সর্বশেষ খবর

   হাথুরুসিংহের পরিকল্পনা ভুলে গেছে বাংলাদেশ: মাশরাফি    নতুন সম্পর্কে জোলি!    মাটির লেয়ারের ভিন্নতায় পদ্মা সেতুর ১৪ পাইলের ডিজাইনে বিলম্ব    ব্যাংকিং খাতে জবাবদিহিতার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে : অর্থমন্ত্রী    অবকাঠামো উন্নয়নে ৬০ মিলিয়ন ডলার দেবে ওএফআইডি    বাংলাদেশ যথেষ্ট সক্ষমতা অর্জন করেছে : বিশ্বব্যাংক    ৩৭ হজ এজেন্সিকে নোটিশ    বাজেটে এমপিও অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিবে: প্রধানমন্ত্রী    ভোলাগঞ্জ ও কালাইরাগে ৩৬টি ‘বোমা মেশিন’ ধ্বংস    ফেঞ্চুগঞ্জে ছাত্রলীগের ৫ নেতা বহিষ্কার    আম্মার মতো আমিও হারিয়ে যাব : রাইমা    ‘সূর্যসেন’ নতুন মঞ্চনাটক    আমি মৃত্যুকে ভয় করি না: আইভী    আমি একাই যথেষ্ট: শামীম ওসমান    সিরিয়ার কুর্দিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবেন এরদোয়ান    বড় ধরনের বিপদ থেকে বাচঁলেন শোয়েব!    কোহলির জরিমানা    নির্বাচন স্থগিত হওয়া ইসির চরম ব্যর্থতা: ফখরুল    ঢাকা উত্তরের মেয়র পদে উপনির্বাচন স্থগিত    রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু ২ বছরের মধ্যে


খবর - চিত্র-বিচিত্র

৭০ বছরে প্রথমবার বিক্রি হচ্ছে দ্বীপ!

এডিনবরা : একটা গোটা দ্বীপ বিক্রি! অবাস্তব? মোটেই না৷ এমনটাই হতে চলেছে স্কটল্যান্ডে৷ দ্বীপের নাম উলভা৷

মাত্র ৬ জনের বসতি রয়েছে সেখানে৷ এর মালিকের নাম জেমি হওয়ার্ড৷ ৭০ বছরের মধ্যে এই প্রথমবার বিক্রি হতে চলেছে এই দ্বীপ৷ বাজারে এই দ্বীপের দাম ৪২০ কোটি টাকা রেখেছেন তিনি৷ 
স্কটল্যান্ডের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নিকোল স্টারগেয়োন এটি সরাসরি কোনও মাল্টি মিলিওনিয়ারের হাতে দেননি৷ উলটে তিনি কোনও গোষ্ঠীকে জায়গাটি কেনার জন্য উৎসাহ দিচ্ছেন৷ অনেক দলও এই দ্বীপটি কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে৷ তাদের মতে দ্বীপে নতুন করে বসতি স্থাপন ও অর্থনৈতিক উন্নতি হতে পারে৷

হওয়ার্ডের প্রায় ৩৫ বছর ধরে দ্বীপটির সঙ্গে পরিচিত৷ দ্বীপটি বিস্তারিত

শিশুদের হাতে আত্মঘাতি উৎসবের উপহার

প্রতি বছর জানুয়ারির ছয় তারিখ খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজন ‘অফেপিনি’ নামে  উৎসব পালন করে। উৎসবটি ‘লিটল ক্রিসমাস’ নামেও পরিচিত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নাচ-গান, কেক কেটে দিনটি উদযাপন করা হলেও পর্তুগালের ভেল দো সেলগুয়েরিও গ্রামের চিত্র ভিন্ন। এই গ্রামে দিবসটি উপলক্ষে শিশুদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হয় সিগারেট।

অদ্ভুত হলেও সত্যি যে, পাঁচ বছরের শিশু থেকে শুরু করে ওই দিনটিতে সব ছেলেমেয়ারা সিগারেটের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকে। তারা অভিভাবকদের কাছ থেকে সেদিন দামি ব্র্যান্ডের সিগারেট উপহার হিসেবে পায়। জানা গেছে, গ্রামের পুরনো রীতি অনুযায়ী উৎসবের সময় ধূমপান করতে হয় কিশোর-কিশোরীদের। লুসিয়া নামের বছর দশেকের একটি মেয়ে জানায়, গত বছর উৎসবের দিন সে প্রায় তিন প্যাকেট সিগারেট শেষ করেছে। বহু বছর ধরে চালু এই রীতিতে ক্ষতি হচ্ছে ওই গ্রামের শিশুদের। বাড়ছে ক্যানসারের আশঙ্কা। তবে এসব কথায় কান দিতে নারাজ গ্রামের প্রবীণরা। পুরনো এই রেওয়াজ চালু থাকার পক্ষেই কথা বলছেন তারা।
গিলহারমিনা মাটিস নামক স্থানীয় এক দোকানি বলেন, ‘এই দিবসে আমি ছেলেমেয়েদের সিগারেট দেই। তবে আমি এর কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব না। তাছাড়া আমি তো এর ক্ষতি দেখছি না। ওরা সিগারেটে টান দেয় আর দ্রুত ধোঁয়া ছাড়ে। কেবল দিবসটিতেই তারা সিগারেট হাতে নেয়, অন্য কোনোদিন সিগারেট চায়ও না। তাহলে খারাপ কিছু হওয়ার কথা না।’
অথচ ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর এ কথা আজ কারো অজানা নয়। বিশ্বব্যাপী ধূমপানের প্রচারণায় রয়েছে বিভিন্ন বাধানিষেধ। তারপরও যুগ যুগ ধরে ওই গ্রামে এই রেওয়াজ কীভাবে টিকে আছে বিষয়টি নিয়ে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এবং অভিভাবকদের এ ধরনের আত্মঘাতি রীতি মেনে না চলার পরামর্শ দিয়েছেন। বিস্তারিত

হিটলারের হাত থেকে বাঁচতে টিনের বাক্সে রাখা ছিল ব্রিটিশ রাজমুকুট

ব্রিটেনের রানীর ব্যবহৃত রাজমুকুটের মূল্যবান পাথরগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় একটি বিস্কুটের টিনের বাক্সে ভেতর রাখা হয়েছিল। পরে নিরাপত্তার জন্য সেই টিনের বাক্স উইন্ডসর প্রাসাদের মাটির নিচে চাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল। রাজকীয় নথিপত্রের সহকারি তদারককারী অলিভার আরকুহার্ট আরভিন বিষয়টি প্রকাশ করেছেন।

বিষয়টি নিয়ে নির্মিত বিবিসির এক তথ্যচিত্রে বলা হয়েছে, রাজমুকুটে থাকা মূল্যবান পাথরগুলোর মধ্যে ছিল ব্ল্যাক প্রিন্স রুবি। জরুরি অবস্থায় ব্যবহারের জন্য মধ্যযুগে নির্মিত প্রাসাদটির গোপন বর্হিদ্বারে এটি লুকানো হয়েছিল। মূল্যবান পাথরগুলো যাতে কোনোভাবেই হিটলারের নাৎসি বাহিনীর হাতে না পড়ে সেজন্য এ নির্দেশ দিয়েছিলেন রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের বাবা রাজা ষষ্ঠ জর্জ। এই রত্মগুলো রক্ষায় এতোটাই গোপনীয়তা অবলম্বন করা হয়েছিল যে, ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত উইন্ডসর প্রাসাদে থাকা খোদ রানী এলিজাবেথ বিষয়টি জানতেন না।
রাজকীয় ভাষ্যকার অ্যালাসটাইর ব্রুস তথ্যচিত্রে বলেছেন, ‘সবচেয়ে চমৎকার বিষয় হচ্ছে এ বিষয়ে রানীরও কোনো জ্ঞান ছিল না।
ব্রুস জানিয়েছেন, রাজা ষষ্ঠ জর্জের মা রানী ম্যারির কাছে লেখা রাজকীয় গ্রন্থাগারিক ওয়েন মোরশেদের চিঠিতে এ রহস্যটি প্রকাশ হয়। গোপন স্থানে পুঁতে রাখা সেই বাক্সটি এখনো সেখানে রেখে দেওয়া হয়েছে বলে এতে জানানো হয়েছে।
রাজা জর্জের অভিষেকের জন্য ১৯৩৭ সালে রাজমুকুটটি তৈরি করা হয়। এতে ২ হাজার ৮৬৮টি হীরা রয়েছে।
বিস্তারিত

বিমানের টিকিট কেটে লটারিতে জিতলেন ২১ কোটি টাকা!

ভারতের কেরালার বাসিন্দা হরিকৃষ্ণ নায়ার এখন নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। কারণ তিনি আপাতত কোটিপতি। আবুধাবি বিমানবন্দরের ‘বিগ টিকিট’ লটারিতে তিনি জিতেছেন ১২ মিলিয়ন দিরহাম। যার মূল্য ২১ কোটি টাকা।

৪২ বছরের হরিকৃষ্ণ নায়ার, দুবাইয়ের একটি বাণিজ্যিক সংস্থায় কর্মরত। যিনি ২০০২ সাল থেকে পরিবার নিয়ে আমিররাতে বসবাসরত। তিনি জানান, ‘এর আগেও দু’বার লটারির টিকিট কেটেছিলাম, কিন্তু একবারও কপালে জোটেনি কোটিপতির তকমা’। 
কিন্তু এবার সত্যি সত্যি তিনি হয়ে গেলেন কোটিপতি। তিনি আরও জানান ‘জেতার খবর জানানোর জন্য যখন ফোন আসে, আমি ভেবেছিলাম প্র্যাঙ্ক কল, কিন্তু পরে মিডিয়ার মাধ্যমে খবর পেয়ে নিজের কানকেই বিশ্বাস হচ্ছিল না।’
আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি হাতে পেতে চলেছেন ২১ কোটি টাকা। তবে কি করবেন এতগুলো টাকা নিয়ে, তা এখনও ঠিক করে উঠতে পারেননি। যদিও পরিবার নিয়ে বিশ্ব সফরে যাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন।

বিস্তারিত

অস্ট্রেলিয়ায় মস্তিস্ক পুড়ে শতাধিক বাদুরের মৃত্যু

অস্ট্রেলিয়ায় প্রচণ্ড গরমে মস্তিস্ক পুড়ে শতাধিক বাদুরের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির বন্যপ্রাণী কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, রোববার সিডনিরে পশ্চিমের উপশহর ক্যাম্পবেলটাউনে তাপমাত্রার পারদ ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ছুঁয়েছিল। আর সিডনিতে তাপমাত্রা ছিল ৪৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ৭৯ বছরের মধ্যে দেশটিতে তাপমাত্রার এটাই সর্বোচ্চ রেকর্ড। প্রচণ্ড গরমে ক্যাম্পবেলটাউনে সহস্রাধিক প্রাণী গাছ থেকে পড়ে গেছে।
স্থানীয় ফক্স কলোনির (বাদুর) ম্যানেজার কেট রায়ান বলেছেন, ‘তারা মূলত সিদ্ধ হয়ে গেছে। এটা তাদের মস্তিস্ককে প্রভাবিত করেছে-তাদের মস্তিস্ক স্রেফ ভাজাভাজা হয়ে গেছে এবং তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এটা ছিল বেলাভূমির মাঝখানে ছায়াবিহীন অবস্থায় দাঁড়ানোর মতো।’
অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় প্রজাতির বাদুর হচ্ছে ফ্লাইং ফক্স। বিপন্ন প্রজাতির এই বাদুর সুরক্ষায় স্থানীয় আইনে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
নিউ সাউথ ওয়েলসের বন্যপ্রাণী তথ্য, উদ্ধার ও শিক্ষা সেবা বিভাগ জানিয়েছে, কঠিন এই পরিবেশে বাদুর হারানোর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। উদ্ধারকারীরা শতাধিক বাদুরের জীবন রক্ষা করতে সক্ষম হলেও অধিকাংশই মরে মাটিতে পড়েছিল এবং কিছু বাদুর মরে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল।
বিস্তারিত

মৃত্যুর আগের মুহূর্তে বিয়ে করলেন নিজের 'ভালবাসাকে'

কানেক্টিকাট:  কর্কট রোগ, এই মারণ ব্যাধি যার শরীরেই বাসা বাঁধে, তিনি জীবনযুদ্ধ যতই লড়াই করুক, মৃত্যু তাকে কোনও না কোনও সময় গ্রাস করে। কখনও কারও দরজায় যম দূত কড়া নাড়ে খানিক আগে, কখনও আবার কারও দরজায় কিছুটা দেরিতে। বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিশাল উন্নতির পরও কর্কট রোগের সামনে যেন আজও মানুষ বড় অসহায়।

তবে কিছু মানুষের হার না মানা লড়াই, আজও এই রোগে আক্রান্ত বহু মানুষের কাছে বড় অনুপ্রেরণা। হিথার মোশার, ডেভিড মোশার। দুজনে একে অপরের প্রেমে পড়েছিলেন ২০১৫ সালে।

তারপর থেকেই তারা অবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছেন। কিন্তু ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে আচমকাই হিথার জানতে পারেন, মারণ কর্কট ব্যাধি থাবা বসিয়েছে তার স্তনে। তবে যেদিনই এই দুঃসংবাদটি পান হিথার, সেদিনই ডেভিড তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কারণ একটাই। ডেভিড হিথারকে বোঝাতে চেয়েছিলেন, এই কঠিন লড়াইয়ে তিনি একা নন। তাঁর সঙ্গে পথ চলবে ডেভিডও।
তবে কিছুদিন পরই হিথার জানতে পারেন, তিনি ট্রিপল নেগেটিভ ক্যান্সারে আক্রান্ত। যেটা ক্যান্সারের অন্যতম অ্যাগ্রেসিভ ফর্ম।
এখান থেকে সারার বা বেঁচে ফেরার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তখনই ডেভিড সিদ্ধান্ত নেন ২০১৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর তারা বিয়ে করবেন। এদিকে কানেক্টিকাটের সেন্ট ফ্রান্সিস হাসপাতালে চলতে থাকে হিথারের চিকিত্সা। তবে চিকিত্সায় তেমন সাড়া দিচ্ছিলেন না হিথার। ডেভিড বুঝতে পারেন তাঁদের হাতে সময় কমে আসছে। তখনই সিদ্ধান্ত বদলে ডেভিড ২২ ডিসেম্বর বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন।
বিয়েও হয় গত ২২ ডিসেম্বর। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে হিথার বিয়ের মন্ত্র উচ্চারণ ও আংটি বদলের পরই ঢলে পড়েন মৃত্যু কোলে। ডেভিডের কাছে থেকে যায় শুধু স্মৃতি……….



বিস্তারিত

কয়েন জমিয়ে বিএমডব্লিউ ক্রয়

কয়েন জমিয়ে সেই টাকা দিয়ে বিএমডব্লিউ কিনেছেন চীনের এক ব্যবসায়ী। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের বরাত দিয়ে ডেইলি মেইল জানিয়েছে, গেল কয়েক বছর ধরে ওই ব্যবসায়ী চীনা মুদ্রা ইয়ান কয়েন জমা করেন। এরপর কয়েনগুলো বাক্সবন্দী করে সোজা চলে যান দোকানে। কিনে ফেলেন ৪৫ হাজার পাউন্ডের একটি ব্র্যান্ড নিউ বিএমডব্লিউ।

চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের দোকানের সেলস ম্যানেজার মি. জু বলেন, ‘তিনি পাইকারী ব্যবসায়ী। গাড়িটি ক্রয়ের পর প্রথম কিস্তির অর্থ কয়েনে পরিশোধ করবেন বলে আমাদের খুব জোরাজুরি করেন। তাও আবার প্রতিটা ৫ ইয়ানের কয়েন। তবে এ কথা ঠিক তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই কয়েনগুলো জমা করেছেন। সব মিলে ৭০ হাজার ইয়ান হবে। গাড়ির প্রথম কিস্তি ৭ হাজার ৯৫৪ পাউন্ড শেষমেশ এই কয়েন দিয়েই শোধ করেছেন তিনি।’
১০টি বাক্সের মধ্যে থাকা কয়েনগুলো ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন দোকানের বেশ কয়েকজন কর্মচারী। আনার পর সেগুলো দোকানের মেঝেতে ঢালা হয়। সেলস ম্যানদের একটা গ্রুপ কয়েনগুলো কয়েক ঘণ্টায় গুনে শেষ করেন।



বিস্তারিত

চোখের ভেতর বুলেট ও ২৭ কন্টাক্ট লেন্স

বছরজুড়ে কত ঘটনাই না ঘটে। অনেক ঘটনা এতটাই আমাদের অবাক করে যে, সেগুলো অনেকদিন মনে থাকে। বিশেষ করে সেগুলো যদি মেডিকেল সায়েন্স বিষয়ক হয় তাহলে তো কথাই নেই। ২০১৭ সালের অদ্ভুত কিছু ঘটনা নিয়ে এ প্রতিবেদনের পড়ুন শেষ পর্ব।

৪৫ বছর বয়স্ক একজনকে লক্ষ্য করে ০.২২ ক্যালিবার পিস্তল দিয়ে গুলি করা হলে বুলেটটি কাঠের দরজা ভেদ করে তার আই সকেটে আশ্রয় নেয়। চিকিৎসকরা বুলেট গেঁথে যাওয়া আই সকেটের স্ট্রাইকিং ইমেজ ক্যাপচার করেন। বুলেট লোকটির মাথার খুলিতে ফ্র্যাকচার করতে পারেনি। লোকটিকে যখন ইমার্জেন্সি রুমে আনা হয়, তার তীব্র ব্যথা হচ্ছিল। তার চোখের কোণে ক্ষত এবং পাতায় অশ্রুনালীতে ড্যামেজ ছিল। বুলেট অপসারণ করতে এবং অশ্রুনালীর ড্যামেজ সারিয়ে তুলতে তাকে দ্রুত সার্জারি রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। সবাই যখন আশঙ্কা করছিল লোকটি চিরদিনের মতো অন্ধ হয়ে যাবে; সেই আশঙ্কা মিথ্যা প্রমাণ করে লোকটি স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর জেএএমএ অফথ্যালমোলজিতে এই প্রতিবেদন প্রথম প্রকাশিত হয়। এরপর এই ঘটনা দ্রুত ভাইরাল হয়ে ওঠে।
আরেকটি ঘটনা এ বছর আলোচনায় ছিল। ইংল্যান্ডে ৬৭ বছর বয়স্কা এক বৃদ্ধার চোখে ২৭টি কন্টাক্ট লেন্স পাওয়া গেছে বলে খবর প্রকাশিত হয়। চিকিৎসকরা  তার উপরের চোখের পাতার নিচে অপরিচিত ‘নীলাভ’ অবজেক্ট দেখে বিস্মিত হন। তারা সার্জারি শুরু করলে দেখতে পান নীলাভ অবজেক্টটি ১৭টি কন্টাক্ট লেন্স দিয়ে সজ্জিত। এখানেই বিস্ময়ের শেষ নয়, চিকিৎসকরা তার একই চোখে আরো ১০টি কন্টাক্ট লেন্স আবিষ্কার করেন। বৃদ্ধা চিকিৎসকদের বলেছিলেন, তিনি চোখে অস্বস্তিবোধ করেন। চিকিৎসকরা মনে করেছিলেন, এটি চোখের শুষ্কতা বা বার্ধক্যের কারণে হতে পারে। কিন্তু সার্জারি শুরু করার পর তাদের এই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়। ঘটনাটি ২০১৭ সালের ৫ জুলাই দ্য বিএমজে জার্নালে প্রকাশিত হয়। বিস্তারিত

কয়েন জমিয়ে বিএমডব্লিউ ক্রয়

কয়েন জমিয়ে সেই টাকা দিয়ে বিএমডব্লিউ কিনেছেন চীনের এক ব্যবসায়ী। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের বরাত দিয়ে ডেইলি মেইল জানিয়েছে, গেল কয়েক বছর ধরে ওই ব্যবসায়ী চীনা মুদ্রা ইয়ান কয়েন জমা করেন। এরপর কয়েনগুলো বাক্সবন্দী করে সোজা চলে যান দোকানে। কিনে ফেলেন ৪৫ হাজার পাউন্ডের একটি ব্র্যান্ড নিউ বিএমডব্লিউ।

চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের দোকানের সেলস ম্যানেজার মি. জু বলেন, ‘তিনি পাইকারী ব্যবসায়ী। গাড়িটি ক্রয়ের পর প্রথম কিস্তির অর্থ কয়েনে পরিশোধ করবেন বলে আমাদের খুব জোরাজুরি করেন। তাও আবার প্রতিটা ৫ ইয়ানের কয়েন। তবে এ কথা ঠিক তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই কয়েনগুলো জমা করেছেন। সব মিলে ৭০ হাজার ইয়ান হবে। গাড়ির প্রথম কিস্তি ৭ হাজার ৯৫৪ পাউন্ড শেষমেশ এই কয়েন দিয়েই শোধ করেছেন তিনি।’
১০টি বাক্সের মধ্যে থাকা কয়েনগুলো ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন দোকানের বেশ কয়েকজন কর্মচারী। আনার পর সেগুলো দোকানের মেঝেতে ঢালা হয়। সেলস ম্যানদের একটা গ্রুপ কয়েনগুলো কয়েক ঘণ্টায় গুনে শেষ করেন। বিস্তারিত

নাকের ভেতর চুম্বক

বছরজুড়ে কত ঘটনাই না ঘটে। অনেক ঘটনা এতটাই আমাদের অবাক করে যে, সেগুলো অনেকদিন মনে থাকে। বিশেষ করে সেগুলো যদি মেডিকেল সায়েন্স বিষয়ক হয় তাহলে তো কথাই নেই। এসব ঘটনা চিকিৎসা পদ্ধতির সম্ভাব্য ক্ষতিকারক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আমাদের সজাগ করেছে। ২০১৭ সালের অদ্ভুত কিছু ঘটনা নিয়ে এ প্রতিবেদনের পড়ুন পঞ্চম পর্ব।

ম্যাগনেট বা চুম্বক শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ খেলনা হতে পারে। ১১ বছর বয়সের সাইপ্রাসের কথা চিন্তা করুন, সে চুম্বকের বোতাম নিয়ে খেলছিল। এ সময় অসাবধানতাবশত সমতল ও গোলাকার দুটি চুম্বকের বোতাম তার নাকে ঢুকে যায়। নাকের প্রতি ফুটোয় একটি করে চুম্বক ঢুকে যাওয়ায় বেচারা ভীষণ বিপদের সম্মুখীন হয়।
এ ঘটনায় দুটি চুম্বকের বোতাম পরস্পরকে আকর্ষণ করতে থাকে এবং নাসারন্ধ্রের প্রাচীর ন্যাজাল সেপ্টামে চাপ দিতে থাকে। ফলে এক পর্যায়ে ছেলেটির নাক দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে এবং শ্বাস প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। তাকে দ্রুত ইমার্জেন্সি রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। চুম্বকের বোতাম অপসারণ এবং নাকের ক্ষতিগ্রস্ত জায়গার চিকিৎসা করতে তার সার্জারির প্রয়োজন হয়। এই প্রতিবেদনটি গত জুলাই মাসে দ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে প্রকাশিত হয়। এরপর ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। বিস্তারিত

নগরফুলের হলিডে স্কুল

ফুটপাতে ময়লা কুড়ানো, ভিক্ষাবৃত্তি এসব কাজ পথশিশুদের নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার, পেটের ভোগ নিবারণের জন্য এসব করতে হয় পথশিশুদের। অসুস্থ হলে চিকিৎসা, একটু ভালো খাবার, পড়ালেখার স্বপ্ন তাদের অধরাই থেকে যায়।

পথশিশুরা যাতে আলোর পথে আসতে পারে, শিক্ষার সুযোগ পায়, নতুন কাপড় পরতে পারে তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে চট্টগ্রামের সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘নগরফুল’।
২০১৫ সালের জুন মাসে এই সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। নগরফুলের উদ্যোক্তা বায়োজিদ সুমন রাইজিংবিডিকে জানান, ‘২০১৫ সালে ঈদের শপিং করতে গিয়ে দুজন পথশিশুর মলিন মুখ আমাকে ভীষন ভাবে আলোড়িত করে, নাড়া দেয় মনকে, তাদের মলিন দেখেই কিছু করার সিদ্ধান্ত নিই। ফেসবুকের মাধ্যমে আরো অনেককে সংগঠিত করি, পরিচিত বন্ধুদের বিষয়টি অবহিত করি। আহবানে সাড়া দেয় অনেকে, এভাবেই শুরু হয় নগরফুলের যাত্রা।’
পথশিশুদের শিক্ষিত করে সমাজে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে নগরের ফুল হিসেবে পরিণত করাই সংগঠনটির লক্ষ্য। সমাজে অচ্ছুত বলে বিবেচিত এসব পথশিশুদের জন্য প্রতি শুক্রবার স্কুল পরিচালনা করে সংগঠনটি, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘নগরফুল হলিডে স্কুল’।
নগরীর সিআরবি, ষোলশহর, ডিসি হিল, আগ্রাবাদ শিশু পার্ক, ক্যান্টনমেন্ট নতুন পাড়া রেলস্টেশন, পটিয়া রেলস্টেশন সহ ৬টি পয়েন্টে প্রতি শুক্রবার সকাল এবং বিকালে ক্লাস নেওয়া হয়। বর্তমানে নগরফুল হলিডে স্কুলের শিশু সংখ্যা ৫০০ এর অধিক। আর এই হলিডে স্কুলের ক্লাসগুলো নেয় সংগঠনটির সদস্যরা, যারা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অভিজ্ঞ ডাক্তার ও মেডিক্যাল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘স্বাস্থ্য সেবা’ শাখা চট্টগ্রামের বিভিন্ন পয়েন্টে এইসব শিশুদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকে।
বায়োজিদ সুমন রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘আমরা কাজ শুরু করার পর এই পথশিশুদের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্যনীয়, তারা আগের চেয়ে সুশৃঙ্গল, তাদের পুরোনো অভ্যাসগুলো আস্তে আস্তে পরিহার করতে শুরু করে।’
এসব শিশুদের বই-খাতা থেকে শুরু করে যাবতীয় শিক্ষা উপকরণ সংগঠনের সদস্যদের জমাকৃত তহবিল থেকে দেওয়া হয়।
নগরফুলের সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘দারিদ্রতা এদের পরিণত করেছে পথশিশুতে। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত এই পথশিশুদের মধ্যে শিক্ষার আলো জ্বালাতেই নগরফুলের কর্মকান্ড।’
সংগঠনটি প্রতিবছর শীতবস্ত্র বিতরণ এবং ঈদ পোশাক বিতরণ করে থাকে। এছাড়া বিভিন্ন দিবসে আয়োজন করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে পথশিশুদের মেধার বিকাশে নাচ, গান, কবিতা, আবৃত্তি, ড্রয়িং প্রতিযোগিতা থাকে। বর্তমানে ২০০ জন এর মতো সদস্য রয়েছে সংগঠনটির।
নগরফুলের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক বলেন, ‘পথশিশুদের সুন্দর ফুল হিসেবে ভবিষ্যত গড়তে নগরীর প্রত্যেকটি পয়েন্টে আমরা হলিডে স্কুল চালু করতে চাই।’ বিস্তারিত

গরিলার শিশুসুলভ কাণ্ড (ভিডিও)

ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়েছে, সুরসুরি বা কাতুকুতু দেওয়ার পর একটি শিশু গরিলার হাসির ভিডিও। অনাথ এই গরিলার নাম লুনিংগু। যখন তার বয়স ৮ মাস ছিল, সেসময় শিকারীদের হাতে তার বাবা-মার মৃত্যু হয়। একা হয়ে পড়া এই গরিলাকে অন্যান্য হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের গরিলা রক্ষাকারী একটি সংস্থার লোকজন। গরিলাদের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত ভিরুনগা ন্যাশনাল পার্কে ২০১৬ সালে গরিলাটির ঠাঁই হয়।

পাহাড়ি গরিলা পৃথিবীর বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম। ধারণা করা হয়, বিশ্বে এদের বর্তমান সংখ্যা মাত্র ৫ হাজার। আফ্রিকায় বিপন্ন প্রজাতির গরিলা রক্ষায় কাজ করছে গ্রেস সেন্টার। প্রতিষ্ঠানটির সাম্প্রতিক একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শিশু গরিলাটির আনন্দদায়ক সময় কাটানোর অভূতপূর্ব একটি দৃশ্য। লালন-পালনের দায়িত্বে থাকা এক কর্মী বগলের নিচে ও পেটে কাতুকুতু দেওয়ায় গরিলাটি হেসে ওঠে। হাসতে হাসতে বেচারা গড়াগড়ি খায়।
ভিডিওতে জানানো হয়, ‘বাচ্চা গরিলারা খেলতে পছন্দ করে। শিকারীদের কবল থেকে উদ্ধার করা বাচ্চা গরিলাদের গ্রেস সেন্টার পুনর্বাসিত করে। অনেকেই তাদের কেনাবেচা করতে চায়, এ ধরনের কাজ প্রতিরোধে গ্রেস সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানে গরিলাদের লালন-পালন করে বড় হলে বনে ছেড়ে দেওয়া হয়। এদের রক্ষা করা প্রয়োজন। অন্যথায় দ্রুত বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীতে পরিণত হবে তারা।’ বিস্তারিত

পাকস্থলীতে একশর বেশি লোহা


এস এম গল্প ইকবাল: বছরজুড়ে কত ঘটনাই না ঘটে। অনেক ঘটনা এতটাই আমাদের অবাক করে যে, সেগুলো অনেকদিন মনে থাকে। বিশেষ করে সেগুলো যদি মেডিকেল সায়েন্স বিষয়ক তাহলে তো কথাই নেই। যেমন নারীর শরীর থেকে ঝরছে রক্তঘাম, পুরুষের মূত্রথলিতে দেখা গেছে বিশাল আকৃতির পাথর। এমন আরো কয়েকটি অদ্ভুত ঘটনা ২০১৭ সালে শিরোনাম হয়েছে। এগুলো চিকিৎসকদের বিরল রোগ সম্পর্কে জানতে কিংবা প্রচলিত রোগের অস্বাভাবিক লক্ষণসমূহ নির্ধারণ করতে সাহায্য করেছে। এসব ঘটনা চিকিৎসা পদ্ধতির সম্ভাব্য ক্ষতিকারক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কেও আমাদের সজাগ করেছে। ২০১৭ সালের অদ্ভুত কিছু ঘটনা নিয়ে এ প্রতিবেদনের পড়ুন প্রথম পর্ব।
ফ্রান্সের ৫২ বছর বয়স্ক একজন পুরুষের পাকস্থলীতে ১০০টিরও বেশি লোহা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে পেরেক, ছুরি, স্ক্রু ড্রাইভারের মাথা, লোহার তার, কাঁটাচামচ এবং কিছু কয়েন। লোকটি পাঁচ বছর বিভিন্ন উপসর্গ (যেমন- পেটব্যথা, বমিবমি ভাব এবং রক্তবমি) নিয়ে পাঁচবার ইমার্জেন্সি রুমে গিয়েছিল। এসব লোহা অপসারণ করতে ডাক্তারদের প্রতিবারই অপারেশন করতে হয়েছে।
পুঞ্জীভূত লোহার স্তূপ এত বড় ছিল যে, লোকটির পাকস্থলী খালি হতো না কখনও। লোকটির মধ্যে সাইকোসিস নির্ণীত হয়েছে। সাইকোসিস একটি মানসিক রোগ। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি বাস্তবতা বুঝতে পারে না। পাকস্থলীতে ১০০টিরও বেশি মেটাল পাওয়া লোকটির সার্জারি শেষে তাকে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারীদের কাছে রেফার করা হয়। এ ঘটনাটি ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বিএমজে কেস রিপোর্টস জার্নালে প্রকাশিত হয়।
বিস্তারিত

মৃত্যুপরবর্তী কাজে স্বজনদের বিরক্ত না করতে উৎসব

‘জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে?’ এই সত্য সবারই জানা। তাই বলে বেঁচে থাকতেই মৃত্যুর জন্য রীতিমত উৎসব করতে হবে? প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর এমনই এক উৎসবের আয়োজন হয় জাপানে।

‘শুকাটসু’ নামের এই উৎসব দেখলে মনে হবে কোনো ব্যক্তির শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি চলছে। কফিনের ভেতরে শায়িত মানুষ। চোখ বন্ধ, দেহ নিথর। যেন কোনো মৃত ব্যক্তি শুয়ে আছেন। প্রতি বছরের মতো এবারো জাপানে হয়ে গেল এই উৎসব। এই উৎসবে একজন ‘মৃত্যু বিশেষজ্ঞ’ উপস্থিত থাকেন। তার জ্ঞানগর্ভ ভাষণের পর আপনি কফিনে শোয়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন। এ জন্য রীতিমতো লাইন লেগে যায়! প্রবীণ থেকে সদ্য নবীন হাসিমুখে টান টান হয়ে শুয়ে পড়েন কফিনে। তার আগে অবশ্য কফিন বাছাই করে নিতে হয়।
আয়োজকদের দাবি, মৃত্যু সম্পর্কে সচেতন হলে জীবনের গুরুত্ব বেড়ে যায়। বেঁচে থাকার কারণ উপলব্ধি করা যায়। তাই এমন আয়োজন। এ বছর হাজারো দর্শনার্থীর ভিড়ে উৎসবে স্থান পেয়েছে নানা ধরনের কফিন, সমাধিপ্রস্তর, শবযান ও মৃত্যুর পর অবশিষ্টাংশ আকাশে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা। এ ছাড়া পেশাদার কফিন প্রস্ততকারকরা তাদের নানা দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন এ উৎসবে। পাশাপাশি মৃত্যুর পর তাদের দেহ নিয়ে কী করা হবে, এ বিষয়ে নানা ধারণা দেয়া হয় সেখানে। জাপানের বেশ কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানও উৎসবে অংশ নিয়েছে।
মৃত্যু পরবর্তী নানা কাজের জন্য আত্মীয়-স্বজনকে বিরক্ত করার প্রবণতা দূর করতেই নাকি ‘শুকাটসু’ উৎসবের শরণাপন্ন হচ্ছেন জাপানিরা।
বিস্তারিত

ডিজিটাল ভিক্ষুক!

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক : অ্যাপল পে কিংবা গুগল পে এর মতো বিভিন্ন সেবা ব্যবহারে করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ডিজিটালি অর্থ প্রদান ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

এক্ষেত্রে দেশ হিসেবে বেশ এগিয়ে আছে চীন। সেখানে অনেকেই নগদ টাকা সঙ্গে রাখেন না। এমনকি এই ক্যাশলেস ইকোনমি বা নগদহীন অর্থনীতির ট্রেন্ডে শামিল হচ্ছেন ভিক্ষুকরাও।
ভিক্ষুকরা কিউআর কোডগুলোর (কালো এবং সাদা স্ক্যান্যাবল বারকোড) মাধ্যমে ডিজিটালি ভিক্ষা গ্রহণ করছেন, এই কোড ব্যবহার করে পথচারীরা ডিজিটালি ভিক্ষা দিতে পারছেন।
চীনে কমদামী স্মার্টফোনগুলোতেও ‘উইচ্যাট’ এবং ‘আলিপে’ অ্যাপসের ব্যবহার ব্যাপক। উভয় অ্যাপে সরাসরি মোবাইল পেমেন্ট সুবিধা বিদ্যমান। ফলে শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মোবাইলের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনে অ্যাপ দুইটির ব্যবহার ব্যাপক।
আইবি টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চীনে জনপ্রিয় ভ্রমণ স্পটগুলোতে ভিক্ষুকরা পর্যটকদের কাছ থেকে মোবাইল পেমেন্টের মাধ্যমে ভিক্ষা গ্রহণ করছেন। যেহেতু পথচারীরা নগদ রাখেন না, তাই ভিক্ষুকদের অর্থ উপার্জন করতে এটি সহজ উপায়।
কিন্তু কিউআর কোডের মাধ্যমে এই ডিজিটাল ভিক্ষাবৃত্তির নেপথ্যে কৌশলী এক চক্র কাজ করছে বলে জানিয়েছে অনলাইন গবেষণা সংস্থা চায়না চ্যানেল। গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির মতে, অসাধু কিছু প্রতিষ্ঠান মূলত দরিদ্র নাগরিকদের অর্থ প্রদান করে থাকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভিক্ষা করার জন্য। কারণ যেহেতু পেমেন্টেগুলো ডিজিটালি হচ্ছে, তাই প্রতিটি ট্রানজেকশন থেকে তার ছোট্ট একটি ভাগ নেয়।
এছাড়াও এই প্রক্রিয়ায় অর্থদাতা উইচ্যাট ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হতে পারে। কেননা অর্থ স্থানান্তরে এটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত উইচ্যাট অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে হয়। ফলে উইচ্যাটে থাকা ইমেইল এবং ফোন নম্বরগুলো অন্যের পক্ষে জেনে নেওয়াটা সম্ভব।
বিস্তারিত

তরুণীকে ‘ছিঁড়ে খেল’ তারই পোষা কুকুরেরা!

এ যেন উলট পুরাণ। কুকুরের প্রভুভক্তির কথা সুপ্রাচীন কাল থেকে সর্বজনবিদিত। কিন্তু আমেরিকার ভার্জিনিয়া প্রদেশের গুচল্যান্ডের তরুণীর মৃত্যু কিন্তু উল্টো ছবি সামনে আনছে। কেননা তিনি প্রাণ হারিয়েছেন তাঁরই পোষ্যদের আঘাতে, এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত পারিপার্শ্বিক যা কিছু তথ্যপ্রমাণ মিলেছে তাতে এ ধারণাই স্পষ্ট হচ্ছে পুলিশের কাছে।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, বেঠানি লিন স্টিফেন্স নামের ওই তরুণীর কুকুর-প্রীতি ছিল মারাত্মক। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি তাঁর অতিকায় দু’টি পিট বুল কুকুরকে নিয়ে বড় রাস্তা থেকে আধ মাইল দূরে বেড়াতে গিয়েছিলেন। ওই এলাকা বেশ ফাঁকা। অনেকটা জঙ্গলের আদল আছে। সেখানেই তাদের হাঁটাতে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আর ফিরে আসেননি।

পরে খুঁজতে বেরিয়ে আবিষ্কৃত হয় কুকুরেরা একটি ছিন্নভিন্ন দেহকে ঘিরে রেখেছে। দূর থেকে ওই দেহটি পশুর দেহ বলে মনে হলেও সামনে গিয়ে দেখা যায় দেহটি হতভাগ্য বেঠানি স্টিফেন্সের!
গুচল্যান্ডের শেরিফ জিম অ্যাগনিউ শুক্রবার সংবাদমাধ্যমের কাছে ঘটনাটি বিধৃত করে জানান, ‘‘আমার ৪০ বছরের পেশাগত জীবনে এমন কেস আগে কক্ষণও দেখিনি। আশা করি, যেন আর দেখতেও না হয়।’’২২ বছরের স্টিফেন্সের শরীরের ক্ষত পরীক্ষা করে দেখা যায় তিনি আত্মরক্ষারও চেষ্টা করেছিলেন। তদন্তকারীদের অনুমান, কুকুর দু’টি প্রথমেই স্টিফেন্সের গলা ও মুখের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে ও দাঁত-নখ দিয়ে ফালাফালা করে দিতে থাকে। কিন্তু কেন কুকুরগুলি আচমকা নিজের মালকিনকেই এ ভাবে আক্রমণ করল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে তারাই যে স্টিফেন্সকে হত্যা করেছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
এমন অস্বাভাবিক একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
কুকুরগুলিকে অনেক কষ্টে অচেতন করে রাখা হয়েছে। স্টিফেন্সের আত্মীয়রা দাবি তুলেছেন ওই কুকুরগুলিকে মেরে ফেলা হোক। বিস্তারিত

১ কোটি ৩৬ লাখে গ্রাম বিক্রি

জার্মানির রাজধানী বার্লিন থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ছোট্ট একটি গ্রাম অ্যালউইন। জীবিকার তাগিদে গ্রাম ছেড়ে অনত্র চলে গেছেন সিংহভাগ বাসিন্দা। অবশিষ্ট আছে হাতে গোনা ২০জন প্রবীণ। চরম দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটে তাদের। রোজগার বলতে কিছুই নেই। খেয়ে না খেয়ে কোনোমতে বেঁচে আছে তারা। অনেকের আবার রোগে-শোকে যায়যায় অবস্থা। এমন অবহেলিত গ্রামটি এখন চলে গেছে অন্যের হাতে।

সম্প্রতি নিলামে তোলা হয় অ্যালউইন গ্রামটি। শুরুতে এর দাম উঠেছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ইউরো। শেষমেশ ১ লাখ ৪০ হাজার ইউরো দিয়ে গ্রামটি কিনে নিয়েছেন অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। ২০০০ সালেও এক দফা বিক্রি হয়েছিল ১৬ হাজার বর্গমিটার আয়তনের গ্রামটি। ইউরো চালু হওয়ার আগে জার্মানির মুদ্রা ছিল ডয়েসমার্ক। সে সময় নামমাত্র এক ডয়েসমার্ক দিয়ে এক ব্যক্তির কাছে গ্রামটি বিক্রি করে দেয়া হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির নেতা হিটলারের তরুণ সেনারা এই গ্রামে প্রশিক্ষণ নিত। এ ছাড়া যুদ্ধবন্দীদেরও সেখানেই রাখা হতো। বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলে এই গ্রাম পূর্ব জার্মানির অংশ হয়।
নব্বইয়ের দশকের শেষ পর্যন্ত কমিউনিস্ট শাসিত সাবেক পূর্ব জার্মানির অন্তর্ভুক্ত ছিল অ্যালউইন। দিনভর কাজ করে পরিবার নিয়ে সুখে-শান্তিতে দিন কাটাত তখনকার গ্রামের বাসিন্দারা। গ্রামের পাশেই ছিল ইটভাটা। যেখানে বহুলোক কাজ করতো। প্রায় রাতেই বিভিন্ন বাড়ি থেকে ভেসে আসত গানের আওয়াজ।
১৯৯০ সালে দুই জার্মানি এক হয়ে যাওয়ার পর অ্যালউইন গ্রামের সুখের সংসারগুলোতে নেমে আসে ঘোরতর অন্ধকার। ধীরে ধীরে মানুষগুলোও চলে যেতে থাকে। হঠাৎ একদিন ইটভাটাও বন্ধ হয়ে যায়। মুহূর্তেই শত শত মানুষের কপালে হাত। কী আর করা! রুটি-রুজির জন্য প্রিয় জন্মস্থান ছেড়ে দূর-দুরান্তে পাড়ি জমাতে থাকে অসংখ্য মানুষ। এভাবে হইচই আর লোকে লোকারণ্য গ্রামটি একদিন হয়ে যায় নীরব-নিস্তব্ধ। বিস্তারিত

‘দুই হাজার সন্তানের মা’

প্রায় দুই বছর আগের কথা। চাকরির প্রয়োজনে গ্রীস ভ্রমণে যান লিসা ক্যাম্পবেল নামে এক নারী। গ্রীসের বন্যাকবলিত একটি এলাকার শরণার্থীদের নিয়ে তার কাজ। সেখানে পা রাখার পর থেকেই কেন জানি মানুষগুলোর প্রতি তার ভালোবাসা জন্মে। এই টানেই তিনি নিজের চাকরি বাদ দিয়ে শরণার্থী শিবিরে দীর্ঘদিন কাটিয়েছেন। তাদের সঙ্গে নিজের দুঃখ কষ্টগুলো ভাগ করে নিয়েছেন। শেষমেশ যখন শরণার্থী ক্যাম্প ছেড়ে বাড়ি ফিরে আসেন লিসা, তখন অনেকটা দুষ্টুমির ছলে তার স্বামী তাকে বলেন, ‘বাড়ি গিয়ে কী কাজ করবে? ক্যাম্পে তো তুমি দুই হাজারের বেশি সন্তানের মা হিসেবে ছিলে।’ 

বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ক্যাম্পে ফেলে আসা দিনগুলোর স্মৃতি রোমন্থন করেছেন লিসা ক্যাম্পবেল। শুরুর দিকে বেশ আনন্দে কাটে তার। তবে মাঝেমধ্যে মানুষগুলোর কষ্টে ব্যথিত হতেন লিসা। এক সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন নৌকায় করে উপচে পড়া মানুষ ক্যাম্পের দিকে আসছে। মনে হয় এই বুঝি ডুবে যাবে এটি।
প্রথম মাস যাওয়ার পর লিসা একজন ডোনার পেয়ে যান। এরপর তিনি চাকরি থেকে অব্যাহতি নেন এবং আরো ভালো করে মন দেন শরণার্থী শিবিরে। দিন যত যায়, ততই ক্যাম্পের মানুষগুলোকে আপন মনে হয় লিসার। ‘আমার কাছে কাজটা মায়ের মতোই মনে হয়েছে। একজন মা যেভাবে তার সন্তানদের দেখভাল করে ঠিক এমনটা আমার সঙ্গেও হয়েছে।’
ক্যাম্প বন্ধ হওয়ার খবর শুনে অনেকেই আমার কাছে এসে ভিড় করেছে। তারা বলতে থাকে, ‘আপনি আমাদের মায়ের মতো। আপনি কোথাও যাবেন না। আপনাকে ছাড়া আমরা থাকতে পারব না।’ তখনই আমি ভাবলাম, ‘আমার লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। আসলে তাদের সঙ্গে কাটানোর সময়টা আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না।’ যাবার বেলায় আরেকটা স্মৃতি আমাকে বেশ আবেগময় করে তোলে। ‘মুস্তফা নামের ছোট্ট একটি শিশু আমি চলে যাবো এই খবর শুনে আমার সাথে ক্যাম্প ছাড়ার জন্য হইচই শুরু করে দেয়। আমি তাকে বুকে জড়িয়ে বিদায় জানিয়েছি।’
আমি জানি, ডিসেম্বরের ২২ তারিখ আমার ভিসার মেয়াদ শেষ। তাই যে করে হোক আমাকে গ্রীস ছাড়তে হবে। মায়ার জালটা আর বিস্তৃত করতে পারলাম না। অসাধারণ কিছু মানুষের সঙ্গে সময় কাটল আমার। যাদের কাছ থেকে আমি গভীর ভালোবাসা পেয়েছি। সম্মান পেয়েছি। আতিথেয়তারও কমতি ছিল না। অবশেষে তাদের সাথে প্রায় ১৮ মাসের মধুর সম্পর্কের ইতি টানতে হলো আমাকে। অবশ্য গ্রীস সরকার যদি ক্যাম্পটা বন্ধ না করতো, হয়তো আমিও আরও কিছুদিন থাকার চেষ্টা করতাম।
  বিস্তারিত

হারানো মেয়ে ২০ বছর পর দেখল বাবা-মাকে!

বেইজিং: চীনের একসন্তান নীতির জন্য বদলে গেছে দু'দশক আগে জন্মানো কেটির জীবন। বাবা-মায়ের দ্বিতীয় সন্তান হওয়ায় জন্মের তিন দিনের মধ্যে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিল তার বাবা-মা। বছর কুড়ি বাদে সেই সন্তানের দেখা পেল তার মা-বাবা।
 দু'দশক আগে একেবারে ভোরের আলো ফোঁটার আগে কেটির জন্মদাতা বাবা তিন দিনের শিশুটিকে একটা কম্বলে মুড়িয়ে ফেলে রেখে এসেছিলেন স্থানীয় বাজারে। ফেলার আগে কিছুক্ষণ জড়িয়ে রেখেছিলেন তিনি তারপর কপালে আলতো চুমু দিয়েছিলেন তিনি আর রেখে গিয়েছিলেন একটি চিঠি। যে চিঠিতে লেখা ছিল ১০ অথবা ২০ বছর বাদে ফের তাদের যেন দেখা হয় চীনের বিখ্যাত এক ব্রিজের উপর। কেটির বাবা জানিয়েছিলেন, তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় প্রথমে তারা গর্ভপাতের কথাই ভেবেছিলেন কারণ তখন চীনে চলছে এক সন্তান নীতি। এদিকে, কেটির জন্মের আগেই তাদের আরেকটি মেয়ে সন্তান হয়েছিল। কিন্তু সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হাসপাতালে যাওয়ার সময়ে মায়ের পেটের মধ্যে সন্তানের নড়াচড়া টের পেয়ে কেটির বাবা-মা সিদ্ধান্ত বদল করে ঠিক করে আর গর্ভপাত করা হবে না। ফলে পাছে জানাজানি হয় তারা পালিয়ে পালিয়ে বেড়াতে থাকে। এমন কী সন্তান প্রসবের সময় কোন চিকিৎসকের সাহায্য পায়নি তারা। সেই সময় কেটির বাবা-মা আশা করেছিলেন কারও কাছে এই সন্তানকে রাখতে পারবেন কিন্তু তেমন লোকের সন্ধান পাননি। ফলে অমন ভাবে ফেলে রেখে আসতে হয়। অবশেষে ১৯৯৬ সাল মার্কিন এক দম্পতি কেটিকে দত্তক নেন। তারা কেটির জন্মদাতা বাবা-মাকে জানিয়েছিলেন মেয়ে ভালো আছেন এবং তারা তাকে খুব ভালোবাসে। কেটির বয়স যখন তখন তার আমেরিকান বাবা তার চীনা বাবাকে বার্তা পাঠিয়েছিলেন ওই ব্রিজের উপর আসবেন বলে। সেজন্য কেটির জন্মদাতা মা-বাবা সেই ব্রিজের কাছে গিয়েছিলেন কিন্তু সেদিন তারা বহুক্ষণ অপেক্ষার পর হতাশ হয়েছিলেন কারণ হারানো সন্তানের দেখা পাননি।জন্মদাতা বাবা জানিয়েছিলেন, যারা দত্তক নিয়েছেন তারা হয়ত দুই, পাঁচ বছরে দেখা করা সম্ভব নয় ফলে বেশি সময়ের কথা বলেছিলেন। কিন্তু ১০ বছরেও তাদের হতাশ হতে হল। তাদের এই হতাশার কখা জানাজানি হতে চীনের সংবাদ মাধ্যমে এই ঘটনা নিয়ে অনুষ্ঠান সম্প্রচার শুরু হয়। ফলে কেটির বাব-মার সন্তান হারনোর কাহিনী আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও স্থান পেয়ে যায়। আমেরিকায় বসে কেটির দত্তক বাবা-মার কথা জানতে পারেন। ইতিমধ্যে কেটির বয়স ২০ বছর হয়েছে। তারা কেটিকেও কেমন করে দত্তক নিলেন সেই সব কথা জানালেন। তারপর দত্তক বাবা-মা কেটি নিয়ে রওনা দিলেন জন্মদাতা বাবা-মার সঙ্গে দেখা করতে। কেটি জানিয়েছেন, যখন সে তার জন্মদাতা বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা হল তারা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিলেন। বার বার বাবা-মা তার কাছে ক্ষমা চাইছিলেন যদিও সে মনে করে না ক্ষমা চাওয়ার মতো কিছু ঘটেছে। সেও অনুভব করে এই বাবা- মা আসলে পরিস্থিতির শিকার। এরপর কেটি কয়েকদিন তার জন্মদাতা বাবা-মায়ের সঙ্গে কাটিয়ে ফের ফিরে যান দত্তক বাবা মায়ের কাছে। তবে হঠাৎ পাল্টে দেওয়া ঘটনা তাকে ভীষণ ভাবে আলোড়িত করেছে। বিস্তারিত

ট্রাফিক জ্যামে অতিষ্ঠ হয়ে অভিনব কাণ্ড

ট্রাফিক জ্যাম, কেবল বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাত্রী এবং চালকদের মাথা ব্যথার কারণ। সম্প্রতি চীনে সাই নামের এক বাস ড্রাইভার ট্রাফিক জ্যামে অতিষ্ঠ হয়ে অভিনব পদ্ধতি হাতে নেন। তার সেই পদ্ধতি চীনে বেশ আলোচিত হয়েছে।

যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে রাস্তায় সাধারণত বিভিন্ন রকমের মার্কিং দেখা যায়। সে অনুযায়ী বিভিন্ন রুটে যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু সাই যা করেছেন সেটা সত্যিই অবাক হবার মতো। তিনি নিজের পথ ঠিক করতে রঙের কৌটা নিয়ে নিজেই রাস্তায় নেমে পড়েন। ট্রাফিক সিগনাল আটকে প্রায়ই দাগ কাটতেন সাই। একদিন তার ওপর নজর পড়ে পুলিশের। পুলিশ তাকে আটক করে। আর তাতেই সাইকে গুনতে হলো ১৫০ মার্কিন ডলার জরিমানা।
কেন এমন করলেন সাই? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিদিন কাজ করে এই পথ দিয়ে বাড়ি ফিরি। এই জায়গাটায় নিয়মিত ট্রাফিক জ্যাম লেগে থাকে। আমি দেখেছি বাম পাশের লেন দিয়ে অল্প কয়েকটা গাড়ি চলে। প্রায়ই লেনটা খালি থাকে। তাই আমি আরেকটা লেন বাড়িয়ে নিতে চেয়েছিলাম। যাতে সোজা লেন দিয়ে পার হওয়া গাড়িগুলো দ্রুত যেতে পারে।’
অবশ্য সাইয়ের সেই আশা পূর্ণ হয়নি। রাস্তার ওপর তিনি যে দাগগুলো এঁকেছেন সেগুলো মুহূর্তেই মুছে দেন দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ। বিস্তারিত

মাসে কোটি টাকার উপর আয় ৬ বছরের খুদের

নিউ ইয়র্ক: বয়স মোটে ছয়। উপার্জনের এই মুহূর্তে কোনও দরকার নেই। তাগিদও নেই। কিন্তু প্রায় বিনা আয়াসেই কোটি টাকা রোজগার করে খুদেটি। তাও নিজের পছন্দের কাজটি করেই। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। মার্কিন মুলুকের রায়ান এখন উপার্জনের নিরিখে নাম লিখিয়ে ফেলেছে ফোবর্সেও।

তা কী করে সে? কেন এত টাকার বর্ষা তার দৌলতে? আসলে সে কিছুই করে না প্রায়। শুধু তার পছন্দের খেলনাগুলি কীরকম লাগে, তাইই ব্যাখ্যা করে। তা তার বয়সি সব ছেলেপুলেরাই খেলনা ভালবাসে। নিজের পছন্দের খেলনা নিয়ে কথা বলতেও ভালবাসে। কোথায় রায়ান টেক্কা দিয়ে গেল বাকি সবাইকে? এর নেপথ্যে অবশ্য আছে রায়ানের অভিভাবকরা। তার যখন বছর চারেক বয়স, তখন একটি ইউ টিউব চ্যানেল খোলা হয়। নাম দেওয়া হয় রায়ানের নামেই। রায়ান তার পছন্দের খেলনাগুলি নিয়ে কথা বলত। তা ভিডিও করে তুলে দেওয়া হত ইউ টিউবে। দেখতে দেখতে রায়ানের ভিডিও বেশ জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অভিভাবকরা ইউটিউব সার্চ করে পৌঁছে যেতেন রায়ানের চ্যানেলে। আর দেখে নিতেন, তার বয়সি বাচ্চারা ঠিক কোন খেলনা পছন্দ করছে। সে খেলনার খুঁটিনাটি ইত্যাদি। যত জনপ্রিয়তা বাড়ে, তত বাড়ে দর্শকসংখ্যা। পাল্লা দিয়ে বাড়ে উপার্জনও। ক্রমে দেখা যাচ্ছে, ছয় বছরের বয়সের রায়ান ইউটিউব থেকে উপার্জন করেছে কোটি টাকারও বেশি।

শুধু খেলনা নয়, নিজের পছন্দের লজেন্সের কথাও শোনায় সে। যাকে অনেকটা রিভিউ বলা যেতে পারে। তবে রায়ানের রিভিউয়ের একটাই বৈশিষ্ট্য, সেখানে কোনও ভেজাল নেই। শিশুমনে যা ভাল লাগে, সে তাই অকপটে বলে দেয়। স্বাভাভিকভাবেই অভিভাবকরা শিশুমনে নাগাল পেতে পারে রায়ানের মাধ্যমেই।
২০১৭’য় ইউ টিউব থেকে সবথেকে বেশি উপার্জনের নিরিখে রায়ানের চ্যানেলকেই শীর্ষে রেখেছে ফোর্বস। এমনকী জনপ্রিয় ইউ টিউব ব্যক্তিত্ব লিলি সিংকেও ছাপিয়ে গিয়েছে সে। খেলনার শখ তো অনেকেরই থাকে। কিন্তু খেলতে খেলতে এরকম উপার্জন করতে পারে ক’জনে!
বিস্তারিত

৬ বছরেই তাকে নিয়ে হইচই

বয়স সবে মাত্র ছয়। এই বয়সেই গোটা দুনিয়ায় হইচই ফেলে দিয়েছে রুশ শিশুকন্যা অ্যানাস্তাসিয়া কেনিজেভা অ্যানা। বিশ্বের বাঘা বাঘা সংবাদমাধ্যম ফলাও করে ছাপছে তার খবর। কিন্তু কেন? এক কথায় উত্তর দিলে, নিজের ইনস্টাগ্রামে রেকর্ডসংখ্যক অনুসারী রয়েছে তার। এবং তারাই তাকে ‘বিশ্ব সুন্দরী’র খেতাব দিয়েছেন।

ইংলিশ জনপ্রিয় ট্যাবলয়েড ‘মেট্রো' জানিয়েছে, অ্যানার মা তাকে একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট খুলে দেন। অবিশ্বাস্য ব্যাপার হলো, অ্যাকাউন্ট তৈরি করার পর পরই আড়াই মিলিয়ন অনুসারী যোগ দেয় তার ইনস্টাগ্রামে। ইতোমধ্যে সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ মিলিয়নেরও অধিক।
বলা যায়, অ্যানাকে এ উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া কিংবা তাকে সুন্দরী হিসেবে বিশ্বের সামনে হাজির করার পেছনের কারিগর তার মা। যিনি নিয়মিত মেয়ের মডেলিং অ্যাডভেঞ্চারের ছবিগুলো ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন।
সামাজিক মাধ্যমে অ্যানার তুমুল জনপ্রিয়তা দেখে ইউরোপের মিডিয়া তাকে নতুন থিলান ব্লনডিউ আখ্যা দিতে শুরু করেছে। কারণ ফরাসি মডেল থিলান ব্লনডিউয়ের মতোই অ্যানার রয়েছে আকর্ষণীয়া নীল চোখ আর বাদামি চুল। ছোটবেলায় দেখতে ঠিক এমনই ছিলেন ফরাসি মডেল থিলান ব্লনডিউ।
অ্যানার জনপ্রিয়তা দেখে হুমড়ি খাচ্ছে বড়সড় প্রতিষ্ঠানও। তাদের লক্ষ্য অ্যানাকে দিয়ে পণ্যের বিজ্ঞাপন করানো। ভক্তরাও তার গুণগানে পঞ্চমুখ। এক ভক্ত বলেই দিয়েছেন, অ্যানা একদিন রাশিয়ান সুপার মডেল ইরিনা শায়েকের আসন দখলে নেবে। অনেকে আবার অ্যানার মাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তাদের বক্তব্য: ‘শিশুরা সুন্দর হয়, কিন্তু এত কম বয়সে নেট দুনিয়ায় অ্যানাকে আনা ঠিক হয়নি।’ এর আগে তরুণ রাশিয়ান মডেল ক্রিস্টিনা পিমেনোভাকে নিয়েও এমন বিতর্ক উঠেছিল। মাত্র আট বছর বয়সে তাকেও বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। সে সময় ফেসবুকে ২৫ লাখ ও ইনস্টাগ্রামে প্রায় পাঁচ লাখ অনুসারী ছিল তার। 
বিস্তারিত

প্রেমিকের মন পেতে ৩০ বার প্লাস্টিক সার্জারি

ভালোবাসার মানুষের মন পেতে প্রেমিক-প্রেমিকারা কত কিছুই না করেন। এ নিয়ে গল্প-উপন্যাসও লেখা হয়েছে অনেক। প্রিয় স্ত্রীর জন্য সম্রাট শাহজাহানের তাজমহল এখনো প্রেমিক-প্রেমিকাদের নিকট দৃষ্টান্ত। কিন্তু প্রিয় মানুষের মন পেতে হংকংয়ের ২২ বছর বয়সি তরুণী বেরি এনজি যা করেছেন তা সত্যিই বিরল।

বেরি এক বার, দুই বার নয়, ত্রিশ বার মুখের প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছেন। তবে সার্জারির পর তার মধ্যে দেখা দেয় অনুশোচনা। ১৭ বছর বয়সেই নিজেকে পশ্চিমা সুপার মডেলের আদলে দেখার শখ জাগে বেরির। ওই সময় তার পাশের একটি বিউটি পার্লার সুন্দর হওয়ার জন্য লোভনীয় কয়েকটি প্যাকেজ তাকে দেখায়। প্রথমে ১০২ মার্কিন ডলারের একটি স্টুডেন্ট প্যাকেজ নিয়ে কথা হয় তার সাথে। এরপর ২১৭৫ মার্কিন ডলারের প্যাকেজ করানোর জন্য বেরিকে প্ররোচিত করে বিউটিশিয়ান। তাতেই প্লাস্টিক সার্জারিতে আসক্ত হয়ে পড়েন তিনি।
সার্জারির পর বেরি নিজের চেহারা দেখে ভীষণ খুশি। দিনের পর দিন তিনি সার্জারিতে আরো বেশি মন দেন। ২০ বছর বয়সে প্রেমে পড়েন বেরি। বয়ফ্রেন্ড ছিল তার থেকে নয় বছরের বড়। প্রায়ই তিনি বেরির চেহারা নিয়ে কটুকথা বলতেন, মাঝে মধ্যে অন্য নারীর সৌন্দর্য নিয়ে বেরির সামনে প্রশংসা করতেন। এগুলো সহ্য হতো না বেরির। রাগে-অভিমানে আরো প্লাস্টিক সার্জারি করান তিনি।
সার্জারির কোর্স হিসেবে ঠোঁট, গাল, থুতনিতে ক্রমাগত ইনজেকশন দিতে হয়েছে তাকে। ফলে ধীরে ধীরে তার চেহারা আরো বদলে যায়। চীনা মিডিয়াতে অনেকটা আফসোসের স্বরে বেরি বলেন, ‘এতকিছুর পরও সে আমাকে যদি বলতো তোমাকে সুন্দর লাগছে, তাহলে আমি সার্জারিটা বন্ধ করে দিতাম।’
এমনকি বেরির বয়ফ্রেন্ড তার স্তন নিয়েও প্রশ্ন তোলে। তার অভিযোগ বেরির স্তন ছোট। যদিও বেরির বর্তমান অবস্থা দেখে হতবাক হয়েছেন তার মা। মায়ের মন্তব্য: ‘আমার বেরি আগেই দেখতে সুন্দর ছিল।’ শেষমেশ বেরি বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টেনেছেন। বর্তমানে তিনি ইউটিউবে প্লাস্টিক সার্জারির কুফল নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। বেরি বলেন, ‘নিয়মিত এসব নিয়ে অনেকেই আমাকে মেইল করছে। আসলে বয়ফ্রেন্ডরা তাদের বান্ধবীদের ওপর অনেক বেশি প্রভাব বিস্তার করতে চায়। যেমন করে আমার বয়ফ্রেন্ড বলেছিল- আমার নাক বোঁচা, আমার মুখ বেশি বড়, স্তন ছোট।’
বেরির এখন একটাই চাওয়া। তার মতো যেন আর কাউকে এমন পরিণতি বরণ করতে না হয়। তার ইচ্ছা, নিজেকে আবার পুরনো রূপে দেখা। ‘আমি যা করেছি এটা মোটেও ঠিক করিনি। আমি আমার পুরনো চেহারা ফিরে পেতে চাই। আমার একটাই চাওয়া, আমার মতো কারো এমন পরিণতি যেন না হয়।’

বিস্তারিত

তরুণীদের ভাল স্ত্রী হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে চীনা স্কুল, কিন্তু...!

ঘরের কাজ থেকে শতহাত দূরে থাকতেই পছন্দ করে চীনের অধিকাংশ তরুণী। সংসারের দায়িত্ব নেওয়ার ভয়ে অনেকেই বিয়েই করতে চাইছেন না। এই পরিস্থিতি থেকে কীভাবে সমাজকে মুক্ত করা যায় তার জন্য এগিয়ে এল দেশটির ফুশুন ট্র্যাডিশনাল কালচারাল সোসাইটি।  

চীনা মেয়েদের ঘরের কাজ শেখানো থেকে শুরু করে কীভাবে ভাল স্ত্রী হওয়া যায় তার প্রশিক্ষণ দিতে একটি স্কুল খুলে ফেলেছে তারা। চীনের একাধিক বড় শহরে এই স্কুলের শাখাও র‌য়েছে। আর ভাল স্ত্রী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে চীনের এই স্কুলে। চীনের সেই স্কুলে চীনা তরুণীদের শেখানো হয়, ভাল বউ হতে হলে মেয়েদের কথা কম বলতে হবে। বাড়ির কাজ নিপুনভাবে করতে হবে। বাইরে থেকে খাবার অর্ডার না করে বাড়িতে রান্না করুন। তা না করলে সেটা একজন নারীর অবমাননা করা হবে।  
ক্লাসের সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ভাইরাল। তারপরেই সমালোচনার ঝড় ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নেয় চীনা সরকার। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুলটি।   বিস্তারিত

আড়াই কেজি কাঁঠালের দাম ১০ লাখ!

ফলের জগতে কোনও দিনই কুলীন হয়ে উঠতে পারেনি কাঁঠাল। একে তো ‘দুর্গন্ধ’। একবার খেলে মুখ থেকে গন্ধ যায় না। গা যেন গুলিয়ে ওঠে! অনেকের হজমেরও সমস্যা। গোটা কাঁঠাল খাওয়ার ঘটনা গল্প–উপন্যাসেই পাওয়া যায়। আম বাঙালি কাঁঠাল থেকে শত হস্ত দূরে। তাই চালু প্রবাদও রয়েছে— অন্যের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা। বা, এ পাড়ে কাঁঠাল ভাঙল/ ও পাড়ে গন্ধ গেল–র মতো নেতিবাচক কথা। কর্নাটকের এক চাষীর গল্প শুনলে অবশ্য কাঁঠাল নিয়ে উন্নসিকতা কাটবে বইকি!

কর্নাটকের টুমাকুরু জেলার ছিল্লুর গ্রামে এসএস পরমেশার বাগানে একটি কাঁঠাল গাছ রয়েছে। সাধারণ কাঁঠালের গড় ওজন যেখানে ১০ থেকে ২০ কিলো হয়, পরমেশারের বাগানের এই কাঁঠালের ওজন মেরেকেটে আড়াই কিলো হবে। ছোট কাঁঠাল, তাই বিক্রি না করে বন্ধু–বান্ধব–আত্মীয়দের উপহার দেন তিনি। নির্দিষ্ট সময়ে তাঁরা কাঁঠাল চেয়ে আবদারও করেন। খুশি মনে সে আবদার মেটান পরমেশা।

আর সেই আবদারের কাঁঠালই তাঁকে বছরে ১০ লক্ষ টাকা উপার্জনের সুযোগ করে দিল। সম্প্রতি পরমেশার সঙ্গে ভারতীয় উদ্যানপালন গবেষণা সংস্থা (আইআইএইচআর) মউ স্বাক্ষর করেছে। তিনি ওই বিশেষ জাতের কাঁঠালের চারা তৈরি করবেন। আর সেই কাঁঠাল চারা নিজেদের ব্রান্ডে বিক্রি করবে আইআইএইচআর। বিক্রি বাবদ অর্থের ৭৫ শতাংশ পাবেন পরমেশা। ইতিমধ্যে ১০ হাজার কাঁঠাল চারার বরাত পেয়েছে আইআইএইচআর। ৩৫ বছর আগে পরমেশার বাবা এসকে সিদ্দাপ্পা এই কাঁঠাল গাছ বসিয়েছিলেন। সেই কাঁঠাল গাছের সূত্রেই ভাগ্য খুলে গেল পরমেশার।
কী রয়েছে এই কাঁঠালে? তামার রং–য়ের কাঁঠালের কোয়াগুলো অনেক বেশি পুষ্ঠিকর এবং সহজপাচ্য। তাই সাধারণ কাঁঠালের থেকে বেশি দামে বিক্রি করা যাবে এই কাঁঠাল।
টুমাকুরুকে এই বিশেষ প্রজাতির কাঁঠালের ‘অভিভাবক’ ঘোষণা করা হয়েছে। বিস্তারিত

  • হাথুরুসিংহের পরিকল্পনা ভুলে গেছে বাংলাদেশ: মাশরাফি
  • নতুন সম্পর্কে জোলি!
  • মাটির লেয়ারের ভিন্নতায় পদ্মা সেতুর ১৪ পাইলের ডিজাইনে বিলম্ব
  • ব্যাংকিং খাতে জবাবদিহিতার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে : অর্থমন্ত্রী
  • অবকাঠামো উন্নয়নে ৬০ মিলিয়ন ডলার দেবে ওএফআইডি
  • বাংলাদেশ যথেষ্ট সক্ষমতা অর্জন করেছে : বিশ্বব্যাংক
  • ৩৭ হজ এজেন্সিকে নোটিশ
  • বাজেটে এমপিও অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিবে: প্রধানমন্ত্রী
  • ভোলাগঞ্জ ও কালাইরাগে ৩৬টি ‘বোমা মেশিন’ ধ্বংস
  • ফেঞ্চুগঞ্জে ছাত্রলীগের ৫ নেতা বহিষ্কার
  • আম্মার মতো আমিও হারিয়ে যাব : রাইমা
  • ‘সূর্যসেন’ নতুন মঞ্চনাটক
  • আমি মৃত্যুকে ভয় করি না: আইভী
  • আমি একাই যথেষ্ট: শামীম ওসমান
  • সিরিয়ার কুর্দিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবেন এরদোয়ান
  • বড় ধরনের বিপদ থেকে বাচঁলেন শোয়েব!
  • কোহলির জরিমানা
  • নির্বাচন স্থগিত হওয়া ইসির চরম ব্যর্থতা: ফখরুল
  • ঢাকা উত্তরের মেয়র পদে উপনির্বাচন স্থগিত
  • রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু ২ বছরের মধ্যে
  • মুসলমানরাই সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসের শিকার: বান কি মুন   ৫০৬২১
  • মেয়র কালামের পায়ের নিচে ওসি আতাউর শার্ট খুলে লিনডাউন,তারপর জুতো পেটার প্রস্তাব   ১৪৬৯১
  • ছলনাময়ী নারীদের চেনার উপায়   ১৩৬৬০
  • জুমার নামাজ ছুটে গেলে কী করবেন?   ১১৫৬১
  • ​চিনা কোম্পানিকে কাজ দিতে প্রতিমন্ত্রী তারানার স্বাক্ষর জাল   ৯৩৪১
  • ঋণখেলাপি নই-হুন্ডি ব্যবসায়িও নই,সম্পত্তি নিলামের খবর অপপ্রচার-নাসির   ৮৩৩৪
  • জেনে নিন ছুলি দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায়   ৮২৬৭
  • ডিমের পর স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে সোনালি মুরগি   ৮২১৩
  • মুসাফির কাকে বলে? মুসাফিরের রোযা ভঙ্গ করলে   ৮১৭৮
  • গরুর দুধের অসাধারণ কয়েকটি গুণ   ৭৯৯৬
  • খতমে ইউনুস নামে সামাজে চলে আসা জালিয়াতী   ৭১১১
  • মুঘল সম্রাটদের দিনযাপন   ৬৫৬৮
  • চিত্রনায়িকা সাহারার সেক্স ভিডিও ফাঁস!   ৫৯৭৭
  • হযরত শাহ্‌ জালাল ইয়েমেনী (রাঃ)-এঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী   ৫৯০১
  • শিশুর কানে আজান দেবে কে?   ৫৫০৩
  • চিকিৎসায় দ্রুত সরকারি সহযোগিতা চান খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া   ৫৩৩৮
  • কামরূপ-কামাখ্যা : নারী শাসিত যাদুর ভূ-খন্ড   ৫২৯৩
  • প্রশ্নব্যাংকে প্রশ্ন, স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাছাই হয়ে পরীক্ষা   ৫২২৯
  • ম,আ,মুক্তাদিরের ছেলে রাহাত লন্ডনে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে   ৪৯৪৯
  • ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, চীন-পাকিস্তান সমীকরণ   ৪৮৩৮
  • সাম্প্রতিক আরো খবর

  • ৭০ বছরে প্রথমবার বিক্রি হচ্ছে দ্বীপ!
  • শিশুদের হাতে আত্মঘাতি উৎসবের উপহার
  • হিটলারের হাত থেকে বাঁচতে টিনের বাক্সে রাখা ছিল ব্রিটিশ রাজমুকুট
  • বিমানের টিকিট কেটে লটারিতে জিতলেন ২১ কোটি টাকা!
  • অস্ট্রেলিয়ায় মস্তিস্ক পুড়ে শতাধিক বাদুরের মৃত্যু
  • মৃত্যুর আগের মুহূর্তে বিয়ে করলেন নিজের 'ভালবাসাকে'
  • কয়েন জমিয়ে বিএমডব্লিউ ক্রয়
  • চোখের ভেতর বুলেট ও ২৭ কন্টাক্ট লেন্স
  • কয়েন জমিয়ে বিএমডব্লিউ ক্রয়
  • নাকের ভেতর চুম্বক
  • নগরফুলের হলিডে স্কুল
  • গরিলার শিশুসুলভ কাণ্ড (ভিডিও)
  • পাকস্থলীতে একশর বেশি লোহা
  • মৃত্যুপরবর্তী কাজে স্বজনদের বিরক্ত না করতে উৎসব
  • ডিজিটাল ভিক্ষুক!
  • তরুণীকে ‘ছিঁড়ে খেল’ তারই পোষা কুকুরেরা!
  • ১ কোটি ৩৬ লাখে গ্রাম বিক্রি
  • ‘দুই হাজার সন্তানের মা’
  • হারানো মেয়ে ২০ বছর পর দেখল বাবা-মাকে!
  • ট্রাফিক জ্যামে অতিষ্ঠ হয়ে অভিনব কাণ্ড
  • মাসে কোটি টাকার উপর আয় ৬ বছরের খুদের
  • ৬ বছরেই তাকে নিয়ে হইচই
  • প্রেমিকের মন পেতে ৩০ বার প্লাস্টিক সার্জারি
  • তরুণীদের ভাল স্ত্রী হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে চীনা স্কুল, কিন্তু...!
  • আড়াই কেজি কাঁঠালের দাম ১০ লাখ!