সর্বশেষ খবর

   বালাগঞ্জে ভেজাল বিরোধী অভিযান    র‍্যাবের খাঁচায় সিলেটের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ সুধাংশু    বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উপলক্ষে সিলেটে আলোচনা সভা    জিন্দাবাজারে রিফাত এন্ড কোং’এ ২০ হাজার টাকা জরিমানা    মৌলভীবাজারে দুই ছাত্রলীগ কর্মী খুনের মামলার প্রধান আসামির আত্মসমর্পণ    সহকর্মীকে ‘হ্যান্ডসাম’ বলায় চাকরি হারালেন সংবাদ উপস্থাপিকা    প্রতিটি পোস্টে নজর রাখছে ১৫ হাজার ‘ফেসবুক পুলিশ’    মন্ত্রী-সচিবদের কেউ কেউ ফোন-ফ্যাক্সের দোকান খুলে বসতে পারেন: পার্থ    মিশিগান বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত    সাকিবদের হারিয়ে ফাইনালে চেন্নাই    ‘মাদকবিরোধী অভিযানে মানুষের প্রশংসা বিএনপির ভালো লাগছে না’    বন্দুকযুদ্ধের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখছে বিএনপি    তুরস্কে ইসরাইলি পণ্য নিষিদ্ধ    মার্কেন্টাইল ব্যাংক ৩০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়ছে    খালেদার ৩ মামলায় জামিনের শুনানি বুধবার    বাগেরহাটে মনোনয়নপত্র নিলেন নায়ক শাকিল    ৭১তম কান উৎসবে বিজয়ী হলেন যারা    থাপ্পড় মেরে ১৩তম লালকার্ড    ১৫ জুনের আগেই কোচ পাচ্ছে টাইগাররা    ক্রিকইনফোর আইপিএল সেরা একাদশে নেই সাকিব


চিত্র-বিচিত্র

যে গ্রামে ৪০০ বছর ধরে জন্ম নেয়নি কোন শিশু!

সিলেট বার্তা, ২০১৮-০৫-১৬ ১৫:১২:৪৪

দেখতে আর পাঁচটা সাধারণ গ্রামের মতোই। নাম শঙ্ক শ্যাম জি গ্রাম। কিন্তু এই গ্রামের রয়েছে অদ্ভুত এক রীতি। এখানে নাকি ৪০০ বছর ধরে কোন শিশু জন্ম নেয়নি। ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজগড় জেলায় অবস্থিত এই গ্রামটি।

গ্রামের প্রবীণদের দাবি অনুযায়ী, ষোড়শ শতক থেকেই এমন রীতি চলে আসছে এখানে। গ্রামের লোকেদের বিশ্বাস, এই গ্রামে ঈশ্বরের অভিশাপ রয়েছে। এই গ্রামে যদি কোনও শিশু জন্ম নেয়, তাহলে সেই শিশুটি বিকলাঙ্গ হয়ে যাবে, না হলে শিশুটির মা মারা যাবেন।

গ্রামের প্রবীণদের কথায়, ষোড়শ শতকের গ্রামে একটি মন্দির নির্মাণের কাজ চলছিল। সেই সময়ে এক মহিলা গম ভাঙতে শুরু করেন। সেই আওয়াজের ফলে নির্মাণকাজে ব্যাঘাত ঘটায় ক্ষুব্ধ হন স্বয়ং ঈশ্বর। অভিশপ্ত হয় গোটা গ্রাম।

ফলে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের জন্য গ্রামের সীমানার বাইরে একটি ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গ্রাম প্রধান নরেন্দ্র গুর্জর। তিনি আরও বলেন, মন্দির নির্মাণের সময় ঈশ্বর এক মহিলা ওপর রেগে গিয়েছিলেন। যার ফল ভুগতে হচ্ছে গোটা গ্রামকে।

সেই সঙ্গে তিনি আরও জানান, ৯০ শতাংশ মহিলা সন্তান প্রসব করেন হাসপাতালে। জরুরি পরিস্থিতির সময় গ্রামের সীমানার বাইরে যে ঘরটি তৈরি করা হয়েছে, সেখানেই সন্তান জন্ম দেন প্রসূতিরা।

গ্রামের আর এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, গ্রামের মধ্যে মদ কিংবা মাংসও খাওয়াও হয় না। ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট রাখতেই না কি এই রীতি চালু রয়েছে।

শেয়ার করুন

Print Friendly and PDF

আপনার মতামত দিন