সর্বশেষ খবর

   হাথুরুসিংহের পরিকল্পনা ভুলে গেছে বাংলাদেশ: মাশরাফি    নতুন সম্পর্কে জোলি!    মাটির লেয়ারের ভিন্নতায় পদ্মা সেতুর ১৪ পাইলের ডিজাইনে বিলম্ব    ব্যাংকিং খাতে জবাবদিহিতার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে : অর্থমন্ত্রী    অবকাঠামো উন্নয়নে ৬০ মিলিয়ন ডলার দেবে ওএফআইডি    বাংলাদেশ যথেষ্ট সক্ষমতা অর্জন করেছে : বিশ্বব্যাংক    ৩৭ হজ এজেন্সিকে নোটিশ    বাজেটে এমপিও অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিবে: প্রধানমন্ত্রী    ভোলাগঞ্জ ও কালাইরাগে ৩৬টি ‘বোমা মেশিন’ ধ্বংস    ফেঞ্চুগঞ্জে ছাত্রলীগের ৫ নেতা বহিষ্কার    আম্মার মতো আমিও হারিয়ে যাব : রাইমা    ‘সূর্যসেন’ নতুন মঞ্চনাটক    আমি মৃত্যুকে ভয় করি না: আইভী    আমি একাই যথেষ্ট: শামীম ওসমান    সিরিয়ার কুর্দিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবেন এরদোয়ান    বড় ধরনের বিপদ থেকে বাচঁলেন শোয়েব!    কোহলির জরিমানা    নির্বাচন স্থগিত হওয়া ইসির চরম ব্যর্থতা: ফখরুল    ঢাকা উত্তরের মেয়র পদে উপনির্বাচন স্থগিত    রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু ২ বছরের মধ্যে


জাতীয়

দুই বছরেও অসম্পূর্ণ প্রাথমিক শিক্ষক জাতীয়করণ

সিলেট বার্তা, ২০১৪-১২-১৫ ১২:৫৫:০০

দুই বছর শেষ হতে চললেও প্রাথমিক শিক্ষক জাতীয়করণের কাজ এখনো শেষ হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২০১৩ সালের মধ্যে তিন ধাপে শিক্ষক জাতীয়করণ প্রক্রিয়ার কাজ শেষ হওয়ার কথা। এখন পর্যন্ত দু’ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। তৃতীয় ধাপের এখনো প্রায় ১৩শ স্কুল জাতীয়করণের কাজ বাকি। ফলে এসব স্কুলের শিক্ষকরা তাদের ন্যায্যা পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে প্রাথমিক শিক্ষার মান বৃদ্ধি ও শিক্ষকদের মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি তিন ধাপে দেশের রেজিস্টার্ড, রেজিস্টার্ডবিহীন এবং এনজিও পরিচালিত ২৬ হাজার ৫০০ বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দেন। ঘোষণার পর প্রথম ধাপে এমপিওভুক্ত ২২ হাজার ৯৮১টি এবং দ্বিতীয় ধাপে ২ হাজার ২৫২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জাতীয়করণ কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু এসব বিদ্যালয়ের ৯ হাজার ২৫ জন শিক্ষকের গেজেট বা সরকারি আদেশ বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় দীর্ঘদিন আটকে ছিলো। এসব শিক্ষকদের পদ সৃজন নিয়ে প্রশাসনে হয়েছে টালবাহানা আর ফাইল ছোড়াছুড়ি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে দফায় দফায় আপত্তি উত্থাপন করছে। সর্বশেষ গত ১৮ আগস্ট ৪ দফা আপত্তি ও তথ্য চেয়ে শিক্ষকদের পদ সৃজন ফাইল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠায়।

সূত্র জানায়, এসব বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের নামের তালিকা, শিক্ষার্থীদের সংখ্যা, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদে শূন্য পদের তালিকাও চেয়েছে মন্ত্রণালয়। ঘোষণা অনুযায়ী তৃতীয় ধাপের শিক্ষকরা ২০১৪ সালের শুরু থেকে বকেয়াসহ বেতন পাবার কথা থাকলেও তৃতীয় ধাপে বিদ্যালয় গেজেটের কাজ এখনও শুরু হয়নি।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, শিক্ষকদের জাতীয়করণ নিয়ে মন্ত্রণালয়ে ব্যাপক ব্যবসা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার পকেটে অর্থ গেলেই শিক্ষকের নাম গেজেটে প্রকাশ করা হচ্ছে। আর কৌশলে বাদ দেয়া হচ্ছে তালিকাভূক্ত শিক্ষকদের। অনেক শিক্ষকের নাম তালিকাভূক্ত হলেও সরকারি বেতন-ভাতা পাচ্ছেনা বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন অনিয়ম অভিযোগের ভিত্তিতে চলতি মাসে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে উপসচিব কেরামত আলীকে বদলি করে উপসচিব আবুল কালামকে জাতীয়করণের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

উপসচিব আবুল কালাম বলেন, মন্ত্রণালয়ের নিদের্শ অনুযায়ী তৃতীয় ধাপের কাজ অতিসত্বর শুরু করা হবে। এখন মাঠ পর্যায়ের কাজ চলছে। তালিকা চুড়ান্ত হলে আগামী দ’ুমাসের মধ্যে গেজেট প্রকাশ করা হবে।

শেয়ার করুন

Print Friendly and PDF

আপনার মতামত দিন