সর্বশেষ খবর

   ‘ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে ঢাবি প্রশাসন’    প্যারিসে সবুজ বাংলা বুশারি শপের উদ্ভোধন    সাংবাদিক কামরুলের উপর হামলাকারীদের গেপ্তারের দাবীতে সিলেটে মানববন্ধন    করমর্দন না করায় নাগরিকত্ব আবেদন বাতিল    ক্যাসিও’র পানিরোধক স্মার্ট ঘড়ি    জাতিসংঘের ৩ সংস্থার নির্বাচনে বাংলাদেশের বিজয়    গুঞ্জন উড়ালেন কিয়ারা    ‘অসহায় শিল্পীদের পাশে দাঁড়াতেই কনসার্টে অংশ নিচ্ছি’    পরের ম্যাচ জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বার্সা    বোলিংয়ে বিবর্ণ সাকিবের ব্যাটে ঝড়, হায়দরাবাদের প্রথম হার    দুই সিটিতে ২০ দলীয় জোটের চার কমিটি    বিচ্ছিন্ন নয়, সামগ্রিক আন্দোলন চান ফখরুল    বিএনপির ঐক‌্য সরকারকে পীড়া দিচ্ছে : রিজভী    শাবিতে বিভাগীয় প্রধান কর্তৃক শিক্ষক লাঞ্ছনার অভিযোগ    টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় শেখ হাসিনা    জাতীয় বাজেট সামনে রেখে ব্যবসায়ীদের সাথে সিলেট চেম্বারের মতবিনিময়    সুনামগঞ্জ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক পদে লড়ছেন ১০ জন    ফেঞ্চুগঞ্জে পাচারকালে ৬৬ বস্তা রিলিফের চাল জব্দ    ধর্ম অবমাননার অভিযোগে তসলিমা-সুপ্রীতিদের বিরুদ্ধে মামলা    শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করলেন ট্রুডো


খবর - চিত্র-বিচিত্র

২০ বছর পর পাকস্থলী থেকে লাইটার উদ্ধার

পেরেক, সুই, গজ, চামচসহ নানান ধরনের উদ্ভট জিনিস পেট থেকে উদ্ধার করার খবর আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। তবে এবার চীনের এক ব্যক্তির পেটে অস্ত্রোপচার করে বের করা হয়েছে লাইটার!

চীনের সিচুয়ান প্রদেশের চেংদু শহরে বসবাসকারী এই ব্যক্তি ভুলে একটি লাইটার গিলে ফেলেন। তারপর এক-দুইদিন নয়, টানা বিশ বছর পাকস্থলীতে লাইটার নিয়ে তিনি দিব্যি সুস্থ ছিলেন। একদিনের জন্যও তিনি চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি।

তবে কিছুদিন আগে পেটে অসহ্য ব্যথা নিয়ে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। পরীক্ষা করে দেখা যায় যে, তার পেটের ভিতরে একটি লম্বাটে ধরনের বস্তু রয়েছে। নিবিড় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা নিশ্চিত হন, ওই লম্বাটে জিনিসটি প্রকৃতপক্ষে একটি লাইটার!

দশ মিনিটের একটি জটিল বিস্তারিত

স্যালাইন দিয়ে প্রাণ বাঁচাতে চলছে ৭০০ বছরের বৃদ্ধ বটবৃক্ষের

তেলঙ্গানা: নয় নয় করে বয়স ৭০০ বছর গড়িয়ে গিয়েছে। ইতিহাসের গড়েছে, ইতিহাস ভেঙেছে তার সামনেই। যুগের পর যুগ ধরে একাধিক ঘটনা প্রবহমান সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে বৃক্ষটি। তিন একর জায়গা জুড়ে রয়েছে তার বিস্তৃতী। খ্যাতি আজও অমলিন।

সেই বৃদ্ধ প্রাচীণ বটবৃক্ষের দর্শনে এখনও দূরদূরান্তের পর্যটকরা হাজির হন তেলঙ্গানার মেহবুবনগরে। কিন্তু বয়সের ভারে ক্রমশ জীর্ণ হয়ে যাচ্ছে শিকড়। রোগ ব্যাধি বাসা বাঁধতে শুরু করেছে। প্রাচীণকে কোনওভাবেই ছাড়তে নারাজ মেহবুবনগর। রোগ ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বটবৃক্ষের চিকিৎসা শুরু হয়ে গিয়েছে।

তাবড় চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে গিয়েছেন। শিকড়ে নতুন করে প্রাণ সঞ্চারে চলছে চিকিৎসা। স্যালাইনের বোতলে কীটনাশক ভরে ধীরে ধীরে শিকড়ে প্রবেশ করানো হচ্ছে। মেহবুব নগরের জেলা শাসক রোনাল্ড রস নিজে তদারকি করছেন চিকিৎসার।

তেলঙ্গানার বনদপ্তরের আধিকারিক বুধবার সরজমিনে ঘুরে দেখে গিয়েছেন বটবৃক্ষের চিকিৎসা। প্রতিদিনই চলছে খোঁজ খবর নেওয়া। যদি বাঁচে বটবুড়ো।

বিস্তারিত

এক কলা ১ লাখ ১০ হাজার টাকা!

দেশিয় বাজারে হালি দরে কলা বিক্রি হয়, এমনটা দেখে এসেছে সকলেই। একটা করেও কলা বিক্রি হয় হতে পারে! কিন্তু এক কলার দাম যদি হয় লাখ টাকা তবে অবাকই হতে হয়।

সম্প্রতি এমনটাই ঘটেছে যুক্তরাজ্যে। এক প্রতিবেদনে বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, দেশটির সুপারমার্কেট আসডা থেকে অনলাইনে মেয়ের জন্য একটি কলা কেনার পর ববি গর্ডন নামের এক নারীর সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে।

কলাটি কেনার পর গর্ডন জানতে পারলেন, সেই কলার বিল হয়েছে ৯৩০ পাউন্ড বা বাংলাদেশি টাকায় এক লাখ ১০ হাজার টাকা। যদিও এর দাম হওয়ার কথা ১১ পেন্স বা কমবেশি ১৩ টাকার মতো।

নটিংহ্যামের শেরউডের ববি গর্ডন বলেন, প্রথমে বিলটি দেখে তিনি হতবাক হয় যান। তার ক্রেডিট কার্ডে বিলটি চার্জ করা হলেও, কার্ড কোম্পানির প্রতারণা ঠেকানোর টিম সেটি আটকে দিয়ে তাকে ক্ষুদে বার্তা পাঠায়।

গর্ডন প্রথমে বিলটি দেখে অবাক হলেও, তিনি এবং তার স্বামী ভেবেছিলেন এটা হয়তো দোকানের ভুল হয়েছে। তারা বিষয়টি ধরতে পারবে। কিন্তু যখন এজন্য আবার তার ক্রেডিট কার্ডে চার্জ করা হয়, তখন তার সত্যিই হতবাক হয় যান।

বিষয়টিকে কম্পিউটারের ভুল জানিয়ে ক্ষমা চেয়েছে আসডা। আসডার একজন মুখপাত্র বলেছেন, যদিও আমাদের কলাগুলো চমৎকার, কিন্তু এটা ঠিক যে, তার দাম এতো নয়। এটি নিঃসন্দেহে কম্পিউটারের একটি ভুল।

তারা বলেছেন, আমরা গর্ডনকে ধন্যবাদ জানাই, কারণ তিনি বিলটি যাচাই করে দেখেছেন। এরকম ভুল যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে, আমরা সেই ব্যবস্থা নিচ্ছি।
বিস্তারিত

কুকুরের গুলিতে প্রেমিকা আহত

মাঝ রাত। শুনশান নীরবতার চাদরে মোড়ানো চারদিক। শোবার ঘরে গভীর  ঘুমে আচ্ছন্ন ফ্লোরিডার ব্রেইন মারফি ও তার প্রেমিকা । পোষা কুকুরের জ্বালাতনে হঠাৎ ঘুম ভাঙল মারফির। ভাবলেন কুকুরটিকে পাশের ঘরে রেখে আসবেন। কুকুর রাখতে গিয়েই যত বিপত্তির শুরু।

গলার বেল্ট ধরে টেনে তিনি কুকুরটিকে পাশের ঘরে নিয়ে যান। কিন্তু কুকুরটির তেমন ইচ্ছে ছিল না। কুকুরটি পুনরায় শোবার ঘরে ফিরে আসে। এরপরই বিকট আওয়াজ ও বারুদের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে।

তড়িঘড়ি করে শোবার ঘরের লাইট জ্বালায় মারফি। এবং এরপর যা দেখলেন তাতে হতবাক হয়ে পড়লেন পঁচিশ বছর বয়সি এই যুবক। রক্তে ভেসে যাচ্ছে শোবার ঘর আর বিছানায় যন্ত্রণায় ছটফট করছে তার প্রেমিকা। কী ঘটেছে বুঝে উঠতে কিছুটা সময় লেগে যায় তার।

দ্রুত রক্ত বন্ধ করার জন্য প্রেমিকার পায়ে তোয়ালে বাধতে গিয়েই তিনি প্রথম বুঝতে পারেন পোশা কুকুরটিই এই অঘটনের জন্য দায়ী। দৌড়ে যখন কুকুরটি শোবার ঘরে ঢুকেছিল তখন বিছানার পাশে রাখা পিস্তলের ট্রিগারে কুকুরের পায়ের চাপ লাগে। সেফটি ক্যাচ চালু না থাকায় গুলি বেরিয়ে গিয়ে সরাসরি লাগে মারফির প্রেমিকার পায়ে।

মারফির প্রেমিকা বর্তমানে সুস্থ আছেন। চিকিৎসা নিচ্ছেন স্থানীয় একটি হাসপাতালে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন এই ঘটনায় কারো বিরুদ্ধে মামলা করেনি।
বিস্তারিত

পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে ডিপ ফ্রিজে

পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে অপরাধীরা নানা রকম ছল চাতুরীর আশ্রয় নিয়ে থাকে। পালিয়ে বেড়ায় এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়। তবে পুলিশের গ্রেপ্তার এড়াতে ক্রিস্টোফার শান যেটা করেছেন সেটা একই সাথে বিস্ময়কর এবং হাসির খোরাকে পরিণত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার বাসিন্দা ক্রিস্টোফার পেশায় মাদক ব্যবসায়ী। মারিজুয়ানা, হেরোইনসহ নানা ধরনের মাদক বিক্রয় করেন তিনি। ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া পুলিশের মোস্ট ওয়ান্টেড লিস্টে নাম রয়েছে এই মাদক বিক্রেতার।

গত মার্চে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া পুলিশ দপ্তরে একটি ফোন কল আসে। অপর প্রান্ত থেকে এক ব্যক্তি ক্রিস্টোফারের লুকিয়ে থাকার ঠিকানা জানায়। ঠিকানার সূত্র ধরে ওই বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ক্রিস্টোফার একটি ব্যাগে মাদক নিয়ে লুকিয়ে পড়ে।

পুলিশ তন্ন তন্ন করে খুঁজতে থাকে বাড়ির ভেতর। অবশেষে তাকে পাওয়া যায় বাড়ির নিচতলায় রাখা একটি ডিপ ফ্রিজের ভেতর। ফ্রিজ থেকে টেনে বের করা হয় তাকে। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় সাতাশ ব্যাগ মারিজুয়ানা, সাত ব্যাগ হেরোইন।

বর্তমানে ক্রিস্টোফার ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। আর মাদক বিক্রি করবে না এই মর্মে তার কাছ থেকে চল্লিশ হাজার মার্কিন ডলারের একটি বন্ডে স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে।

বিস্তারিত

পরকীয়ার জেরে সন্তানকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ: পরকীয়া প্রেমের জের ধরে নিজ সন্তানকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে শেফালী আক্তার নামে এক গৃহবধূ ও তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের বাড়ৈইপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।
 
পুলিশ জানায়, শেফালীর সাথে পার্শ্ববর্তী মোমেনের দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া চলছে। বিষয়টি নিয়ে তার পরিবারের লোকজনের সাথে মনমালিন্য হওয়ায় নিজ সন্তানদের হত্যার পরিকল্পনা করে শেফালী ও তার প্রেমিক। গতকাল গভীর রাতে পাষণ্ড মা শেফালী বেগম তার প্রেমিক মোমেনকে নিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় তার দুই সন্তান হৃদয় ও শিহাবকে কাঁথায় পেঁচিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যে ঝলসে যায় দুই সন্তানের দেহ। আশপাশের লোকজন সন্তানদের আত্মচিৎকারে বেরিয়ে আসে। কিন্তু অগ্নিদগ্ধ হৃদয় (৯) এর মধ্যে মারা যায়।
 
পুলিশ আরও জানায়, আশপাশের লোকজন আরেক সন্তান অগ্নিদগ্ধ শিহাবকে (৭) উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। নিহত হৃদয় ওই এলাকার লিবিয়া প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের বড় ছেলে। সে ৩৫ নম্বর বাড়ৈইপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। পুলিশ মা শেফালী বেগমকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
 
থানার ওসি এম এ হক জানান, প্রাথমিকভাবে মোমেন ও শেফালী হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এদিকে নিহত স্কুলছাত্র হৃদয়ের লাশ ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। শেফালী ঘটনার সাথে তার জড়িত থাকার বিষয় অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, মোমেন তার ছেলেকে হত্যা করেছে।
 



বিস্তারিত

মা-বাবার মৃত্যুর ৪ বছর পর শিশুর জন্ম!

গাড়ি দুর্ঘটনায় মা-বাবার মৃত্যুর চার বছর পর জন্মালো শিশু। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটির খবর জানিয়েছে চীনা গণমাধ্যমগুলো। খবর বিবিসি ও সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের।

শেন লি এবং তার স্ত্রী লিউ শি ২০১৩ সালের মার্চ মাসে চীনের জিয়াংশু প্রদেশের ইয়েশিংয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। তবে, চীনা ওই দম্পতি ২০১৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার আগে নিজেদের ডিম্বাণু এবং শুক্রাণু আইভিএফ এর মাধ্যমে সন্তান জন্মদানের জন্য সংগ্রহ করে রেখেছিলেন। আইভিএফ মানে হলো ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন, যে প্রক্রিয়ার ডিম্বাণু ও শুক্রাণু আলাদা করে সংগ্রহ করে বাইরে টেস্টটিউবের মাধ্যমে অথবা গর্ভ ভাড়া করে অন্য একজনের গর্ভে প্রতিস্থাপন করে সন্তান জন্মদান করা।

আইনি জটিলতার কারণে শিশুটি চীনের কোনো নারীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করতে পারেনি। তবে জন্মদান প্রক্রিয়াটির অনুমতি পাওয়ার জন্য দম্পতির পিতা-মাতাকে দুইটি ভিন্ন ভিন্ন মামলা লড়তে হয়েছিল। মামলা লড়তে হয়েছিল কারণ চীনে এ সংক্রান্ত কোনও আইন এখনো চালু হয়নি। আর চীনে গর্ভ ভাড়া করা যেহেতু আইনত দণ্ডনীয়, তাই দম্পতির পিতামাতারা পার্শ্ববর্তী দেশ লাওস থেকে ২৭ বছর বয়স্ক এক নারীর গর্ভ ভাড়া নেন।

ছেলে সন্তানটির নাম রাখা হয়েছে শিয়ায়েনশিয়ান, মান্দারিন ভাষায় যেটার অর্থ মিষ্টি।

ছেলেটির জন্মের পর মৃত ওই দম্পতির পিতা-মাতা খুবই খুশী হন। ছেলেটির নানী হু শিংশিয়াং সংবাদমাধ্যমকে জানান, সে সবসময়ই হাসিমুখে থাকে। তার চোখ হয়েছে আমার মেয়ের মতো তবে দেখতে বাবার মতো হয়েছে।

শিশুটি বড় হলে তার জন্মের এই ঘটনাটি জানাবেন বলে জানালো তার দাদা দাদীরা। এর আগ পর্যন্ত তার বাবা-মা বিদেশ থাকেন বলে মিথ্যা অজুহাত দেখাবেন বলেও জানালেন তারা।
বিস্তারিত

জীবাণুমুক্ত কাচের ঘরে ১৩ বছর

এক বছর দুই বছর নয়, দীর্ঘ তেরো বছর ধরে একটি জীবাণুমুক্ত কাচের ঘরে বাস করছেন জুয়ানা মুয়াজ। তবে এই স্প্যানিশ নারী স্বেচ্ছায় এই বন্দী জীবন বেছে নেননি। এর মূল কারণ ভয়ংকর রোগের হাত থেকে বেঁচে থাকার লড়াই, পৃথিবীতে বেঁচে থাকার এক প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা।

প্রায় ২৯ বছর আগে জুয়ানার স্বামী জমি থেকে কয়েকটি আলু তুলে এনে তার হাতে দেন। অন্য আর দশটা স্বাভাবিক দিনের মতো জুয়ানা আলুগুলো পরিষ্কার করছিলেন। কিন্তু হঠাৎ তিনি লক্ষ্য করলেন তার ঠোঁট ও চোখের পাতা ক্রমশ ফুলে যাচ্ছে। কিছুক্ষণের মধ্যে তার সমগ্র শরীর ফুলে যায়। হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডাক্তার জানালেন মাল্টিপল কেমিক্যাল সেন্সিভিটি, ফিব্রোম্যালজিয়া ক্রনিক ফ্যাটিগ এবং ইলেক্ট্রোসেন্সিভিটির মতো ভয়ংকর রোগ বাসা বেঁধেছে তার শরীরে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, এই সবকটি রোগ তার শরীরে এসেছে ওই আলুর সংস্পর্শে। কারণ ওই আলুতে বছর দুয়েক আগে নিষিদ্ধ কীটনাশক ছিটানো হয়েছিল।
 


এরপর থেকেই জুয়ানার কষ্টের জীবনের শুরু। তার শরীর ক্রমশ দুর্বল হয়ে যেতে শুরু করে। সারা শরীরে হতে থাকে ভয়াবহ যন্ত্রণা এবং অ্যালার্জি। এছাড়া তার শরীরে রাসায়নিকের তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। যেকোনো রাসায়নিক, সেটা হোক সাবান কিংবা টুথপেস্টের সংস্পর্শ, তার শরীরে অসহ্য চুলকানি শুরু হতো।

আর এভাবেই একটু একটু করে বাইরের পৃথিবী তার কাছে বিষাক্ত হয়ে উঠতে থাকে। বেঁচে থাকার তাগিদেই তাকে আশ্রয় নিতে হয় বিশেষভাবে তৈরি পঁচিশ মিটার দৈর্ঘ্যের ছোট কাচের ঘরে।

গত ১৩ বছর জুয়ানা এই ঘরেই আছেন। বছরে একবার তিনি এই ঘর থেকে বের হন। হাসপাতালে যান শারীরিক পরীক্ষার জন্য। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাকে কাচের ঘরে ফিরে আসতে হয়। কারণ কাচের ঘরে তিনি যতটা ভালো থাকেন ততটাই খারাপ থাকেন বাইরে।
 


স্বামী সন্তান কাউকে তিনি স্পর্শ করতে পারেন না। কারণ কাউকে যদি তার ঘরে ঢুকতে হয় তবে বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রস্তুতি নিয়ে সম্পূর্ণ রাসায়নিকমুক্ত পানিতে গোসল করে রাসায়নিকমুক্ত কাপড় পরিধান করে নিতে হয়। ফলে একরকম সব কিছু থেকেও না থাকার মতো বিচ্ছিন্ন জীবন কাটাতে হয় তাকে।

সারাদিন স্বচ্ছ কাচের ঘর থেকে জুয়ানা বাইরের অপূর্ব সুন্দর পৃথিবী দেখেন। দেখেন তার পরিবারের সদস্যদের হাসি আর আনন্দ। তবে তিনি কোনো কিছুতেই অংশ নিতে পারেন না। জুয়ানার বিশ্বাস কোনো একদিন তার শরীরের সব রোগ ভালো হয়ে যাবে এবং তিনি আবারো সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের মতো সবার সঙ্গে মিশতে পারবেন, বুকে জড়িয়ে ধরতে পারবেন তার প্রিয় স্বামী ও সন্তানদের।
বিস্তারিত

কৃত্রিম মেঘ তৈরি করে সূর্যকে আটকানোর চেষ্টা

কৃত্রিম মেঘ তৈরি করে বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে সূর্যের তাপ কমিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে বিশ্বের ধনী কিছু দেশে গবেষণা শুরু হয়েছে।

হার্ভার্ড, কেমব্রিজ, এমআইটি, অক্সফোর্ড সহ বিশ্বের শীর্ষ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় 'সোলার জিও ইঞ্জিনিয়ারিং' শীর্ষক এই গবেষণায় নেতৃত্ব দিচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সময় যেভাবে ছাইয়ের আস্তরণ বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে সূর্যকে আড়াল করে দেয় - সেই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াকে অনুসরণ করে জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকানোর উপায় বের করার চেষ্টা চলছে।

তবে আগ্নেয়গিরির ছাই বায়ুমণ্ডলে যতদূর ওঠে - তারও অনেক ওপরে উঠে কৃত্রিম মেঘ তৈরির উপাদান ছড়ানো হবে। এতে করে ঐ আস্তরণ কয়েক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

বলা হচ্ছে, স্ট্রাটোস্ফিয়ার অর্থাৎ বায়ুমণ্ডলের সর্বোচ্চ স্তরে ওই কৃত্রিম আস্তরণ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে গবেষণা চলছে।

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে জাতিসংঘের একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল অবশ্য সোলার জিও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কার্যকারিতা এবং পরিণাম নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। তাদের তৈরি ফাঁস হওয়া একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে - অর্থনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এই প্রযুক্তির প্রয়োগ সম্ভব নয়।

কৃত্রিমভাবে জলবায়ু তৈরির ফলে বিশ্বের কিছু কিছু অঞ্চলে অস্বাভাবিক বন্যা, খরা বা অতিবৃষ্টি বা অনাবৃষ্টি দেখা দিতে পারে কিনা তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকেই।

বায়ুমণ্ডলের অত ওপরে যেতে সক্ষম বিমান আদৌ কবে তৈরি হবে, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।

উন্নয়নশীল দেশগুলোর পরিবেশ বিজ্ঞানীরাও এই গবেষণা নিয়ে উদ্বেগ ও সন্দেহ প্রকাশ করে এই প্রক্রিয়ায় তাদের সামিল করার দাবি করেছেন।

পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সাময়িকী নেচারে বাংলাদেশ সহ ১২টি উন্নয়নশীল দেশের পরিবেশ বিজ্ঞানীরা এক যৌথ নিবন্ধে লিখেছেন- "জলবায়ু পরিবর্তন রোধে এই পদ্ধতি যথার্থ কারণেই বিতর্কিত।"

এতে বলা হয়, "আঞ্চলিক পরিবেশের ওপর এর কী প্রভাব হবে তা এখনই বোঝা সম্ভব নয়, এটা দারুণ সুফল বয়ে আনতে পারে আবার সর্বনাশ ডেকে আনতে পারে"।

বাংলাদেশের পরিবেশ বিজ্ঞানী ড. আতিক রহমান, যিনি নেচারের নিবন্ধের অন্যতম একজন লেখক, বিবিসিকে বলেছেন, "আমরা এই গবেষণার বিপক্ষে নই, তবে আমরা চাইছি জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হোক"।

"ভারত বা বাংলাদেশের আকাশে গিয়ে কেউ মেঘ তৈরি করবেন, সেটা তো হতে পারেনা।"

"আসল কথা হলো - কে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, বায়ুমণ্ডলে কী উপাদান ছড়ানো হবে, তার প্রতিক্রিয়া কী হবে, কোথায় হবে - এরকম নানা নৈতিক প্রশ্ন যেহেতু এখানে রয়েছে, সুতরাং সবাইকে এর সাথে সংশ্লিষ্ট করতে হবে"।বিবিসি

বিস্তারিত

২৪ বছর পর নিখোঁজ মেয়ের সন্ধান

বেজিং: দুই যুগ ধরে সন্ধান করার পর চীনে এক পিতা তার কন্যাকে খুঁজে পেয়েছেন।

২৪ বছর আগে মেয়েকে হারানোর পর তার খোঁজে হন্যে হয়ে গিয়েছিলেন পিতা ওয়াং মিংকিং। কোন একদিন পথে মেয়ের সাথে দেখা হয়ে যেতে পারে এই আশায় বেছে নিয়েছিলেন ট্যাক্সিচালকের পেশাও। তিনি স্বপ্ন দেখতেন যে চেংডু শহরে গাড়ি চালাতে চালাতে হয়তো একদিন তিনি তার হারিয়ে যাওয়া মেয়েকেই যাত্রী হিসেবে তুলে নিয়েছেন।

কিন্তু এবছরের শুরুর দিকে কন্যার সাথে তার যোগাযোগ হয়ে যায়। না, রাস্তায় গাড়ি চালানোর সূত্রে নয়, তাদের মধ্যে যোগাযোগ হয় ইন্টারনেটের কল্যানে। অনলাইনে পিতার একটি পোস্ট দেখে মেয়েটি নিজেই তার সাথে যোগাযোগ করেছিলেন।

আজ মঙ্গলবার তারা আবার একত্রিত হয়েছেন। মি. ওয়াং তার মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেছেন- 'বাবা তোমাকে ভালোবাসে।"

অবিশ্বাস্য এই খবরটি চীনের সংবাদ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে এই ঘটনায় আনন্দ উৎসবও করেছেন।

মেয়ের খোঁজে বছরের পর বছর ধরে লিফলেট বিলিয়েছেন তিনি

মি. ওয়াং এর কন্যা কিফেং হারিয়ে যায় যখন তার বয়স ছিলো মাত্র তিন বছর।

মি. ওয়াং সংবাদ মাধ্যমে জানান, তিনি এবং তার স্ত্রী লিও দেংগিং রাস্তায় ফল বিক্রি করতেন। একদিন মেয়েকে সাথে নিয়ে স্বামী স্ত্রী রাস্তার পাশে একটি স্টল বসিয়ে ফল বিক্রি করছিলেন। একজন ক্রেতার কাছে ফল বিক্রি করা শেষে তিনি হঠাৎ দেখলেন যে তাদের মেয়ে কিফেং তাদের সাথে নেই।

মেয়ের খোঁজে তারা তাদের শহরে ও আশেপাশের এলাকায় বছরের পর বছর ঘুরে বেড়িয়েছেন। পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। পোস্ট দিয়েছেন অনলাইনে। এই দম্পতি তাদের মেয়েকে খুঁজে পাবেন এই আশায় তারা কখনো চেংডু শহর ছেড়ে যাননি। তারা ভেবেছিলেন কিফেং যদি রাস্তা খুঁজে বাড়িতে ফিরে আসে। কিন্তু সেরকমটা হয়নি।

মি ওয়াং তার এই খোঁজ বাড়াতে ২০১৫ সালে যোগ দেন একটি ট্যাক্সি কোম্পানিতে।

তার গাড়ির কাঁচে তিনি মেয়ের সন্ধান চেয়ে একটি বিজ্ঞাপন লাগিয়ে দিয়েছিলেন। যেখানে যেতেন সেখানেই তিনি কিছু কার্ড বিতরণ করতেন যেখানে কিফেং এর ব্যাপারে কিছু তথ্য লেখা ছিলো। যেসব যাত্রীকে তিনি তার গাড়িতে তুলতেন তাদের কাছেও তিনি এই কার্ড বিলি করতেন।

পিতার সাথে দেখা করতে কন্যা তার স্বামীকে নিয়ে ছুটে আসেন

এই দম্পতির আরো একটি মেয়ে আছে।

কিফেং-এর কোন ছবি ছিলো না এই পরিবারটির কাছে। সেকারণে পিতা মি. কিফেং লিফেলটে তার অন্য মেয়ের ছবি ব্যবহার করতেন। কারণ তাদের চেহারায় মিল ছিলো।

তার এই অভিনব কৌশল চীনা সংবাদ মাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, "হয়তো একদিন আমার মেয়ে আমার গাড়িতেই উঠবে।"

র মধ্যে চীনা পুলিশ বেশ কয়েকজন নারীকে চিহ্নিত করে যারা কিফেং হতে পারে বলে তারা ধারণা করেছিলেন। কিন্তু ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা গেছে সেরকম কিছু নয়।

কিন্তু এই সন্ধানে বড় ধরনের অগ্রগতি ঘটে গত বছরের শেষ দিকে। পুলিশ বিভাগের একজন শিল্পী পিতা মি. ওয়াংকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন। বড় হয়ে যাওয়ার পর কিফেং দেখতে কেমন তার একটা ছবি এঁকে দেন তিনি। তারপর সেই ছবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয় অনলাইনে।

তখন চীনেরই হাজার মাইল দূরের একটি জায়গায় কাং ইং নামের এক নারী এই ছবিটি দেখতে পান। তার সাথে ছবিটির এতো মিল দেখতে পেয়ে তিনি চমকে যান।

এবছরের শুরুর দিকে তিনি মি. ওয়াং এর সাথে যোগাযোগ করেন। তার সাথে কথা বলে দেখতে পান মি. ওয়াং এমন কিছু চিহ্নের কথা বলছেন যার সাথে মিলে যাচ্ছে। যেমন তার কপালের ছোট্ট একটি দাগ। আরো বলেন, তার মেয়ে যখন কাঁদতো তখনই তার বমি হতো।

তারপর খুব দ্রুত ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এবার ফল হলো ইতিবাচক- মি. ওয়াং শেষ পর্যন্ত ২৪ বছর আগে হারিয়ে ফেলা তার মেয়েকে খুঁজে পেলেন।

সোমবার তারা একটি ভয়েস ম্যাসেঞ্জার অ্যাপের মাধ্যমে কথা বলেন প্রথমবারের মতো।

"এখন থেকে বাবা তোমার সাথে। কোন কিছু নিয়ে আর তোমাকে চিন্তা করতে হবে না। বাবা তোমাকে সাহায্য করবে," বলেন মি. ওয়াং।

আজ মঙ্গলবার তারা সত্যিকার অর্থেই মিলিত হলেন। উত্তরের ঝিলিন প্রদেশ থেকে বিমানে করে উড়ে এলেন চেংডুতে। সাথে ছিলো তার স্বামী, পুত্র ও কন্যাও।

পরে কাং ইং সাংবাদিকদের কান্না মেশানো কণ্ঠে বলেন, "সবাই বলতো আমার কোন মা নেই। কিন্তু আছে।"

"গত ২৪ বছর ধরে আমি কি ধরনের আশা, হতাশা আর কষ্টের মধ্যে দিয়ে গেছি সেটা আমি আপনাদের বলতে পারবো না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা একে অপরকে খুঁজে পেয়েছি," বলেন মি. ওয়াং।

চীনা সংবাদ মাধ্যমে বলা হচ্ছে, কাং ইং তার পিতার বাড়ি থেকে মাত্র ১২ মাইল দূরের একটি শহরে বেড়ে উঠেছেন। কিন্তু এর বাইরে তিনি আর কিছুই বলেন নি।
বিস্তারিত

নয় বছর ধরে বেগুন চুরির মামলা

সমাজে ঘটে যাওয়া নানা অন্যায়ের বিচার করা হয় আদালতে। সাধারণত বড় বড় অপরাধের বিচারের জন্য মানুষ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে থাকেন। কিন্তু ইতালির একটি আদালতে নয় বছর ধরে চলেছে বেগুন চুরির মামলা।

বেগুন চুরির দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বসবাস ইতালির দক্ষিণাঞ্চালীয় লিস শহরের উপকণ্ঠে। স্ত্রী এবং এক সন্তান নিয়ে অত্যন্ত টানাটানির সংসার তার। একবেলা খাবার জোটে তো অন্য বেলা উপোস। ক্ষুধার তাড়নায় একদিন সাত পাঁচ না ভেবে একজনের বেগুনের জমিতে ঢুকে পড়েন। মালিকের অগোচরে কিছু বেগুন নিয়ে সটকেও পড়েন। তবে মালিকের কাছে ধরা না খেলেও পুলিশের কাছে ঠিকই ধরা খায় ওই ব্যক্তি।

ঘটনাটি ঘটেছিল আজ থেকে প্রায় নয় বছর আগে। ঘটনার পর পুলিশ বাদি হয়ে ওই ব্যক্তির নামে নিম্ন আদালতে মামলা করে। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে এই ব্যক্তি তার কষ্টের জীবনের কথা উল্লেখ করেছিলেন। পাশাপাশি জানিয়েছিলেন, কর্মহীন হওয়ায় ও তার ঘরে কোনো খাবার না থাকায় তিনি সবজি চুরি করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু বেগুন চুরি করেননি।

এই ব্যক্তির দুঃখের কথা শুনে মন গলে নিম্ন আদালতের বিচারকের। যদিও একশ বিশ ইউরো (১ইউরো=১০৫ টাকা) জরিমানা করা হয় তাকে সঙ্গে দেয়া হয় দুই মাসের জেল। তবে এই শাস্তিতে খুশি হয়নি স্থানীয় লিগ্যাল কাউন্সিল। তারা উচ্চ আদালতে এ বিষয়ে আপিল করে।

এরপর নানা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মামলাটি গড়িয়েছে নয় বছর। অবশেষে মামলাটির নিষ্পত্তি হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিটি চুরির কথা স্বীকার করে নেওয়ার ফলে উচ্চ আদালত তার সাজা মওকুফ করে দিয়েছে। এছাড়া তার মানবিক দিকের কথা বিবেচনা না করে জনগণের করের টাকায় দীর্ঘদিন ধরে মামলা পরিচালনা করার জন্য নিম্ন আদালতকে তীব্র ভৎর্সনা করেছে।
বিস্তারিত

অবসর নিতে লিঙ্গ পরিবর্তন?

বর্তমান বিশ্বে লিঙ্গ পরিবর্তন নতুন কিছু নয়। এমন ঘটনা ঘটছে অহরহ। কিন্তু এবার আর্জেন্টিনায় ঘটেছে এক অদ্ভুত কাণ্ড। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে এক ব্যক্তি সরকারি চাকরি থেকে তাড়াতাড়ি অবসর নিতে লিঙ্গ পরিবর্তন করে নারীতে রূপান্তরিত হয়েছেন।

ওই ব্যক্তির নাম সার্জিও লাজারোভিচ। লিঙ্গ পরিবর্তনের পর নাম রেখেছেন সার্জিয়া লাজারোভিচ। আর্জেন্টিনায় সরকারি অনুমোদন সাপেক্ষে লিঙ্গ পরিবর্তন আইনগতভাবে বৈধ।

জানা গেছে, আর্জেন্টিনায় চাকরিজীবী পুরুষদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর। আর নারীদের জন্য তা ৬০ বছর। পাঁচ বছর আগে অবসর নিতেই লিঙ্গ পরিবর্তন করেছেন এই ব্যক্তি, যা দেশটিতে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে।

বিষয়টি গণমাধ্যমের নজরে এনেছেন সার্জিয়ার একজন আত্মীয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক পত্রিকায় এই আত্মীয় বলেন, ‘লিঙ্গ পরিবর্তনের আগে কখনই সে (সার্জিয়া) পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট ছিল না। তার জীবনে অনেকের সঙ্গেই সম্পর্কে জড়িয়েছে সে। এগুলোর সবই ছিল নারী। এমন কি স্ত্রীর সঙ্গে ২৫ বছরের সংসার জীবনের ইতি টানার আগে তাদের কোলজুড়ে এসেছে দুটি কন্যা সন্তান। বিচ্ছেদের পরও সে অনেকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছে। এরাও সবাই নারী ছিল। তাছাড়া জীবনে সে বহুবার সমকামী ও তৃতীয় লিঙ্গের বিরুদ্ধে নানা ধরনের কটুক্তিও করেছে।’

তিনি বলেন, ‘সার্জিয়ার মতে নারীরা পুরুষদের চেয়ে ৫ বছর আগে অবসর পাবে, এটা অন্যায়। সে সব সময়ই বন্ধু ও আত্মীয়দের কাছে এমন অভিযোগ করে আসছিল। এটি এক ধরনের বৈষম্য। এর বিরুদ্ধে আইনজীবীর পরামর্শে আদালতে মামলাও করেছে। কিন্তু মামলায় জয়ী হবে কি না তার কোনো নিশ্চিয়তা নেই। ফলে এই সুবিধা নিতে সে নিজের লিঙ্গ পরিবর্তন করেছে।’

তবে অবসরে সুবিধার নেয়ার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন সার্জিয়া। তিনি বলেছেন, ‘চাকরি থেকে তাড়াতাড়ি অবসর নেয়ার জন্য তিনি লিঙ্গ পরিবর্তন করেননি। এটি করেছেন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণে, যা তিনি প্রকাশ্যে আনতে চাইছেন না।’
বিস্তারিত

কানাইঘাটে ২০ জোড়া দম্পতির যৌতুকবিহীন গণবিবাহ

সিলেটের কানাইঘাটে এক মঞ্চে শুভ পরিণয় সম্পন্ন হয়েছে ২০ জোড়া দম্পতির। উপজেলার বড়চতুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হোসাইন চতুলীর তত্ত্বাবধানে বুধবার দুপুরে মাদানীনগরে প্রকাশিত রাউতগ্রামে তার বাড়ির আঙ্গিনায় বসেছিল তাদের বিয়ের আসর।

ইসলাহুল মুসলিমিন পরিষদ বাংলাদেশের উদ্যোগে গণবিবাহ অনুষ্ঠানে শরিয়ত মোতাবেক ২০ জোড়া যুবক যুবতী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। গণবিবাহ অনুষ্ঠানের আর্থিক সহযোগিতায় মসজিদ-ই আনিসুল ইসলাম ব্লাকর্বোন ইউকে এবং ব্যবস্থাপনায় রয়েছে মুসলিম ওয়েল ফেয়ার ইন্সটিটিউট ইউকে।

আনুষ্ঠানিকতা শেষে নবদম্পতিদের প্রত্যেককে একটি করে সেলাই মেশিন, ১টি ছাগল এবং সংসার সাজানোর জন্য বিবাহ উপহার সামগ্রী এবং আর্থিক ভাবে সাবলম্বী হওয়ার জন্য বিভিন্ন সহযোগিতা প্রদান করা হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে। অনুষ্ঠানে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, আলেম-উলামা, স্থানীয় সাংবাদিক ও জনপ্রতিনিধিরা অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন।

এ ব্যাপারে বড়চতুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হোসাইন জানান, ‘গ্রামের দরিদ্র পরিবারের বিবাহযোগ্য কন্যাদের আর্থিকভাবে অস্বচ্ছলতার কারণে বিবাহ দিতে পারেন না অভিভাবকরা। এদের পাশে দাঁড়িয়েছে ইসলাহুল মুসলিমীন পরিষদ বাংলাদেশ। এ পর্যন্ত তার ইউনিয়নে তিনটি গণবিবাহ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।’

বিস্তারিত

এক রশিতে দুলাভাই-শ্যালিকার মরদেহ!

একই রশিতে একসঙ্গে আত্মহত্যা করেছেন দুলাভাই ও শ্যালিকা।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামে বুধবার সকালে ওই গ্রামের পীরতলা মাঠের একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন, পূর্ব তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের মেয়ে ও নারিকেলবাড়ীয়া জেডএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী কলি খাতুন (১৫) এবং মন্টু মোল্লার ছেলে বিল্লাল হোসেন (২৬)। তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। ১০ দিন আগে তারা পালিয়েও যান বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ঘোড়াশাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পারভেজ মাসুদ লিটন জানান, চার বছর আগে বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে কলির বোন পিংকি খাতুনের বিয়ে হয়। তাদের ২ বছরের একটি সন্তান রয়েছে।

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক শেখ জানান, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। এ ব্যাপারে সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বিস্তারিত

অবসর নিতে লিঙ্গ পরিবর্তন?

রাশিদা নূর: বর্তমান বিশ্বে লিঙ্গ পরিবর্তন নতুন কিছু নয়। এমন ঘটনা ঘটছে অহরহ। কিন্তু এবার আর্জেন্টিনায় ঘটেছে এক অদ্ভুত কাণ্ড। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে এক ব্যক্তি সরকারি চাকরি থেকে তাড়াতাড়ি অবসর নিতে লিঙ্গ পরিবর্তন করে নারীতে রূপান্তরিত হয়েছেন।

ওই ব্যক্তির নাম সার্জিও লাজারোভিচ। লিঙ্গ পরিবর্তনের পর নাম রেখেছেন সার্জিয়া লাজারোভিচ। আর্জেন্টিনায় সরকারি অনুমোদন সাপেক্ষে লিঙ্গ পরিবর্তন আইনগতভাবে বৈধ।

জানা গেছে, আর্জেন্টিনায় চাকরিজীবী পুরুষদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর। আর নারীদের জন্য তা ৬০ বছর। পাঁচ বছর আগে অবসর নিতেই লিঙ্গ পরিবর্তন করেছেন এই ব্যক্তি, যা দেশটিতে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে।

বিষয়টি গণমাধ্যমের নজরে এনেছেন সার্জিয়ার একজন আত্মীয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক পত্রিকায় এই আত্মীয় বলেন, ‘লিঙ্গ পরিবর্তনের আগে কখনই সে (সার্জিয়া) পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট ছিল না। তার জীবনে অনেকের সঙ্গেই সম্পর্কে জড়িয়েছে সে। এগুলোর সবই ছিল নারী। এমন কি স্ত্রীর সঙ্গে ২৫ বছরের সংসার জীবনের ইতি টানার আগে তাদের কোলজুড়ে এসেছে দুটি কন্যা সন্তান। বিচ্ছেদের পরও সে অনেকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছে। এরাও সবাই নারী ছিল। তাছাড়া জীবনে সে বহুবার সমকামী ও তৃতীয় লিঙ্গের বিরুদ্ধে নানা ধরনের কটুক্তিও করেছে।’

তিনি বলেন, ‘সার্জিয়ার মতে নারীরা পুরুষদের চেয়ে ৫ বছর আগে অবসর পাবে, এটা অন্যায়। সে সব সময়ই বন্ধু ও আত্মীয়দের কাছে এমন অভিযোগ করে আসছিল। এটি এক ধরনের বৈষম্য। এর বিরুদ্ধে আইনজীবীর পরামর্শে আদালতে মামলাও করেছে। কিন্তু মামলায় জয়ী হবে কি না তার কোনো নিশ্চিয়তা নেই। ফলে এই সুবিধা নিতে সে নিজের লিঙ্গ পরিবর্তন করেছে।’

তবে অবসরে সুবিধার নেয়ার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন সার্জিয়া। তিনি বলেছেন, ‘চাকরি থেকে তাড়াতাড়ি অবসর নেয়ার জন্য তিনি লিঙ্গ পরিবর্তন করেননি। এটি করেছেন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণে, যা তিনি প্রকাশ্যে আনতে চাইছেন না।’
বিস্তারিত

পানির সঙ্গে প্লাস্টিক খেয়ে খাচ্ছেন না তো?

মাহমুদুল হাসান আসিফ : নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্লাস্টিকের বোতলজাত পানিতে প্রচুর পরিমাণে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক প্লাস্টিকের কণা থাকে, যা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর।

প্লাস্টিকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে আমরা প্রত্যেকেই কম বেশি জানি। দৈনন্দিন কাজে আমরা নানা ধরনের প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহার করে চলেছি, যা পুনরায় ব্যবহার করার অযোগ্য হওয়ায় কঠিন এবং ক্ষতিকর আবর্জনায় পরিণত হচ্ছে। প্লাস্টিকের পানির বোতলও ঠিক একই ধরনের বর্জ্য। প্লাস্টিকের পানির বোতল অন্যান্য প্লাস্টিকজাত আবর্জনার সঙ্গে একত্রিত হয়ে নদীনালায় গিয়ে মিশছে, যা বাস্তুসংস্থান নষ্ট করার পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশের চরম ক্ষতিসাধন করছে। এখন আমরা হয়তো বুঝতে পারছি যে, প্লাস্টিকের ব্যবহার আমাদের জন্য খুব একটা ভালো নয়।

তাছাড়া, প্রতিনিয়ত প্লাস্টিকের বোতলে পানি খাওয়ার ফলে প্রচুর প্লাস্টিকের ক্ষুদ্র কণা আমরা খেয়ে ফেলছি। এক চুমুক পানিতে যে পরিমাণ প্লাস্টিকের ক্ষুদ্র কণা থাকে তা আমাদের চিন্তার বাইরে।

নতুন এক গবেষণা অনুযায়ী, প্লাস্টিকের বোতলজাত পানিতে এতো পরিমাণ আণুবীক্ষণিক প্লাস্টিকের কণা থাকে যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং এর ফলে স্বাস্থ্যের চরম অবণতি হয়। বিবিসির এক রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্লাস্টিকের মাধ্যমে সৃষ্ট স্বাস্থ্য ঝুঁকির দিকগুলো খতিয়ে দেখার পরিকল্পনা করেছে।

প্লাস্টিকের আণুবীক্ষণিক কণাগুলো আসলে অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক যা বোতলজাত বা প্যাকেটজাত যেকোনো খাদ্য পণ্যে মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। এক জরিপ অনুযায়ী, প্রতিবছর ২,৭৫,০০০ মেট্রিকটন প্লাস্টিক বিভিন্ন পানির উৎসে মিশ্রিত হচ্ছে, যার ফলে চরম পানিদূষণ সৃষ্টি হচ্ছে।

নিউ ইয়র্ক স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক প্লাস্টিকের পানির বোতলে আণুবীক্ষণিক প্লাস্টিকের কণার উপস্থিতির পরীক্ষা করেন। তারা ৯টি দেশে আন্তর্জাতিকভাবে বিক্রিত ১১টি কোম্পানির মোট ২৫৯ বোতল পানির ওপর এই পরীক্ষা চালান। দেখা যায় যে, এক লিটার পানিতে গড়ে আণুবীক্ষণিক প্লাস্টিকের কণার পরিমাণ ১০.৪। কিছু বোতলে কোনো প্লাস্টিকের কণা পাওয়া যায়নি এবং নেসলে কোম্পানির এক লিটার পানির বোতলে ১০,০০০ আণুবীক্ষণিক প্লাস্টিকের কণা পাওয়া যায়। গবেষণায় আরো পাওয়া গেছে যে, কোনো ব্যক্তি যদি প্রতিদিন প্লাস্টিকের বোতলজাত এক লিটার পানি পান করেন তাহলে তার শরীরে এক বছরে ১০,০০০ প্লাস্টিকের আণুবীক্ষণিক কণা প্রবেশ করবে।

আণুবীক্ষণিক প্লাস্টিকের কণা প্রকৃতপক্ষে মানবদেহের কি ক্ষতি করে তা না জানা গেলেও, মানবদেহে প্লাস্টিকের অস্তিত্ব গড়ে ওঠা খুব একটা ভালো দিক বলে মনে করেন না গবেষকগণ। মাছের দেহে প্লাস্টিকের অস্তিত্ব গড়ে ওঠার ফলাফল সম্পর্কে জানা গেছে অনেক আগেই। আচরণগত পরিবর্তনের পাশাপাশি হরমোনের পরিবর্তন এরকম নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে।

প্লাস্টিকের বোতলজাত পানিতে প্লাস্টিকের মিশ্রণ, বিষয়টা আসলেই ভয়ের। আরেক গবেষণায় দেখা গেছে যে, পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহকৃত ৮৩ শতাংশ পানিতে প্লাস্টিকের আণুবীক্ষণিক কণা রয়েছে। প্লাস্টিকের বোতলের তুলনায় পাইপলাইনের পানিতে প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ প্লাস্টিকের কণা থাকে।

আসলে সমস্যাটির উপযুক্ত কোনো সমাধান বের করা অত্যন্ত কঠিন। কোম্পানি এবং সরকারি বিভিন্ন সংস্থা বোতল বা পাইপলাইনে পানি প্রবেশের আগে তা পরিশুদ্ধ করে নিতে পারে কিন্তু তাতে করে খুব একটা সুবিধা হবে বলে মনে হয় না। অন্যান্য প্লাস্টিকজাত পণ্যের বেলায়ও একই সমস্যার সম্মুখীন হয়ে আছি আমরা। ভালোমতো পানি পরিশোধন বিরাট এই সমস্যার সাময়িক একটা সমাধান হতে পারে কিন্তু কোনো পরিপূর্ণ সমাধান নয়। একটি বাস্তুসংস্থানে মানুষের পাশাপাশি অনেক জীবজন্তু বসবাস করে। প্লাস্টিক ব্যবহার মানুষসহ পরিবেশে বসবাসকারী প্রত্যেকটি প্রাণীর চরম ক্ষতি করে চলেছে প্রতিনিয়ত। সকল দেশের সরকার যদি একযোগে প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করে দেয় তাহলে এই সমস্যার একটা কার্যকরী সমাধান হতে পারে।

তথ্যসূত্র : ফিউচারিজম
বিস্তারিত

মৃত্যু স্মরণ করিয়ে দেবে যে রেস্তোরাঁ

ক্রেতা আকৃষ্ট করতে ক্যাফে বা রেস্তোরাঁর মালিকরা নানা রকম পথ বেছে নেন। এ জন্য তারা ক্রেতাদের সামনে নিয়ে আসেন অভিনব বিষয়বস্তু।

‘ক্যাট ক্যাফে’, ‘টয়লেট ক্যাফে’সহ নানা রকম অদ্ভুত রেস্তোরাঁর কথা অনেকই শোনা যায়। তবে থাইল্যান্ডের একটি ক্যাফে তার নামে এবং বিষয়বস্তুতে অন্য সবগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে। রাজধানী ব্যাংককের উপকণ্ঠে মৃত্যুর বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে তৈরি এই ক্যাফে। নাম ডেথ ক্যাফে বা মৃত্যু ক্যাফে।

 



মৃত্যুর সকল অনুসঙ্গ নিয়ে সাজানো এই ক্যাফের খাবারের নামগুলোও ভীতিকর। যন্ত্রণা, ব্যাথা, অসুখ, মৃত্যু এসব নামেই সাজানো হয়েছে খাবারের তালিকা। মৃত্যুর পর যেসব ফুল দিয়ে মৃত ব্যক্তিকে শ্রদ্ধা জানানো হয় সেই সব ফুল দিয়েই সাজানো হয়েছে ক্যাফের চারপাশ। শুধু তাই নয়, দেয়ালে লেখা রয়েছে, ‘মৃত্যুর পর কিছুই সঙ্গে নিতে পারবে না’ কিংবা ‘তুমি কি মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত?’ ইত্যাদি বাণী। এক প্রান্তে রাখা হয়েছে একটি কফিন। বিশ থাই বাথের বিনিময়ে যে কেউ চাইলে এই কফিনে শুয়ে মৃত ব্যক্তির অনুভূতি নিতে পারবে।

এত কিছু থাকতে মৃত্যুকেই কেন বিষয়বস্তু হিসেবে নেয়া হয়েছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে ক্যাফের উদ্যোক্তা কিড মেই স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘এটি একটি মৃত্যু সচেতনতা ক্যাফে। এখানে এসে মানুষ সেই শিক্ষাই পাবে যার দ্বারা সে তার জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করবে।’
বিস্তারিত

আসছে উড়ন্ত ট্যাক্সি

এয়ারবাসের ফ্লাইং ট্যাক্সি ধারণাকে আরো আধুনিক করার উদ্যোগ নিয়েছে জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অডি। অর্ধেক গাড়ি ও অর্ধেক ড্রোন হতে চলেছে ভবিষ্যতের ট্যাক্সি। ইতালির ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি ইটালোডিজাইন যৌথভাবে এই ড্রোন ট্যাক্সি তৈরির কাজে এগিয়ে এসেছে। ঢাকার মতো বিশ্বের মেগাসিটিগুলোতে ট্রাফিক জ্যাম এড়াতে এ ধরণের উড়ন্ত ট্যাক্সির কথা ভাবছে সংশ্লিষ্টরা।

জার্মান গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি অডি এমন এক ট্যাক্সি তৈরি করতে যাচ্ছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাত্রীকে রাস্তায় যেমন এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাবে, তেমনি আকাশ পথে উড়েও গন্তব্যে নিয়ে যেতে পারবে।

একবার ব্যাটারি চার্জ করার পর ট্যাক্সিটি ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে ১৩০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারবে। ক্যাপসুল আকৃতির এ ট্যাক্সিটি যাত্রীদের চেহারা শনাক্ত করবে, ডিসপ্লেতে রাস্তার পরিস্থিতি জানিয়ে দেবে। বেশি যানজটে পড়লে যাত্রীরা বাহনটিকে বলতে পারবে আকাশে উড়িয়ে নেয়ার কথা। গন্তব্যে যাত্রীকে পৌঁছে দিয়ে বাহনটি নির্দিষ্ট রিচার্জ স্টেশনে গিয়ে দাঁড়াবে। সেখান থেকে আবার নতুন যাত্রী খুঁজে নেবে।

ক্যাপসুলগুলো ৮ ফুট ৫ ইঞ্চি লম্বা, ১৬ ফুট চওড়া ও ৪ ফুট ৫ ইঞ্চি উঁচু হবে। আর ড্রোনের মতো মডিউলটা ১৪ ফুট ৪ ইঞ্চি লম্বা, ২ ফুট ৮ ইঞ্চি উঁচু ও ১৬ ফুট ৪ ইঞ্চি চওড়া হবে। এর প্রপেলারগুলোর দৈর্ঘ্য হবে ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি।

এই পপ ডট আপ বাহনের ধারণা প্রথমে এয়ারবাস কোম্পানি দেয়। এরপর জার্মান কোম্পানি অডি পুরোপুরি ইলেকট্রিক, স্বয়ংক্রিয় ট্যাক্সি ড্রোনের ধারণা নিয়ে আসে।

অডি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের এই প্রকল্প ভবিষ্যতে ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত হবে। আর ট্যাক্সি ড্রোনগুলো ২০২৪ সাল থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে বাজারে নিয়ে আসা সম্ভব। বর্তমানে বিশ্বের মেগাসিটিগুলোতে যানজট নিরসনের বিষয়টা যখন খুব জরুরি, তখন ইতালিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি ইটালোডিজাইনের সাথে একজোট হয়ে সময়োপযোগী এই ট্যাক্সি ড্রোন তৈরি করতে যাচ্ছে অডি। পরিবেশ বান্ধব পপ ডট আপ নামের এই ট্যাক্সি ড্রোনগুলো ভবিষ্যতে মানুষের শহুরে জীবনকে আরো সহজ করে তুলবে।

সূত্র: ডেইলি মেইল 
বিস্তারিত

চুরি ঠেকাতে অভিনব পন্থা

বিয়ার অল। বেলজিয়ামের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বিয়ারের দোকান। তবে তাদের জনপ্রিয়তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দোকানের বিয়ারের গ্লাস চুরি।

বিয়ার অল কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তৈরি চমৎকার গ্লাসে করে ক্রেতাদের মাঝে বিশেষ বিয়ার পরিবেশন করা হয়। এই গ্লাসগুলো এতটাই আকর্ষণীয় এবং ভিন্নধর্মী যে দোকানে আসা ক্রেতারা যাওয়ার সময় নিজেদের মান-সম্মানের দিকে না তাকিয়ে গ্লাসগুলো চুরি করে নিয়ে যায়। ফলে প্রতি বছর গড়ে চার হাজার গ্লাস দোকান থেকে হারিয়ে যায়।

ফলে চুরি ঠেকাতে কর্তৃপক্ষ বেছে নিয়েছেন অভিনব পন্ধা। বলা যায়, দোকান মালিক অনেকটা বাধ্য হয়েই প্রতিটি গ্লাসে সিকিউরিটি সেন্সর লাগিয়েছেন। যখনই কেউ গ্লাস নিয়ে দোকানের সদর দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে তখনই অ্যালার্ম বাজাবে বিশেষভাবে তৈরি এই সেন্সরগুলো।

স্থানীয় একটি পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষৎকারে দোকানের মালিক ফ্লিপ মায়েজ বলেন, ‘প্রতি ছয় মাস পরপর আমরা চারশ গ্লাস বিশেষভাবে তৈরি করি। যেটা বেশ ব্যয় সাপেক্ষ। কিন্তু দোকানে পান করতে আসা অনেকেই যাওয়ার সময় লজ্জার মাথা খেয়ে গ্লাসগুলো নিয়ে যায়। যার জন্য প্রতি বছর আমাদের বিপুল অঙ্কের অর্থ লোকসান দিতে হয়। আশা করি সেন্সরগুলো গ্লাস চুরি ঠেকাতে সাহায্য করবে।’
বিস্তারিত

ঢাক-ঢোল পিটিয়ে ছাগলের বিয়ে

বিয়ের জন্য হিন্দু বিবাহ রীতি অনুযায়ী ছায়ামণ্ডপ, পুষ্পমাল্য, গায়ে হলুদ, আশীর্বাদ, ধান-দূর্বা, ভোজন— সব ধরনের ব্যবস্থাই রয়েছে। প্রায় পাঁচশত মানুষ বিয়ের সাক্ষী হতে হাজির। তবে কোনো মানুষের বিয়ের জন্য এমন আয়োজন নয়। এ সবই ছাগলের বিয়ের জন্য!

সম্প্রতি অদ্ভুত এই বিয়ের আয়োজন করা হয় ভারতের উত্তরখন্ড রাজ্যের পানতুয়ারি গ্রামে। দিনব্যাপী চলে অনুষ্ঠান। কোন ছাগলের সঙ্গে বিয়ে হবে তা বাছাইয়েরও সুযোগ ছিল। কেননা আগে থেকে ছাগল নির্ধারণ করা ছিল না। বাছাই শেষে রং মেখে নেচে-গেয়ে আনন্দ-ফূর্তির মাধ্যমে ছাগলের বিয়ে দেয়া হয়। বলিউড নায়িকাদের সঙ্গে মিল রেখে ছাগলের নামও রাখা হয় এ সময়।

স্থানীয় একটি বেসরকারী সংস্থার উদ্যোগে গত বছর থেকে এই ধরনের বিয়ের আয়োজন শুরু হয়। মূলত ছাগল পালন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যই এটা করা হয়েছে। সংস্থাটির কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উন্নত জাতের ছাগলের মাংস ও দুধ উৎপাদনের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে তারা ব্যতিক্রম এই বিয়ের আয়োজন করেছে। অনেক বিদেশি পর্যটকও বিষয়টি উপভোগ করেন।
বিস্তারিত

শিশুর খেলার সঙ্গী অজগর!

অ্যালিসার বয়স তখন মাত্র ১৪ মাস। এই বয়সের একটি শিশুর সারাদিন কাটে নানা রকম খেলনা সামগ্রী নিয়ে। অ্যালিসাও তার বয়সি শিশুদের থেকে ব্যতিক্রম ছিল না। তারও দিন কেটেছে খেলে। তবে আর দশটা শিশুর চেয়ে তার খেলার সঙ্গী ছিল ভিন্ন। তের ফুট লম্বা অজগর সাপের সঙ্গে খেলে বড় হয়েছে সে।

অ্যালিসার বাবা জেমি গাউরিনো সাপুড়ে। বাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েট শহরে। সাপ পোষা তার শখ। সাপ যে মানুষের পোষা প্রাণী হতে পারে এটা বোঝানোর জন্য তিনি তার মেয়ের সাথে সাপের খেলা করার দৃশ্যটি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। আর তাতেই চমকে উঠেছেন অনেকে। 

দৃশ্যটি ছয় বছর আগে ধারণ করা হলেও গত মঙ্গলবার জেমি তার ফেসবুক পাতায় ভিডিওটি দিয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে। অধিকাংশ মানুষ ভিডিওটি দেখে ভয়ে শিউরে উঠেছেন। অনেকেই পোষা অজগর সাপ নিয়ে তাদের বাজে অভিজ্ঞতার কথা কমেন্ট বক্সে লিখেছেন।

এত আগে ধারণ করা ভিডিও এখন ফেসবুকে দেওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হলে জেমি জানান, সাপকে মানুষ যতটা ক্ষতিকর ভাবে আসলে সাপ ততটা ক্ষতিকর নয়। একটি কুকুরের চেয়েও সাপ মানুষের জন্য কম ক্ষতিকর। এটিও একটি চমৎকার পোষা প্রাণী হয়ে মানুষের ঘরে থাকতে পারে। সাপ সম্পর্কে মানুষের মন থেকে নেতিবাচক ধরণা দূর করতেই তিনি এতদিন পরে ভিডিওটি ফেসবুকে দিয়েছেন।
বিস্তারিত

সমুদ্র সৈকতে শতাব্দীপ্রাচীন বোতল

অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র সৈকত থেকে উদ্ধার হলো শতাব্দীপ্রাচীন জার্মান বোতল৷ সেই বোতলের ভিতরে মিলেছে সমুদ্র গবেষণার চমকপ্রদ সব তথ্য৷ বোতলটি নিয়ে আসা হয়েছে হামবুর্গে৷

মহাসাগরের প্রকৃতি কেমন? কোনদিকে স্রোত? সেই স্রোতের বেগই বা কত? এসব প্রশ্ন নতুন নয়৷ বহুকাল ধরে এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিলেন বিজ্ঞানীরা৷ অনেক তথ্য পাওয়া যায়, আবার অনেক কথা জানাও যায় না৷ অজানা তেমনই এক আশ্চর্য তথ্য জানা গেল এতদিন পর৷ একটি বোতলেরকারণে৷

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার একটি প্রায় অচেনা সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গিয়েছিলেন টনিয়া ইলম্যান৷ হঠাৎই বালির মধ্যে প্রায় ডুবে থাকা একটি বোতল দেখতে পান তিনি৷ টনিয়া জানতেন, খুব বেশি মানুষ ওই সমুদ্রসৈকতে যান না৷ তাহলে কে ফেলে গেল ওই বোতল? নিছকই কৌতূহলের বশে বোতলটি কুড়িয়ে নেন তিনি৷ দেখেন, বহু পুরনো ওই বোতলটির ভিতরে সন্তর্পণে রাখা আছে একটি ফর্ম৷ বাড়ি নিয়ে গিয়ে সেই ফর্ম শুকনো করেন টনিয়া৷ দেখেন জার্মান ভাষায় কিছু লেখা রয়েছে ভিতরে৷ কাল বিলম্ব না করে টনিয়া বোতলসুদ্ধ ফর্মটি অস্ট্রেলিয়ার একটি জাদুঘরে নিয়ে যান৷

পরীক্ষা করে দেখা যায়, ১৮৮৬ সালের ১২ জুন ওই বোতলটি সমুদ্রে ফেলা হয়েছিল একটি জার্মান জাহাজ থেকে৷ ভিতরের ফর্মে লেখা আছে কত ডিগ্রি অক্ষাংশ এবং দ্রাঘিমাংশ থেকে ওই বোতল জলে ফেলা হয়েছে৷ নাবিকের নাম, পরীক্ষকের নাম সবই লেখা আছে সেখানে৷ ফর্মের উল্টোদিকে বলা হয়েছে, বোতলটি পাওয়া মাত্র যেন হামবুর্গের সমুদ্র গবেষণাকেন্দ্রে  পাঠিয়ে দেওয়া হয়৷

১৮৮৬ সালে বার্ক শিপ পাউলা নামের একটি জাহাজ কার্ডিফ থেকে মাকাসারের দিকে রওনা হয়েছিল৷ সেই জাহাজ থেকেই বোতলটি ফেলা হয়৷ বস্তুত, সেই সময় জার্মান সমুদ্র বিজ্ঞানী জর্জ ফন নিউমায়ার একটি গবেষণা করছিলেন৷ বিভিন্ন অঞ্চলের সমুদ্রে বোতল ফেলে তিনি পরীক্ষা করছিলেন মহাসাগরীয় স্রোত এবং বেগ৷ বোতল ফেলার পর বেশ কিছু উদ্ধারও হয়েছিল ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে৷ তা থেকে একটি ধারণাতেও পৌঁছেছিলেন তিনি৷ তবে বহু বোতলই নিখোঁজ হয়ে যায়৷ এর আগে ১৯৩৪ সালে ডেনমার্কেও এ ধরনের একটি বোতল পাওয়া গিয়েছিল৷ এবার পাওয়া গেল অস্ট্রেলিয়ায়৷

জার্মান গবেষকেরা জানিয়েছেন, বোতলের ফর্মে থাকা সমস্ত তথ্য সেই সময় পাউলা জাহাজের নাবিকের দেওয়া তথ্যের ফাইলের সঙ্গে মিলে গিয়েছে৷ ওই বোতল এবং ফর্ম কিছুদিনের মধ্যেই দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে৷ হামবুর্গের মহাসগারীয় জাদুঘরে ওই ধরনের আরো কিছু বোতলও রাখা আছে বলে জানা গিয়েছে৷


বিস্তারিত

দুর্নীতির দায়ে মেয়রের অদ্ভুত সাজা

আইন সকলের জন্য সমান। কিন্তু যারা আইন প্রণয়ন করেন সেই আইন  প্রণেতা, জনপ্রতিনিধিরা একথা প্রায়ই ভুলে যান। তবে বলিভিয়ার সান বউনাভেনতুরা মফস্বল শহরে সেটা প্রায় অসম্ভব।

এই শহরের জনগণ প্রায়ই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ধরে অদ্ভুত রকমের শাস্তি দেন। এ কাজ তারা করেন এই কারণে যাতে তারা আইনের রক্ষক হয়ে ভক্ষকে পরিণত না হন। সম্প্রতি শহরের স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্নীতির অভিযোগে তাদের মেয়রের এক পা কাঠের তক্তার মধ্যে আটকে রেখেছিলেন।

স্থানীয় পৌরসভা ও সরকারী বরাদ্দের অর্থ দিয়ে একটি সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন মেয়র জাভিয়ার দেলগাদো। কিন্তু তিনি যখন সেখানে পৌঁছান তখন বুঝতে পারেন, সেতুর উদ্বোধন দেখতে নয়, বরং লোকজন অন্য একটি কারণে তার জন্য অপেক্ষা করছে। কোনো কিছু ভালো করে বুঝে ওঠার আগেই উপস্থিত জনতা মেয়রের পা তক্তার সঙ্গে বেঁধে ফেলেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে লা রাজন পত্রিকাতে বলা হয়েছে, ‘আমা কুহইলা, আমা লুলা, আমা সুওয়া’অর্থাৎ ‘অলসতা করবে না, মিথ্যা বলবে না, চুরি করবে না’ নামে প্রচলিত সামাজিক বিচারের রীতিতে মেয়রকে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। কারণ তিনি একটি সেতু তৈরির টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এর আগে দুবার মেয়রকে এ ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়েছিল।

তবে লা রাজনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেয়র বলেছেন ভিন্ন কথা। তিনি তার বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি ব্যাখ্যা করার আগেই তার সঙ্গে এমনটা করেছে। তিনি মনে করছেন, বিরোধী পক্ষ তাকে হেয় করার জন্য তার নামে দুর্নীতির কেচ্ছা রটিয়েছে। এতে তার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়েছে সাধারণ মানুষ। যদিও তার কথাগুলো বুঝিয়ে বলার পর তার কাছে সবাই ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানান মেয়র।

বিস্তারিত

মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকরা বুঝলেন ভুল রোগী এনেছেন

দীর্ঘদিন ধরে মাথায় জমাট বেঁধে থাকা রক্ত সরাতে রোগীর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করছিলেন চিকিৎসকরা। খুলির একটা অংশ খুলে তন্ন তন্ন করে জমাট বাঁধা রক্ত খুঁজছিলেন তারা। সেটা কিছুতেই না পেয়ে শেষে রোগীর হাতের ট্যাগ দেখে বুঝতে পারেন ভুল করে অন্য রোগীর অপারেশন শুরু করেছেন তারা। সঙ্গে সঙ্গে যাবতীয় কর্মকাণ্ড বন্ধ করে স্টিচ করে রোগীকে ওয়ার্ডে নিয়ে আসা হয়। সৌভাগ্যের বিষয় বড় কোনও বিপদ ঘটেনি রোগীর। তিনি সুস্থ রয়েছেন। আর যার মাথায় রক্ত জমাট বেঁধে ছিল। তাঁর অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়েনি। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

এঘটনা ভারতের কোনও রাজ্যের নয়। এঘটনা কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির কেনিয়াট্টা ন্যাশনাল হাসপাতালের। ঘটনায় হাসপাতালের ৪ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তারমধ্যে রয়েছেন একজন নিউরোসার্জেন, একজন ওয়ার্ড নার্স, ওটি রিসিভিং নার্স এবং অ্যানেস্থেসিস্ট। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাসপাতালের সিইও।

যে রোগীর অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা থাকে, তাঁদের নাম আলাদা করে ট্যাগে লেখা থাকে। তার পরেও কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা নিয়ে সন্দেহ দানা বাঁধছে। অভিযুক্তদের দাবি যে নার্স রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়ার জন্য তৈরি করেছিলেন তিনিই গণ্ডগোল পাকিয়েছেন।


বিস্তারিত

বাদুড়ের মতো শব্দ দেখতে পান এই দৃষ্টিহীনেরা

ড্যানিয়েল কিশ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। কিন্তু তার রয়েছে অদ্ভুত এক শক্তি।

তিনি মুখে ক্লিক ক্লিক শব্দ করে তার প্রতিধ্বনি থেকে বস্তুর অবস্থান শনাক্ত করতে পারেন।

বাদুড়ও রাতের বেলা ওড়ার সময় এই 'একোলোকেশন' পদ্ধতি ব্যবহার করে এবং শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে অন্ধকারে সহজ ওড়া উড়ি করতে পারে।

এখন নতুন এক গবেষণায় জানা যাচ্ছে যে কিছু কিছু মানুষ, যারা চোখে দেখতে পান না, তারও এরকম পদ্ধতির ব্যবহার জানেন।

প্রতিধ্বনিকে ব্যবহার করে তারা 'শব্দকে দেখতে পান।'

এই গবেষণার ফলাফল সম্প্রতি ব্রিটেনের রয়্যাল সোসাইটির জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

এই ফলাফলে বলা হচ্ছে: বাদুড়ের মতোই দক্ষ একোলোকেটাররা তাদের শব্দের তীব্রতা বাড়িয়ে দেন।

কোন বস্তু দৃষ্টিহীন মানুষের পাশে চলে গেলে বা পেছনে চলে গেলে তারা আরও ঘন ঘন ক্লিক ক্লিক করে শব্দ করতে থাকেন।

"ভিন্ন ভিন্ন মানুষ ভিন্নভাবে এই আওয়াজ করে থাকেন," বলছেন ড্যানিয়েল কিশ, যিনি নিজেও এই পরীক্ষার একজন গবেষক।

"মুখের তালুর সাথে জিহ্বা দিয়ে ক্লিক শব্দ তুলে আমি এই কাজটা করি," বলছেন তিনি, "আশেপাশের শব্দ ভেদ করে এই শব্দ ছুটে যায় চারপাশে এবং আবার ফিরে আসে।"

"শব্দটি এতই তীক্ষ্ণ হয় যে কয়েকশো মিটার দূর থেকে ফিরে আসার পরও আমি তার প্রতিধ্বনি শুনতে পাই।"

একোলোকেশন নিয়ে যেসব গবেষণা চলছে তার থেকে জানা যাচ্ছে যে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে শুধু বস্তুর অবস্থান সম্পর্কেই জানা যায় না।

বস্তুর আকার, দূরত্ব, এবং এমনকি বস্তুটি কী দিয়ে তৈরি তাও জানা সম্ভব।

ড. লোর থেলার হচ্ছেন একোলোকশেনের ওপর ব্রিটেনের ডারাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের প্রধান।

তিনি জানালেন, তাদের গবেষণায় তারা আটজন দৃষ্টিহীন কিন্তু দক্ষ একোলোকেটরকে একটা ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে দেন।

এরপর এরা কানে আঙুল ঢুকিয়ে গুনগুন করে শব্দ করতে থাকেন।

তখন গবেষকরা নীরবে একটা ধাতব গোলাকার চাকতি ঘরের কোন একটা জায়গায় বসিয়ে দেন।

এরপর একোলোকেটারদের গায়ে স্পর্শ করে তাদের গুনগুন করা থামাতে বলেন এবং ক্লিক ক্লিক করে শব্দ করতে বলেন।

এই গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে সামনের কোন বস্তুর চেয়ে পাশের বস্তুর অবস্থান বের করতে একোলোকেটারদের বেশি করে শব্দ তৈরি করতে হয়।

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই বিষয়ে আরও গবেষণা হলে ভবিষ্যতে অন্ধ মানুষও শব্দ ব্যবহার করে সহজে চলাফেরা করতে পারবেন।
বিস্তারিত

  • ‘ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে ঢাবি প্রশাসন’
  • প্যারিসে সবুজ বাংলা বুশারি শপের উদ্ভোধন
  • সাংবাদিক কামরুলের উপর হামলাকারীদের গেপ্তারের দাবীতে সিলেটে মানববন্ধন
  • করমর্দন না করায় নাগরিকত্ব আবেদন বাতিল
  • ক্যাসিও’র পানিরোধক স্মার্ট ঘড়ি
  • জাতিসংঘের ৩ সংস্থার নির্বাচনে বাংলাদেশের বিজয়
  • গুঞ্জন উড়ালেন কিয়ারা
  • ‘অসহায় শিল্পীদের পাশে দাঁড়াতেই কনসার্টে অংশ নিচ্ছি’
  • পরের ম্যাচ জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বার্সা
  • বোলিংয়ে বিবর্ণ সাকিবের ব্যাটে ঝড়, হায়দরাবাদের প্রথম হার
  • দুই সিটিতে ২০ দলীয় জোটের চার কমিটি
  • বিচ্ছিন্ন নয়, সামগ্রিক আন্দোলন চান ফখরুল
  • বিএনপির ঐক‌্য সরকারকে পীড়া দিচ্ছে : রিজভী
  • শাবিতে বিভাগীয় প্রধান কর্তৃক শিক্ষক লাঞ্ছনার অভিযোগ
  • টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় শেখ হাসিনা
  • জাতীয় বাজেট সামনে রেখে ব্যবসায়ীদের সাথে সিলেট চেম্বারের মতবিনিময়
  • সুনামগঞ্জ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক পদে লড়ছেন ১০ জন
  • ফেঞ্চুগঞ্জে পাচারকালে ৬৬ বস্তা রিলিফের চাল জব্দ
  • ধর্ম অবমাননার অভিযোগে তসলিমা-সুপ্রীতিদের বিরুদ্ধে মামলা
  • শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করলেন ট্রুডো
  • মুসলমানরাই সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসের শিকার: বান কি মুন   ৫০৬৯৮
  • ছলনাময়ী নারীদের চেনার উপায়   ১৪৮৬৭
  • মেয়র কালামের পায়ের নিচে ওসি আতাউর শার্ট খুলে লিনডাউন,তারপর জুতো পেটার প্রস্তাব   ১৪৭৯৬
  • জুমার নামাজ ছুটে গেলে কী করবেন?   ১৩৪২৩
  • ​চিনা কোম্পানিকে কাজ দিতে প্রতিমন্ত্রী তারানার স্বাক্ষর জাল   ৯৪২৫
  • জেনে নিন ছুলি দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায়   ৯৩০০
  • মুসাফির কাকে বলে? মুসাফিরের রোযা ভঙ্গ করলে   ৮৯১৭
  • ডিমের পর স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে সোনালি মুরগি   ৮৭৬১
  • গরুর দুধের অসাধারণ কয়েকটি গুণ   ৮৪৬৯
  • ঋণখেলাপি নই-হুন্ডি ব্যবসায়িও নই,সম্পত্তি নিলামের খবর অপপ্রচার-নাসির   ৮৪৬০
  • খতমে ইউনুস নামে সামাজে চলে আসা জালিয়াতী   ৭৮৫৮
  • মুঘল সম্রাটদের দিনযাপন   ৭০১০
  • হযরত শাহ্‌ জালাল ইয়েমেনী (রাঃ)-এঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী   ৬৪৫৩
  • চিত্রনায়িকা সাহারার সেক্স ভিডিও ফাঁস!   ৬৪১৩
  • ম,আ,মুক্তাদিরের ছেলে রাহাত লন্ডনে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে   ৬৪০৯
  • শিশুর কানে আজান দেবে কে?   ৬২৭২
  • কামরূপ-কামাখ্যা : নারী শাসিত যাদুর ভূ-খন্ড   ৫৭২৫
  • প্রশ্নব্যাংকে প্রশ্ন, স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাছাই হয়ে পরীক্ষা   ৫৭২৪
  • ফুলবাড়ির বশর চেীধুরী আজ ইন্তেকাল করেছেন   ৫৬৪৯
  • চিকিৎসায় দ্রুত সরকারি সহযোগিতা চান খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া   ৫৪১৬
  • সাম্প্রতিক আরো খবর

  • ২০ বছর পর পাকস্থলী থেকে লাইটার উদ্ধার
  • স্যালাইন দিয়ে প্রাণ বাঁচাতে চলছে ৭০০ বছরের বৃদ্ধ বটবৃক্ষের
  • এক কলা ১ লাখ ১০ হাজার টাকা!
  • কুকুরের গুলিতে প্রেমিকা আহত
  • পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে ডিপ ফ্রিজে
  • পরকীয়ার জেরে সন্তানকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ
  • মা-বাবার মৃত্যুর ৪ বছর পর শিশুর জন্ম!
  • জীবাণুমুক্ত কাচের ঘরে ১৩ বছর
  • কৃত্রিম মেঘ তৈরি করে সূর্যকে আটকানোর চেষ্টা
  • ২৪ বছর পর নিখোঁজ মেয়ের সন্ধান
  • নয় বছর ধরে বেগুন চুরির মামলা
  • অবসর নিতে লিঙ্গ পরিবর্তন?
  • কানাইঘাটে ২০ জোড়া দম্পতির যৌতুকবিহীন গণবিবাহ
  • এক রশিতে দুলাভাই-শ্যালিকার মরদেহ!
  • অবসর নিতে লিঙ্গ পরিবর্তন?
  • পানির সঙ্গে প্লাস্টিক খেয়ে খাচ্ছেন না তো?
  • মৃত্যু স্মরণ করিয়ে দেবে যে রেস্তোরাঁ
  • আসছে উড়ন্ত ট্যাক্সি
  • চুরি ঠেকাতে অভিনব পন্থা
  • ঢাক-ঢোল পিটিয়ে ছাগলের বিয়ে
  • শিশুর খেলার সঙ্গী অজগর!
  • সমুদ্র সৈকতে শতাব্দীপ্রাচীন বোতল
  • দুর্নীতির দায়ে মেয়রের অদ্ভুত সাজা
  • মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকরা বুঝলেন ভুল রোগী এনেছেন
  • বাদুড়ের মতো শব্দ দেখতে পান এই দৃষ্টিহীনেরা