিক ব্যবহারের আগে ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ভালো করে ক্রিম লাগিয়ে নিন।
লিপ লাইনার ব্যবহার করুন। আগে লিপ লাইনার দিয়ে শুধু ঠোঁট আঁকা হত। এখন লিপ লাইনারই লিপস্টিক হিসাবে ব্যবহার হয়। লিপ লাইনারের টেক্সচার এমন হয়, যা ঠোঁটে সহজেই বসে যায় এবং থাকেও অনেকক্ষণ। তাই, লিপস্টিক লাগানোর আগে লাইনার ঠোঁটে লাগিয়ে নিন। উপরে লাগানো লিপস্টিক অনেকক্ষণ থাকবে।
প্রথমে ঠোঁটে ক্রিম লাগিয়ে নিন। ঠোঁট নরম ও মসৃণ হলে লিপস্টিক লাগিয়ে নিন। আঙুল দিয়ে রংটি ঠোঁটে ভালো করে বসান। আবারও লিপস্টিক লাগান। এবার ঠোঁট দু’টির মাঝখানে একটি টিসু রেখে উপর থেকে পাউডার ছড়িয়ে দিন। আরও একবার লাগান লিপস্টিক। রং অনেকক্ষণ থাকবে ঠোঁটে।
খাওয়ার সময় সাবধান থাকুন। খাবারে থাকা তেলের ফলে লিপস্টিক তাড়াতাড়ি উঠে যায়। ডিনার করতে বা বাইরে খেতে গিয়ে যদি লিপস্টিক বাঁচাতে চান, তবে, বেশি তেল থাকে এমন কিছু অর্ডার না করাই ভালো। আর চেষ্টা করুন অল্প অল্প করে খাবার খেতে। তাহলে, লিপস্টিক মুছবে না।
আর এতকিছুর পরও যদি লিপস্টিক না টেকে, তবে, বারবার লিপস্টিক লাগিয়ে নিন। যখনই দেখবেন লিপস্টিকের রং হালকা হয়ে গেছে, কোনও কিছু না ভেবে সঙ্গে থাকা লিপস্টিকটা বের করুন আর ঠোঁটকে আবারও করে তুলুন রঙিন।  
বিস্তারিত

প্রেমে পড়লে শরীরে কী কী পরিবর্তন হয়?

প্রেমে পড়লে শরীরে তার কী কী প্রতিক্রিয়া হয়? হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, হাত ঘামতে থাকে, পেটের ভেতর কেমন শিরশির করে-এসব তো সিনেমার পর্দা মারফৎ সকলেরই প্রায় জানা হয়ে গিয়েছে। বাস্তবে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, এক ধরণের হরমোন আমাদের মনে উত্তেজনা ছড়ায় আর তার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই ওইসব ঘটে৷ যে হরমোনের জন্য মন এত উতলা হয় তার নাম কী?
আদতে প্রেমে পড়লে দেহ-মনে যেসব প্রতিক্রিয়া হয় তার জন্য দায়ী টেস্টোস্টেরন নামের এক হরমোন৷ কোনেও মানুষ বিপরীত লিঙ্গের কারো প্রতি আকৃষ্ট হলে টেস্টোস্টেরন বাড়তে শুরু করে৷ প্রেমের ওই প্রাথমিক ধাপেই দেখা দেয় হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, হাত কাঁপার মতো উপসর্গগুলো৷ দেখা গেছে, প্রেমে পড়া মানুষের দেহে অন্য সব মানুষের তুলনায় টেস্টোস্টেরন অনেক বেশি থাকে।

প্রেমের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কাজে নেমে পড়ে ডোপামিন৷ এই হরমোন-এর অন্য নাম, ‘সুখের হরমোন’৷ শুধু প্রেমে পড়লেই যে এই হরমোন ক্রিয়াশীল হয় তা কিন্তু নয়, কোকেন বা সিগারেটের নেশা করলেও ডোপামিন উজ্জীবিত হয়৷ এ কারণেই অনেকে বলেন, প্রেমে পড়া আর নেশা করা একই। সেরোটোনিন নামে এক ধরণের হরমোন আছে যা আমাদের মনের আনন্দ আর আবেগকে স্থির রাখে৷ প্রেমে পড়লে সেরোটোনিন কমে যায়৷ ফলে প্রেমিক-প্রেমিকার আবেগ সংবরণ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে৷ তারা তখন ভালোবাসার মানুষটিকে ছাড়া আর কিছু ভাবতেই পারেনা৷
তবে প্রেমের যে পর্যায়ে বুক ধড়ফড় করে, হাত ঘামায় তখন অ্যাড্রেনালিন নামের একটা হরমোনও খুব বেড়ে যায়৷ এই হরমোনের মাত্রা বেড়ে গেলে ক্ষুধা কমে যায়৷ কম খাওয়া-দাওয়া করার ফলে শরীর দ্রুত ভেঙে পড়তে থাকে৷প্রেমে পড়ার তিন-চার মাস পর সাধারণত সম্পর্কে একটা স্থিতি আসে৷ তখন শুরু হয় আরেক হরমোন অকসিটোসিনের কাজ৷ এই হরমোন দেহে বিশেষ বিশেষ মুহূ্র্তে, যেমন মা যখন বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ান, তখন তৈরি হয়৷ এই হরমোনের কারণে দু-জনের সম্পর্কটা আরেও ঘনিষ্ঠ হয়৷ প্রেমিক-প্রেমিকা যখন চুম্বন করেন, তখনও দুজনের শরীরে অকসিটোসিন তৈরি হয়৷ আর এভাবেই দুজন দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের পথে এগিয়ে যান৷

বিস্তারিত

সাজবেন কীভাবে, বলে দেবে আপনার রাশি

এতোদিন শুধু ভাগ্য জানতে যাঁরা রাশি দেখতেন, তাঁদের এবার জানিয়ে রাখি এবার আপনার মেকআপ বা সাজগোজও করুন রাশি মেনে। তাহলে সৌভাগ্য চলবে আপনার সঙ্গে সঙ্গে। কোন রাশির মেয়েরা কেমন সাজবেন জেনে নিন একনজরে...

❏ মেষযাঁদের রাশি মেষ, তাঁদের গ্রহ মঙ্গল। তাঁরা উজ্জ্বল রং পছন্দ করেন বেশি। নিজেকে সুন্দর রাখতে প্রতিমাসে ফেসিয়াল করুন। মাঝে মধ্যে হেয়ারকাট করলেই চলবে। লাল রঙের লিপস্টিক পরুন। হেয়ার কালারেও লাল রং বাছতে পারেন। এতে আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আরও মোহময়ী এবং আকর্ষনীয় হয়ে উঠবেন।

❏ বৃষযাঁদের বৃষ রাশি, তাঁরা খুব প্রাণোচ্ছ্বল হন। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে ভালবাসেন। রোমান্টিক হন। সব কিছুর মধ্যে সুন্দর খোঁজেন। তাঁরা নিজেদের ত্বক উজ্জ্বল রাখুন। প্রতিদিন রাতে মুখ ক্লিন করতে ভুলবেন না। ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল রাখতে দই এবং বেসন মাখুন। গোলাপি রং আপনাদের বেশি মানাবে। সেকারণে লিপস্টিক থেকে পোশাক সবতেই গোলাপির ছোঁয়া রাখার চেষ্টা করুন।
❏ মিথুন রাশিযাঁরা মিথুন রাশির অধিকারী, তাঁদের গ্রহ বুধ। মিথুন রাশির মেয়েরা সব সময় নতুন কিছু করতে ভালবাসেন। নিজের সাজগোজেও সেরকম নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন। নিজের ত্বক দেখে কসমেটিকস বাছুন। লিপস্টিক থেকে পোশাক সবেতেই ভায়োলেট রঙের ছোঁয়া রাখার চেষ্টা করুন। পোশাক এবং ব্লাশার দিন শিমারের টাচ।
❏ কর্কটরাশিযাঁদের রাশি কর্কট, তাঁদের গ্রহ চাঁদ। তাঁরা ভীষণভাবে সংবেদনশীল হন। ঘরে থাকতেই বেশি পছন্দ করেন। তবু  বাইরে তো যেতেই হবে। নিয়ম করে পেডিকিওর করুন। মাঝেমধ্যে ফেসিয়াল করলে চলবে। গ্রে,সিলভার এবং গ্রিন এই তিনটি রঙেন নেল কালার বেশি মানাবে আপনাকে। মেকআপে রাখুন ল্যাভেন্ডার শেডের ছোঁয়া। আপ পোশাকে রাখুন সিলভার এবং নীল রঙের ছোঁয়া।
 ❏ সিংহরাশিসিংহরাশির অধিকারীরা উচ্ছ্বল স্বভাবের হন। মাঝে মধ্যে হেয়ারট্রিটমেন্ট করান। হেয়ারকালারও আপনাকে মানাবে ভালো। ডার্ক ব্রাউন, কফি কালার এবং বার্গেন্ডি কালার বেশি মানাবে।
❏ কন্যারাশিকন্যারাশির মেয়েরা বেশি করে নজর দিন নিজের ভ্রুতে। নিয়ম করে পার্লারে গিয়ে আইব্রাউস শেপ করান। মেকআপের সময়ও আই ব্রাউস হাইলাইট করুন।
❏ তুলা রাশিতুলা রাশির মেয়েরা সাধারণত একটু উজ্জ্বল ত্বকের অধিকারী হন। সেকারণে বেশি লাউড মেকআপ করবেন না। দিনে বাইরে বেরোনোর আগে হাল্কা পাউডার কমপ্যাক্ট ব্যবহার করুন।
❏ বৃশ্চিকরাশিবৃশ্চিকরাশির মেয়েরা মেকআপ করার সময় নজর দিন চোখে। চোখ হাইলাইট করলেই নজরে পড়বেন সহজে। স্মোকি আইমেকআপ বেশি মানাবে আপনাকে।
❏ ধনুরাশিধনুরাশির মেয়েদের স্কিনে একটু বেশি দাগ থাকে। কারোর আবার পিম্পল হয়। সেকারণে ত্বকের যত্ন নিয়মিত করুন। মেকআপের সময় দাগ ছোপ ঢাকতে কনসিলার ব্যবহার করুন। লিকুইড ফাউন্ডেশন কখনও ব্যবহার করবেন না। ফেস পাউডার ব্যবহার করলে সুন্দর দেখাবে আপনাকে।
❏ মকররাশিমকররাশির মেয়েরা অলিভ, চারকোল এবং ক্যারামেল রঙেন আইশ্যাডো ব্যবহার করুন। এতে আপনার ব্যক্তিত্ব আরও ফুটে উঠবে।
❏ কুম্ভরাশিকুম্ভরাশির মেয়েরা মেকআপের সময় অ্যাকোয়া অবং নীল রং দিয়ে হাইলাইট করার চেষ্টা করুন। লিপ লাইনার, আইশ্যাডোতেও এই রংগুলি ব্যবহার করতে পারেন। গাঢ় গোলাপি এবং বেগুনি রঙের আইশ্যাডো আপনাকে বেশি মানাবে।
❏ মীনরাশিমীনরাশির মেয়েরা ওয়াটার বেসড ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন। এতে আপনার ত্বক উজ্জ্বল দেখাবে বেশি। সাজগোজের সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন।নতুন বার্তা/কেকে

নতুন বার্তা ডেস্কএতোদিন শুধু ভাগ্য জানতে যাঁরা রাশি দেখতেন, তাঁদের এবার জানিয়ে রাখি এবার আপনার মেকআপ বা সাজগোজও করুন রাশি মেনে। তাহলে সৌভাগ্য চলবে আপনার সঙ্গে সঙ্গে। কোন রাশির মেয়েরা কেমন সাজবেন জেনে নিন একনজরে...
❏ মেষযাঁদের রাশি মেষ, তাঁদের গ্রহ মঙ্গল। তাঁরা উজ্জ্বল রং পছন্দ করেন বেশি। নিজেকে সুন্দর রাখতে প্রতিমাসে ফেসিয়াল করুন। মাঝে মধ্যে হেয়ারকাট করলেই চলবে। লাল রঙের লিপস্টিক পরুন। হেয়ার কালারেও লাল রং বাছতে পারেন। এতে আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আরও মোহময়ী এবং আকর্ষনীয় হয়ে উঠবেন।

❏ বৃষযাঁদের বৃষ রাশি, তাঁরা খুব প্রাণোচ্ছ্বল হন। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে ভালবাসেন। রোমান্টিক হন। সব কিছুর মধ্যে সুন্দর খোঁজেন। তাঁরা নিজেদের ত্বক উজ্জ্বল রাখুন। প্রতিদিন রাতে মুখ ক্লিন করতে ভুলবেন না। ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল রাখতে দই এবং বেসন মাখুন। গোলাপি রং আপনাদের বেশি মানাবে। সেকারণে লিপস্টিক থেকে পোশাক সবতেই গোলাপির ছোঁয়া রাখার চেষ্টা করুন।
❏ মিথুন রাশিযাঁরা মিথুন রাশির অধিকারী, তাঁদের গ্রহ বুধ। মিথুন রাশির মেয়েরা সব সময় নতুন কিছু করতে ভালবাসেন। নিজের সাজগোজেও সেরকম নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন। নিজের ত্বক দেখে কসমেটিকস বাছুন। লিপস্টিক থেকে পোশাক সবেতেই ভায়োলেট রঙের ছোঁয়া রাখার চেষ্টা করুন। পোশাক এবং ব্লাশার দিন শিমারের টাচ।
❏ কর্কটরাশিযাঁদের রাশি কর্কট, তাঁদের গ্রহ চাঁদ। তাঁরা ভীষণভাবে সংবেদনশীল হন। ঘরে থাকতেই বেশি পছন্দ করেন। তবু  বাইরে তো যেতেই হবে। নিয়ম করে পেডিকিওর করুন। মাঝেমধ্যে ফেসিয়াল করলে চলবে। গ্রে,সিলভার এবং গ্রিন এই তিনটি রঙেন নেল কালার বেশি মানাবে আপনাকে। মেকআপে রাখুন ল্যাভেন্ডার শেডের ছোঁয়া। আপ পোশাকে রাখুন সিলভার এবং নীল রঙের ছোঁয়া।
 ❏ সিংহরাশিসিংহরাশির অধিকারীরা উচ্ছ্বল স্বভাবের হন। মাঝে মধ্যে হেয়ারট্রিটমেন্ট করান। হেয়ারকালারও আপনাকে মানাবে ভালো। ডার্ক ব্রাউন, কফি কালার এবং বার্গেন্ডি কালার বেশি মানাবে।
❏ কন্যারাশিকন্যারাশির মেয়েরা বেশি করে নজর দিন নিজের ভ্রুতে। নিয়ম করে পার্লারে গিয়ে আইব্রাউস শেপ করান। মেকআপের সময়ও আই ব্রাউস হাইলাইট করুন।
❏ তুলা রাশিতুলা রাশির মেয়েরা সাধারণত একটু উজ্জ্বল ত্বকের অধিকারী হন। সেকারণে বেশি লাউড মেকআপ করবেন না। দিনে বাইরে বেরোনোর আগে হাল্কা পাউডার কমপ্যাক্ট ব্যবহার করুন।
❏ বৃশ্চিকরাশিবৃশ্চিকরাশির মেয়েরা মেকআপ করার সময় নজর দিন চোখে। চোখ হাইলাইট করলেই নজরে পড়বেন সহজে। স্মোকি আইমেকআপ বেশি মানাবে আপনাকে।
❏ ধনুরাশিধনুরাশির মেয়েদের স্কিনে একটু বেশি দাগ থাকে। কারোর আবার পিম্পল হয়। সেকারণে ত্বকের যত্ন নিয়মিত করুন। মেকআপের সময় দাগ ছোপ ঢাকতে কনসিলার ব্যবহার করুন। লিকুইড ফাউন্ডেশন কখনও ব্যবহার করবেন না। ফেস পাউডার ব্যবহার করলে সুন্দর দেখাবে আপনাকে।
❏ মকররাশিমকররাশির মেয়েরা অলিভ, চারকোল এবং ক্যারামেল রঙেন আইশ্যাডো ব্যবহার করুন। এতে আপনার ব্যক্তিত্ব আরও ফুটে উঠবে।
❏ কুম্ভরাশিকুম্ভরাশির মেয়েরা মেকআপের সময় অ্যাকোয়া অবং নীল রং দিয়ে হাইলাইট করার চেষ্টা করুন। লিপ লাইনার, আইশ্যাডোতেও এই রংগুলি ব্যবহার করতে পারেন। গাঢ় গোলাপি এবং বেগুনি রঙের আইশ্যাডো আপনাকে বেশি মানাবে।
❏ মীনরাশিমীনরাশির মেয়েরা ওয়াটার বেসড ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন। এতে আপনার ত্বক উজ্জ্বল দেখাবে বেশি। সাজগোজের সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন।

বিস্তারিত

ঢ্যাঁড়শ খাওয়ার ১০ উপকার

ঢ্যাঁড়শ নামের এই সবজিটি অনেকেরই অপছন্দের একটি খাবার। জোর করে না খাওয়ালে বাচ্চাদের ঢ্যাঁড়শ খাওয়ানো যায় না। বড়রাও অনেকে ঢ্যাঁড়শ একেবারেই পছন্দ করেন না। কিন্তু অনেকেই জানে না ঢ্যাঁড়শ স্বাস্থ্যের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ? নিয়মিত ঢ্যাঁড়শ খাওয়ার অভ্যাস প্রত্যেককে প্রায় ১০ ধরণের শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্ত রাখতে সক্ষম।
 
১) ঢ্যাঁড়শ দেহে লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদনে সহায়তা করে। এতে করে অ্যানিমিয়া অর্থাৎ রক্তস্বল্পতা দূর করে। অ্যানিমিয়া প্রতিরোধে নিয়মিত ঢ্যাঁড়শ খাওয়া উচিত।
 
২) ঢ্যাঁড়শের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কোষের মিউটেশন প্রতিরোধ করে এবং ক্ষতিকর ফ্রি ব়্যাডিকেল দূর করে। এতে করে দেহে ক্যান্সারের কোষ জন্মাতে পারে না। নিয়মিত ঢ্যাঁড়শ খাওয়ার অভ্যাস ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে।
 
৩) ঢ্যাঁড়শের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফোলায়েট৷ যা হাড়ের গঠন মজবুত করে এবং হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়তা করে।
 
৪) ঢ্যাঁড়শের ভিটামিন সি ও এ অ্যাজমার প্রকোপ কমায় এবং অ্যাজমা সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
 
৫) ঢ্যাঁড়শে রয়েছে স্যালুবল ফাইবার৷ যা দেহের খারাপ কোলেস্টরল কমাতে বিশেষভাবে কার্যকরী। এতে করে কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
 
৬) ঢ্যাঁড়শের ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে খাদ্যতালিকায় রাখুন ঢ্যাঁড়শ।
 
৭) ঢ্যাঁড়শে ইনসুলিনের মতো উপাদান রয়েছে৷ যা রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে করে ডায়বেটিসের সমস্যা দূরে থাকে।
 
৮) ঢ্যাঁড়শের ভিটামিন ‘এ’ এবং সি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়৷ এতে করে নানা ধরণের ছোটোখাটো ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ দূর করা সম্ভব হয়।
 
৯) গর্ভধারণের নানা সমস্যা ও গর্ভকালীন সময়ে ফেটুসের নিউরাল টিউব ডিফেক্ট দূর করতে ঢ্যাঁড়শ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
 
১০) ঢ্যাঁড়শে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, লুটেইন ও বেটা ক্যারোটিন৷ যা মানবশরীরে দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে এবং দৃষ্টিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যা থেকে রক্ষা করে।
বিস্তারিত

ঢ্যাঁড়শ খাওয়ার ১০ উপকার

ঢ্যাঁড়শ নামের এই সবজিটি অনেকেরই অপছন্দের একটি খাবার। জোর করে না খাওয়ালে বাচ্চাদের ঢ্যাঁড়শ খাওয়ানো যায় না। বড়রাও অনেকে ঢ্যাঁড়শ একেবারেই পছন্দ করেন না। কিন্তু অনেকেই জানে না ঢ্যাঁড়শ স্বাস্থ্যের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ? নিয়মিত ঢ্যাঁড়শ খাওয়ার অভ্যাস প্রত্যেককে প্রায় ১০ ধরণের শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্ত রাখতে সক্ষম।
 
১) ঢ্যাঁড়শ দেহে লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদনে সহায়তা করে। এতে করে অ্যানিমিয়া অর্থাৎ রক্তস্বল্পতা দূর করে। অ্যানিমিয়া প্রতিরোধে নিয়মিত ঢ্যাঁড়শ খাওয়া উচিত।
 
২) ঢ্যাঁড়শের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কোষের মিউটেশন প্রতিরোধ করে এবং ক্ষতিকর ফ্রি ব়্যাডিকেল দূর করে। এতে করে দেহে ক্যান্সারের কোষ জন্মাতে পারে না। নিয়মিত ঢ্যাঁড়শ খাওয়ার অভ্যাস ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে।
 
৩) ঢ্যাঁড়শের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফোলায়েট৷ যা হাড়ের গঠন মজবুত করে এবং হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়তা করে।
 
৪) ঢ্যাঁড়শের ভিটামিন সি ও এ অ্যাজমার প্রকোপ কমায় এবং অ্যাজমা সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
 
৫) ঢ্যাঁড়শে রয়েছে স্যালুবল ফাইবার৷ যা দেহের খারাপ কোলেস্টরল কমাতে বিশেষভাবে কার্যকরী। এতে করে কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
 
৬) ঢ্যাঁড়শের ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে খাদ্যতালিকায় রাখুন ঢ্যাঁড়শ।
 
৭) ঢ্যাঁড়শে ইনসুলিনের মতো উপাদান রয়েছে৷ যা রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে করে ডায়বেটিসের সমস্যা দূরে থাকে।
 
৮) ঢ্যাঁড়শের ভিটামিন ‘এ’ এবং সি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়৷ এতে করে নানা ধরণের ছোটোখাটো ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ দূর করা সম্ভব হয়।
 
৯) গর্ভধারণের নানা সমস্যা ও গর্ভকালীন সময়ে ফেটুসের নিউরাল টিউব ডিফেক্ট দূর করতে ঢ্যাঁড়শ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
 
১০) ঢ্যাঁড়শে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, লুটেইন ও বেটা ক্যারোটিন৷ যা মানবশরীরে দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে এবং দৃষ্টিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যা থেকে রক্ষা করে।
বিস্তারিত

বাতিল কাঠের বাইক ‘সুকুডু’ বদলায় মানুষের জীবন

আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোমা। এখানকার অর্থনীতির অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হাতে বানানো কাঠের এক বাইক, যার নাম সুকুডু।

ট্রাক আর মোটরসাইকেলের বাতিল যন্ত্রাংশ দিয়ে বানানো এই বাইকের ওপর নির্ভরশীল মানুষের সংখ্যাও কম নয়। এর মাধ্যমে রুটিরুজির ব্যবস্থাও হচ্ছে বহু মানুষের।

রুয়ান্ডার সীমান্ত ঘেঁষা গোমা শহরটি ডিআর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের প্রধান শহর। শহরের দশ লক্ষ মানুষ দেশটিতে রোজকার সংঘাত আর অস্থিতিশীলতায় অনেকটাই অভ্যস্ত হয়ে গেছে।

আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে '৯০ এর দশক থেকেই এই শহরে মানুষজন পালিয়ে আসতে শুরু করে।

যে কারণে নানা ধরনের মানুষের বাস এখানে। এদের একটি বড় অংশই নিম্ন আয়ের কম শিক্ষিত বা অশিক্ষিত মানুষ। জীবিকার জন্য এদের নতুন করে ভাবনা চিন্তা করতে হয়েছে, অপ্রচলিত অনেক পেশায় যুক্ত হয়েছে বহু মানুষ।
এদের একজন তুমাইনি ওবেদী। পেশায় সুকুডু ড্রাইভার।

"সুকুডু আমার জীবিকার বন্দোবস্ত করেছে। এটি একটি মালবাহী বাইক। এই শহরে আপনার যদি একটি সুকুডু থাকে, নিশ্চিত ভাবেই আপনি দু'পয়সা রোজগার করতে পারবেন।"

বিভিন্ন জায়গা থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে গোমায় আশ্রয় নেয়া মানুষগুলোর একটি বিষয়ে খুব মিল। এরা সকলেই খুব গরীব।

বেশিরভাগের দৈনিক রোজগার দুই ডলারের কম। বেকারত্বের হার অনেক বেশি। আর প্রাতিষ্ঠানিক চাকরির সুযোগও সীমিত।
সেই সঙ্গে কর্মমুখী কোন শিক্ষার ব্যবস্থাও নেই। যে কারণে সৎভাবে পরিশ্রম করে উপার্জন করতে চায়, এমন বহু বেকার তরুণের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে এই মালবাহী বাইক সুকুডু।

সকালবেলায় ডিআর কঙ্গোর গোমার রাস্তায় নামলেই চোখে পড়বে বহু সুকুডু, যার চালকদের বড় অংশটি বয়সে তরুণ।

"আমার যারা কাস্টমার, তারা সকাল বেলায় ফোন করে দেয়। তাদের চাহিদামত এক জায়গা থেকে মালপত্র নিয়ে আরেক জায়গায় পৌঁছে দিই আমি। কি জিনিস পরিবহন করছি, সেটা আমি ঠিক করি না। সবই টানি আমি।"

আধা যান্ত্রিক বাহনটি দেখতে অনেকটা বাইকের মতই, হাতলের কাছে একটি ছোটখাটো মোটরও আছে।

কিন্তু এই বাহনের পুরো শরীরটাই কাঠ দিয়ে বানানো। এই কাঠের টুকরোগুলোও যোগাড় করা হয়েছে বাতিল জিনিসপত্রের দোকান থেকে।

দেখতে কিছুটা হাস্যকর হলেও, সুকুডু চালকদের দাম দেয় লোকজন। ঠাট্টা করে স্থানীয় মানুষেরা বলে, সুকুডু ড্রাইভারকে যদি কেউ বিয়ে করে সে না খেয়ে মরবে না।

ওবেদীর পরিকল্পনা কিছু টাকা জমাতে পারলে একটা মোটরসাইকেল কিনবেন। তারপর একদিন বাস কিনবেন। এভাবেই চলবে জীবন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত থাকবেন পরিবহন ব্যবসাতেই।

এখানে যারা কাজ করতে চায়, তাদের জন্য ওবেদীর উপদেশ, ভাই, মাথাটা একটু খাটাও, কাজের ব্যবস্থা হয়ে যাবে।


বিস্তারিত

প্রেম করে বিয়ে করলে টেকে না?

সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, প্রেম করে বিয়ে করলে সেই সম্পর্ক নাকি বেশিদিন টিকছে না৷ তুলনামূলক ভাবে পরিবার থেকে দেখাশোনা করে বিয়ে দিলে, সে সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে অভিযোগ একটাই, আগের থেকে পাল্টে গিয়েছে, ও আর আগের মতো নেই৷ কিন্তু আসল কারণটা কি? একজন মানুষ কি সারা জীবন একরকম থাকে? সে প্রেমের সম্পর্ক হোক বা দেখাশোনা করে বিয়ে, মানুষতো পাল্টাতেই পারে৷ হ্যাঁ, তবে যেটা মনে হতে পারে, যে একটা মানুষ যখন অপর একজনকে ভালবাসে এবং বিয়ে করে, তখন তার কাছে প্রচুর চাহিদা থাকে৷ বিয়ের পর যখন মানুষের আসল ঘরোয়া চেহারাটা বেরিয়ে আসে তখন তা আর মেনে নেওয়া যায়না৷ কিন্তু আমরা এটা ভুলে যাই যে এটাই আসল৷ এতদিন মানুষটার শুধু বাইরের সামান্য কিছু অভ্যাস আমরা দেখেছি৷ এখন সে সবসময় আমার সামনে থাকবে৷ তাই তার সারাদিনের সমস্ত গুণাবলি আমাদের মেনে নিতে হয়৷

বিরক্তিকর কিছু অভ্যাস থাকলে, সেগুলোও একইভাবে গ্রহণ করা উচিত৷ কারণ কোনও মানুষের ভালটা যেমন আমরা গ্রহণ করি, একইভাবে তার খারাপটাও গ্রহণ করা উচিত৷ তবে খারাপ অভ্যাসগুলোকে যদি পরিবর্তন করে নেওয়া যায় নিজেদের ভালর জন্য, তবে তা দুজনকেই সহায়তা করে সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখার জন্য৷

কর্তৃত্ব করবেন না
একে অপরের ওপর খবরদারি না করাই ভাল৷ সারাদিনে সবসময় প্রতিটা বিষয়ের খোঁজখবর রাখা কিছু সময় দম বন্ধ করা পরিস্থিতির সৃষ্টি করে৷ আপনার প্রেমিক/প্রেমিকা কি করছে, কি খাচ্ছে কিংবা কোথায় যাচ্ছে তা জিজ্ঞেস করা অবশ্যই আপনার তার প্রতি চিন্তার প্রকাশ করে। কিন্তু এই কথাগুলো বিরক্তির পর্যায়ে তখনই পরে যখন আপনি অযথাই তার ওপর খবরদারী করতে যান। এখানে যাবে না, সেখানে কেন গেলে, এর সাথে কথা বলবে না, তার সাথে মিশবে না এই ধরণের অতিরিক্ত অধিকার খাটিয়ে কথা বলা বিরক্তির কারণ হয়ে উঠতে পারে। প্রেমিক/প্রেমিকাকে বুঝতে হবে কোন আচরণটি আকর্ষণীয় এবং কোনটি বিরক্তিকর। একে অপরকে ভালোবাসার বন্ধনে বাধার চেষ্টা করুন অধিকার খাটিয়ে বিরক্তিকর কোন বন্ধনে নয়।

অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না
‘ওর ওই অভ্যাসটা ভাল, ও ওই কাজটা খুব ভাল করে, ওর ব্যবহার, আচার-আচরণ খুব ভাল’ এসব বলে অকারণ একজনের সঙ্গে অন্যজনের তুলনা না করাই ভাল৷ যেকোনো ভাল কাজের জন্য একে অপরের বাহবা দিন, উৎসাহ দিন একে অপরকে৷ অন্য কারো সাথে তুলনা করে তার মানসিকতাকে আঘাত করবেন না৷  অন্য একজনের সাথে তুলনা করা সব চাইতে বড় আঘাত আপনার ভালোবাসার মানুষটির জন্য। এই ধরণের অভ্যাস ত্যাগ করাই ভাল৷

প্রেমের স্মৃতিচারণ করবেন না
এর আগেও আপনি অন্য কোনও সম্পর্কে জড়িত ছিলেন৷ সেই কথা মনে করে কথায় কথায় পুরানো কথা না তোলাই ভাল৷ প্রাক্তনের সঙ্গে বর্তমান সম্পর্কের তুলনা করাতো একেবারেই উচিৎ নয়৷ এই অভ্যাসটি আপনার বর্তমান সম্পর্কের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর। আপনি আপনার প্রাক্তনের  সম্পর্কে ভালো বা খারাপ যাই বলুন না কেন আপনার বর্তমান সম্পর্কের ওপর তার প্রভাব পড়তেই পারে৷ এতে করে আপনার প্রেমিক/প্রেমিকা ভাবতে পারেন আপনার মনে এখনো আপনার প্রাক্তন মানুষটিই আছে। সম্পর্কচ্ছেদ হওয়ার জন্য এই সামান্য চিন্তাই যথেষ্ট। সুতরাং এই অভ্যাসটি দূর করলেই ভাল৷

একে অপরকে যথেষ্ট সময় দেওয়া
একটা ভালবাসার সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গেলে একে অপরের থেকে আমরা সব থেকে বেশি যেটা আশা করি, তা হল তার গুরুত্বপূর্ণ সময়৷ কতটা সময় একে অপরের সঙ্গে কাটাচ্ছে তা খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ একে অপরের সঙ্গে সময় কাটানো এবং একে অপরের কথা মন দিয়ে শোনাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ আপনি আপনার ভালোবাসার মানুষটির কথা শুনলেন না বা শুনতে চাইলেন না এতে করে তিনি ভাবতে পারেন আপনি তাকে এড়িয়ে চলছেন। এই ভাবনাটি সম্পর্কের জন্য ভালো নয়। প্রেমিক/প্রেমিকার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এতে করে তিনি নিজেকে আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে করবেন। এবং সেই হিসেবে তিনিও আপনাকে গুরুত্ব দেবেন।

দোষারোপ করবেন না
সবসময় যেকোনো বিষয়ে একে অপরকে দোষারোপ করবেন না৷ অপরজন যদি ভুলবশত কোনও ভুল করে ফেলে, সেটাকে শুধরে দেওয়ার চেষ্টা করুন৷ তবে সেটাও খুব সচেতনভাবে৷ কারণ আপনার একটা ভুল কথা অন্য বার্তা দিতে পারে অপরজনের কাছে৷ তুমি এই কাজটি করেছিলে, তুমি ওই কথাটা বলেছিলে এই ধরণের কথাবার্তা আপনার ভালোবাসার মানুষটির কাছে আপনাকে শুধুমাত্রই একজন বিরক্তিকর মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করে।এই ধরণের অভ্যাস দূর করুন, সম্পর্ক ঠিক থাকবে।
বিস্তারিত

তেরো সংখ্যাটিকে মানুষ কেন ভয় পায় জানেন?

কথায় আছে ‘আনলাকি খার্টিন’। তেরো সংখ্যাটি নিয়ে মানুষের মধ্যে ভয়ের অন্ত নেই। সংখ্যাটির প্রতি মানুষের এতটা ভয়ের কী কারণ? কেনই বা এই সংখ্যাটিকে অশুভ বলে মনে করা হয় জেনে নিন-
 
১. লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির বিখ্যাত ‘দ্য লাস্ট সাপার’ ছবিটিতে ১৩ জন মানুষের উপস্থিতি দেখা গিয়েছে। আর সেখানে জুডাস ইসকারিওট নামের যে ব্যক্তিটি যিশুর সঙ্গে প্রথম প্রতারণা করেন বলে মনে করা হয়, তিনি ১৩তম ব্যক্তি হিসেবে যোগ দেন খাবার টেবিলে।
 
২. নর্স মিথলজিতে বর্ণিত আছে, এক ডিনার পার্টি বানচাল করে দেন প্রতারণার দেবতা লকি। তার আগমনে আয়োজনটি ভেস্তে যায় এবং পৃথিবী অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। পার্টিতে তিনি ১৩তম অতিথি হিসেবে প্রবেশ করেছিলেন।
 
৩. এই নম্বরটি সব সময়ই যেন খাপছাড়া। অলিম্পাসের দেবতার সংখ্যা ছিল ১২ জন। ঘড়িতে ১২ ঘণ্টার হিসেব দেওয়া আছে। এক বছরেও ১২ মাস আছে। জোডিয়াকে রয়েছে ১২টি প্রতীক। তাই ১৩ সংখ্যাটিকে অশুভ মনে করে পশ্চিমী দুনিয়া।
 
৪. পশ্চিমের অসংখ্য মানুষের বিশ্বাস, যাদের নামে ১৩টি অক্ষর রয়েছে তাদের উপর শয়তান ভর করে। ‘জ্যাক দ্য রিপার’ এর কথাই ধরুন। সেই ভয়ঙ্কর সিরিয়াল কিলারের নামে ১৩টি অক্ষর রয়েছে।
 
৫. এই কারণটি অন্যগুলোর থেকে পৃথক ও বিদঘুটে এবং কিছুটা আপেক্ষিকও বটে। তবুও মানুষের মনে বিশ্বাসের মতো ছেয়ে গিয়েছে। বছরে নারীদের ঋতু হয় ১৩ বারের মতো। প্রাচীনকালে যেহেতু ঋতুমতী নারীদের অশুভ মনে করা হত, তাই ওই সংখ্যাটিকেই অশুভ ভাবা হত।
 
৬. ডাইনিদের সভায় নাকি সব সময় ১৩ জন ডাইনি অংশ নয়। সেখানে এই সংখ্যা নাকি কখনওই বদলায় না। সাধারণত মাসে সাড়ে ২৯ দিনে নতুন চাঁদের দেখা মেলে। একে বলা হয় চান্দ্রমাস। আর ১৩টি চান্দ্রমাসের সঙ্গে ডাইনিদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
 
৭. পশ্চিমে পুরনো সময়ের রীতি অনুযায়ী, ফাঁসির মঞ্চে উঠতে ১৩ পা এগোতে হয়।
 
৮. এমন বলা হয় যে, যে শুক্রবারে ১৩ তারিখ হয়, সেই দিনে চুল কাটতে নেই, কোনও সমাধির পাশ দিয়ে যেতে নেই। এমনকী মইয়ের নীচে যাওয়া যাবে না।
 
৯. পৃথিবীর অনেক দেশেই বিভিন্ন হোটেলে ১৩ নম্বর ঘর বলে কিছু থাকে না। এটাকে এড়িয়ে যাওয়া হয়।
 
১০. স্পেনের মানুষের বিশ্বাস, ১৩ তারিখের মঙ্গলবারে অশুভ কিছু আসে। তাই বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন করা হয়।
 
১১. প্রাচীন ব্যাবিলনের কোড অব হামুরাবি হল বিশেষ কিছু আইন। সেই আইনের ধারার ১৩তমটি পাওয়া যায়নি।
 
১২. হোলি গ্রেইল রক্ষাকারী নাইটস টেম্পলারে গণহারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হত। আর তা শুরু হয় ১৩০৭ সালের ১৩ অক্টোবর থেকে। সাধারণত প্রতি শুক্রবার এই গণমৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হত।
 
১৩. প্রাচীন পার্সিদের বিশ্বাস ছিল, ১৩ হাজারতম বছরে শয়তান সরাসরি ঈশ্বরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামবে। তখন বিশ্বটা যন্ত্রণা আর মৃত্যুতে ছেয়ে যাবে।
বিস্তারিত

ব্রণ-অ্যাকনে থেকে মুক্তির ৬টি ঘরোয়া উপায়

সব বয়সের মানুষই ব্রণ-অ্যাকনের সমস্যায় ভোগেন। বেশিরভাগ মানুষই অনেক চেষ্টা করেও এর থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে পান না। এর ফলে ক্রমশ হতাশায় ভুগতে থাকেন। ব্রণ সাধারণত গাল, কপাল, কাঁধ, বুক, নাক, গলায় হয়ে থাকে। ব্রণ হওয়ার কারণ হিসেবে চিকিত্‌সকরা জানাচ্ছেন যে, হরমোনের পরিবর্তনের জন্যই প্রধাণত ব্রণ-অ্যাকনের মতো ত্বকের সমস্যা দেখা দেয়।

ব্রণর সমস্যা সমাধানের জন্য অনেকেই অনেক ওষুধ ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু তাতেও বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

অথচ, আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে কিছু ঘরোয়া উপায়, যার মাধ্যমে কোনওরকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই মুক্তি পেতে পারেন ব্রণর হাত থেকে।

জেনে নিন সেগুলি কী কী-

১) টুথপেস্ট- ব্রণ, ব্রণর দাগের সমস্যা দূর করতে সবথেকে ভালো ঘরোয়া জিনিস হল টুথপেস্ট। সারারাত ত্বকের ক্ষতিগ্রস্থ জায়গা, যেখানে ব্রণ হয়েছে, সেখানে টুথপেস্ট লাগিয়ে রাখুন। সকালে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

২) মধু- ত্বক পরিস্কার রাখতে মধুর জুড়ি মেলা ভার। ব্রণ-অ্যাকনের উপর মধু ব্যবহার করুন। একঘণ্টা পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৩) লেবুর রস- সমপরিমান লেবুর রস এবং গোলাপ জল মিশিয়ে ব্রণর জায়গায় ব্যবহার করুন। খুব সহজেই ব্রণর হাত থেকে মুক্তি পাবেন।

৪) রসুন- অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান হিসেবে রসুন ব্যবহার করা হয়। ব্রণর উপর সরাসরি রসুন বাটা ব্যবহার করুন। ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

৫) ডিম- ব্রণর জায়গায় ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করুন। এর পর সেটি শুকনো হতে দিন। টানা ৪ বার ব্যবহার করুন।



বিস্তারিত

খেজুর খাওয়া উপকারী

খেজুর খেতে ভালোবাসেন না এমন হয়তো হাতে গোনা৷ পুজোর প্রসাদের বাইরে, অথবা ব্রেকফাস্টের বাইরেও কিন্তু উঠতে বসতে দিব্যি পেটে চালান করে দেওয়া যায় খেজুর৷ আর এই খেজুর শরীরে জন্যও খুব উপকারী৷ যারা উপকারিতা না জেনে ভালোবেসে খাচ্ছেন এটি, তাদের জন্যই রইল নিচের লেখাগুলি৷ দেখে নিন একনজরে…
 
১) একটু শক্ত খেজুর জলে ভিজিয়ে সারা রাত রেখে, সেই জল খালি পেটে খেলে নাকি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। পাশাপাশি খাবারে রুচিও ফিরিয়ে আনে৷
 
২) ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ এই খেজুর আমাদের দৃষ্টিশক্তির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এনার্জি সরবরাহের ক্ষেত্রে খেজুর অতুলনীয়৷
 
৩) খেজুর কোলেস্টেরলকে ঠিক রাখে, পাশাপাশি ওজন বৃদ্ধিকেও নিয়ন্ত্রণ করে বলে মনে করা হয়৷
 
৪) বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতেও কিন্তু খেজুর গুরুত্বপূর্ণ৷
 
৫) অনেকক্ষেত্রে আবার খেজুর চূর্ণ দাঁতের মাজন হিসেবে ব্যবহার করা হয়৷ এছাড়া খেজুরে থাকা আয়রন রক্তাল্পতার ক্ষেত্রে এবং ক্ষয়রোধ করতে সাহায্য করে৷
 
বিস্তারিত

এই খাবারগুলি খেলে ঘুম ভালো হয়

‘দু’টো শ্রান্ত আঁখি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে…আমি ঘুমোতে পারি না’
কবিতার এই লাইনগুলো সত্যি মনে হয়ে যখন চোখের ঘুম উড়ে যায়। দিনের শেষে নয়, মনে হয় যেন যে কোনও সময় ঘুমের দেশে যেতে পারলে বাঁচা যায়। ঘুমকাতুরেদের যখন ঘুম উড়ে যায় তখন কিন্তু মহাসমস্যা।
 
মনে তখন প্রশ্ন জাগে, কোথায়-কীভাবে একটু ঘুম পাওয়া যায়? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনলেও ঘুম ভাল হয়। তাই ভাল ঘুমের জন্য এই খাবারগুলোকে রোজকারে পাতে রাখতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। আসুন একটু চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক-
 
*সাদা চালের ভাত- কথায় আছে না, দুপুরবেলা ভাতঘুম। তা যে সত্যি তা হাড়ে হাড়ে জানে বাঙালি। ভাতের যে কী মহিমা তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাও আবার সাদা চালের ভাত হলে তো কথাই নেই। ঘুম আসতে বাধ্য। সমীক্ষায় প্রমাণিত, অন্যান্য খাবারের চেয়ে ঘুম পাড়াতে ভাতের জুড়ি মেলা ভার।
 
*পেস্তা- হতে পারে দাম একটু বেশি। কিন্তু ঘুম পাড়াতে পেস্তাও কম যায় না। ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ পদার্থ রয়েছে পেস্তায়। যা ভাল ঘুমের সহায়ক। এছাড়া ম্যাগনেশিয়ামের প্রোটিন রক্তে শর্করার পরিমাণ ঠিক রাখে ঘুমের সময়। অ্যাড্রিনালিন ক্ষরণকেও নিয়ন্ত্রণ করে ম্যাগনেশিয়াম।
 
*টার্ট চেরি- এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে মেলাটোনিন। যা ঘুমকে নিয়মিত করে। দিন দুবার এক গ্লাস টার্ট চেরির রস চট করে আপনাকে ঘুমের দেশে পাঠাতে সাহায্য করবে।
 
*ছোলা- ছোলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি৬। এই ভিটামিন শরীরে সেরোটোনিন তৈরি করে। যা ক্লান্তি দূর করে এবং মেজাজ ঠিক রাখে। ছোলা পিষে কোনও খাবারের সঙ্গে বা শুধু শুধু খেলেই কেল্লা ফতে। ঘুম আসতে বাধ্য।
 
*মাছ- বাঙালি মাছে-ভাতে থাকতেই বেশি ভালবাসে। আর ভাতের মতো মাছেরও ঘুম পাড়াতে বেশ নাম রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টুনা, হ্যালিবুট, স্যামন মাছে প্রচুর ভিটামিন বি৬ রয়েছে। যা মেলাটোনিন ও সেরোটোনিন হরমোন তৈরি করে। তাতে ঘুম ভাল হয়। বেশ কিছু মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা ঘুমকে নিয়মিত করে। ক্লান্তি দূর করে ও শরীরকে ভাল রাখে।
 
*কলা- কলায় যে কোন গুণ নেই তা অতি বড় বিশেষজ্ঞও বলতে পারবেন না । কলায় রয়েছে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এর সঙ্গে ভিটামিন বি৬-ও রয়েছে। যা আপনাকে ঘুমের দেশে নিয়ে যাবেই।
 

বিস্তারিত

পুজোয় মুখে ব্রণ? মুক্তি মিলবে ঘরোয়া টোটকাতে

পুজো মানেই সকাল থেকে রাত প্যান্ডেল প্যান্ডেলে ঘোরা, তেল-মশলাযুক্ত খাবার খাওয়া। এমনকী ঘোরাঘুরির চোটে ঘুমও কম হয় পুজোর কয়েকদিন। পাশাপাশি রোদ-বৃষ্টি থেকে দূষণ সবই সহ্য করতে হচ্ছে আপনার ত্বককে।
 
এ অবস্থায় পুজোর পাঁচদিনে আপনার মুখে হঠাৎই একটা দুটো ব্রণ দেখা দিতেই পারে। আর ব্রণ মানেই তো সেটা থেকে মুখে হালকা একটা দাগ পড়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। তাই পুজো চলাকালীন রাতারাতি মুখের ব্রণ দূর করে মুখের টানটান উজ্জ্বল ভাব ফিরিয়ে আনার কিছু ঘরোয়া টোটকা রইল আপনাদের জন্য।
 
১. পেঁয়াজ
পেঁয়াজ বয়সজনিত কালো ছোপ দূর করতে দারুণ কার্যকরী। একটা টুকরো পেঁয়াজ নিয়ে ব্রন বা কালো দাগে ঘষুন ৫ মিনিট। তারপর ধুয়ে ফেলুন। উপকার মিলবে।
 
২. লেবু
লেবু ত্বকের কালো দাগ বা ব্রণর ছোপ দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী একটি জিনিস। তুলো লেবুর রসে ভিজিয়ে নিন, তারপর কালো দাগে ৫ মিনিট ঘষে ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে ৩-৪ বার ব্যবহারে উপকার পাবেন।
 
৩. টুথপেস্ট
ব্রণর আরেকটি বিশেষ ওষুধ হল টুথপেস্ট। আজ্ঞে হ্যাঁ, শুধু দাঁতের জন্য নয় ব্রণ সারাতেও টুথপেস্টের জুড়ি মেলা ভার। মেন্থলযুক্ত যে কোনও টুথপেস্ট ব্রণর উপর লাগিয়ে রাতে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে দেখবেন ব্রণ উধাও।
 
৪. রসুন
রসুন খুব ভাল অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কাজ করে। মুখে আচমকা ব্রণ দেখা দিলে দু-কোয়া রসুন নিয়ে ব্রণর উপর ঘষতে থাকুন। তারপর সেটা পাঁচ মিনিট রেখে ইষদুষ্ণ জল দিয়ে ভাল করে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
 
৫. বরফ
চটজলদি ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে বরফ খুবই উপযোগী। তবে কখনওই বরফ সরাসরি মুখে দেবেন না। কারণ মুখের ত্বক আমাদের শরীরের অন্যান্য জায়গার তুলনায় বেশি নরম হয়। তাই বরফ একটা পরিষ্কার কাপড় জড়িয়ে নিয়ে তবেই মুখে লাগান। খুব তাড়াতাড়িই ব্রণর বা ত্বকের অন্য সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
বিস্তারিত

চাই মোহময়ী চোখ ও ঠোঁট?

সাজবদলে মেতেছে চারদিক। অলিগলি—রাজপথ থেকে দোকানপাট সমস্ত জায়গায় পুজোর রেশ জোরদার। ঢাকে কাঠি পড়তে আর ক’দিন বাকি থাকলেও শেষ মুহূর্তের সাজপোশাক মেকআপ একবারে রেডি। কোনদিন কোনটা, তার সঙ্গে কেমনই বা লুক স্পোর্ট করবেন, তাও ফিক্স। জানা রয়েছে কি এ বছর মেকআপ জগতে কোনটা হিট, কোনটা মিস? তারই ঝলক রইল এবার।


চোখ- চোখের মেকআপে এবার লিকুইড ও জেল আইলাইনার দুইই ইন। ফেল্ট টিপ আইলাইনার ট্রাই করুন, পেনের মতো দেখতে তাই ধরাও সহজ, আর আইলাইনও হবে সমান ও নিখুঁত। আইলাইনার পরার সময় ক্যাট আইড, কিটেন এফেক্ট বা ফ্লিকার্ড কর্নাই ট্রাই করুন। এবার পুজোয় মেটালিক আইশ্যাডো ভীষণ পপুলার। জুয়েল টোনস, গোল্ড, সিলভার সবই চলতে পারে পোশাকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে। সকালবেলার মেকআপে মেটালিক আইশ্যাডো নয়, বেছে নিন প্যাস্টেল শেড্স। অষ্টমীর রাতের জন্য তোলা থাক এই গর্জাস লুক। কালো আইলাইনারের চেয়ে কালার্ড আইলাইনার এবার ইয়াং জেনারেশনের মধ্যে খুব পপুলার। এক নিমেষে ব্রাইটনেস আনতে আইলাইনার দারুণ। গ্রে, স্মোকি অ্যাশ, এমারেল্ড গ্রিন, ডার্ক ও জুয়েল ব্লু, পার্পল–যেমনটা পছন্দ, তেমনটা বেছে নিতে পারেন। গতবারের মতো স্মোকি আইজ এবারে ইন। কালো আইশ্যাডো দিয়ে স্মোকি মেকআপ না করে ট্রাই করুন নেভি টিন্টেড স্মোকি আই। নেভি টিন্টেড স্মোকি আইজের সঙ্গে সিরাম বেসড ফাইন্ডেশন ব্যবহার করুন। এতে একটা গ্লসি লুক আসবে ত্বকে।



ঠোঁট- লিপস্টিক এবার ম্যাট। লিপকালার যেমন ইন, তেমনই পপুলার ক্লিয়ার গ্লাস। চোখের মেকআপের ওপর নির্ভর করবে লিপকালার। এবারে দু’রকম লুক বেশ পপুলার। ফ্রেশ লুকের সঙ্গে ডার্ক লিপ, অথবা স্মোকি আইজের সঙ্গে বোল্ড লিপ। চোখে শুধুমাত্র মাসকারা লাগিয়ে ডার্ক কোনও লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। সকালবেলার সাজেও দিব্যি মানানসই এই লুক। ডার্ক রেড, প্লাম, ভায়োলেট, মভ, কোরাল, ব্রাইট অরেঞ্জ, চেরি রেড, হট পিঙ্ক, বাবলগাম পিঙ্কের মতো শেড—এর পাশাপাশি নু্যড শেড্স–যেমন, হানি, ক্যারামেল, টফিও এবার দেখা যাবে পুজোর মেকআপ ক্যানভাসে।



তবে সকালবেলার দিকে নো—মেকআপ লুকও স্পোর্ট করতে পারেন। তখন চোখের রিমে বা চোখের ওপরে অল্প নেভিরঙা কাজল লাগান, ঠোঁটে ক্লিয়ার গ্লস। দু’তিন কোট ভলিউম এনহ্যান্সিং মাসকারা মাস্ট। চোখের তলায় কাজল না পরে ওপরের পাতায় কোল লাগানো এবারের ট্রেন্ড। সঙ্গী হোক ক্লিয়ার গ্লস। ক্যাট আইজ মেকআপেও ব্যবহার করা যেতে পারে কালার্ড আইলাইনার বা কোল পেনসিল। চোখের নীচের পাতায় নেভি কোল আঁকুন। স্মাজার দিয়ে নীচের অংশ স্মাজ করে দিন।


বিস্তারিত

হাতের তালু ঘামা অসুস্থতার লক্ষণ!

শরীরের তাপস্থাপক (thermostat) হিসেবে কাজ করে ঘাম উৎপাদক গ্রন্থিগুলি। কারোর ঘাম বেশি, কারোর কম। কিন্তু আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন, যাঁদের ক্রমাগত হাত ও পায়ের পাতা ঘামে। এমনই ঘাম হয়, যে সেলফি তুলতে গিয়ে বা অফিসে পাঞ্চ করে অ্যাটেনডেন্স দিতে গিয়ে মেশিনের সেন্সর আঙুলের ছাপ চিনতে পারে না। এতে সকলের সামনে হেনস্থা হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।



হাত-পা ঘামে কেন? কী এর কারণ...

হাত-পা সারাক্ষণ ঘামে ভর্তি থাকলে মূলত ২-৩টে সমস্যা দেখা দিতে পারে :

১] হাত ঘামা (Sweaty Palms) বা পালমার হাইপারহাইড্রোসিস

২] পা ঘামা (Sweaty Feet) বা প্ল্যান্টার হাইপারহাইড্রোসিস

৩] বগল ঘামা (Sweaty Armpits) বা অগজ়িলারি হাইপারহাইড্রোসিস


মানুষের শরীরে ২০-৫০ লাখ অ্যাক্রিন ঘামগ্রন্থি আছে। ত্বকের পুরোটা জুড়েই গ্রন্থি। শরীরের তাপমাত্রা বাড়লে লাখ লাখ গ্রন্থি থেকে ঘাম নিঃসরিত হয়। ঘাম বাষ্পে পরিণত হলে শরীর ঠান্ডা হয়। কিন্তু বগলের ঘামগ্রন্থি একটু আলাদা। বলা হয়, অ্যাপোক্রিন ঘামগ্রন্থি। গরম ও আর্দ্রতা বাড়লে কিংবা উদ্বেগ ও হতাশা বাড়লে ঘাম হতে শুরু করে। পায়ের পা ও হাতের তালুতেও এই অ্যাপোক্রিন গ্রন্থি রয়েছে।



কী কী কারণে অ্যাপোক্রিন গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত পরিমাণে ঘাম নিঃসরিত হয় :

১] অতিরিক্ত ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় ও অ্যালকোহল পান করলে অ্যাপোক্রিন গ্রন্থি থেকে মাত্রাতিরিক্ত ঘাম বেরোতে পারে।

২] লো ব্লাড সুগার বা হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলে এমনটা হতে পারে।

৩] কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এর কারণ।

৪] মহিলাদের মেনোপজ়ও এর একটা অন্যতম কারণ।

৫] যাঁদের হাইপারথাইরয়েড আছে, এসমস্যা তাদেরও।



কী করলে মিটতে পারে সমস্যা ?

বাজারে অনেক ধরনের অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট কিনতে পাওয়া যায়। রাতে শুতে যাওয়ার আগে হাতে, পায়ের পাতায় ও বগলে লাগিয়ে শুতে যান।

কফি বা ক্যাফেইনজাতীয় পানীয়/খাওয়ার অভ্যেস ত্যাগ করুন।

একই সঙ্গে ঝাল-মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

নিয়মিত দু’বেলা স্নান করা জরুরি। কিন্তু সওনাবাথ কিংবা গরম জলে স্নান করার অভ্যেস ছাড়ুন। এতে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। হাত-পা ও বগলে অনেক ঘাম হতে পারে।

পা ধোয়ার পর কখনও ভেজা অবস্থায় রেখে দেবেন না। শুকনো কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে ভালো করে মুছুন। না হলে পায়ে জীবাণু জন্ম নিতে পারে, গোড়ালি ফেটে যেতে পারে, ঘাম হতে পারে, পায়ে দুর্গন্ধও হতে পারে।

পা ঘামা কমাতে চেষ্টা করুন অন্তত বাড়়িতে খালি পায়ে থাকতে। মেঝে যদি পরিষ্কার থাকে, সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

কখনও ভেজা জুতো পরবেন না। পরার আগে পুরোপুরি শুকিয়ে নিন।

পায়ে অতিরিক্ত টাইট মোজা পরবেন না।

হতাশা, দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ কমে গেলে হাত ঘামা বন্ধ হতে পারে।
বিস্তারিত

বাসন মেজে, কাপড় কেচেও হাত সুন্দর রাখার সহজ টিপস্!

আপনার কি বাসন মেজে, কাপড় কেচে হাত রুক্ষ হয়ে গেছে? আর কি হাতের সেই জৌলুস নেই? হবে নাই বা কেন, যা দিনকাল পড়েছে, বাড়িতে কাজের মাসি রাখাও এখন বিরাট খরচের ব্যাপার। তাই বাঙালি মধ্যবিত্ত পরিবারের অধিকাংশ মহিলাকেই সব কাজ নিজে হাতে করতে হয়। সেই জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ! ফলত, নরম-কোমল-মখমলে হাত স্কচব্রাইটের মতোই রুক্ষশুষ্ক চেহারা নেয়। আঙুলের গাঁট কালচে হয়ে যায়। হাতের তালু খড়খড় করে। আর নখ ভেঙে যায় বারংবার। এমন হাতে নেইলপলিশ পরলে বা আংটি পরলে, খুব খারাপ দেখতে লাগে।

এর কারণ, হাতের ত্বকের উপরি স্তর ভয়ানকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ডিটার্জেন্ট ও ডিশসোপ ব্যবহারের জন্য। আরও অনেক কারণে হাত দেখতে খারাপ হয়ে যায়। যেমন -
শুকনো হাওয়া - অনেকের ত্বক শুষ্ক। তাই হাতের ত্বকেও শুষ্কতা প্রকট হয়ে ওঠে। অনেকের আবার শীতকালে বা রুক্ষ জায়গায় বেড়াতে গেলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। বাতাসে রুক্ষতা থাকলেও হাত রুক্ষ হয়ে যায় অনেকের।

জল - অতিরিক্ত জল ঘাঁটলে, বাসন মাজলে, কাপড় কাচলে, ঘর মুছলে কিংবা বারবার হাত ধুলে হাতের ত্বকে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। জলের কারণে হাতের ওই অংশ থেকে তেল বেরিয়ে আসে। ভাঁজ পড়ে, রুক্ষ হয়ে যায়, দেখতে খুব খারাপ লাগে।

কেমিক্যালস্ - কড়া কেমিক্যাল আছে এমন সাবান, ডিটারজেন্ট, ক্লিনজ়ার ব্যবহার করলে তা হাতের ত্বক রুক্ষ করে দেয় সহজেই। তাই অতিরিক্ত রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়।


কী কী করলে হাতের রুক্ষতা দূর হবে -
কয়েকটি মৌলিক বিষয় মেনে চললে হাতের রুক্ষতা দূর হতে পারে অল্পদিনের মধ্যেই। খুব সহজেই হাতের ত্বক ফিরে পেতে পারে হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্য। সেগুলি কী কী জেনে নিন -

১]সাবানের ব্যবহার ত্যাগ করুন - সিন্থেটিক সুগন্ধি, প্রেজ়ারভেটিভ, সালফেটস্ আছে এমন সাবান এড়িয়ে চলুন। এই রাসায়নিক উপাদানগুলি হাতের ত্বক রুক্ষ করে দিতে পারে খুব। অতিরিক্ত ফেনা হয় বা অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল সাবান এড়িয়ে চলুন। এগুলি হাতের ত্বক থেকে প্রাকৃতিক ফ্যাট ও তেল বের করে দেয়, ত্বকের রুক্ষতা বাড়ায়। হার্বাল সাবান ব্যবহার করুন, যাতে কেমিক্যালের প্রভাব খুব কম। হাত ধোয়ার পর জল দিয়ে ভালো করে হাত ধুতে ভুলবেন না। মনে রাখবেন, হাতে সাবান লেগে থাকলে তা ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

২]ময়েশ্চারাইজ়ারের ব্যবহার - হাত সাবান দিয়ে ধোয়ার পর তা রুক্ষ হয়ে যায়। তাই তৎক্ষণাৎ ময়েশ্চারাইজ়ার লাগান দু'হাতে। ব্যাগের মধ্যে ময়েশ্চারাইজ়ার রাখুন সবসময়। কোকোনাট বডি অয়েল, মাইল্ড বেবি লোশন বা অলিভ অয়েল রাখতে পারেন। হাত পরিষ্কার করার সঙ্গে সঙ্গে তেল বা লোশন দিয়ে ভালো করে হাত ময়েশ্চারাইজ় করে নিন।

৩]হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ার ব্যবহার করে তেল লাগান - হাতকে জীবাণুমুক্ত রাখার জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ারের একটা ছোটো টিউব সবসময় ব্যাগের ভিতর রেখে দেয় অনেকে। বাইরে খাওয়াদাওয়া করতে হলে তালুতে একফোঁটা হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ার দিলে, তা ব্যাক্টেরিয়া ফ্রি হয়ে যায়। কিন্তু তাতে হাতের বারোটা বাজে। রুক্ষ হয়ে যায়। এরজন্য হাতে স্যানিটাইজ়ার দিলে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজ়ার, তেল কিংবা লোশন লাগিয়ে নিন।

৪]গরম হাওয়া লাগাবেন না হাতে - হাত শুকানোর করার জন্য রেস্টরুমে বা বাথরুমে হ্যান্ড ড্রায়ার রাখেন অনেকে। ধোয়ার পর হাতের তালু সেই ড্রায়ারের তলায় ধরতে হয়। টিশু বা রুমালের দরকার হয় না। হাত শুকিয়ে যায়। এভাবে অনেকেই হাত শুকোয়। কিন্তু এতে হাতের রুক্ষতা বাড়ে।

৫]গ্লাভস্ পরুন - অনেকেই শখ করে বাজার থেকে বড় বড় গ্লাভস্ কিনে আনেন, কিন্তু সেই গ্লাভস্ ঘরের তাকেই পরে থাকে। কাপড় কাচা, বাসন মাজা ও ঘর মোছার কাজ চলে গ্লাভস্ বিহীন হাতেই। জল থেকে হাতকে বাঁচাতে হলে সবার আগে তাক থেকে নামিয়ে নিন গ্লাভস্, দু'হাতে পরুন, শুরু করুন ঘরের যাবতীয় কাজ। হাতের ত্বক থেকে আঙুলের নখ, সব অক্ষত থাকবে।


হাতের রুক্ষতা দূর করার ঘরোয়া উপায় -
রান্নাঘরে উপস্থিত কিছু প্রাকৃতিক উপাদানের সাহায্যে হাতের সৌন্দর্য ফিরে পেতে পারেন আপনি। এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

১]হ্যান্ড প্যাক - যেমন মুখের জন্য আপনি ফেসপ্যাক ব্যবহার করেন, ঠিক তেমনই হাতের রুক্ষতা মেটানোর জন্য হ্যান্ড প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে পিলিং মাস্ক তৈরি করতে হবে। একটি পাত্রে কয়েকফোঁটা লেবুর রস, কয়েকফোঁটা মধু ও এক চামচ নুন ভালোভাবে মেশান। তারপর হাতে মাখুন। হাত হবে নরম-কোমল-মখমলে।

২]এক্সফোলিয়েশন - লেবুর রস ও চিনির সাহায্য এক্সফোলিয়েট করতে পারেন হাত। সব ময়লা বেরিয়ে যাবে। এর জন্য এক বাটি পাতিলেবুর রসের সঙ্গে মোটা দানার চিনি মেশান। তারপর সেই মিশ্রণটি দু'হাতে ভালো করে ঘষুন। ধীরে ধীরে চিনির দানাগুলি গলে যাবে। হাতের ত্বকের সমস্ত মরাকোশ দূর হবে। নতুন কোশ তৈরিতে সাহায্য করবে ধীরে ধীরে। এই প্রণালীতে এক্সফোলিয়েট করলে হাত পরিষ্কার হবে দ্রুত, আগের চেয়ে ফরসা হবে দ্বিগুণ।

৩]ম্যাসাজ - বাড়িতে মাখন থাকলে তা ময়েশ্চারাইজ়ারের কাজ করতে পারে। এককাপ গলে যাওয়া মাখন আমন্ড অয়েল মেশান। হাতে ম্যাসাজ করে নিন। নিয়মিত ম্যাসাজ করলে ধীরে ধীরে কোমল হবে হাত।

৪]কোকোবাটার - বাসন মাজা, কাপড় কাচা ও ঘর মোছার আগে কিছু প্রস্তুতি নিলে হাতে ক্ষতি কম হতে পারে। এরজন্য হাতে কোকোবাটার মেখে নিন আগে। তারপর গ্লাভস্ পরুন। গ্লাভস্ না পরলেও চলবে। হাতে কোকোবাটার লাগানো থাকলে, তা জলের সংস্পর্শে এলে আরও নরম হতে পারে।

৫]গ্লিসারিন - অনেকের ড্রেসিংটেবিলেই গ্লিসারিনের কৌটো দেখতে পাওয়া যায়। কোনও কাজে লাগে না। এরা সেটিকে কাজে লাগাতে পারেন। পাতিলেবুর রসে গ্লিসারিন মিশিয়ে হাতে লাগালে কার্যকরী ফল পেতে পারেন। মিশ্রণটি অল্প পরিমাণে হাতের তালুতে নিয়ে ভালো করে মাখুন। যতক্ষণ না ত্বকের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে মাখতে থাকুন। এরপর একইভাবে মিশ্রণটি কনুইতে মাখুন।

৬]নখের যত্নে - অনেকসময় জল ঘাঁটার কারণে নখ পলকা হয়ে যেতে পারে। ফলত, সামান্য বড় হলেই মট করে ভেঙে যেতে পারে। এটি অনেক মহিলাকেই যন্ত্রণা দিতে পারে। মখ মজবুত হয় যদি হাড় শক্ত থাকে। এর জন্য খাদ্যাতালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালশিয়াম থাকা মাস্ট। নিয়মিত আটা বা ময়দা মাখুন। নখ শক্ত হবে। নেইল ফাইলিং করলে পাশ থেকে নখ ভেঙে যাবে না।
বিস্তারিত

আয়ু বাড়াতে দিনে ৪ কাপ কফি খান

কফি খাওয়ার নেশা রয়েছে আপনার? প্রতি দিন অন্তত ৩-৪ কাপ কফি না হলে চলে না? এই নেশার জন্য আপনি অপরাধ বোধে ভুগলেও আশার কথা শোনাচ্ছেন গবেষকরা। নতুন এক গবেষণা অনুযায়ী, দিনে ৪ কাপ কফি আমাদের আয়ু বেশ কয়েক বছর পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে।
 
ভূমধ্যসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যবয়সী মানুষদের উপর কফি খাওয়ার প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেন স্পেনের পামলোনার নাভারা হাসপাতালের গবেষকরা। গবেষক অ্যাডেলা নাভারো জানান, সারা বিশ্বে যে পানীয়গুলো সবচেয়ে বেশি সংখ্যাক মানুষ খেয়ে থাকেন তার মধ্যে কফি অন্যতম।
 
এর আগের গবেষণাগুলোতে কফি খাওয়ার সঙ্গে আয়ু বা়ড়ার সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া গেলেও ভূমধ্যসাগরীয় দেশগুলোতে এই ধরনের কোনও গবেষণা করা হয়নি।
 
সান প্রজেক্ট নামের এই গবেষণায় মোট ১৯ হাজার ৮৯৬ জনকে নিয়ে গবেষণা চালানো হয়। ১৯৯৯ সালে করা এই গবেষণার সময় এদের গড় বয়স ছিল সাড়ে ৩৭ বছর। গবেষণার প্রথমেই তাদের একটি প্রশ্নোত্তর ফর্ম পূরণ করতে দেওয়া হয়। যেখানে তাদের আগের কফি খাওয়ার অভ্যাস, সার্বিক স্বাস্থ্য ও লাইফস্টাইল সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়।
 
রোগীদের নিয়ে টানা ১০ বছর ধরে এই গবেষণা চালানো হয়। অংশগ্রহণকারীদের পরিবার ও ন্যাশনাল ডেথ ইন়ডেক্সের সাহায্যে পাওয়া সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে এই ১০ বছরের মধ্যে ৩৩৭ জন অংশগ্রহণকারীর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে যারা দিনে অন্তত ৪ কাপ কফি খেয়েছেন তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি যারা কফি খান না তাদের তুলনায় ৬৪ শতাংশ কম। এমনকী, যারা দিনে অন্তত ২ কাপ কফি খেয়েছেন তাদের মৃত্যুর ঝুঁকিও কমে গিয়েছে ২২ শতাংশ পর্যন্ত।
 
এএসসি কংগ্রেসে এই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে।
 
বিস্তারিত

  • হাথুরুসিংহের পরিকল্পনা ভুলে গেছে বাংলাদেশ: মাশরাফি
  • নতুন সম্পর্কে জোলি!
  • মাটির লেয়ারের ভিন্নতায় পদ্মা সেতুর ১৪ পাইলের ডিজাইনে বিলম্ব
  • ব্যাংকিং খাতে জবাবদিহিতার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে : অর্থমন্ত্রী
  • অবকাঠামো উন্নয়নে ৬০ মিলিয়ন ডলার দেবে ওএফআইডি
  • বাংলাদেশ যথেষ্ট সক্ষমতা অর্জন করেছে : বিশ্বব্যাংক
  • ৩৭ হজ এজেন্সিকে নোটিশ
  • বাজেটে এমপিও অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিবে: প্রধানমন্ত্রী
  • ভোলাগঞ্জ ও কালাইরাগে ৩৬টি ‘বোমা মেশিন’ ধ্বংস
  • ফেঞ্চুগঞ্জে ছাত্রলীগের ৫ নেতা বহিষ্কার
  • আম্মার মতো আমিও হারিয়ে যাব : রাইমা
  • ‘সূর্যসেন’ নতুন মঞ্চনাটক
  • আমি মৃত্যুকে ভয় করি না: আইভী
  • আমি একাই যথেষ্ট: শামীম ওসমান
  • সিরিয়ার কুর্দিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবেন এরদোয়ান
  • বড় ধরনের বিপদ থেকে বাচঁলেন শোয়েব!
  • কোহলির জরিমানা
  • নির্বাচন স্থগিত হওয়া ইসির চরম ব্যর্থতা: ফখরুল
  • ঢাকা উত্তরের মেয়র পদে উপনির্বাচন স্থগিত
  • রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু ২ বছরের মধ্যে
  • মুসলমানরাই সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসের শিকার: বান কি মুন   ৫০৬২১
  • মেয়র কালামের পায়ের নিচে ওসি আতাউর শার্ট খুলে লিনডাউন,তারপর জুতো পেটার প্রস্তাব   ১৪৬৯১
  • ছলনাময়ী নারীদের চেনার উপায়   ১৩৬৬০
  • জুমার নামাজ ছুটে গেলে কী করবেন?   ১১৫৬১
  • ​চিনা কোম্পানিকে কাজ দিতে প্রতিমন্ত্রী তারানার স্বাক্ষর জাল   ৯৩৪১
  • ঋণখেলাপি নই-হুন্ডি ব্যবসায়িও নই,সম্পত্তি নিলামের খবর অপপ্রচার-নাসির   ৮৩৩৪
  • জেনে নিন ছুলি দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায়   ৮২৬৭
  • ডিমের পর স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে সোনালি মুরগি   ৮২১৩
  • মুসাফির কাকে বলে? মুসাফিরের রোযা ভঙ্গ করলে   ৮১৭৮
  • গরুর দুধের অসাধারণ কয়েকটি গুণ   ৭৯৯৬
  • খতমে ইউনুস নামে সামাজে চলে আসা জালিয়াতী   ৭১১১
  • মুঘল সম্রাটদের দিনযাপন   ৬৫৬৮
  • চিত্রনায়িকা সাহারার সেক্স ভিডিও ফাঁস!   ৫৯৭৬
  • হযরত শাহ্‌ জালাল ইয়েমেনী (রাঃ)-এঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী   ৫৯০১
  • শিশুর কানে আজান দেবে কে?   ৫৫০৩
  • চিকিৎসায় দ্রুত সরকারি সহযোগিতা চান খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া   ৫৩৩৮
  • কামরূপ-কামাখ্যা : নারী শাসিত যাদুর ভূ-খন্ড   ৫২৯৩
  • প্রশ্নব্যাংকে প্রশ্ন, স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাছাই হয়ে পরীক্ষা   ৫২২৯
  • ম,আ,মুক্তাদিরের ছেলে রাহাত লন্ডনে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে   ৪৯৪৯
  • ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, চীন-পাকিস্তান সমীকরণ   ৪৮৩৮
  • সাম্প্রতিক আরো খবর

  • কানের লতিতে ১মিনিট লাগিয়ে রাখুন কাপড় মেলার ক্লিপ!
  • হিপ পকেটে মানি ব্যাগ রাখলে হতে পারে পক্ষাঘাত!
  • শীতকালে সুস্থ থাকতে স্নান করুন ঠান্ডা জলে
  • হাইট শর্ট ? রং বুঝে পালাজো পরুন
  • গোলাপ জলের কয়েকটি ব্যবহার
  • শীতকালে বিয়ে? চুলের খেয়াল রাখুন
  • এইসব উপাদানই ত্বককে রাখবে কোমল
  • বোতলের তলায় ত্রিকোণ চিহ্নের অর্থ কী?
  • কে পরছে ২০ ফুটের জুতো?
  • লিপস্টিক কীভাবে বেশিক্ষণ ঠোঁটে থাকবে?
  • প্রেমে পড়লে শরীরে কী কী পরিবর্তন হয়?
  • সাজবেন কীভাবে, বলে দেবে আপনার রাশি
  • ঢ্যাঁড়শ খাওয়ার ১০ উপকার
  • ঢ্যাঁড়শ খাওয়ার ১০ উপকার
  • বাতিল কাঠের বাইক ‘সুকুডু’ বদলায় মানুষের জীবন
  • প্রেম করে বিয়ে করলে টেকে না?
  • তেরো সংখ্যাটিকে মানুষ কেন ভয় পায় জানেন?
  • ব্রণ-অ্যাকনে থেকে মুক্তির ৬টি ঘরোয়া উপায়
  • খেজুর খাওয়া উপকারী
  • এই খাবারগুলি খেলে ঘুম ভালো হয়
  • পুজোয় মুখে ব্রণ? মুক্তি মিলবে ঘরোয়া টোটকাতে
  • চাই মোহময়ী চোখ ও ঠোঁট?
  • হাতের তালু ঘামা অসুস্থতার লক্ষণ!
  • বাসন মেজে, কাপড় কেচেও হাত সুন্দর রাখার সহজ টিপস্!
  • আয়ু বাড়াতে দিনে ৪ কাপ কফি খান