সর্বশেষ খবর

   ‘ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে ঢাবি প্রশাসন’    প্যারিসে সবুজ বাংলা বুশারি শপের উদ্ভোধন    সাংবাদিক কামরুলের উপর হামলাকারীদের গেপ্তারের দাবীতে সিলেটে মানববন্ধন    করমর্দন না করায় নাগরিকত্ব আবেদন বাতিল    ক্যাসিও’র পানিরোধক স্মার্ট ঘড়ি    জাতিসংঘের ৩ সংস্থার নির্বাচনে বাংলাদেশের বিজয়    গুঞ্জন উড়ালেন কিয়ারা    ‘অসহায় শিল্পীদের পাশে দাঁড়াতেই কনসার্টে অংশ নিচ্ছি’    পরের ম্যাচ জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বার্সা    বোলিংয়ে বিবর্ণ সাকিবের ব্যাটে ঝড়, হায়দরাবাদের প্রথম হার    দুই সিটিতে ২০ দলীয় জোটের চার কমিটি    বিচ্ছিন্ন নয়, সামগ্রিক আন্দোলন চান ফখরুল    বিএনপির ঐক‌্য সরকারকে পীড়া দিচ্ছে : রিজভী    শাবিতে বিভাগীয় প্রধান কর্তৃক শিক্ষক লাঞ্ছনার অভিযোগ    টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় শেখ হাসিনা    জাতীয় বাজেট সামনে রেখে ব্যবসায়ীদের সাথে সিলেট চেম্বারের মতবিনিময়    সুনামগঞ্জ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক পদে লড়ছেন ১০ জন    ফেঞ্চুগঞ্জে পাচারকালে ৬৬ বস্তা রিলিফের চাল জব্দ    ধর্ম অবমাননার অভিযোগে তসলিমা-সুপ্রীতিদের বিরুদ্ধে মামলা    শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করলেন ট্রুডো


খেলাধুলা

আজ ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ

সিলেট বার্তা, ২০১৮-০৩-১৮ ১৬:৩২:৪৩

আজ রবিবার আরও একটি ফাইনালের মঞ্চে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। উত্তেজনায় ঠাসা এমন ম্যাচে চোখ রাঙাচ্ছে অতীত পরিসংখ্যান। কারণ ফাইনাল মানেই যেন স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনা। ফাইনাল মানেই যেন হৃদয়ের রক্ষ ক্ষরণ। এবারও কি বেদনার রঙে নীল হতে হবে গোটা বাংলাদেশকে? নাকি ইতিহাস নতুন করে লিখবে বাংলাদেশ। এজন্য অবশ্য অপেক্ষা করতে হবে রবিবার রাত ১১টা পর্যন্ত।

পাঠকদের জন্যে এবার তুলে ধরা যাক বেদনার সব ফাইনাল। একটু পেছনে ফিরে দেখা যাক-

২০০৯ সালে স্বাগতিক বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে আয়োজিত হয়েছিল ত্রিদেশীয় সিরিজ। সাকিবের অসাধারণ পারফরম্যান্সে সেবার ফাইনাল খেলেছিল লাল-সবুজরা। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় স্বপ্নপূরণ হয়নি। ১৫৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছিল লঙ্কানরা। বাংলাদেশ যখন জয়ের আনন্দের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন মুরালিধরনের ব্যাটিংয়ে প্রথমবারের মতো ট্রফি হাতছাড়া হয় বাংলাদেশের।

২০১২ সালের এশিয়া কাপে আরও একবার শিরোপা জেতার সুযোগ হয়েছিল বাংলাদেশের। ওই ফাইনালে সাকিব-তামিম মুশফিকের কান্নায় ভেসে যায় মিরপুর থেকে শুরু করে ৫৬ হাজার বর্গমাইল। আগে ব্যাটিং করা পাকিস্তানকে ২৩৬ রানেই থামিয়ে দেয় বাংলাদেশ। সাকিবের ৬৮ ও তামিমের ৬০ রানের পরও লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষদিকে মাশরাফি ও মাহমুদউল্লাহ লড়াই করলেও জয়ের জন্য তা যথেষ্ট হয়নি। দুই রানের হার নিয়ে স্বাগতিক বাংলাদেশকে অপেক্ষায় থাকতে হয়।

দুটি শিরোপা হারিয়ে ২০ ওভারের ক্রিকেটে টাইগারদের সামনে সুযোগ এসেছিল ২০১৬ এশিয়া কাপে শিরোপা জেতার। কিন্তু ভারতের বিপক্ষে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচটিতে হার মানে বাংলাদেশ। স্নায়ুচাপ এবারও উতরাতে পারেনি বাংলাদেশ। আগে ব্যাটিং করা বাংলাদেশ ১৫ ওভারে ১২০ রান তোলে। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত ৭ বল হাতে রেখেই ৮ উইকেটে জয় পায়।

সর্বশেষ শিরোপা বঞ্চিত ফাইনালটি হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচটিতে অসহায় আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশ। লঙ্কানদের ২২১ রানে অলআউট করেও জিততে পারেনি স্বাগতিক বাংলাদেশ। ৫৩ বল আগেই ১৪২ রানে অলআউট হয়। মাহমুদউল্লাহর ৭৬ রান ছাড়া কেউই বড় স্কোর গড়তে পারেনি।

রবিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ তাদের পঞ্চম ফাইনালে খেলতে যাবে। কিন্তু এই ফাইনালের আগে আরও একবার দুর্বাভনাও মনে উঁকি দিচ্ছে। আবারও কি স্বপ্নভঙ্গ হবে? নাকি নতুন কোনও ইতহাস গড়বে বাংলাদেশ। সাকিব অবশ্য নির্ভার থেকেই ফাইনাল খেলতে চান, ‘আমরা চেষ্টা করছি যতটা নির্ভার থাকা যায় এবং খোলা মনে থাকা যায়। টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ভালো করার জন্য নির্ভার থাকাটা খুবই জরুরি। চাপ হিসেবে চিন্তা করলেই চাপ; আর না চিন্তা করলে চাপ না। আমি নিশ্চিত সবাই অনেক নির্ভার আছে।’

এক নজরে পরিসংখ্যান

১. দুই দল টি-টোয়েন্টিতে অষ্টমবারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। সাতবারই জিতেছে ভারত।

২. আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ১১ ম্যাচের ৯টিতেই জিতেছে ভারত। এই ভেন্যুতে সবশেষ তিনম্যাচে বিজয়ী তারাই।

৩. ২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জিতেছে ভারত। ৪০টি ম্যাচে ২৯টিতেই জয় তাদের।

৪. নিদাহাস ট্রফিতে ৬ ম্যাচের ৫টিতে জিতেছে রান তাড়া করা দল।

৫. নিদাহাস ট্রফিতে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ওয়াশিংটন সুন্দর। নিয়েছেন ৭টি। এমনকি মিতব্যয়ী বোলারও ।

শেয়ার করুন

Print Friendly and PDF

আপনার মতামত দিন