সর্বশেষ খবর

   বানিয়াচংয়ে মাড়াইয়ের মেশিনের আঘাতে কৃষকের মৃত্যু    বালাগঞ্জে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন    স্বাভাবিক জীবনে ফিরল সুন্দরবনের ৫৭ দস্যু    শুক্রবার কলকাতা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী    মাদকবিরোধী অভিযানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৭ জন নিহত    নবীগঞ্জ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র হলেন এটিএম সালাম    ঈদে ৪ দিন সিএনজি স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা    সারা দেশে বন্দুকযুদ্ধ : মানবাধিকার কমিশনের উদ্বেগ    শিল্প প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে দেশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: রাষ্ট্রপতি    ছিটকে পড়লেন রোমেরো    বিরল রোগ আক্রান্ত মুক্তামনি আর নেই    বালাগঞ্জে ভেজাল বিরোধী অভিযান    র‍্যাবের খাঁচায় সিলেটের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ সুধাংশু    বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উপলক্ষে সিলেটে আলোচনা সভা    জিন্দাবাজারে রিফাত এন্ড কোং’এ ২০ হাজার টাকা জরিমানা    মৌলভীবাজারে দুই ছাত্রলীগ কর্মী খুনের মামলার প্রধান আসামির আত্মসমর্পণ    সহকর্মীকে ‘হ্যান্ডসাম’ বলায় চাকরি হারালেন সংবাদ উপস্থাপিকা    প্রতিটি পোস্টে নজর রাখছে ১৫ হাজার ‘ফেসবুক পুলিশ’    মন্ত্রী-সচিবদের কেউ কেউ ফোন-ফ্যাক্সের দোকান খুলে বসতে পারেন: পার্থ    মিশিগান বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত


খবর - সাহিত্য

বাংলাদেশ ও আসামের ভাষা আন্দোলন একই সূত্রে গাঁথা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযের সাবেক ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলেনের গৌরবময় ইতিহাস ও আসামের শিলচরে ১৯ মে’র ভাষা আন্দোলন একই সূত্রে গাঁথা। তিনি বলেন, ভাষার জন্য শুধু বাংলাদেশের বাঙালিরা নন, আসামের বাঙালিরাও জীবন দিয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, আজও আমরা সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করতে পারিনি।

শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আসামের ভাষা শহীদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ভাষা আন্দোলন স্মৃতিরক্ষা পরিষদের এই আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন নারী নেত্রী ও বিশিষ্ট লেখিকা সেলিনা খালেক। সভা সঞ্চালনা করেন ডা. এম এ মুক্তাদীর।

আরও উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত ভাষাসৈনিক শামসুল বিস্তারিত

৬ ঘন্টা পর সিলেটের সাথে সারাদেশের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হল

ছয় ঘন্টা পর সিলেটের সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। কাল বৈশাখী ঝড়ে সিলেট ঢাকা চট্রগ্রাম রেলপথে গাছ উপড়ে পড়ায় মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়ায় চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী আন্তনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ভোর ৪টায় আটকা পড়ে।
পরে ৬ ঘন্টা চেষ্টার পর স্বাভাবিক হয় রেল যোগাযোগ।

সিলেট-আখাউড়া রেলপথের শ্রীমঙ্গল রেল স্টেশন সূত্রে জানা যায়, আজ মঙ্গলবার ভোররাত সাড়ে চারটায় চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী আন্তনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন লাউয়াছড়া উদ্যানের পাহাড়ি এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় আকস্মিকভাবে একটি বড় গাছ ভেঙে পড়ে ট্রেনের ইঞ্জিনের ওপর। এর পর থেকে পাহাড়ি এলাকায় যাত্রীবাহী উদয়ন ট্রেনটি আটকা পড়ে। এতে এসব ট্রেনের যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন। সকাল নয়টা বিশ মিনিট পর্যন্ত ট্রেনটি আটকে ছিল।

শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার উপ পরিদর্শক ইসমাইল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সকাল সাড়ে নয়টায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। ঘটনার পর থেকে সিলেট থেকে ঢাকাগামী আন্তনগর কালনি এক্সপ্রেস শমশেরনগর স্টেশনে আটকা ছিল।

বিস্তারিত

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭তম জন্মবার্ষিকী আজ

ফবিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সঙ্গীতের এই কিংবদন্তি পুরুষ। যিনি তার লেখনী, কর্ম, জীবন দর্শন দিয়ে শুধু বাংলাকেই নয়, আলোকিত করেছিলেন সমগ্র বিশ্বকে। তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলা ভাষা, গান ও সাহিত্যকে নিয়ে গেছেন বৈশ্বিক উচ্চতায়। ‘বিশ্বকবি’ উপাধির মধ্য দিয়ে তার কবি সত্ত্বা অধিক পরিচিত হলেও রচনার সম্ভারে তিনি ব্যাপক আর বিষয়ের বিস্তারে সর্বতোমুখী। বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি অঙ্গনে তার প্রভাব স্পষ্ট। শিক্ষা, ধর্ম, রাজনীতি, দর্শন, মানবতা প্রভৃতি বিষয়ে তার চিন্তা গভীরে বিস্তৃত। বাংলা ও বাঙালি বিষয়ে যেকোনো আলোচনায়ই তার প্রসঙ্গ প্রায় অবধারিত। বাঙালির জীবনে, বিশেষত বাঙালির চিন্তার নির্মাণ ইতিহাসে তিনি প্রায় প্রবাদের মতো। এত বছর পরও তিনি সমভাবে প্রাসঙ্গিক। ১৯১৩ সালে প্রথম বাঙালি হিসেবে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। সমগ্র জীবনে তাঁর সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে বহু বিখ্যাত মানুষের। বিজ্ঞান, চেতনা ও সৌন্দর্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে আইনস্টাইনের সঙ্গে। ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে যেমন, তেমনি যোগাযোগ ছিল অগ্নিযুগের বিপ্লবী রাসবিহারী বোসের সঙ্গেও। বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রামে তাঁর গান ও কবিতা অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তাঁর লেখা ‘আমার সোনার বাংলা/আমি তোমায় ভালোবাসি’ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। প্রতি বছরের মতো বৈচিত্রপূর্ণ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজও নোবেল বিজয়ী এ বাঙালি কবিকে স্মরণ করবে তার ভক্তরা। শুধু দুই বাংলার বাঙালিরাই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাংলা ভাষাভাষীরা কবির জন্মবার্ষিকী আবেগ ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করবে। বিশ্বকবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষগণ নাটোরের জমিদার পরিবারের কাছ থেকে শিলাইদহের জমিদারী ক্রয় করে নিয়েছিলেন। জমিদারী পরিচালনার জন্য রবীন্দ্রনাথ যুবক বয়সেই শিলাইদহের নীল কুঠিতে আসেন। পদ্মার ভাঙণে কুঠি ভবনটি বিধ্বস্ত হলে ১৮৯২ সালে ১৩ বিঘা জমির উপর ৬ বিঘা জমি পাঁচিল দিয়ে ঘেরাও করেন। কুঠিবাড়ীতে বসেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, গান রচনা করতেন। জমিদারী পরিচালনার জন্য তিনি দীর্ঘকাল সেখানে কাটান। তারপর ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট মৃত্যুবরণ করলে সরকার ওই জায়গা সংরক্ষিত করে। সারা দেশের ন্যায় সিলেটেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করতে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আলোচনা সভা, সমাবেশ, কবিতা পাঠ, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা।

গীতবিতান : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রবীন্দ্র সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গীতবিতান বাংলাদেশ এর উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর রিকাবীবাজারস্থ কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে গান, কবিতা, আবৃত্তি ও নৃত্যানুষ্ঠান ‘কবি প্রণাম’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গীত বিতান বাংলাদেশের পরিচালক বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী অনিমেষ বিজয় চৌধুরী সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। অনুষ্ঠানে সম্মেলক গান, গীতি নৃত্যালেখ্য ‘ধুলি মুঠি সোনা’ পরিবেশিত হবে। এতে সংগীত পরিচালনা করবেন অনিমেষ বিজয় চৌধুরী, নৃত্য পরিচালনা করবেন বিপুল শর্মা। আমন্ত্রিত শিল্পীদের মধ্যে গান গাইবেন রানা কুমার সিনহা ও প্রতীক এন্দ। কবিতা আবৃত্তি করবেন শামীমা চৌধুরী, আমিনুল ইসলাম লিটন, জ্যোতি ভট্টাচার্য্য ও সুকান্ত গুপ্ত। সম্মেলক পরিবেশনা করবে বাংলাদেশ রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী সংস্থা সিলেট নৃত্য শৈলী ও ছন্দ নৃত্যালয়, সিলেট।
মুক্তাক্ষর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আবৃত্তি সংগঠন মুক্তাক্ষর আগামীকাল বুধবার বিকেল ৫টায় নগরীর মেট্রোপলিটন কিন্ডারগার্ডেনে আলোচনা ও আবৃত্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, মেট্রোপলিটন কিন্ডারগার্ডেনের প্রিন্সিপাল মো, মিজানুর রহমান, বিশেষ অতিথি থাকবেন, ডাঃ নুরুল আম্বিয়া।
বিস্তারিত

ড. আখলাকুর রহমানকে নিয়ে প্রফেসর আব্দুল আজিজের গ্রন্থের পাঠ উন্মোচন

জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী সদস্য ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ড. আখলাকুর রহমান ছিলেন গভীর জ্ঞানের অধিকারী এবং স্পষ্টভাষী একজন মানুষ। প্রফেসর মো. আব্দুল আজিজ তার কলমের মাধ্যমে সিলেটের গর্ব অর্থশাস্ত্রী ড. আখলাকুর রহমানকে তুলে এনেছেন। গ্রন্থটি আকারে ছোট হলেও খুবই সমৃদ্ধ এবং বইটি এতো প্রাণবন্ত যে পাঠ শুরু করলে এক টানে শেষ করতে হয়। তৎকালীন ‘ফোরাম’ পত্রিকায় আমরা অর্থনৈতিক বৈষম্য নিয়ে লেখতে গিয়ে প্রায়ই আখলাক স্যারের স্মরণাপন্ন হতাম, তার কাছ থেকে অনেক কিছু জানতাম। তিনি আমার নানা বাড়ির এলাকার হওয়ায় তার সাথে আমার মামা-ভাগ্নে সম্পর্ক ছিল। আমার সরকারি চাকরি জীবনের দিনগুলো তার সাথে মধুরভাবে কাটিয়েছি। আমেরিকা থাকাকালে আমি অমর্ত্য সেনের কাছে তার ভূয়সী প্রশংসা শুনেছি। অমর্ত্য সেন বলতেন ঐব ধিং ঃযব ঐবৎড় ড়ভ ড়ঁৎ মৎড়ঁঢ়. তিনি বাংলার তৎকালীন অর্থনৈতিক বৈষম্য সম্পর্কে যারপর নাই সচেতন এবং প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি মাত্র তিন বছরে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। আব্দুল আজিজ স্যারের মত আরো মানুষকে আখলাকুর রহমানের ব্যাপারে গবেষণায় এগিয়ে আসা উচিত।
শনিবার সন্ধ্যা সাতটায় প্রগতিশীল পাঠকসংঘ শৈলী কর্তৃক প্রকাশিত প্রফেসর মো. আব্দুল আজিজের ‘দায়বদ্ধ অর্থশাস্ত্রী : ড. আখলাকুর রহমান’ গ্রন্থের পাঠউন্মোচন ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।

শৈলীর কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ফিদা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পাঠউন্মোচন ও আলোচনাসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক সিলেটের ডাকের নির্বাহী সম্পাদক গবেষক আবদুল হামিদ মানিক, দৈনিক উত্তরপূর্বের প্রধান সম্পাদক আজিজ আহমদ সেলিম, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, শৈলীর প্রধান উপদেষ্টা কবি ও গবেষক সৈয়দ মবনু, শৈলীর উপদেষ্টা সচিব তরুণ প্রাবন্ধিক মাহবুব মুহম্মদ।

মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শৈলীর সহসভাপতি সালেহ আহমেদ সাদি ও কোরআন তেলাওয়াত করেন শৈলীর সদস্য হাফিজ জামিল আহমদ।

অনুভূতি ব্যক্তকালে বইয়ের লেখক কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সভাপতি ও সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির সাবেক উপাচার্য এমিরেটাস প্রফেসর মো. আব্দুল আজিজ বলেন, ‘দায়বদ্ধ অর্থশাস্ত্রী : ড. আখলাকুর রহমান’ বইটি আকারে অত্যন্ত ছোট, আমরা সাধারণত বড় বইগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। কিন্তু ছোট হলেই বইয়ের গুরুত্ব কমে যায় না। এ বইটি ছোট হলেও গুরুত্বপূর্ণ এবং আমি শৈলীর কাছে কৃতজ্ঞ তারা এটি প্রকাশের দায়িত্ব গ্রহণ করায়। গুণীজনের মূল্যায়নে বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে এই বই লেখার সূচনা। সর্বোপরি তিনি অত্যন্ত প্রতিভাবান এবং জ্ঞানী ব্যক্তি ছিলেন। তার জীবদ্দশায় এমনকি মৃত্যুর পরও তার যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি। এমনকি তার নিজের প্রতিষ্ঠানেও তার সব তথ্য মিলেনি। তিনি দু’বার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হওয়ার সুযোগ পেয়েও স্বৈরশাসক এরশাদের সাথে সমঝোতা না করায় হতে পারেন নি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবদুল হামিদ মানিক বলেন, অনেক মানুষ বয়সে বৃদ্ধ হলেও চেতনায় যুবক থাকেন। আমাদের আজিজ স্যারেরও এই বৃদ্ধ বয়সে যৌবনের তেজ রয়েছে। তিনি লেখালেখিতে তার তারুণ্য ধরে রেখেছেন। সিলেট কেবল প্রাকৃতিক সম্পদে নয়, মেধার দিকেও উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ। শুধু এই সময়েই নয়, একান্নর আদম শুমারিতেও আমরা শিক্ষায় এগিয়ে ছিলাম। এখনতো অনেক লোকই জাতীয় পর্যায়ে সিলেটের প্রতিনিধিত্ব করছেন। প্রফেসর আব্দুল আজিজের এ বই আমাদের অতীত গৌরবের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। একজন প্রায় হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে তুলে আনতে স্যার অনেক কষ্ট করেছেন।

আজিজ আহমদ সেলিম বলেন, এদেশের অর্থনীতিকে কীভাবে সকল মানুষের জন্য করা যায় ড. আখলাকুর রহমান সারা জীবন সে প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। ড. আখলাকুর রহমানকে আমাদের সামনে তুলে ধরায় আমরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি প্রফেসর আব্দুল আজিজ এবং প্রকাশক প্রগতিশীল পাঠকসংঘ শৈলীর প্রতি। আশা করি এ গ্রন্থ পাঠ করে গুণীজনের জীবন থেকে তরুণরা শিক্ষা নেবে এবং নিজেদেরকেও গুণী হিসেবে গড়ে তুলেবে।

সৈয়দ মবনু বলেন, প্রফেসর আব্দুল আজিজ অনেক কষ্ট করে ড. আখলাকুর রহমানের জীবন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরেছেন। তথ্য সংগ্রহের ব্যাপারে তিনি এত সচেতন ছিলেন, আমাকে একটি বিষয়ে তথ্য সরবরাহ করতে বলায় আমি ড. আখলাকুর রহমানের গ্রাম পর্যন্ত যাই। অবশেষে প্রগতিশীল পাঠকসংঘ শৈলী কর্তৃক প্রফেসর মো. আব্দুল আজিজের ‘দায়বদ্ধ অর্থশাস্ত্রী : ড. আখলাকুর রহমান’ গ্রন্থ প্রকাশ করায় আমরা জাতি হিসেবে কিছুটা দায় আদায় করতে পেরেছি বলে মনে হয়।

সভাপতির বক্তব্যে শৈলীর সভাপতি ফিদা হাসান বলেন, আমাদের সংগঠনের প্রধান কাজ জ্ঞান চর্চা। এই চেতনা থেকেই আমরা আজিজ স্যারের বই প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করি। আমাদের বিশ^াস এই বই পাঠের মাধ্যমে তার জীবন সম্পর্কে আমরা যেমন জানতে পারবো, তেমনি আমরা উজ্জীবিত হবো জ্ঞানের চর্চায়।

বিস্তারিত

বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষা শহীদ দিবস আজ

আজ ১৬ মার্চ। পৃথিবীর ইতিহাসে দ্বিতীয় নারী ভাষা শহীদ ও মণিপুরী (বিষ্ণুপ্রিয়া) ভাষা শহীদ সুদেষ্ণা দিবস। দিবসটি পালনোপলক্ষে সিলেট, মৌলভীবাজার, রাজধানী ঢাকা ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মসুচির আয়োজন করা হয়েছে।

এরই অংশ হিসাবে আজ শুক্রবার বিভাগীয় নগরী সিলেটে আলোচনা র‌্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ মণিপুরী ছাত্র পরিষদ এই কর্মসুচির আয়োজন করেছে। কর্মসুচির মধ্যে রয়েছে সকাল ৯টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে র‌্যালী বের হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ, সাড়ে ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদ প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন, সকাল ১০ টায় আলোচনা সভা। আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশের সর্ব্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক প্রাপ্ত মহিয়সী নারী সুষমা দাস। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথিরা। এতে ক্ষুদ্র জাতিসত্ত¡ার প্রতিনিধিসহ ভাষাপ্রেমী সকল মহলের উপস্থিতি কামনা করেছেন বাংলাদেশ মণিপুরী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি শুভ কুমার সিংহ ও সাধারণ সম্পাদক কিরণ সিংহ।

দিবসটি পালনোপলক্ষে ‘মণিপুরি বিজ্ঞান প্রজন্ম ও নিংশিং শিংলুপ’ কমলগঞ্জ উপজেলার দয়াময় সিংহ উচ্চ বিদ্যালয়ে আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় র‌্যালী, সকাল ৯টায় প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন, সকাল সাড়ে ৯টায় শোকসভা, ১০টায় বাংলা থেকে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষায় অনুবাদ প্রতিযোগীতা, সাড়ে ১০ টায় বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষায় বিতর্ক প্রতিযোগীতার আয়োজন করেছে।

উল্লেখ্য, গোটা পৃথিবীতে ভাষার জন্য প্রথম নারী কমলা ভট্টাচার্য্য শহীদ হন ১৯৬১ সালের ১৯ মে। বাংলাভাষার আন্দোলনে আসামের শিলচড়ে তিনি শহীদ হন। এরপর ভাষার জন্য পৃথিবীতে দ্বিতীয় নারী হিসাবে শহীদ হন সুদেষ্ণা সিংহ। ১৯৯৬ সালের ১৬ মার্চ মণিপুরী(বিষ্ণুপ্রিয়া) ভাষার দাবিতে ভারতের আসামে ৫০১ ঘন্টার রেল অবরোধ কর্মসূচি পালনকালে সত্যাগ্রহীদের উপর পুলিশ ব্রাশফায়ার করলে সুদেষ্ণা সিংহ শহীদ হন। এছাড়াও আহত হন সহস্রাধিক সত্যাগ্রহী। এরপর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত মণিপুরী(বিষ্ণুপ্রিয়া) জাতিগোষ্ঠী দিনটিকে শহীদ সুদেষ্ণা ও ভাষা শহীদ দিবস হিসাবে পালন করে আসছেন।
বিস্তারিত

বিশেষ বঙ্গবন্ধু পুরস্কার পাচ্ছেন সাহিত্যিক মৌলি আজাদ

সাহিত্যিক মৌলি আজাদকে এবছর ‘বিশেষ বঙ্গবন্ধু পুরস্কার’ প্রদান করবে কলকাতার জনপ্রিয় সাহিত্য পত্রিকা চোখ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্ম-জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আগামী শুক্রবার (১৬ মার্চ) তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হবে। তৃতীয় লিঙ্গ নিয়ে মৌলি আজাদের জীবনধর্মী গল্প ‘রক্ত জবাদের কেউ ভালবাসেনি’ বইয়ের জন্য তিনি এ পুরস্কার পাচ্ছেন। মৌলি আজাদের প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৭ টি। তার সকল বই বাংলাদেশের আগামী প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

চোখ পত্রিকা ও উভয় বাংলার আয়োজনে কলকাতার রবীন্দ্র সদনে অনুষ্ঠিতব্য ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন কবি পংকজ সাহা। বিশেষ বঙ্গবন্ধু পুরস্কার ১৪২৪ ও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন কবি ও প্রাবন্ধিক শেখ হাফিজুর রহমান।

অভিনেতা সতীনাথ মুখোপাধ্যায় ও কবি অমল করের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। সম্মানিত অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কবি সুবোধ সরকার, কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-রাষ্ট্রদূত তৌফিক হাসান ও কবি  জিয়াদ আলী।

অনুষ্ঠানে কবি ও সম্পাদক বিদ্যুৎ কুমার দাশ ও অভিনেতা রজতাভ দত্তকে কবি শামসুর রহমান স্মারক পুরস্কার ও চোখ সম্মাননা ১৪২৪ প্রদান করা হবে। এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-এর নামাঙ্কিত স্মারক গ্রন্থ ‘দেশনেত্রী শেখ হাসিনা’র মোড়ক উন্মোচন করা হবে।

উল্লেখ্য, মৌলি আজাদ প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হুমায়ুন আজাদ এর জ্যেষ্ঠ কন্যা। জীবনমুখী কাহিনী তাঁর লেখনীর উপজীব্য বিষয়।
বিস্তারিত

মনিপুরী ভাষা উৎসব অনুষ্ঠিত

নব প্রজন্মের কাছে নিজ মাতৃভাষা চর্চা-লালন ও ভালবাসা সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত ‘মনিপুরী ভাষা উৎসব’ শুক্রবার সম্পন্ন হয়েছে।

বাংলাদেশ মনিপুরী সাহিত্য সংসদের (বামসাস) আয়োজনে শুক্রবার মদনমোহন কলেজের শহীদ সোলেমান হলে দিনব্যাপী এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধনী পর্বে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মদনমোহন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল ফতেহ ফাত্তাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক প্রথম আলো’র নিজস্ব প্রতিবেদক উজ্জ্বল মেহেদী।

বক্তারা বলেন, মনিপুরী ভাষা প্রাচীন ও সমৃদ্ধ ভাষা। বাংলাদেশে এ ভাষা চর্চা ও বিকাশের জন্য সরকারী ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির প্রয়োজন। নতুন প্রজন্মে কাছে নিজেদের মাতৃভাষায় পড়ালেখা এবং ভালবাসার সৃষ্টির লক্ষ্যে মনিপুরী ভাষা উৎসব আয়োজনের প্রয়োজন আছে। বাংলাদেশ মনিপুরী সাহিত্য সংসদ গত চার দশক যাবত নিজ ভাষা ও সাহিত্যের জন্য যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে তা প্রশংসার দাবীদার।

সমাপনী ও পুরস্কার বিতরনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর আতফুল হাই শিবলী, বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক উত্তরপূর্বের প্রধান সম্পাদক আজিজ আহমদ সেলিম, মদনমোহন কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম।

বক্তারা বলেন, মনিপুরীদের উৎসভূমি ভারতের মণিপুর রাজ্যের রাজ্যভাষা মনিপুরী ভাষা। এ ভাষাতে প্রাথমিক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত পাঠলাভের সুযোগ আছে। এ ভাষা ভারতীয় সংবিধানের অষ্টম তপশীল অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভাষা হিসবে স্বীকৃত। অথচ বাংলাদেশে মহল বিশেষের ভ্রান্ত অপপ্রচার ও উপস্থাপনের কারণে মনিপুরী ভাষার পরিচয়ে নানা বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। মনিপুরী ভাষা একটিই, যা ‘মৈতৈ ভাষা’ বা ‘মনিপুরী ভাষা’ নামে পরিচিত; ‘মৈতৈ মনিপুরী ভাষা’ নামে কোন ভাষা নেই।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ভাষা উৎসবে ছিল লিখিত পরীক্ষা, কবিতা ও ছড়াপাঠ,কুইজ প্রতিযোগিতা। উৎসবে ভানুগাছ, ছোটধামাই, বিশগাঁও ও সিলেট জোনাল প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ অর্ধশতাধিক স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
বিস্তারিত

বাংলা একাডেমির গুণীজন স্মৃতি পুরস্কার ঘোষণা

বাসস : বাংলা একাডেমি পরিচালিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা উপলক্ষে চারটি গুণীজন স্মৃতি পুরস্কার ২০১৮ ঘোষণা করা হয়েছে।
এসব পুরস্কার আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে গ্রন্থমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে তুলে দেয়া হবে।
বাংলা একাডেমির পরিচালক ও একুশের গ্রন্থমেলা কমিটির সদস্য সচিব ড. জালাল আহমেদ রোববার  এই তথ্য জানান। তিনি জানান, ২০১৭ সালে প্রকাশিত বইয়ের ওপর এবারের এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। তিনি জানান, দেশের বিশিষ্ট চারজন গুনী ব্যাক্তির নামে এই পুরস্কার বাংলা একাডেমি প্রবর্তন করেছে। গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত বইয়ের ওপর এই পুরস্কার দেয়া হয়ে থাকে।
তিনি জানান, ২০১৭ সালে প্রকাশিত বইয়ের বিষয় ও গুণমানসম্মত সর্বাধিক সংখ্যক গ্রন্থ প্রকাশের জন্য প্রথমা প্রকাশনকে চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার-২০১৮ দেয়া হয়েছে।
২০১৭ সালে প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে গুণমান ও শৈল্পিক বিচারে সেরা গ্রন্থের জন্য অলকানন্দা প্যাটেল রচিত ‘পৃথিবীর পথে হেঁটে’ গ্রন্থের জন্য বেঙ্গল পাবলিকেশন্স, সুফি মুস্তাফিজুর রহমান রচিত ‘বাংলাদেশের প্রত্নতাত্বিক উত্তরাধিকার’ গ্রন্থের জন্য জার্নিম্যান বুক্স, মঈন আহমেদ সম্পাদিত ‘মিনি বিশ্বকোষ পাখি’ গ্রন্থের জন্য সময় প্রকাশনকে মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার দেয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ২০১৭ সালে প্রকাশিত শিশুতোষ গ্রন্থের মধ্য থেকে গুণমান বিচারে সর্বাধিক গ্রন্থ প্রকাশের জন্য চন্দ্রাবতী একাডেমিকে রোকনুজ্জামান  খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার এবং ২০১৮ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে থেকে নান্দনিক অঙ্গসজ্জায় সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে কথাপ্রকাশ-কে শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার ২০১৮ প্রদান করা হয়েছে।
বিস্তারিত

সিলেটে শিল্পকলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বসন্ত উৎসব উদযাপন

বর্ণাঢ্য আয়োজন আর বর্ণিল পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ৪৪ বছর পূর্তির দিনে সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমি উদযাপন করলো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বসন্ত উৎসব ১৪২৪।

সোমবার বিকাল ৩টায় সিলেট শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলন করে উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ রাহাত আনোয়ার। জেলা কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশ গুপ্ত-এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী পর্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন একুশে পদক প্রাপ্ত প্রবীণ লোকসংগীতশিল্পী সুষমা দাস।

উৎসবে সম্মানিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আরশ আলী, সিলেট মহানগর মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের সাবেক কমান্ডার ও নাট্য ব্যক্তিত্ব ভবতোষ রায় বর্মণ, বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা সিলেটের সভাপতি অনিল কিষণ সিংহ, সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আজিজ আহমদ সেলিম, বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ সিলেটের সভাপতি হিমাংশু বিশ্বাস, তথ্যচিত্র নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক সংগঠক নিরঞ্জন দে, সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্রিন্স সদরুজ্জামান, সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেটের সভাপতি মিশফাক আহমদ মিশু, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সিলেটের সাধারণ সম্পাদক গৌতম চক্রবর্তী, প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমি এডহক কমিটির সদস্য মুক্তাদীর আহমদ এবং লোক গবেষক ও প্রথম আলো সিলেটের প্রতিনিধি সুমন কুমার দাশ।

বিভিন্ন সংগঠন ও গোষ্ঠীর সম্মেলন সংগীত, দলীয় নৃত্য, বৃন্দ আবৃত্তি, একক পরিবেশনা ও বাউল গানে বিমোহিত হয় হাজারো দর্শক। আবৃত্তিশিল্পী নন্দিতা দত্তের উপস্থাপনায় একক পরিবেশনায় ছিলেন সুষমা দাস, হিমাংশু বিশ্বাস, জামালউদ্দিন হাসান বান্না, আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, জ্যোতি ভট্টাচার্য, বাউল সূর্য্যলাল দাস, গৌতম চক্রবর্তী, শামীম আহমদ, অংশুমান দত্ত অঞ্জন, জামাল আহমদ, পংকজ দেব, ইকবাল সাঁই, তন্বী দেব ও পলা দাশ গুপ্ত (জুঁই)।

শিল্পকলা একাডেমির সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন যথাক্রমে পূর্ণিমা দত্ত রায়, প্রতীক এন্দ, অরুণ কান্তি তালুকদার, জ্যোতি ভট্টাচার্য, শান্তনা দেবী ও প্রসেনজিৎ দে শিপলু। দলীয় পরিবেশনায় ছিলেন শিল্পকলা একাডেমির সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও নাটক বিভাগের প্রশিক্ষণার্থী, মৃত্তিকায় মহাকাল; নীলম লোকসংগীতালয়, একাডেমী ফর মণিপুরি কালচার এন্ড আর্ট, ছন্দনৃত্যালয় ও গ্রিন ডিজেবল ফাউন্ডেশন। বর্ণিল আয়োজনে সাজসজ্জায় ছিলেন একাডেমির চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা। সকল পরিবেশনা আগত দর্শকদের মুগ্ধ করে।
বিস্তারিত

বইমেলায় এরশাদের আরও ৪টি বই

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় নিজের লেখা নতুন আরও ৪টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এমপি। এনিয়ে এবারের মেলায় এ পর্যন্ত এরশাদের ৮টি বই বেরিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) একুশে বইমেলায় আকাশ প্রকাশনী গ্রন্থাগারে তিনি বইগুলোর মোড়ক উন্মোচন করেন।

বইগুলো হচ্ছে একুশের কবিতা, যে কবিতা সুর পেল, জীবন যখন যেমন ও এক আকাশে সাত তারা।

এরআগে বুধবার এরশাদের আরও চারটি বই প্রকাশিত হয়। বইগুলো হচ্ছে হে আমার দেশ, ঈদের কবিতা, বৈশাখের কবিতা ও প্রেমের কবিতা। বইগুলো পাওয়া যাচ্ছে মেলার ৩৭২-৩৭৪ নং প্যাভিলিয়নে।

এ ছাড়া দু-একদিনের মধ্যে এরশাদের প্রবন্ধগ্রন্থ ‘যা ভেবেছি, যা বলেছি’ প্রকাশিত হবে বলে জানা গেছে।

এ সময় এরশাদের সঙ্গে ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু এমপি, মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, সুনীল শুভরায়, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতার সমিতির সাবেক সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটন প্রমুখ।

এবইগুলো সহ এ পর্যন্ত এরশাদের ২৭টি বই প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সুনীল শুভ রায়। বইগুলোর মধ্যে চারটি গদ্যগ্রন্থ, আর বাকিগুলো কবিতার।
বিস্তারিত

“নিখোঁজ শব্দের খোঁজে”

ঢাকা: বাংলা ভাষার কিছু শব্দ এখন আর ব্যবহৃত হচ্ছে না। যেগুলো আগে কথায় এবং লেখায় ছিল বহুল ব্যবহৃত। সেই শব্দগুলোকে তরুণ প্রজন্মের কাছে পরিচিত করে তুলতে এবং ব্যবহারে উৎসাহিত করতে মাসব্যপী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে কোকা-কোলা বাংলাদেশ। শনিবার সকালে রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ‘নিখোঁজ শব্দের খোঁজে’ শীর্ষক এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষনা করা হয়।
 বাংলা ভাষায় কিছু শ্রুতিমধুর ও সমৃদ্ধ শব্দ সময়ের প্রবাহে এখন আর ব্যবহৃত হচ্ছে না। সেই শব্দগুলো ব্যবহারে উৎসাহিত করা এবং চর্চা বৃদ্ধি করা এই কার্যক্রমের প্রধান উদ্দেশ্য। কোকা-কোলা এই উদ্যোগের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া শব্দ সর্ম্পকে জনসচেতনতা তৈরি করবে। মানুষের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে শব্দগুলোকে জনপ্রিয় করে তুলতেই এই আয়োজন। পুরো কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করবেন, বিশিষ্ট লেখক ও শিক্ষাবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী এবং জনপ্রিয় লেখক ও ঔপন্যাসিক আনিসুল হক।   কার্যক্রম চলাকালে কোকা-কোলার বোতলে অব্যবহৃত বাংলা শব্দগুলো অর্থসহ দেখা যাবে, যেগুলো একসময় আমাদের লেখা ও কথার নিয়মিত অংশ ছিল। অনুশীলনের অভাবে সময়ের প্রবাহে আজ যে শব্দগুলো প্রচলিত নয়। শোভাযাত্রা, প্রচারপত্র, দেয়াল লিখন এবং কুইজসহ আরও অনেক আয়োজন থাকবে। এছাড়াও এই কার্যক্রমের  জন্য একটি ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। সেখানে বাংলা শব্দ নিয়ে মজার খেলা ও কুইজের আয়োজন থাকবে যেখানে যে কেউ অংশগ্রহন করতে পারবেন এবং পুরস্কার জিততে পারবেন। নিখোঁজ শব্দের এই ভান্ডারকে আরো সমৃদ্ধ করার জন্যে অংশগ্রহণকারীদের ওয়েবসাইটটিতে হারিয়ে যাওয়া বা কম ব্যবহৃত বাংলা শব্দগুলো জমা দেয়ার জন্যে উৎসাহীত করছে কোকা-কোলা। কার্যক্রমের শেষ প্রান্তে ওয়েবসাইটে জমা হওয়া নিখোঁজ শব্দগুলোকে জড়ো করে একটি বই প্রকাশ করা হবে এবং বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হবে। এছাড়াও অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৮-এ বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে রয়েছে কোকা-কোলা এর স্টল। যেখানে হারিয়ে যাওয়া শব্দ নিয়ে বিভিন্ন খেলা এবং নিখোঁজ বাংলা শব্দ জমা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকছে।  বাংলা ভাষা নিয়ে বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তিন দিনব্যপী উৎসবের আয়োজন করা হবে। এই উৎসবে হারিয়ে যাওয়া শব্দ নিয়ে থাকছে কুইজ, নিখোঁজ শব্দ জমা দেওয়ার খেলা এবং উৎসব শেষ হওয়ার দিন থাকছে মঞ্চ নাটক। ২০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় ছাড়াও বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তন ও শিল্পকলা একাডেমি’র জাতীয় নাট্যশালায় মঞ্চায়ণ করা হবে হারিয়ে যাওয়া বাংলা শব্দ নিয়ে রচিত একটি নাটক। অনুষ্ঠানে কোকা-কোলা বাংলাদেশ লিঃ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাদাব খান বলেন, বিগত তিন বছর আমরা মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রচারনার আয়োজন করি এবং আপনাদের সকলের কাছ থেকে অনেক উৎসাহ পেয়েছি। এবছর আমরা বাংলা ভাষার হারিয়ে যাওয়া শব্দকে আমাদের তরুনদের সামনে তুলে ধরে আবার সেগুলোকে সবার মাঝে ফিরিয়ে আনার জন্য আয়োজন করেছি - ‘নিখোঁজ শব্দের খোঁজে’ -হাতে থাকুক কোকা-কোলা, চলুক নিখোঁজ শব্দের খোজ। তিনি বলেন, এদেশের ৫০ শতাংশ মানুষ তরুন এবং এই তরুণের হাত ধরেই বাংলাদেশ তার ভবিষ্যতকে আলিঙ্গন করবে। আর তাই তরুণদের উদ্বুদ্ধ করতেই কোকা-কোলা এই উদ্যোগ নিয়েছে। আমাদের পন্যগুলো তরুণরা সব সময় পছন্দ করে এবং কোকা-কোলা ব্র্যান্ডটি সবসময় পেয়েছে তাদের ভালোবাসা । বর্তমানে যে সকল মাধ্যমে তরুনদের পদচারনা ও উপস্থিতি রয়েছে, সে সকল মাধ্যমেই এ ক্যাম্পেইনটি চালিত হবে। এবং আমরা আশাবাদী যে তাদের অংশগ্রহনে এই নিখোঁজ শব্দের খোঁজে ক্যাম্পেইনটি ব্যাপ্তি পাবে এবং হারানো বাংলা শব্দগুলো হয়তো আমরা আবার ফিরে পাবো আমাদের প্রতিদিনের জীবনে। বিস্তারিত

“নিখোঁজ শব্দের খোঁজে”

ঢাকা: বাংলা ভাষার কিছু শব্দ এখন আর ব্যবহৃত হচ্ছে না। যেগুলো আগে কথায় এবং লেখায় ছিল বহুল ব্যবহৃত। সেই শব্দগুলোকে তরুণ প্রজন্মের কাছে পরিচিত করে তুলতে এবং ব্যবহারে উৎসাহিত করতে মাসব্যপী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে কোকা-কোলা বাংলাদেশ। শনিবার সকালে রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ‘নিখোঁজ শব্দের খোঁজে’ শীর্ষক এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষনা করা হয়।
 বাংলা ভাষায় কিছু শ্রুতিমধুর ও সমৃদ্ধ শব্দ সময়ের প্রবাহে এখন আর ব্যবহৃত হচ্ছে না। সেই শব্দগুলো ব্যবহারে উৎসাহিত করা এবং চর্চা বৃদ্ধি করা এই কার্যক্রমের প্রধান উদ্দেশ্য। কোকা-কোলা এই উদ্যোগের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া শব্দ সর্ম্পকে জনসচেতনতা তৈরি করবে। মানুষের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে শব্দগুলোকে জনপ্রিয় করে তুলতেই এই আয়োজন। পুরো কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করবেন, বিশিষ্ট লেখক ও শিক্ষাবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী এবং জনপ্রিয় লেখক ও ঔপন্যাসিক আনিসুল হক।   কার্যক্রম চলাকালে কোকা-কোলার বোতলে অব্যবহৃত বাংলা শব্দগুলো অর্থসহ দেখা যাবে, যেগুলো একসময় আমাদের লেখা ও কথার নিয়মিত অংশ ছিল। অনুশীলনের অভাবে সময়ের প্রবাহে আজ যে শব্দগুলো প্রচলিত নয়। শোভাযাত্রা, প্রচারপত্র, দেয়াল লিখন এবং কুইজসহ আরও অনেক আয়োজন থাকবে। এছাড়াও এই কার্যক্রমের  জন্য একটি ওয়েবসাইট িি.িপড়পধ-পড়ষধ.পড়স.নফ/২১ চালু করা হয়েছে। সেখানে বাংলা শব্দ নিয়ে মজার খেলা ও কুইজের আয়োজন থাকবে যেখানে যে কেউ অংশগ্রহন করতে পারবেন এবং পুরস্কার জিততে পারবেন। নিখোঁজ শব্দের এই ভান্ডারকে আরো সমৃদ্ধ করার জন্যে অংশগ্রহণকারীদের ওয়েবসাইটটিতে হারিয়ে যাওয়া বা কম ব্যবহৃত বাংলা শব্দগুলো জমা দেয়ার জন্যে উৎসাহীত করছে কোকা-কোলা। কার্যক্রমের শেষ প্রান্তে ওয়েবসাইটে জমা হওয়া নিখোঁজ শব্দগুলোকে জড়ো করে একটি বই প্রকাশ করা হবে এবং বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হবে। এছাড়াও অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৮-এ বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে রয়েছে কোকা-কোলা এর স্টল। যেখানে হারিয়ে যাওয়া শব্দ নিয়ে বিভিন্ন খেলা এবং নিখোঁজ বাংলা শব্দ জমা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকছে। বাংলা ভাষা নিয়ে বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তিন দিনব্যপী উৎসবের আয়োজন করা হবে। এই উৎসবে হারিয়ে যাওয়া শব্দ নিয়ে থাকছে কুইজ, নিখোঁজ শব্দ জমা দেওয়ার খেলা এবং উৎসব শেষ হওয়ার দিন থাকছে মঞ্চ নাটক। ২০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় ছাড়াও বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তন ও শিল্পকলা একাডেমি’র জাতীয় নাট্যশালায় মঞ্চায়ণ করা হবে হারিয়ে যাওয়া বাংলা শব্দ নিয়ে রচিত একটি নাটক। অনুষ্ঠানে কোকা-কোলা বাংলাদেশ লিঃ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাদাব খান বলেন, বিগত তিন বছর আমরা মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রচারনার আয়োজন করি এবং আপনাদের সকলের কাছ থেকে অনেক উৎসাহ পেয়েছি। এবছর আমরা বাংলা ভাষার হারিয়ে যাওয়া শব্দকে আমাদের তরুনদের সামনে তুলে ধরে আবার সেগুলোকে সবার মাঝে ফিরিয়ে আনার জন্য আয়োজন করেছি - ‘নিখোঁজ শব্দের খোঁজে’ -হাতে থাকুক কোকা-কোলা, চলুক নিখোঁজ শব্দের খোজ। তিনি বলেন, এদেশের ৫০ শতাংশ মানুষ তরুন এবং এই তরুণের হাত ধরেই বাংলাদেশ তার ভবিষ্যতকে আলিঙ্গন করবে। আর তাই তরুণদের উদ্বুদ্ধ করতেই কোকা-কোলা এই উদ্যোগ নিয়েছে। আমাদের পন্যগুলো তরুণরা সব সময় পছন্দ করে এবং কোকা-কোলা ব্র্যান্ডটি সবসময় পেয়েছে তাদের ভালোবাসা । বর্তমানে যে সকল মাধ্যমে তরুনদের পদচারনা ও উপস্থিতি রয়েছে, সে সকল মাধ্যমেই এ ক্যাম্পেইনটি চালিত হবে। এবং আমরা আশাবাদী যে তাদের অংশগ্রহনে এই নিখোঁজ শব্দের খোঁজে ক্যাম্পেইনটি ব্যাপ্তি পাবে এবং হারানো বাংলা শব্দগুলো হয়তো আমরা আবার ফিরে পাবো আমাদের প্রতিদিনের জীবনে। 

বিস্তারিত

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৪তম জন্মবার্ষিকী আজ

বাংলা সাহিত্যের অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৪তম জন্মবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার।

মধু কবি যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে ১৮২৪ সালের এইদিনে জন্মগ্রহণ করেন।মহাকবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী প্রদান করেছেন।
বিস্ময়কর প্রতিভার অধিকারী মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে কবির জন্মভিটা সাগরদাঁড়িতে ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা। শেষ হবে ২৬ জানুয়ারি। মেলার সমাপনী দিনে মধুসূদন পদক প্রদান প্রদান করা হবে। মধুমেলা উপলক্ষে সাগরদাঁড়ি সেজেছে বর্ণিল সাজে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় যশোরের জেলা প্রশাসন এ মেলার আয়োজন করেছে।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে বলেছেন, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। জন্মভূমির প্রতি কবির গভীর অনুরাগ আগামী প্রজন্মের জন্য দেশপ্রেমের চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে বলেছেন, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের আকাশে এক উজ্জ¦ল নক্ষত্র। কালজয়ী এ সাহিত্যিকের লেখনীতে ফুটে উঠেছে বাঙালির স¦জাত্যবোধ ও স¦াধীনচেতা মনোভাব।
১৯৭৩ সাল থেকে মধুসূদন দত্তের জন্মভিটা সাগরদাঁড়িতে তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে। ২০ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
মধু কবির জন্মবার্ষিকী ও মধুমেলা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আজ বুধবার টেলিফোনে বাসস’কে বলেন, মধুসূদন দত্তের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিদিনই এ অঞ্চলের হাজার-হাজার মানুষ সাগরদাঁড়িতে আসছেন।তিনি জানান, মধুমঞ্চের আলোচনা অনুষ্ঠানে বিজ্ঞ আলোচকরা মহাকবির জীবন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করছেন। মধুপ্রেমী অসংখ্য মানুষ এ সাহিত্যরস আহরণ করছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরও জানান, সাতদিনব্যাপী মধু মেলায় তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ, র‌্যাবসহ শতাধিক নিরাপত্তাকর্মী নিয়োজিত রয়েছে।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের পিতার নাম রাজনারায়ণ দত্ত, মা জাহ্নবী দেবী। শৈশবে সাগরদাঁড়ির পাশে শেখপুরা গ্রামের মৌলভী খন্দকার মখমল সাহেবের কাছে বাংলা ও ফার্সি শিক্ষা লাভ করেন তিনি।
১৮৩৩ সালে সাগরদাঁড়ি ছেড়ে কলকাতার খিদিরপুর যান। সেখানে লালবাজার গ্রামার স্কুলে ইংরেজি, ল্যাটিন ও হিব্রু ভাষা শিক্ষা নেন।
কবি ১৮৩৭ সালে হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। ১৮৪২ সালে ইংরেজিতে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ‘স্ত্রীশিক্ষা’ বিষয়ে প্রবন্ধ লিখে কলেজ থেকে স্বর্ণপদক লাভ করেন।
১৮৪৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেন কবি। একইসাথে পিতৃগৃহ থেকে স্বেচ্ছা নির্বাসন নেন। হিন্দু কলেজে পড়তে না পেরে বিশপস কলেজে ভর্তি হন ও গ্রিক ও সংস্কৃত ভাষায় জ্ঞানার্জন করেন তিনি। ১৮৪৮ সালে সাগরদাঁড়িতে আসেন। তারপর ভাগ্যান্বেষণে মাদ্রাজ চলে যান। পথে বসন্ত রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সুস্থ হয়ে সেখানে একটি আবাসিক স্কুলে ইংরেজি বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করেন। বিভিন্ন পত্রিকায় ছদ্মনামে কবিতা লিখতে থাকেন। কয়েকটি পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন ও সম্পাদকীয় বিভাগেও কাজ করেন। একই বছর বিয়ে করেন রেবেকা ম্যাকটাভিসকে। ১৮৪৯ সালের এপ্রিলে ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ ‘দ্য কাপটিভ লেডি’ প্রকাশ হয়।
১৮৫২ সালে মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের হাইস্কুল বিভাগে শিক্ষকতার চাকরি নেন। ১৮৫৪ সালে দৈনিক স্পেকটেটর পত্রিকায় সহ-সম্পাদক পদে নিযুক্ত হন। ওই বছরই বের হয় পুস্তিকা ‘দ্য এ্যাংলো সেক্সন এ্যান্ড দ্য হিন্দু’।১৮৫৭ সালে আদালতে দোভাষী হিসেবে কাজ শুরু করেন।
১৮৫৮ সালে ‘শর্মিষ্ঠা নাটক’ লিখে বাংলা ভাষায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন ও নাট্যান্দোলনে জড়িয়ে পড়েন তিনি।
১৮৬০ সালে ‘পদ্মাবতী নাটক’ প্রকাশ হয়। মে মাসে বাংলা ভাষায় প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা ‘তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য’ প্রকাশ হয়। এবছরই তিনি মহাকাব্য রচনায় মনোনিবেশ করেন।
১৮৬১ সালে জানুয়ারিতে ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ প্রথম খন্ড প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে তিনি ইংল্যান্ডে গিয়ে ব্যারিস্টারিতে ভর্তি হন।
১৮৬৩ সালে অর্থকষ্টে পড়েন। এ অবস্থায় পরিবারসহ প্যারিসের ভার্সাই নগরীতে চলে যান। ১৮৬৪ সালে ২ জুন অর্থসাহায্য চেয়ে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে চিঠি লেখেন। আগস্টে বিদ্যাসাগরের পাঠানো টাকা পেয়ে সাময়িকভাবে অভাব মোচন হলে তিনি সনেট রচনায় মনোনিবেশ করেন ও ইংল্যান্ডে ফিরে গিয়ে আবার ব্যারিস্টারি পড়া শুরু করেন।
১৮৬৬ সালের আগস্টে ‘চতুর্দ্দশপদী কবিতাবলী’ পুস্তক আকারে কলকাতা থেকে বের হয়। নভেম্বরে ব্যারিস্টারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৮৬৭ সালে পুত্র-কন্যাকে ফ্রান্সে রেখে কলকাতা চলে আসেন। সেখানে হাইকোর্টে ব্যারিস্টারি ব্যবসা শুরু করার জন্য আবেদন করেন।
১৮৭৩ সালের ২৯ জুন বেলা ২টায় মারা যান মহাকবি মধুসূদন দত্ত।-বাসস বিস্তারিত

জসীম উদ্‌দীন সাহিত্য পুরস্কার দেবে বাংলা একাডেমি

বাংলা একাডেমি ‘জসীম উদ্‌দীন সাহিত্য পুরস্কার’ প্রবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। পুরস্কারের মূল্যমান ৫ লাখ টাকা।

সোমবার বিকেলে একাডেমির সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান, সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, একুশে গ্রন্থমেলা কমিটির সদস্য সচিব জালাল আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।
মহাপরিচালক বলেন, দ্বিবার্ষিক এ পুরস্কারটি ষাটোর্ধ্ব জীবিত লেখক বা মনীষীকে দেওয়া হবে। বিশেষ সাহিত্য বা সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার দেওয়া হবে।
শামসুজ্জামান খান বলেন, ‘জসীম উদ্‌দীন সাহিত্য পুরস্কার’ শিরোনামে দুই বছর অন্তর প্রতি মার্চ মাসে এ পুরস্কার প্রদান করা হবে। বাংলা একাডেমির সাধারণ সভায় পুরস্কার প্রদানের এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
শামসুজ্জামান খান আরো বলেন, চলতি বছর থেকেই ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার’ এর অর্থমূল্য দ্বিগুণ করা হয়েছে। এ বছর থেকে এ পুরস্কার অর্জনকারী প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে প্রদান করা হবে।

বিস্তারিত

গণমানুষের কবি দিলওয়ারের ৮২তম জন্মদিন আজ

গণমানুষের কবি দিলওয়ার-এর ৮২তম জন্ম দিন আজ। তিনি ১৯৩৭ সালের ১ জানুয়ারি সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমার ভার্থখলার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস ভার্থখলার ‘খান মঞ্জিল’। তাঁর পিতা মৌলভী মোহাম্মদ হাসান খান এবং মাতা রহিমুন্নেসা। ১৯৫২ সালে সিলেটের উত্তর সুরমার রাজা জিসি হাইস্কুল থেকে প্রবেশিকা পাসের পর এম সি কলেজ থেকে ১৯৫৪ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন।
গণমানুষের প্রিয় কবি লেখালেখি শুরু করেন শৈশব থেকেই, মাত্র তের (১৩) বছর বয়সেই ১৯৪৯ সালে তৎকালীন সাপ্তাহিক যুগভেরী পত্রিকায় “সাইফুল্লাহ হে নজরুল” নামক কবিতাটি প্রথম ছাপা অক্ষরে প্রকাশিত হয়।শিক্ষকতার মাধ্যমে পেশা জীবনের শুরু হলেও এরপর রাজধানীতে এসে সাংবাদিকতা শুরু করেন কবি। ১৯৬৭ সালে সহকারী সম্পাদক হিসাবে যোগ দেন দৈনিক সংবাদে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩-৭৪ সালে দৈনিক গণকণ্ঠেও সহকারী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। উদীচী ও খেলাঘর আসরের সিলেটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘদিন তিনি।শারীরিক অসুস্থতার কারণে ইন্টারমিডিয়েট পাসের পরই তার প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষার ইতি ঘটে। ১৯৬০ সালে পেশায় সেবিকা আনিসা খাতুনের সঙ্গে বিয়ে হয় কবি দিলওয়ারের।তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো-‘ঐকতান, ‘পূবাল হাওয়া’, ‘উদ্ভিন্ন উল্লাস’, ‘বাংলা তোমার আমার’, ‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি’, ‘বাংলাদেশ জন্ম না নিলে’, ‘স্বনিষ্ট সনেট’, ‘নির্বাচিত কবিতা’, ‘দিলওয়ারের একুশের কবিতা’, ‘দিলওয়ারের স্বাধীনতার কবিতা’, ‘সপৃথিবী রইব সজীব’ ও ‘দুই মেরু, দুই ডানা’ ছাড়াও প্রবন্ধ, গান, ও ভ্রমণকাহিনীও লিখেছেন তিনি। জীবদ্দশায় কবি দিলওয়ার ১৯৮০ সালে কাব্য চর্চায় বাংলা একাডেমী পুরস্কার ও ২০০৮ সালে সাহিত্যে অবদানের জন্য একুশে পদক লাভ করেন।১০ অক্টোবর ২০১৩ সালে সিলেট নগরের ভার্থখলায় নিজ বাসভবনে মৃত্যূবরণ করেন কবি দিলওয়ার। এ উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেন।এ উপলক্ষে কবি দিলওয়ার পরিষদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।এদিকে, গণমানুষের কবি দিলওয়ারের ৮২ তম জন্মদিন উদ্যাপন উপলক্ষে কৈতর সিলেট আজ ১ জানুয়ারি সোমবার সন্ধ্যে ৬টায় কেমুসাস সাহিত্য আসর কক্ষে এক সভার আয়োজন করেছে। সভায় লেখক সাংবাদিক মুহম্মদ বশিরুদ্দিন-এর দ্বিতীয় গ্রন্থ ‘দিলওয়ার:ব্যক্তি ও কবি’-এর প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সভাপতি প্রফেসর মো.আব্দুল আজিজ ও প্রধান বক্তা হিসেবে কেমুসাস-এর সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ মাসউদ খান উপস্থিত থাকবেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সমাজসেবী আ.ন.ম. শফিকুল হক, লে. কর্ণেল (অব.) কবি সৈয়দ আলী আহমদ, লে. কর্ণেল (অব.) অধ্যক্ষ এম. আতাউর রহমান পীর, অধ্যক্ষ কবি কালাম আজাদ, দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী। মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কবি মুকুল চৌধুরী। আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কবি বেলাল আহমদ চৌধুরী ও কবি মুসা আল হাফিজ। সভায় সভাপতিত্ব করবেন কৈতর সিলেট এর চেয়ারম্যান সেলিম আউয়াল। মূল প্রবন্ধ পাঠ করবেন কবি বাছিত ইবনে হাবীব। এতে সবাইকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য কৈতর সিলেট এর পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিস্তারিত

কথাসাহিত্যিক রবিশংকর বল আর নেই

কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও লেখক রবিশংকর বল আর নেই। মঙ্গলবার ভোর ৪টায় তিনি মারা যান।

পশ্চিমবঙ্গের কথাসাহিত্যিক অমর মিত্র মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কয়েক দিন ধরেই রবিশংকর কলকাতার বিআরসিং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি  হওয়ায় তাকে ভেন্টিলেশন দেওয়া হয়েছিল।
রবিশংকর বলের জন্ম ১৯৬২ সালে। তিনি ১৫টির বেশি উপন্যাস লিখেছেন। এ ছাড়া রয়েছে পাঁচটি ছোটগল্পের সংকলন। কবিতা ও শিল্পসাহিত্যবিষয়ক প্রবন্ধও রচনা করেছেন তিনি। সম্পাদনা করেছেন উর্দু লেখক সাদত হাসান মান্টোর নির্বাচিত রচনার বাংলা অনুবাদ সংকলন। ‘দোজখ্‌নামা’ উপন্যাস লিখে খ্যাতি অর্জন করেছেন। উপন্যাসটির জন্য পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রবর্তিত বঙ্কিমচন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার।
এদিকে রবিশংকর বলের মৃত্যুতে তরুণ কথাসাহিত্যিক স্বকৃত নোমান তার ফেসবুক স্টেট্যাসে এক শোকবার্তায় লিখেছেন, পশ্চিম বাংলার সমকালীন যেসব লেখকের লেখাজোখা মনযোগ দিয়ে পড়ি, রবিশংকর বল ছিলেন তাঁদের একজন। কবরে শুয়ে শুয়ে মীর্জা গালিব ও সা’দত হাসান মান্টো সংলাপ করছে―তাঁর দোজখনামা উপন্যাসের এই আঙ্গিকটা অসাধারণ লেগেছিল। তাঁর অকালপ্রয়াণে বিচলিত হয়েছি। বেঁচে থাকলে বাংলা সাহিত্য আরো সৃমদ্ধ হতো। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা।
গল্পকার মাসউদ আহমাদ লিখেছেন, গল্পকার-ঔপন্যাসিক রবিশংকর বল চলে গেলেন! সকালবেলায়, আমি নিজে এত অসুস্থ, তবুও তার মৃত্যুর খবরে মনটা বিষণ্নতায় ভরে গেল। তার সঙ্গে প্রথমবার কথা হয়েছিল ফেসবুকে। তার গল্প পছন্দ করি। রবিশংকরের গল্পের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন কথাশিল্পী হামীম কামরুল হক। অন্যরকম গল্প লিখতেন তিনি। উপন্যাসও। 'দোজখনামা' তার বিশেষ উপন্যাস। গত বছর আমার সম্পাদিত ছোটকাগজ গল্পপত্র-তে তিনি একটি লেখা দিয়েছিলেন, গল্পভাবনা। পরে, মার্চ মাসে কলকাতায় গিয়ে খুবই অল্প সময়ের জন্য তার সঙ্গে দেখা হয়েছিল। কিন্তু দুঃখ এই, সেই সময় হাতে গল্পপত্রের কপিটি ছিল না। তারও তাড়া ছিল। তাই দিতে পারিনি। আপনি ভালো থাকবেন, প্রিয় গল্পওয়ালা। প্রিয় রবিশংকর বল। আপনাকে অনেক ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা জানাই। বিস্তারিত

‘তরুণেরা এখন বুক বাদ দিয়ে ফেসবুক নিয়ে মজে আছে’

সিলেটে প্রথমা এবং বেঙ্গল পাবলিকেশন্সের উদ্যোগে শুরু হয়েছে ছয় দিনব্যাপী ‘সিলেট বইমেলা’। মঙ্গলবার বিকেলে মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. রাহাত আনোয়ার। নগরের লামাবাজার এলাকার সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের মোহাম্মদ আলী জিমনেশিয়ামে প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত এই মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলা চলবে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রথম দিনেই লেখক-পাঠকের ভিড়ে জমে উঠেছে বইমেলা।

বেলা চারটায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিশু সাহিত্যিক তুষার কর, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সদস্য মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম, কবি মোস্তাক আহমাদ দীন, আইনজীবী নূরে আলম সিরাজী, জেলা পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ শাহনূর, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল মুনীর, লেখক জিবলু রহমান, আবিদ ফয়সাল, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক প্রণবকান্তি দেব প্রমুখ। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন প্রথম আলোর সিলেট প্রতিনিধি সুমনকুমার দাশ।

বক্তৃতায় উদ্বোধক জেলা প্রশাসক মো. রাহাত আনোয়ার বলেন, ‘তরুণেরা এখন বুক (বই) বাদ দিয়ে ফেসবুক নিয়ে মজে আছে। এ সময়ে তরুণদের বইপড়ায় আগ্রহ তৈরি করতে প্রথমা ও বেঙ্গল পাবলিকেশন্সের এই বইমেলার উদ্যোগ ইতিবাচক ফল নিয়ে আসবে। বইপড়ার কোনো বিকল্প নেই, কষ্ট করে হলেও বই পড়তে হবে। কেবল বই-ই পারে একটি জাতিকে উন্নতির চরম শিকড়ে পৌঁছে দিতে।’

মেলার প্রথম দিনেই লেখক-পাঠকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমদিনেই নগরের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত হয়েছিলেন। এর মধ্যে উদীচী সিলেটের সভাপতি এ কে শেরাম, সহসভাপতি এনায়েত হোসেন মানিক, সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেটের সভাপতি মিশফাক আহমদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক রজতকান্তি গুপ্ত, সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্টির পরিচালক মুকির হোসেন চৌধুরী, ভূমিসন্তান বাংলাদেশের সমন্বয়ক আশরাফুল কবীর, বাউল বশিরউদ্দিন সরকার, বাউল শাহীনুর আলম সরকার, নাট্য সংগঠক মোস্তাক আহমদ, সংস্কৃতিকর্মী রীমা দাস, প্রণবজ্যোতি পাল, লেখক জসীম আল ফাহিম প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।

    মেলায় প্রথমা এবং বেঙ্গল পাবলিকেশন্সের বই ছাড়াও দেশি-বিদেশি বইয়ের বিশাল সমারোহ থাকবে। প্রথমার বইয়ে ৩০% থেকে ৬০% পর্যন্ত এবং বেঙ্গল পাবলিকেশন্সের বইয়ে ২৫% থেকে ৫০% পর্যন্ত ছাড়ে বিক্রি হবে। অন্যান্য প্রকাশনীর বই ২৫% ছাড়ে বিক্রি হবে। এ ছাড়া ভারতীয় নতুন বই ১ রুপি=১.৮ টাকা ও ভারতীয় পুরোনো বই ১ রুপি=১.৫ টাকা হিসেবে বিক্রি হবে। মেলা আয়োজনে সহযোগিতা করছে প্রথম আলো সিলেট বন্ধুসভা।
বিস্তারিত

চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষে নড়াইলে সুলতান সংগ্রহশালায় নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। নড়াইল জেলা প্রশাসন এবং এসএম সুলতান ফাউন্ডেশন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

তার পুরো নাম ছিল শেখ মোহাম্মদ সুলতান। পরিবারের সকলের কাছে তিনি লাল মিয়া নামেও পরিচিত ছিলেন।

বিশেষ ঢং আর প্রেক্ষাপটে আঁকা চিত্রকর্মের জন্যই সবার কাছে সুপরিচিত তিনি। চিত্রশিল্পীর পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন সুর সাধকও। বাঁশি বাজানো ছিল তার নেশা। ১৯৮২ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে ‘এশিয়ার ব্যক্তিত্ব’ ঘোষণা করে।

১৯২৩ সালের ১০ আগস্ট তৎকালীন পূর্ব বাংলায় নড়াইলের মাসিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শেখ মোহাম্মদ সুলতান। তার মায়ের নাম মোছাম্মত মেহেরুননেসা। তার বাবা শেখ মোহাম্মদ মেসের আলী পেশায় ছিলেন রাজমিস্ত্রি। তবে কৃষিকাজই ছিল তার বাবার মূল পেশা, পাশাপাশি বাড়তি আয়ের জন্য ঘরামীর কাজও করতেন।

বিদ্যালয়ে পড়ানোর মতো সামর্থ্য তার পরিবারের না থাকলেও ১৯২৮ সালে নড়াইলের ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট লাল মিয়াকে স্কুলে ভর্তি করানো হয়। তবে মাত্র পাঁচ বছর অধ্যয়নের পর সেই বিদ্যালয়ে ছেড়ে বাবার সহযোগী হিসেবে রাজমিস্ত্রির কাজ শুরু করেন তিনি। এ সময় বাবার ইমারত তৈরির কাজ সুলতানকে প্রভাবিত করে এবং তিনি রাজমিস্ত্রির কাজের ফাঁকে আঁকা-আঁকি শুরু করেন।

১৯৭৬ সালে তার আঁকা শিল্পকর্ম নিয়ে শিল্পকলা একাডেমীর প্রদর্শনীর মধ্যে দিয়েই নতুন করে সামনে আসে তার প্রতিভা। তেলরঙ এবং জলরঙ-এ ছবি আঁকতেন এই চিত্রশিল্পী। পাশাপাশি রেখাচিত্র আঁকতেন। আঁকার জন্য তিনি একেবারে সাধারণ কাগজ, রঙ এবং জটের ক্যানভাস ব্যবহার করতেন।

এজন্য তার অনেক ছবিরই রঙ নষ্ট হয়ে যায়। নড়াইলে থাকাকালীন সময়ে তিনি অনেক ছবি কয়লা দিয়ে এঁকেছিলেন, সঠিকভাবে সংরক্ষণের অভাবে সেগুলোও নষ্ট হয়ে যায়।

তার আঁকা চিত্রকর্মে গ্রামীণ জীবনের পরিপূর্ণতা, প্রাণপ্রাচুর্যের পাশাপাশি শ্রেণীর দ্বন্দ্ব এবং গ্রামীণ অর্থনীতির হালও ফুটে উঠেছে। পাশাপাশি এই চিত্রশিল্পীর আঁকা ছবিগুলোতে বিশ্বসভ্যতার কেন্দ্র হিসেবে গ্রামের মহিমা উঠে এসেছে এবং কৃষককে এই কেন্দ্রের রূপকার হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন এই শিল্পী। শিল্পীর মৃত্যুর পর নড়াইলে শিল্পীর সমাধিকে কেন্দ্র করে সুলতানের চিত্রকর্ম, ব্যবহার্য জিনিসপত্র নিয়ে গড়ে তোলা হয় সুলতান সংগ্রহশালা।

বর্তমানে শিল্পীর এই সংগ্রহশালায় নেই যথাযথ লোকবল, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, দুর্লভ ছবি সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বেশ কিছু চিত্রকর্মে ভাঁজ পড়েছে, ফাটল দেখা দিয়েছে। ২০১৬ সালে শিল্পকলা একাডেমি থেকে প্রতিনিধি দল গিয়ে একটি চিত্রকর্ম সংস্কার কাজ করেন তারপর আর কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

শিল্পী সুলতান ১৯৮২ সালে একুশে পদক, ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্ট আর্টিস্ট হিসেবে স্বীকৃতি, ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা এবং ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদকসহ অসংখ্য পদকে ভূষিত হয়েছেন।
বিস্তারিত

গণমানুষের কবি দিলওয়ার-এর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

গণমানুষের কবি দিলওয়ারের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা সাহিত্যের এই শক্তিমান কবি। অভিভক্ত ভারতবর্ষে কবি দিলওয়ার এর জন্ম।

ব্রিটিশ-ভারতের অন্তর্গত শ্রীহট্ট জেলার (বর্তমান সিলেট) দক্ষিণ সুরমার ভার্থখলা গ্রামে ১৯৩৭ সালের ১ জানুয়ারি দিলওয়ার-এর জন্ম হয়। (পুরো নাম দিলওয়ার খান) ডাক নাম দিলু। পিতা মরহুম মৌলভী মোহাম্মদ হাসান খান এবং মাতা মরহুমা মোসাম্মৎ রহিমুন্নেসা।

ঝালোপাড়া পাঠশালা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে রাজা জি.সি. হাইস্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন পাশ করেন ১৯৫২ সালে। ১৯৫৪ সালে এম.সি কলেজ থেকে আই.এ পাশ করেন। তারপর শারীরিক অসুস্থতার জন্য একাডেমিক পড়াশুনার ইতি টানেন।

দক্ষিণ সুরমা হাইস্কুলের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু। শিক্ষকতার স্থায়িত্বকাল মাত্র দুই মাস। তারপর সাংবাদিক জীবন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ দৈনিক সংবাদের সহকারী সম্পাদক, ১৯৬৯-১৯৭১ সম্পাদক সমস্বর। ১৯৭৩-১৯৭৪ দৈনিক গণকন্ঠের সহকারী সম্পাদক। ১৯৭৪-এ সিনিয়র ট্রান্সলেটর মাসিক উদয়ন, বাংলা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, ঢাকা। ফেব্রুয়ারি ১৯৭৫ সম্পাদক উল্লাস, জুন ১৯৭৫ সম্পাদক-মৌমাছি। ১৯৭৬ সম্পাদক গ্রাম সুরমার ছড়া। জানুয়ারি ১৯৮১ সম্পাদক মরুদ্যান ১৯৮৫ সম্পাদক-সময়ের ডাক। ১৯৮৬ প্রধান সম্পাদক-সিলেট পরিদর্শক।

‘তুমি রহমতের নদীয়া’ তাঁর রচিত গান দিয়ে সিলেট বেতার কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়। সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার-এর প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক, সিলেট খেলাঘর এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি; সিলেট উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি; ভার্থখলা স্বর্ণালী সংঘ’-এর জন্মদাতা এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গীতিকার ছিলেন কবি দিলওয়ার।

তরুণ বয়সে ১৯৫৩ সালে বের হয় কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘জিজ্ঞাসা’। কবিতা ‘সাইফুল্লাহ হে নজরুল’ তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা যা প্রকাশ হয় দৈনিক যুগভেরীতে ১৯৪৮/৪৯ সালে। তাঁর ১২টি কাব্যগ্রন্থ, ২টি গানের বই; ২টি প্রবন্ধ গ্রন্থ, ২টি ছড়ার বই, দিলওয়ার রচনা সমগ্র ১ম খ-, দিলওয়ার রচনা সমগ্র ২য় খন্ড, ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রীর ডাকে (সংবর্ধনা স্মৃতিচারণ-২০০১) বিভিন্ন সময় প্রকাশ হয়। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ষাটোর্ধকাল কবি দিলওয়ার অসংখ্য লেখা লিখেছেন। বিভিন্ন জনের কাছে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে এবং যা অপ্রকাশিত।

ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের সংগে একাত্ম হয়ে সিলেটের কবি-সাহিত্যিক-সাংবাদিক-শিল্পীদের নিয়ে গঠন করেন ‘সমস্বর লেখক ও শিল্পী সংস্থা’। সংস্থাটি ছিল স্বাধীনতার প্রতীক।

একুশে পদক, বাংলা একাডেমী পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হন কবি দিলওয়ার।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠ্য পুস্তকে কবির রচনা ‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি’ কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত হয়।

আজ কবি’র ৫ম প্রয়াণদিবসে কবি দিলওয়ার পরিষদ সকাল ৯টায় কবির সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কবির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন জানাবে। এছাড়া দোয়া ও প্রার্থনা সভার উদ্যোগ নিয়েছেন কবি দিলওয়ার পরিষদ।

বিস্তারিত

‘আমারে দেবো না ভুলিতে’

“আমারে দেবো না ভুলিতে” শিরোনামে হবিগঞ্জে পালিত হল প্রেম সাম্য ও দ্রোহের কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪১ তম প্রয়াণ দিবস।

সুসজ্জিত মঞ্চে কবিতা পত্রসাহিত্য আর গানের মাধ্যমে চমৎকার পরিবেশনা ছিল চারুকন্ঠের শিল্পীদের।

“গাহি সাম্যের গান, মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই নহে কিছু মহীয়ান।” “একি অপরূপ রূপে মা তোমার হেরি গো পল্লী জননী”, “আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে”সহ নজরুলের গান ও কবিতায় ভরপুর অনুষ্ঠানে দর্শকদের নন্দিত হয় গৌরি রায়ের কন্ঠে ফজিলাতুন্নেসা কে নিয়ে কাজী মোতাহের হোসেনের কাছে লেখা নজরুলের চিঠিপাঠ।

বুধবার সুরবিতান ললিতকলা একাডেমীতে নজরুল একাডেমীর আয়োজনে ছিল চারুকন্ঠের পরিবেশনা।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতির পিতা স্মরণে ১ মিনিট শোক প্রকাশ করা হয়। প্রথম পর্ব শুরু হয় নমঃ নমঃ নমো কবিতার মাধ্যমে। তারপর কবিতা, পত্র পাঠ ও গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠান চলমান থাকে।

২য় পর্বে হয় অনুভূতি ব্যাক্ত করেন করেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হবিগঞ্জেরজেলা প্রশাসক মনীষ চাকমা অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে খুব গর্ববোধ করেন। তিনি বলেন, এমন সাজসজ্জা ও গোছানো অনুষ্ঠান জাতীয় পর্যায়ে দেখা যায়। হবিগঞ্জে আসার পর এমন একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করতে পেরে খুব গর্ববোধ করছি।

হবিগঞ্জ নজরুল একাডেমির সভাপতি তাহমিনা বেগম গিনির সভাপত্বি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মনীষ চাকমা। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার উপ পরিচালক (উপ-সচিব) শফিউল আলম, অধ্যাপক ইকরামুল ওয়াদুদ, ডাঃ জমির আলী প্রমুখ।

গৌরি রায়ের পরিচালনায় পরিবেশনায় ছিল চারুকন্ঠের একঝাঁক তরুন শিল্পী। মঞ্চ সজ্জায় ছিলেন নারায়ন রায় ও অজয় রায়।
বিস্তারিত

প্রথাবিরোধী লেখক হুমায়ুন আজাদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বহুমাত্রিক জ্যোতির্ময় ও বাংলা সাহিত্যের প্রথাবিরোধী লেখক হিসেবে পরিচিত হুমায়ুন আজাদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১২ আগস্ট)।

২০০৪ সালের ১২ আগস্ট জার্মানির মিউনিখ শহরে রহস্যজনকভাবে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগে ওই বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি একুশে বইমেলায় ধর্মীয় মৌলবাদীদের সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। সে সময় এই হামলাকে কেন্দ্র করে পুরো দেশের প্রগতিশীল সমাজ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।

হুমায়ুন আজাদ ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল মুন্সিগঞ্জের রাড়িখাল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। প্রথাবিরোধী এই লেখক ছিলেন একই সাথে কবি, উপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ভাষা বিজ্ঞানী ও সাহিত্য সমালোচক।

তিনি ছিলেন মার্ক্সিয় দর্শনের অনুসারি এবং একজন মুক্তচিন্তার ধারক-বাহক ও পথ প্রদর্শক। সমাজের প্রতিটি রন্ধ্রে বিরাজমান সব প্রথাকে তিনি আস্তাকুঁড়ে ফেলে হয়ে উঠেছিলেন প্রথাবিরোধী এক মানুষ। তাই হুমায়ুন আজাদের লেখনির মাঝেই প্রকাশ পায় তাঁর প্রথা বিরোধিতা।

সমসাময়িক লেখক সাহিত্যিকদের সাহিত্য নিয়ে তিনি সমালোচনা করেছেন নির্দ্বিধায়। লেখকের এই প্রথা বিরোধিতার ফলে তিনি নানান সময়ে আলোচিত-সমালোচিত হলেও বিজ্ঞানমনষ্ক ও যুক্তিবাদী চিন্তা চেতনার কারণে বাংলা সাহিত্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা বিন্দুমাত্র কমেনি, বরং বেড়েছে বহুগুণ। তাই তাঁর মৃত্যুর এক যুগ অতিবাহিত হলেও এখনও তিনি এবং তাঁর লেখনি অপরিমেয় চিন্তার খোরাক যোগায়।

ধর্মীয় মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার ঘোর বিরোধী এই লেখকের উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে পাক সার জমিন সাদ বাদ, ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল, যাদুকরের মৃত্যু, শ্রাবণের বৃষ্টিতে রক্তজবা।

কাব্যগ্রন্থের মধ্যে আছে সব কিছু নষ্টদের দখলে যাবে, আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়, অলৌকিক ইস্টিমার। এছাড়া ভাষা বিজ্ঞানের বইয়ের মধ্যে বাংলা ভাষার শত্রুমিত্র, বাঙলা ভাষা (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড), তুলনামূলক ও ঐতিহাসিক ভাষা বিজ্ঞান। তাঁর লেখা প্রবচনগুচ্ছ পাঠকদের বিশেষ নজর কাড়ে। এছাড়া তিনি লিখেছেন কিশোরসাহিত্য ও সমালোচনামূলক বহু গ্রন্থ।

২০১২ সালে সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি মরণোত্তর একুশে পদক লাভ করেন।

ধর্মীয় মৌলবাদের প্রবল আক্রোশ ও আক্রমণে তাঁর রক্ত ঝরলেও এখনও সে হত্যাচেষ্টা মামলার নিষ্পত্তি হয় নি।
বিস্তারিত

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ১৩ শতাধিক গ্রন্থ প্রকাশ

জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিুবুর রহমানের জীবন ও কর্মের ওপর বিভিন্ন বিষয়ে লেখা এই পর্যন্ত দেশ-বিদেশে প্রায় ১৩ শতাধিক মৌলিক গ্রন্থ প্রকাশ পেয়েছে। একজন নেতার ওপর পৃথিবীর আর কোন দেশে এতো বিপুল সংখ্যক বই প্রকাশ পায়নি বলে লেখক-প্রকাশকরা জানিয়েছেন।

লেখক ও প্রকাশকরা বাসসকে জানান, এই বইগুলো বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত। এ ছাড়াও বঙ্গবন্ধুর ওপর বেশ সংখ্যক বই চীনা, জাপানী, ইটালী, জার্মানী, সুইডিশসহ কয়েকটি বিদেশী ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে।

বাংলা একাডেমি থেকে ২০১৪ সালের জুন মাসে প্রকাশিত আবু মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের লেখা ‘বঙ্গবন্ধু বিষয়ক গ্রন্থপঞ্জি’ বইতে উল্লেখ করা হয়, ‘১৯৯৮ সালে ‘বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু চর্চা’ শিরোনামে আমার যে বইটি প্রকাশ পেয়েছিল, তাতে বঙ্গবন্ধুর ওপর বইয়ের সংখ্যা ছিল সাড়ে তিনশত। আর বর্তমান ‘বঙ্গবন্ধু বিয়ষক গ্রন্থ’ বইটিতে (২০১৪ সালে প্রকাশ) এ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।’ তার এই বইটি প্রকাশের পর তিন বছরেরও বেশি সময় অতিবাহিত হয়েছে। এ সময়ে বঙ্গবন্ধুর ওপর আরও তিন শতাধিক বই প্রকাশ পেয়েছে বলে বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা থেকে এবং লেখকরা জানান। এ নিয়ে প্রায় শুধুমাত্র ১৩ শত মৌলিক গ্রন্থ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রকাশ পেয়েছে।

‘বঙ্গবন্ধু বিষয়ক গ্রন্থপঞ্জি’ বইতে যে পরিসংখ্যান দেয়া হয়,তা ১৬টি শিরোনামে বিভক্ত করা হয়। এর মধ্যে ‘ভাষা আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু’ বিষয়ক বই প্রকাশ পেয়েছে ৯টি। ‘আগরতলা মামলা ও উনসত্তরের গণঅভূত্থান’ বিষয়ে সাতটি, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু’ বিষয়ে ১১৭টি, রাজনীতি, প্রশাসন ও পররাষ্ট্রনীতি বিয়ষক ১৭৩টি,‘স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ’ বিষয়ে ৩২টি, আলোকচিত্র ও দলিলপত্র বিষয়ে ১২৬টি, প্রবন্ধ ও নিবন্ধ বিষয়ে ১০৪টি, গল্প ও উপন্যাস বিষয়ে ১২২টি, কবিতা ও ছড়া বিষয়ে’ ৯৮টি, জীবনী গ্রন্থ-১৫১টি, শিশুতোষ গ্রন্থ- ৭৮টি, ‘বঙ্গবন্ধুবিরোধীদের দৃষ্টিতে বঙ্গবন্ধু’ বিষয়ে-১৪টি, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা যাত্রা, নাটক, সংগীত, গীতি আলেখ্য গ্রন্থ ১১টি, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড বিষয়ক গ্রন্থ- ৮১টি, মূল্যায়নধর্মী গ্রন্থ’৫৫টি এবং দেশি-বিদেশী লেখকদের লেখা ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত গ্রন্থ- ৬৭টি প্রকাশ পেয়েছে।

দেলোয়ার হোসেন বইটির ভূমিকায় বলেন ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালের লাইব্রেরিসহ, বাংলা একাডেমি লাইব্রেরি, কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি ও বিভিন্ন জেলার লাইব্রেরি এবং কলকাতাসহ কয়েকটি দেশ থেকেও বঙ্গবন্ধুর ওপর বইয়ের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এরপরও দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রকাশিত অনেক বইয়ের তথ্য সংগ্রহ করা যায়নি।’

গ্রন্থটির তথ্য অনুযায়ি দেশের প্রায় তিন শতাধিক প্রকাশনী উল্লেখিত বইগুলো প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে বেশি সংখ্যক বই প্রকাশ করেছে,বাংলা একাডেমি, আগামী প্রকাশনী, ইউপিএল, মওলা ব্রাদার্স, সময় প্রকাশনী, পারিজাত প্রকাশনী, পার্ল, অন্বেষা, অন্য প্রকাশ, হাক্কানী, পাঠক সমাবেশ, বর্ণায়ন, অনুপম, প্রতীক, মীরা প্রকাশনী, জাগৃতি।

এ ছাড়া এক থেকে পাঁচটি পর্যন্ত বই প্রকাশ করেছে শতাধিক প্রকাশনী। অন্যদিকে ইংরেজি ভাষায় দেশে সবচেয়ে বেশি বই প্রকাশ করেছে ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল)। তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘আত্মজীবনী’ গ্রন্থটি একযোগে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় প্রকাশ করে। বাংলা একাডেমি ও আগামী প্রকাশনীও ইংরেজি ভাষায় এ সংক্রান্ত বই প্রকাশ করেছে।

বাংলা একাডেমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ‘কারাগারের রোজনামচা’সহ নয়টি বই প্রকাশ করেছে। এই বইটি বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রকাশিত হয়। মীরা প্রকাশনী থেকে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের মামলা তদন্ত, ডেথ রেফারেন্স, সওয়াল জবাব, সাক্ষীদের জেরা ও রায় নিয়েই শুধু আবুল হোসেনের লেখা নয়টি গ্রন্থ প্রকাশ করেছে। মীরা থেকে জানান হয়, তারা বঙ্গবন্ধু বিষয়ে প্রকাশ করেছে বাইশটি বই।

বিভিন্ন প্রকাশকরা জানান, ২০১৪ সালে বাংলা এডাডেমি বঙ্গবন্ধুর ওপর গ্রন্থপঞ্জি বইটি প্রকাশের পর গত তিন বছরে বঙ্গবন্ধুর ওপর আরও প্রায় তিন শতাধিক বই প্রকাশ পেয়েছে। ফলে এ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর ওপর শুধুমাত্র মৌলিক গ্রন্থ তের শতাধিক দাঁড়িয়েছে। গত তিনটি একুশের গ্রন্থমেলায় বঙ্গবন্ধুর ওপর অসংখ্য বই প্রকাশ পেয়েছে।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এ বিষয়ে বাসসকে বলেন, পৃথিবীর আর কোন নেতার ওপর এতো বই প্রকাশ পেয়েছে বলে আমার জানা নেই। বাংলাদেশ নানা প্রতিকুল অবস্থার মধ্যে থেকেও বঙ্গবন্ধুর ওপর এতো বই বের হয়েছে,তা তার প্রতি ভালবাসা ও কৃতজ্ঞতারই প্রকাশ পায়। তার জীবন ও কর্মের ওপর অপ্রকাশিত অনেক তথ্য বের হয়ে আসছে প্রতিনিয়ত। ফলে বঙ্গবন্ধুর ওপর বই প্রকাশনা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে এই আশা করা যায়।

আগামী প্রকাশনী বঙ্গবন্ধুর ওপর বিভিন্ন বিষয়ে ৮০টি বই প্রকাশ করেছে। এই প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ওসমান গণি বাসসকে বলেন, এককভাবে আমরা সবচেয়ে বেশি বই প্রকাশ করেছি। আমরা আশিটি বই প্রকাশ করেছি। এর মধ্যে শেখ হাসিনার ‘ শেখ মুজিব আমার পিতা’ বইটিসহ কয়েকটি বই বিপুল সংখ্যক বিক্রি হয়েছে। তিনি বলেন,আমাদের জানা মতে এ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর ওপর বইয়ের সংখ্যা হবে তেরশ’র বেশি। আর কোন দেশের জাতির পিতা-স্থপতির ওপর এতো বই প্রকাশ পেয়েছে কি না সন্দেহ। সে দিক থেকে আমরা গর্ব করতে পারি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে। প্রতি মাসেই অসংখ্য বই বের হচ্ছে জাতিরপিতাকে নিয়ে।

বাংলা একাডেমি ২০১৪ সালে প্রকাশিত একটি বইয়ে বঙ্গবন্ধু বিষয়ক বইয়ের সংখ্যা ১ হাজারের বেশি বলেছে। সেই সময়েই এগারশত প্রকাশ পেয়েছিল। আর গত তিনবছরে বের হয়েছে আড়াইশ’র মতো বই। সংখ্যাটা বর্তমানে তেরশ’র বেশি হবে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বঙ্গবন্ধুর ওপর আরও গুরুত্বপূর্ণ বই প্রকাশ করা যাবে।

পারিজাত প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী শওকত হোসেন লিটু জানান, বাঙালি জাতির জন্য এটা সৌভাগ্য যে-বঙ্গবন্ধুর ওপর এতো বই প্রকাশ পেয়েছে। এতো বিপুল সংখ্যক বই হয়তো বিশ্বের অন্য কোন নেতার ওপর প্রকাশ পায়নি। তারা পনেরটি বই বের করেছেন বলে জানান।

কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী বাসস’কে বলেন, বঙ্গবন্ধুর ওপর তেরশত বই প্রকাশের খবরটি নিঃসন্দেহে আনন্দের। এ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে চীনা, জাপানীজ, ইটালী, জামার্নী ও সুইডিশ ভাষায়ও অসংখ্য বই প্রকাশ পেয়েছে। এই সব বইয়ের মধ্যে যদি পাঁচশত বই’ও উন্নতমানের হয়ে থাকে, তা বাঙালিজাতির জন্য অনন্য সুখবর। কারণ পৃথিবীর আর কোন নেতাকে নিয়ে এতো গ্রন্থ প্রকাশ পায়নি। বাসস


বিস্তারিত

রবীন্দ্র প্রয়াণ দিবস আজ

আজ বাইশে শ্রাবণ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৬তম মৃত্যুবার্ষিকী। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারিভাবে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে (বাংলা-পঁচিশে বৈশাখ-১২৬৮) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। মাতা সারদা সুন্দরী দেবী। রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুুরুষেরা খুলনা জেলার রুপসা উপজেলার পিঠাভোগে বাস করতেন। বাংলা ১৩৪৮ সালের বাইশে শ্রাবণ (ইংরেজি ৭ আগস্ট-১৯৪১) কলকাতায় পৈতৃক বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, উপন্যাসিক, নাট্যকার, সংগীতজ্ঞ, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, ভাষাবিদ, চিত্রশিল্পী-গল্পকার। আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে ‘তত্ববোধিনী পত্রিকা’য় তার প্রথম লেখা কবিতা ‘অভিলাষ’ প্রকাশিত হয়। অসাধারণ সৃষ্টিশীল লেখক ও সাহিত্যিক হিসেবে সমসাময়িক বিশ্বে তিনি খ্যাতিলাভ করেন। লিখেছেন বাংলা ও ইংরেজি ভাষায়। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় তার সাহিত্যকর্ম অনূদিত হয়েছে। বিভিন্ন দেশের পাঠ্যসূচিতে তার লেখা সংযোজিত হয়েছে। ১৮৭৮ সালে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘কবিকাহিনী’ প্রকাশিত হয়। এ সময় থেকেই কবির বিভিন্ন ঘরানার লেখা দেশ-বিদেশে পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ পেতে থাকে। ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় তার ‘গীতাঞ্জলী’ কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

লেখালেখির পাশাপাশি তিনি ১৯০১ সালে পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর থেকে তিনি সেখানেই বসবাস শুরু করেন। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য ‘শ্রীনিকেতন’ নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বিশ্বভারতী’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৯১ সাল থেকে পিতার আদেশে কুষ্টিয়ার শিলাইদহে, পাবনা, নাটোরে এবং উড়িষ্যায় জমিদারীগুলো তদারকি শুরু করেন কবি। শিলাইদহে তিনি দীর্ঘদিন অতিবাহিত করেন। এখানে জমিদার বাড়িতে তিনি অসংখ্য কবিতা ও গান রচনা করেন। ১৯০১ সালে শিলাইদহ থেকে সপরিবারে কবি বোলপুরে শান্তিনিকেতনে চলে যান।

বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলা একাডেমি আজ রবিবার বিকাল চারটায় আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে বিশেষজ্ঞ বক্তৃতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এছাড়াও বাংলাদেশ রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী সংস্থা, শিশু একাডেমি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এদিকে, ছায়ানট আয়োজন করেছে স্মরণ অনুষ্ঠানের। সন্ধ্যা সাতটায় ছায়ানট ভবনে শুরু হবে অনুষ্ঠান।

বিস্তারিত

বইপ্রেমীদের সংগঠন ‘মলাট’র যাত্রা শুরু

শুক্রবার (২৮ জুলাই) বিকাল চারটায় সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মুরারীচাঁদ (এমসি) কলেজ প্রাঙ্গণে সিলেটের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত পেশাজীবী বইপ্রেমীরা মিলিত হয়ে পাঠকদের সাম্প্রতিক পড়া বই নিয়ে প্রাণবন্ত আড্ডা শেষে এ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ করে।

মলাটের সমন্বয়ক সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সহকারী পরিচালক ফয়সাল খলিলুর রহমান জানান, ‘দিনদিন বই পড়া কমিয়ে দিচ্ছি আমরা। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের বাইরেও অন্যান্য বই পড়া দরকার। সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলো দিনদিন আসক্তিতে রূপান্তর হচ্ছে, ঠিক এ চিন্তা থেকেই মলাট আত্মপ্রকাশ করলো।’

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, লেখক আর পাঠকদের সমন্বয়ক হবে এই সংগঠন। পাক্ষিক পাঠচক্র, সাহিত্য সভা, লেখকের সাথে আড্ডা, বই মেলা আয়োজন, পাঠাগার নির্মাণ ইত্যাদি কর্মসূচি নিয়ে এগুবে মলাট।

মলাটের যাত্রার দিনে উপস্থিত ছিলেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার রিমা দাস, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক সৈয়দা রূমী, বিয়ানীবাজার সরকারী কলেজের শিক্ষার্থী শেখ মাহফুজা রশিদ দিবা, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রনজয় তালুকদার, শেখ নূরুল আমীন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রওনক আফরোজ ইভা, শবনম বিনতে মতিউর, নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটির উত্তম কাব্য দাস, সাজিদ আহমেদ, এমসি কলেজের অর্ণব তালুকদার দিপু, আমিনা আক্তার, সিলেট সরকারী কলেজের নওরিন আক্তার তন্বী, মদনমোহন কলেজের জিপসী তারেক, লিটন লিটু, গৃহিণী অতন্দ্র তমিস্রা প্রমুখ।
বিস্তারিত

হুমায়ূনের কবরে স্ত্রী-সন্তানদের ভালোবাসা

কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, ছেলে নিশাদ, নিনিত,  লেখকের পরিবার-পরিজন ও হুমায়ুন ভক্তরা।

বুধবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে গাজীপুরের নুহাশপল্লীতে লেখকের কবর জিয়ারত ও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তারা। এর পর মাওলানা মজিবুর রহমান বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঢাকা, গাজীপুর ও আশপাশের এলাকা থেকে শত শত হুমায়ূন ভক্ত নুহাশপল্লীতে ভিড় করেন। তাদের অনেকেই প্রিয় লেখকের কবরে ফুল দেন এবং নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থেকে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
বিস্তারিত

  • বানিয়াচংয়ে মাড়াইয়ের মেশিনের আঘাতে কৃষকের মৃত্যু
  • বালাগঞ্জে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
  • স্বাভাবিক জীবনে ফিরল সুন্দরবনের ৫৭ দস্যু
  • শুক্রবার কলকাতা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • মাদকবিরোধী অভিযানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৭ জন নিহত
  • নবীগঞ্জ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র হলেন এটিএম সালাম
  • ঈদে ৪ দিন সিএনজি স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা
  • সারা দেশে বন্দুকযুদ্ধ : মানবাধিকার কমিশনের উদ্বেগ
  • শিল্প প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে দেশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: রাষ্ট্রপতি
  • ছিটকে পড়লেন রোমেরো
  • বিরল রোগ আক্রান্ত মুক্তামনি আর নেই
  • বালাগঞ্জে ভেজাল বিরোধী অভিযান
  • র‍্যাবের খাঁচায় সিলেটের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ সুধাংশু
  • বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উপলক্ষে সিলেটে আলোচনা সভা
  • জিন্দাবাজারে রিফাত এন্ড কোং’এ ২০ হাজার টাকা জরিমানা
  • মৌলভীবাজারে দুই ছাত্রলীগ কর্মী খুনের মামলার প্রধান আসামির আত্মসমর্পণ
  • সহকর্মীকে ‘হ্যান্ডসাম’ বলায় চাকরি হারালেন সংবাদ উপস্থাপিকা
  • প্রতিটি পোস্টে নজর রাখছে ১৫ হাজার ‘ফেসবুক পুলিশ’
  • মন্ত্রী-সচিবদের কেউ কেউ ফোন-ফ্যাক্সের দোকান খুলে বসতে পারেন: পার্থ
  • মিশিগান বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
  • মুসলমানরাই সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসের শিকার: বান কি মুন   ৫০৭১৯
  • ছলনাময়ী নারীদের চেনার উপায়   ১৫২৮১
  • মেয়র কালামের পায়ের নিচে ওসি আতাউর শার্ট খুলে লিনডাউন,তারপর জুতো পেটার প্রস্তাব   ১৪৮৪৪
  • জুমার নামাজ ছুটে গেলে কী করবেন?   ১৪২৫৭
  • জেনে নিন ছুলি দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায়   ৯৮৭২
  • ​চিনা কোম্পানিকে কাজ দিতে প্রতিমন্ত্রী তারানার স্বাক্ষর জাল   ৯৪৫১
  • মুসাফির কাকে বলে? মুসাফিরের রোযা ভঙ্গ করলে   ৯৩৬০
  • ডিমের পর স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে সোনালি মুরগি   ৮৯০২
  • গরুর দুধের অসাধারণ কয়েকটি গুণ   ৮৬৪৬
  • ঋণখেলাপি নই-হুন্ডি ব্যবসায়িও নই,সম্পত্তি নিলামের খবর অপপ্রচার-নাসির   ৮৪৭৮
  • খতমে ইউনুস নামে সামাজে চলে আসা জালিয়াতী   ৮১৩১
  • মুঘল সম্রাটদের দিনযাপন   ৭১৩০
  • হযরত শাহ্‌ জালাল ইয়েমেনী (রাঃ)-এঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী   ৬৬২৭
  • চিত্রনায়িকা সাহারার সেক্স ভিডিও ফাঁস!   ৬৫৬৫
  • ম,আ,মুক্তাদিরের ছেলে রাহাত লন্ডনে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে   ৬৪৬৯
  • শিশুর কানে আজান দেবে কে?   ৬৪২৬
  • কামরূপ-কামাখ্যা : নারী শাসিত যাদুর ভূ-খন্ড   ৫৯৩২
  • প্রশ্নব্যাংকে প্রশ্ন, স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাছাই হয়ে পরীক্ষা   ৫৮৫৭
  • ফুলবাড়ির বশর চেীধুরী আজ ইন্তেকাল করেছেন   ৫৬৭৯
  • চিকিৎসায় দ্রুত সরকারি সহযোগিতা চান খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া   ৫৪৩৮
  • সাম্প্রতিক আরো খবর

  • বাংলাদেশ ও আসামের ভাষা আন্দোলন একই সূত্রে গাঁথা
  • ৬ ঘন্টা পর সিলেটের সাথে সারাদেশের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হল
  • বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭তম জন্মবার্ষিকী আজ
  • ড. আখলাকুর রহমানকে নিয়ে প্রফেসর আব্দুল আজিজের গ্রন্থের পাঠ উন্মোচন
  • বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষা শহীদ দিবস আজ
  • বিশেষ বঙ্গবন্ধু পুরস্কার পাচ্ছেন সাহিত্যিক মৌলি আজাদ
  • মনিপুরী ভাষা উৎসব অনুষ্ঠিত
  • বাংলা একাডেমির গুণীজন স্মৃতি পুরস্কার ঘোষণা
  • সিলেটে শিল্পকলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বসন্ত উৎসব উদযাপন
  • বইমেলায় এরশাদের আরও ৪টি বই
  • “নিখোঁজ শব্দের খোঁজে”
  • “নিখোঁজ শব্দের খোঁজে”
  • মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৪তম জন্মবার্ষিকী আজ
  • জসীম উদ্‌দীন সাহিত্য পুরস্কার দেবে বাংলা একাডেমি
  • গণমানুষের কবি দিলওয়ারের ৮২তম জন্মদিন আজ
  • কথাসাহিত্যিক রবিশংকর বল আর নেই
  • ‘তরুণেরা এখন বুক বাদ দিয়ে ফেসবুক নিয়ে মজে আছে’
  • চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
  • গণমানুষের কবি দিলওয়ার-এর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
  • ‘আমারে দেবো না ভুলিতে’
  • প্রথাবিরোধী লেখক হুমায়ুন আজাদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
  • বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ১৩ শতাধিক গ্রন্থ প্রকাশ
  • রবীন্দ্র প্রয়াণ দিবস আজ
  • বইপ্রেমীদের সংগঠন ‘মলাট’র যাত্রা শুরু
  • হুমায়ূনের কবরে স্ত্রী-সন্তানদের ভালোবাসা