সর্বশেষ খবর

   বালাগঞ্জে ভেজাল বিরোধী অভিযান    র‍্যাবের খাঁচায় সিলেটের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ সুধাংশু    বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উপলক্ষে সিলেটে আলোচনা সভা    জিন্দাবাজারে রিফাত এন্ড কোং’এ ২০ হাজার টাকা জরিমানা    মৌলভীবাজারে দুই ছাত্রলীগ কর্মী খুনের মামলার প্রধান আসামির আত্মসমর্পণ    সহকর্মীকে ‘হ্যান্ডসাম’ বলায় চাকরি হারালেন সংবাদ উপস্থাপিকা    প্রতিটি পোস্টে নজর রাখছে ১৫ হাজার ‘ফেসবুক পুলিশ’    মন্ত্রী-সচিবদের কেউ কেউ ফোন-ফ্যাক্সের দোকান খুলে বসতে পারেন: পার্থ    মিশিগান বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত    সাকিবদের হারিয়ে ফাইনালে চেন্নাই    ‘মাদকবিরোধী অভিযানে মানুষের প্রশংসা বিএনপির ভালো লাগছে না’    বন্দুকযুদ্ধের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখছে বিএনপি    তুরস্কে ইসরাইলি পণ্য নিষিদ্ধ    মার্কেন্টাইল ব্যাংক ৩০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়ছে    খালেদার ৩ মামলায় জামিনের শুনানি বুধবার    বাগেরহাটে মনোনয়নপত্র নিলেন নায়ক শাকিল    ৭১তম কান উৎসবে বিজয়ী হলেন যারা    থাপ্পড় মেরে ১৩তম লালকার্ড    ১৫ জুনের আগেই কোচ পাচ্ছে টাইগাররা    ক্রিকইনফোর আইপিএল সেরা একাদশে নেই সাকিব


সিলেট

‘কানাইঘাটে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছার নামে কোনো বিদ্যালয় ছিল না’

সিলেট বার্তা, ২০১৮-০৫-১৬ ১৪:১৮:৫১

সিলেটের সীমান্তবর্তী কানাইঘাট উপজেলায় মহিয়সী নারী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছার নামে কোনো বিদ্যালয় ছিল না বলে পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন মূলাগুল হারিছ চৌধুরী একাডেমীর সভাপতি মো. ফখর উদ্দিন চৌধুরী। তিনি অভিযোগ করেন, মহিয়সী নারীর নাম ভাঙ্গিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আহমদ সোলেমান, তার মা আনোয়ারা বেগম ও ভাই আহমদ আব্দুল্লাহ ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা করছেন। মঙ্গলবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে ফখর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ১৯৯৬ সালে স্থানীয়দের উদ্যোগে মূলাগুল নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে ২০০১ সালে এমপিওভুক্তির সময় এই বিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয় মূলাগুল হারিছ চৌধুরী একাডেমি। সেই সময় সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান আহমদ সোলেমান। তার সময়েই বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে মূলাগুল হারিছ চৌধুরী একাডেমি করা হয়। আর সেই তিনিই গত ৯ মে সংবাদ সম্মেলনে অসত্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার করেছেন।

ফখর উদ্দিন বলেন, আশেপাশে কোন বিদ্যালয় না থাকায় এই রকম দুর্গম পাহাড়ী এলাকার এই প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে প্রায় এগার শ’ জন ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়ন করছে। যাদের মধ্যে উপজাতি সম্প্রদায় ও চা শ্রমিকের সন্তান রয়েছে। প্রতি বছর জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করে আসছে। এই বিদ্যালয়টি বৃহত্তর মূলাগুলের আশির্বাদ স্বরূপ।

এমতাবস্থায় বিদ্যালয়টির সুনাম নষ্ট করার জন্য আহমদ সোলেমান, আনোয়ারা বেগম ও আহমদ আব্দুল্লাহ গত ৯ মে সিলেট প্রেসক্লাবে হারিছ চৌধুরী একাডেমীর বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করে। সংবাদ সম্মেলনে তারা কান্দলা (আহমদ নগর) নামে একটি নতুন গ্রামের নাম উল্লেখ করে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এলাকাবাসী গ্রামের নাম বদলানোর জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করছে।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে বলে আনোয়ারা বেগম সংবাদ সম্মেলনে যে অভিযোগ করেছেন- তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। কানাইঘাট উপজেলা তথা মূলাগুল এলাকায় মহিয়সী নারী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা নামে কোন প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। এই রকম একজন মহিয়সী নারীর নামকে ব্যবহার করে আহমদ সোলেমান চক্র ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যা এলাকাবাসী ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করছেন। সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ বিনষ্টকারী আহমদ সোলেমান ও তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন একাডেমির প্রধান শিক্ষক আহমদ সবুর, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নুর উদ্দিন, আলতাফ উদ্দিন ও হাফিজ কামাল উদ্দিন, জেলা পরিষদের সদস্য হাজী আলমাছ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা এম এ হান্নান, সহকারী শিক্ষক আফতাব উদ্দিন, আজিজুল ইসলাম ও মুসলিম উদ্দিন, ইউপি সদস্য কয়েসুর রহমান, অভিভাবক জাকার হোসেন, আহমদ হোসেন, সমাজসেবী সফর উদ্দিন প্রমুখ।

শেয়ার করুন

Print Friendly and PDF

আপনার মতামত দিন